Archaeo-Mystery-আর্কিও মিস্ট্রি
Dainiburi O Anaynya - ডাইনিবুড়ি ও অন্যান্য
Manasabijay - মনসাবিজয়
Nabboiye Nabin Sanjib - নব্বইয়ে নবীন সঞ্জীব
Pather Panchali Ke Bibhuti-Babu - পথের পাঁচালীকে বিভূতি-বাবু
Noiso Opera / Shakyajit Bhattacharya - নৈশ অপেরা
Mahan Akushe - মহান একুশে
Shree Subhash Chandra Basu Samagra 6 - শ্রী সুভাষচন্দ্র বসু সমগ্র রচনাবলী ৬
The Vincir Chobi - দ্য ভিঞ্চির ছবি
Sambhawami Yuge Yuge/Saswata Dhar - সম্ভামি যুগে যুগে/শাশ্বত ধর
Golpe Golpe Banan - গল্পে গল্পে বানান
Indubala Bhater Hotel | Kollol Lahiri - ইন্দুবালা ভাতের হোটেল
Kabuliwala o Postmaster - কাবুলিওয়ালা ও পোস্টমাস্টার
BERGMAN ISWAR O NARI | বার্গম্যান ঈশ্বর ও নারী
Noksal Barinama - নকশাল বাড়িনামা
Obhishopto Puran - অভিশপ্ত পুরাণ
Bangla Sahityer Kotha Part 2 (the middle ages) - বাংলা সাহিত্যের কথা ২য় খণ্ড(মধ্যযুগ)
Rabindranather Gaan Deeper Moto Ganer Srote - রবীন্দ্রনাথের গান দীপের মতো গানের স্রোতে
Noni Kapaliker Panchatantra / ননী কাপালিকের পঞ্চতন্ত্র
Archaeo-Mystery-আর্কিও মিস্ট্রি
Dainiburi O Anaynya - ডাইনিবুড়ি ও অন্যান্য
Manasabijay - মনসাবিজয়
Nabboiye Nabin Sanjib - নব্বইয়ে নবীন সঞ্জীব
Pather Panchali Ke Bibhuti-Babu - পথের পাঁচালীকে বিভূতি-বাবু
Noiso Opera / Shakyajit Bhattacharya - নৈশ অপেরা
Mahan Akushe - মহান একুশে
Shree Subhash Chandra Basu Samagra 6 - শ্রী সুভাষচন্দ্র বসু সমগ্র রচনাবলী ৬
The Vincir Chobi - দ্য ভিঞ্চির ছবি
Sambhawami Yuge Yuge/Saswata Dhar - সম্ভামি যুগে যুগে/শাশ্বত ধর
Golpe Golpe Banan - গল্পে গল্পে বানান
Indubala Bhater Hotel | Kollol Lahiri - ইন্দুবালা ভাতের হোটেল
Kabuliwala o Postmaster - কাবুলিওয়ালা ও পোস্টমাস্টার
BERGMAN ISWAR O NARI | বার্গম্যান ঈশ্বর ও নারী
Noksal Barinama - নকশাল বাড়িনামা
Obhishopto Puran - অভিশপ্ত পুরাণ
Bangla Sahityer Kotha Part 2 (the middle ages) - বাংলা সাহিত্যের কথা ২য় খণ্ড(মধ্যযুগ)
Rabindranather Gaan Deeper Moto Ganer Srote - রবীন্দ্রনাথের গান দীপের মতো গানের স্রোতে
Noni Kapaliker Panchatantra / ননী কাপালিকের পঞ্চতন্ত্র
YEAR OF PUBLICATION : 2022
অলৌকিক অনুভব
মূর্তি মন্দির পরিক্রমার ভিন্ন আখ্যান
সোমা মুখোপাধ্যায়
ঈশ্বর আছে না নেই এ তর্ক বহুদিনের। কথামৃতে সহজভাবেই ঠাকুর এ নিয়ে নানাভাবে আলোচনা করেছেন। আমরা তো সেই নুনের পুতুলের মতো। সমুদ্রের তল মাপতে গিয়ে তার মাঝেই হারিয়ে যাই। অথবা সেই লোকটির মতো যে শ্রীক্ষেত্রে জগন্নাথ সাকার না নিরাকার একটা লাঠি নিয়ে পরীক্ষা করেছিল। যখন লাঠি জগন্নাথের বিগ্রহ স্পর্শ করেনি তখন তিনি তার কাছে নিরাকার আবার যখন লাঠি স্পর্শ করল বিগ্রহকে তখন জগন্নাথ দেব তার কাছে সাকার। আসল কথা ভক্তের ভগবান। কখনো তিনি মধুসূদন দাদা হয়ে ভক্তকে জঙ্গল পার করে দেন আবার কখনো ছোট মেয়ের বেশে ভক্তের ঘরের বেড়া বেঁধে দেন। সেদিক থেকে বলতে গেলে এই বইটি চেনা ছকে লেখা কোনো মন্দির ভ্রমণের কাহিনি নয়। এই কাহিনি বিশ্বাসের। হয়তো বা চেতন থেকে চৈতন্যের অনন্ত পথে পৌঁছে যাওয়ার এক দিশা।
জেনেটিক এঞ্জিনিয়ারিং-র যথেচ্ছ প্রয়োগ করে হাঁসজারু বা বকচ্ছপ সৃষ্টি অসম্ভব থাকবে না আর, মানুষ ক্লোনিং অবাধ হলে কী কাণ্ড যে ঘটবে, তা কল্পনা করতেও ভয় করে। পালটে যাবে প্রেম ও যৌনতার খোলনলচে, যন্ত্র হয়ে উঠবে মানুষের বিকল্প, এদিকে মানুষ আরও বেশি যান্ত্রিক হয়ে যাবে। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের ছবি কল্পনায় আঁকলে, সে কল্পনার মালমশলা বিজ্ঞান প্রযুক্তির ফিউচার ফোরকাস্ট থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। ‘আদর ৩০৩০’, ‘লোলা, লীলা, সিস আর যে আসছে’, ‘বিদায় অভিশাপ রিটার্ন’ ‘সামান্থা ও সিদ্ধেশ’- এমন সব কল্পগল্প ও একটি দুর্দান্ত নভেলা নিয়ে সাজানো এই সংকলন পাঠকের মন জয় করবেই।
লেখক পরিচিতি:
তৃষ্ণা বসাক এই সময়ের বাংলা সাহিত্যের একজন একনিষ্ঠ কবি ও কথাকার। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, কল্পবিজ্ঞান, মৈথিলী অনুবাদকর্মে তিনি প্রতি মুহুর্তে পাঠকের সামনে খুলে দিচ্ছেন অনাস্বাদিত জগৎ। জন্ম কলকাতায়। শৈশবে নাটক দিয়ে লেখালেখির শুরু, প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘সামগন্ধ রক্তের ভিতরে’, দেশ, ১৯৯২। প্রথম প্রকাশিত গল্প ‘আবার অমল’ রবিবাসরীয় আনন্দবাজার পত্রিকা, ১৯৯৫। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.ই. ও এম.টেক তৃষ্ণা পূর্ণসময়ের সাহিত্যকর্মের টানে ছেড়েছেন লোভনীয় অর্থকরী বহু পেশা। সরকারি মুদ্রণ সংস্থায় প্রশাসনিক পদ, উপদেষ্টা বৃত্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শী অধ্যাপনা, সাহিত্য আকাদেমিতে আঞ্চলিক ভাষায় অভিধান প্রকল্পের দায়িত্বভার-প্রভৃতি বিচিত্র অভিজ্ঞতা তাঁর লেখনীকে এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে। প্রাপ্ত পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে- সাহিত্য আকাদেমি ভ্রমণ অনুদান ২০০৮, পূর্ণেন্দু ভৌমিক স্মৃতি পুরস্কার ২০১২, সম্বিত সাহিত্য পুরস্কার ২০১৩, কবি অমিতেশ মাইতি স্মৃতি সাহিত্য সম্মান ২০১৩, ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার (বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ) ২০১৩, ডলি মিদ্যা স্মৃতি পুরস্কার ২০১৫, সোমেন চন্দ স্মারক সম্মান (পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি) ২০১৮, সাহিত্য কৃতি সম্মান (কারিগর) ২০১৯, কবি মৃত্যুঞ্জয় সেন স্মারক ২০২০, নমিতা চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য সম্মান, ২০২০ ও অন্যান্য আরো পুরস্কার। বর্তমানে কলকাতা ট্রান্সলেটরস ফোরামের সচিব।
কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত-র প্রয়াণের পর আমাদের ‘এবং অধ্যায় পত্রিকা’ থেকে প্রকাশিত হয় তাঁকে নিয়ে স্মরণ সংখ্যা। সেই সংখ্যায় অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত নিয়ে বিশেষ কিছু প্রাবন্ধিকের আলোচনা ও স্মৃতিচারণা উঠে আসে। প্রায় বছর তিন পুরোনো সেই বিশেষ সংখ্যার এখনও খোঁজ আসে। সে-সকল পাঠকদের কথা ভেবে বিশেষ সংখ্যার অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তকে নিয়ে লেখা প্রবন্ধ ও স্মৃতিচারণ এবং আরও কিছু নতুন প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ বই আকারে প্রকাশ পেল। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তকে নিয়ে আলোচনাগুলি পাঠকের অলোকরঞ্জন-অধ্যয়ন আরও খানিক পরিপূর্ণতার দিকে এগিয়ে দেবে।
Prebook
1st জুন পর্যন্ত চলবে এই Pre-Booking
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 14 × 2 cm
Author Name
Abhik Dutta
Binding
Hardcover
ISBN
9789348544414
Language
Bengali
Pages
148
Publisher
Book Farm
Publishing Year
2025
Publishing Year
2020
কলকাতার হৃদপিণ্ড লালবাজার, যেখানে প্রতিদিন জমা হয় অপরাধ, রহস্য আর অমীমাংসিত কেস ফাইল। শহরের ভিড়, আঁকাবাঁকা গলি আর রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে অগণিত অচেনা গল্প, যা সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। সেই অদৃশ্য রহস্যকে দৃশ্যমান করে তোলার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন লালবাজার স্পেশাল ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের নতুন অফিসার, স্বর্ণালী পাল চৌধুরী।
কঠোর শৃঙ্খলা, দৃঢ় মানসিকতা আর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ক্ষমতা নিয়ে স্বর্ণালী এগিয়ে চলেন একে একে পাঁচটি ভিন্ন কেসের পথে। কখনো হাওড়ার নদীপথে ভেসে ওঠা অঙ্গহীন দেহ, কখনো কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত খুন, আবার কখনো কলকাতার সঙ্গে জুড়ে যাওয়া পাহাড়ি শহরের নির্জন রাস্তায় চাপা পড়ে থাকা মৃত্যু। প্রতিটি রহস্য আলাদা, অথচ তাদের সুতো জুড়ে যায় অপরাধের অন্ধকার জগতে।
এই গল্পগুলো নিছক পুলিশের ডায়েরি নয়, এগুলো এক নারীর সাহসিকতা, তার মনের দ্বন্দ্ব আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার অবিরাম সংগ্রামের কথা। আর সেই সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্তকে শব্দে বন্দি করছেন তার সঙ্গী, স্বামী ও লেখক ভাস্কর পাল চৌধুরী।












