Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Klanto Uter Cholachol
Prithwi Basu
ক্লান্ত উটের চলাচল
Mandas
Bengali book
Bar Bar Mager Muluk
By Biswajit ray
Mandas
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manas Bhandari
Weight – 0.2kg
Binding – Hard Bound
কলেজস্ট্রীট কফি হাউস
Author : SriVijaychandra Majumder
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Bharatpathik Raja Rammohan Roy er ek mulyaban grantha…
Publisher
Khori – খড়ি প্রকাশনী
Binding
Paperback
Language
Bengali
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Panchkari Dey
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
রঘু ডাকাত
‘নিরামিষ’ হিন্দু ভারত : ‘আমিষ’ সেকুলার ভারত
ব্রাত্য বসু
ধর্মাচরণকারী নিরামিষ খাবে না আমিষ? এ তর্ক আবার উঠল এই রাজ্যে মন্দির উদ্বোধন এবং ভুয়ো খবরকে কেন্দ্র করে। কিন্তু আদতেই কি ধর্ম ধার্মিকের কাছে এসব জবাবদিহি চায়? সহিহিন্দুকে কি শ্রাবণমাসে নিরামিষ খেতেই হবে? মোদির নিদানকে সমর্থন করে বৈদিক ধর্মগ্রন্থ, স্মৃতিশাস্ত্র? খানাপিনাকে কী ভাবে দেখা হয়েছে নানা সাম্রাজ্যে?
এই মনোগ্রাফে ব্রাত্য বসু খুঁটিয়ে দেখেছেন তথ্য, আমাদের পৌঁছে দিয়েছেন তত্ত্বে।
মড়ক ও নবান্ন
অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়
সবকিছুরই একদিন শেষ হয়। কিন্তু প্রতিটি সমাপ্তিই কি নতুন শুরুর দরজা খুলে দেয় না? অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় ধ্বংস ও সৃষ্টির সেই চিরন্তন সম্পর্ককে কবিতার ভাষায় রূপ দিয়েছেন। ক্ষয়, ভাঙন, মৃত্যু সবকিছুর মধ্যেই তিনি খুঁজেছেন পুনর্জন্মের সম্ভাবনা। প্রতিটি কবিতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ক্ষয় ও সৃষ্টি, কান্না ও হাসি, মৃত্যু ও জীবন—সবই একই চক্রের অংশ। অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাব্যে এই দ্বৈততাই হয়ে উঠেছে সৌন্দর্যের সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষা। ব্যক্তিগত বেদনা থেকে সামাজিক বাস্তবতা সব মিলিয়ে এই কাব্যগ্রন্থ হয়ে ওঠে আমাদের সময়ের এক সংবেদনশীল দলিল।
ফের জ্বলছে কাশ্মীর। চারদিকে রক্তের গন্ধ। মৃত্যুর মিছিল ভূস্বর্গে। চিনারের বন পেরিয়ে যে হাওয়া সর্বাঙ্গ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় সে হাওয়ায় আজ তীব্র বারুদের গন্ধ। সে হাওয়া অন্য এক ভারতের তীক্ষ্ণ হাহাকার আর সর্বগ্রাসী ক্ষোভের কথকতা শুনিয়ে যায়! কাশ্মীর মানে, বিধ্বস্ত নিরাপত্তা, সম্মান। ভূমিপুত্রদের সকলের নাম একযোগে অঘোষিত জঙ্গি তালিকায় তুলে দেওয়া! রাস্তায় বেরোলেই পদে পদে তল্লাশি আর উর্দিধারীদের শরীর ও চোখের চাউনি থেকে ঝরে পড়া অপমান। জনজীবন বিপর্যন্ত হওয়াটা তো বাইরে থেকে চোখে পড়ে! গোটা মানবজমিন যে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, তা আমার ‘নিরাপদ’ আশ্রয়ে বসে টের পাই কই। এই ভূস্বর্গে দমবন্ধ হয়ে আসে!
সাক্ষাৎকার। তার আড়ালে গল্প। বিচিত্র, অভিনব, রকমারি। হলিউড অভিনেত্রী থেকে নোবেল লরিয়েট, আমস্টারডামের প্রাক্তন যৌনকর্মী থেকে প্যারিসের গ্রাফিক নভেল আর্টিস্ট- উঠে এসেছে তাঁদের কাহিনি। আছে দূরদেশে হারিয়ে যাওয়ার গল্প আবার ভিনদেশে বাংলা-বাঙালিকে খুঁজে পাওয়ার আখ্যান। ‘দূরের মানুষ দুই মলাটে’ আসলে এক জার্নি। দূরকে চেনার, হয়তো নিজেকে জানারও।
প্রত্নতত্ত্ববিদ ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বাসন্তী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত পরকীয়াবাদ বিষয়ক লেখাগুলি আমাদের বিস্মিত করে।
ভারতের প্রাচীন পরকীয়াবাদ থেকে আধুনিক সাহিত্যে পরকীয়ার প্রকাশ নিয়ে যেমন তিনি আলোচনা করেছেন, তেমনি বেশ্যা ও পরকীয়া, আধুনিক সতীত্ব নিয়েও মনোজ্ঞ আলোচনা করেছেন। এসেছে মৌর্য যুগের পরকীয়ার কথাও। বাৎসায়নের কামসূত্র এবং বৈষ্ণব পদাবলীর পরকীয়াবাদ বিষয়েও আলোকপাত করেছেন।
বিলুপ্তি উদ্ধারও এক ধরনের সৃষ্টি। বইটি সুচারু গ্রন্থনা করেছেন সৌমক পোদ্দার। অধ্যাপক কুন্তল মিত্রের মূল্যবান ভূমিকা বইটিকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
Publication – Shabdo Prokashon
Author -SRI BIRENDRANATH GHOSH
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
বাংলার বাহুবল
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Biswajit Saha
Weight – 0.3kg
Binding – Hard Bound
সভ্যতার শরীর
সোভিয়েত সমাজে যখন সর্বব্যাপী ভাঙনের ঢল নেমেছিল, সেই সময়ের তিনটি কাহিনি নিয়ে এই বই। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা প্রগতি প্রকাশনের সদর দপ্তর ছিল মস্কোর ১৭ জুবোফস্কি বুলভারে। সেখানে অনুবাদকের কাজ করতেন বাংলাদেশের সৌমেন রায়, পশ্চিমবঙ্গের ননী ভৌমিক, অরুণ সোম এবং আ অনেকে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতি প্রকাশন বল হয়ে গেলে সেখানে যে গভীর বির্য নেমে এসেছিল, তারই গল্প জুবোফস্কি বৃচার। বাংলাদেশ থেকে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া এক তরুণ ছাত্রের চোখে দেখা সোভিয়েত সমাজের ভাঙনের কাহিনি হলো পানপর্ব। সোভিয়েত ভাঙনের কালে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে যাওয়া দুই ছাত্রের ঐতিহাসিক মোকাবিলা হচ্ছে পাকিস্তান, যেখানে ফিরে ফিরে আসে ১৯৪৭ সালের ভারতভাগ এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের খুঁটিনাটি।
কখনও ভেবে দেখেছেন বাঙালি আজও স্বামী বিবেকানন্দকে কতটা নিতে পেরেছে? উত্তর সম্ভবত কারো কাছেই নেই। একশ্রেণির বাঙালি একটা সময় প্রতিপদে স্বামী বিবেকানন্দকে অপমান করেছে, হেয় করেছে। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্যদের দেখে হাঁসের ডাক ডেকেছে। স্বামীজিকে কটাক্ষ করে বলেছে, “কায়েতের ছেলে হয়ে সন্ন্যাসী!” সেই বাঙালিদের একটা বৃহত্তরগোষ্ঠী আবার পরে স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে মাতামাতি করেছে। স্বামীজির ঘনিষ্ঠ ভক্ত-শিষ্য থেকে প্রতাপচন্দ্র মজুমদার, স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বহু দিক্পাল বাঙালিই বিবেকানন্দের বিরোধিতা করেছেন প্রকাশ্যে। সে-যুগে কেউ কেউ বই অবধি ছাপিয়ে বিলি করেছেন। বাঙালির এই বিবেকানন্দ-বিরোধিতা প্রায় শতবর্ষ ছাড়িয়েছে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের প্রায় পঞ্চাশজনের বিরোধিতা নিয়েই এই গ্রন্থের নির্মাণ।
কলকাতার হৃদপিণ্ড লালবাজার, যেখানে প্রতিদিন জমা হয় অপরাধ, রহস্য আর অমীমাংসিত কেস ফাইল। শহরের ভিড়, আঁকাবাঁকা গলি আর রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে অগণিত অচেনা গল্প, যা সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। সেই অদৃশ্য রহস্যকে দৃশ্যমান করে তোলার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন লালবাজার স্পেশাল ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের নতুন অফিসার, স্বর্ণালী পাল চৌধুরী।
কঠোর শৃঙ্খলা, দৃঢ় মানসিকতা আর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ক্ষমতা নিয়ে স্বর্ণালী এগিয়ে চলেন একে একে পাঁচটি ভিন্ন কেসের পথে। কখনো হাওড়ার নদীপথে ভেসে ওঠা অঙ্গহীন দেহ, কখনো কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত খুন, আবার কখনো কলকাতার সঙ্গে জুড়ে যাওয়া পাহাড়ি শহরের নির্জন রাস্তায় চাপা পড়ে থাকা মৃত্যু। প্রতিটি রহস্য আলাদা, অথচ তাদের সুতো জুড়ে যায় অপরাধের অন্ধকার জগতে।
এই গল্পগুলো নিছক পুলিশের ডায়েরি নয়, এগুলো এক নারীর সাহসিকতা, তার মনের দ্বন্দ্ব আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার অবিরাম সংগ্রামের কথা। আর সেই সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্তকে শব্দে বন্দি করছেন তার সঙ্গী, স্বামী ও লেখক ভাস্কর পাল চৌধুরী।
শেকল ভাঙার গান
অলোক সান্যাল
নূর একটি বাঘছানা। খেলতে খেলতেই সে শিখছে জঙ্গলের নিয়ম-কখন চুপ করে থাকতে হয়, কখন দৌড়তে হয়, আর কখন খিদে নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এই জঙ্গলে মানুষও আছে। পুরন্দর নামের এক পাহারাদার, যে বাঘেদের চেনে, ভালোবাসে। কিন্তু সব মানুষ কি তেমন? জঙ্গলের নিয়ম কি সবাই মানে? ‘শেকল ভাঙার গান’ এক বাঘছানার বড় হয়ে ওঠার গল্প, আর সেই সঙ্গে জঙ্গল আর মানুষের সম্পর্কের গল্প-যেখানে সবকিছু এত সহজ নয়, যতটা দূর থেকে মনে হয়।
নিমন্ত্রণ
মানস শেঠ
অতিথিপরায়ণ বাঙালির ‘নিমন্ত্রণ’-এর অন্দরে থাকা সামাজিক ইতিহাস, লোকাচার ও মানবিক সম্পর্কের ভাষ্য নির্মাণের প্রচেষ্টা এই বই।
উনিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে ভারতের বিজ্ঞানাকাশে যে ক’জন ভারতীয় নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছিল, রামব্রহ্ম সান্যাল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দুঃখের বিষয় আজ সম্ভবত তিনি সবচেয়ে বিস্মৃত।
রামব্রহ্মের ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হওয়া, কিন্তু চোখের অসুখ তাঁর পড়া শেষ করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্ধত্বের দিকে পা বাড়ানো হতাশাগ্রস্ত রামব্রহ্মের দিকে তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরই এক প্রফেসর।
অতি সামান্য কর্মচারীরূপে রামব্রহ্মের চিড়িয়াখানাতে প্রথম চাকরী। পরে তাঁর আর এক ইংরেজ প্রফেসারের কাছে শিক্ষানবিশি করে তিনি নিজের কর্ম দক্ষতায় চিড়িয়াখানার কার্যনির্বাহক কমিটির আস্থাভাজন হন।
কমিটির সদস্যদের ইচ্ছে ছিল যে কোনও বিজ্ঞানমনস্ক নৈর মিলিয়ার ভার নিলে তারা চিড়িয়াখানাটিকে ঠিকভাবে গড়ে নিতে পারবেন। অনেক চেষ্টা করেও সেই রকম ইংরেজ বা ইংরেজি আদব কায়দা জানা মানুষ পাওয়া গেল না। তখন বাধ্য হয়েই রামব্রহ্মের ওপর চিড়িয়াখানার ভার দেওয়া হল। রামব্রহ্মাই হলেন চিড়িয়াখানার প্রথম ভারতীয় তত্ত্বাবধায়ক। অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি চিড়িয়াখানার এবং নিজের সুনাম বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৮৯২ খ্রীস্টাব্দে তাঁর লেখা বই ” A Handbook of the Management of Animals in Captivity in Lower Bengal” বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। লন্ডন জুলজিক্যাল সোসাইটি তাঁকে Corresponding Member হিসাবে সম্মান জানায়। ১৮৯৮ খ্রীস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে “রায় বাহাদুর” উপাধিতে ভূষিত করেন এবং এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল তাঁকে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার নির্বাচিত করেন।
একজন বাঙালীর পক্ষে সেই যুগে এত সব সম্মানের অধিকারী হওয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত।
থিয়েটার নিয়ে অঞ্জন
অভিজিৎ বসু
মানুষ তাঁকে উজাড় করে ভালবেসেছে একজন নাগরিক গাইয়ে হিসেবে, কথক হিসেবে। ফিল্মের অভিনেতা হিসেবেও তাঁর ব্যক্তিত্ব দাগ রেখেছে আমাদের মনে। কিন্তু নাটক? অন্তত ১৯টি নাটক এই শহরে বসেই একজীবনে পরিচালনা করেছেন তিনি। অভিনয় করেছেন দাপিয়ে। তার মধ্যে ‘মারা সাদ’ যেমন আছে, ইবসেনের ‘ডলস্ হাউস’ যেমন আছে, তেমনই আছে ‘গ্যালিলিও’ কিংবা ‘আরও একটা লিয়ার’। তিনি অঞ্জন দত্ত, যতটা গাইরে ঠিক ততটাই নাটককার, থেসপিয়ান। নঞ্চে তাঁর চলাচল সম্পূর্ণ ভিন্নধারার, ব্রেখট থেকে রবীন্দ্রনাথ হয়ে বাদল সরকার, গ্রহণে-বর্জনে অঞ্জন নিজে হয়ে উঠেছেন সমান্তরাল এক নাট্যস্বর। কিন্তু আনাদের অবহেলায় হারিয়ে গিয়েছে অঞ্জনের স্মরণীয় নাট্যজীবনের বহু অধ্যায়। মুছে গিয়েছে শত শত সন্ধের ছবি। এই অসহায়তা তাড়িত করেছে অভিজিৎ বসুকে। তিনি এক জায়গায় করতে চেয়েছেন অঞ্জন দত্তর থিয়েটার জীবনটাকে, তাঁর বোঝাপড়াকে, মুনসিয়ানার বিশেষ জায়গাগুলিকে। দিনের পর দিন, অঞ্জনের সামনে বসে শুনেছেন তাঁর কথা। প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে অঞ্জন দত্তকে দিয়ে বলিয়ে নিয়েছেন থিয়েটার নিয়ে এমন কিছু কথা, যা হয়তো না বলাই থেকে যেত।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Author : Surendranath Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debjyoti Bhattacharyya
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
নিউগেট ক্যালেন্ডার
রান্নাবান্না, খাওয়াদাওয়ার মধ্যে যতই আটপৌরে প্রাত্যহিকতা থাক, দৈনন্দিন নৈমিত্তিকতা থাক, এই দৈনন্দিন চর্যার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের মনন, কল্পনা, অভ্যাস, সংস্কার। খাওয়াদাওয়ার ইতিহাস আসলে সংযোগ আর আদানপ্রদানের ইতিহাস। তাই রান্না মানে নিছক রেসিপি নয়, তেল, নুন, হলুদ, লঙ্কার পরিমাণ নয়। রান্নার প্রকরণ, প্রণালীর হাত ধরে নির্দিষ্ট যাপনের স্বাদ নেওয়াই রন্ধন শিল্প। আর সে তো রূপকথার মতোই রঙিন, কখনো-বা অবিশ্বাস্য, অলীক। কামরাঙা স্নাত ওশেন ট্রাউট কিংবা বরফের স্তূপে শায়িত তীব্র লেবুগন্ধি লেমন জেলাতো আপনার সামনে হাজির হলে চেনা ছক কেমন যেন গুলিয়ে যাবে না? লবণ শয্যায় শায়িত অয়েস্টার প্লাম পিউরির নজরটিপ নিয়ে আপনার সামনে হাজির হলে বিশ্বাস অবিশ্বাসের জগাখিচুড়ি অবস্থা হতে বাধ্য। আবার ঘুঘু ডাকা দুপুরে ছেলেবেলার কাঁচা মিঠে আমের স্বাদের নতুন কল্পনায় রূপকথাও হার মানবে। এমন হাজারও গল্প ও রেসিপি নিয়ে ‘রূপকথার রান্না’।
Binding
Hard Cover
Publisher
Amar Bharati
Year of Publication
2023
Specifications
Binding
Hard Board
Author – Hrishikesh Sen
Publication – Khori
Weight 0.5kg
বৈদিক শ্লোকের মতন বয়ে যায় কাল। কালের দীর্ঘ যাত্রা পথে গড়ে ওঠা নগর, গ্রাম, শিল্প, নটনটীদের চলমান চিত্র কালের স্রোতে এক ছলাতে কোথায় মিলিয়ে যায়। তারপর বর্তমানের বাঁকে এসে যুগযুগান্ত ধরে বহমান সভ্যতার নদীখাত শুকিয়ে জীবাস্মে পরিণত অতীত রয়ে যায় প্রত্নতত্ত্বে। সেই অতীত এক অত্যন্ত উন্নত সভ্যতার ব্লু-প্রিন্ট রূপে ধরা দেয়, সেই উন্নত বিজ্ঞান এবং ইতিহাসের বীজের সন্ধান দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থের মাধ্যমে।
Yuddha-Katha Abhinaba Roy, যুদ্ধ কথা। অভিনব রায়।, প্রাচীন যুদ্ধের কৌশল ও মানচিত্র, Shabdo Prokashon, YEAR OF PUBLICATION 2024
ইজরায়েলের বহুচর্চিত ‘মোসাদ’ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি হিসেবে পৃথিবীর অনেক দেশের কাছেই ত্রাসের কারণ। বিগত কয়েক দশক ধরে এই সংগঠন গুপ্তচরবৃত্তির দুনিয়ায় সেরার সেরা। পৃথিবীর একাধিক দেশে সংগঠিত তাদের সিক্রেট মিশনগুলোর জুড়ি মেলা ভার!
বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত এই সংস্থা সম্পর্কে সাধারণের কাছে খুব কম তথ্যই পৌঁছয়। পাবলিক ডোমেনে এই সংক্রান্ত তথ্যও সীমিত। মোসাদের উৎপত্তি, তাদের অকথিত রোমাঞ্চকর অভিযানের খুঁটিনাটি, ইহুদি বিদ্বেষের কলঙ্কিত ইতিহাস এবং বর্তমান জিওপলিটিক্সের একাধিক গোপন কাহিনী নিয়ে পাঠকের দরবারে এবার হাজির—মোসাদ: যা আর্কাইভে নেই।
পাখির মতো হালকা মানুষ। ছোট্ট। বাবার কোলে চেপে বিকেলবেলা নৈহাটি ইস্টিশনের ওভারব্রিজ। পায়ের নীচে রেলগাড়ি। ভোঁ দেয় ব্রিজ কাঁপিয়ে।
“রেলগাড়ি কী বলছে বাবা?”
“আমাদের ডাক দিচ্ছে তো। বলছে, দূরদেশে চললাম। কে যাবি আয়…’”
“আমি যাবো।”
“যাবি বইকি। আর একটু বড়ো হ…”
বাবার কোলে পাঁচ বছুরের বিস্ময়ভরা চোখ চেয়ে দেখে সামনে দিগন্ত পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে সুদীর্ঘ রেলপথ। তারই পাশে পাশে এগিয়ে চলে পিচবাঁধানো নগরপথ। কোথায় যায় তারা? কে জানে? জানে রেলগাড়ি, জানে তার পেটে বোঝাই সৌভাগ্যবানেরা। জানে ওই পিচবাঁধানো সড়কপথে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলা মুসাফিরের দল।
পাঁচ বছুরে বালক, তার চোখে পথ সেই যে মায়া অঞ্জন মাখিয়ে দিল, আজও তার সে মোহ ঘুচল না। কদিন স্থির হয়ে বসলেই ফের ডাক আসে। পথের ডাক শুনে ফের এগিয়ে যাই… পায়ে পায়ে… কুড়িয়ে নিই যা মেলে পথের পাশে পাশে।
এ বই সেই কুড়িয়ে আনা কিছু স্মৃতিকণা, দেশ ও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াবার স্মৃতির ধুলোমুঠি, সোনামুঠি।
‘চল পানসি কলকাতা’ তিন হাজার পাঁচশো কিমি ব্যাপী এক ভ্রমণ-উপাখ্যান যেখানে অজন্তা, ইলোরা, বিবি কি মকবারার মতো গৌরবময় কিছু স্থাপত্য, ঘৃষ্ণেশ্বর, ওঙ্কাররেশ্বর, মহাকালেশ্বরের প্রাচীন মন্দির ও উজ্জয়িনী, ওয়ার্ধা, সেগাঁও-এর মতো ঐতিহাসিক নগরীর পাশাপাশি কয়েকটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও সেবা-আশ্রমের কাহিনি বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কাহিনির পটভূমিকার সঙ্গে বলা হয়েছে কিছু মানুষের গল্প, যারা সাধারণ হয়েও চরিত্রের গুণে হয়ে উঠেছেন অনন্য সাধারণ। চিকলধারা অভয়ারণ্য, মন্দারমণি সমূদ্রবেলা, এবং নেতাজির জন্মস্থান দর্শন এই অভিযানের বিশেষ দিক।
আজ থেকে ৪০০ বছর আগেও ইউরোপে রাজরাজড়ার ঘরে ছাড়া চিনির দেখা পাওয়া যেত না। কেক পেস্ট্রি পুডিং, কিচ্ছু ছিল না। কারণ, ইউরোপে চিনিই ছিল না।
৫০০ বছর আগে থেকে ইউরোপের কিছু কিছু দেশ তাদের দখল করা আমেরিকায় আফ্রিকা থেকে দাস এনে আখ চাষ ও চিনি প্রস্তুত শুরু করল। এই দাসদের রক্ত ঘাম অশ্রু দিয়ে তৈরি চিনি একদিকে কিছু ইউরোপীয় মালিকদের জন্য অশেষ মুনাফা এনে দিল, পাশাপাশি ইউরোপের খাবার টেবিলে পৌঁছে দিল মিষ্টি চা কফি চকলেট কেক ইত্যাদি নানা সুখাদ্য।
পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গেল চিনি আর মুনাফার তাগিদে।
‘চিনি কাহিনী’ এক তিক্ত ইতিহাস।
ডুয়ার্স উত্তরবঙ্গ মানেই আমাদের কাছে ট্যুরিস্ট স্পট থেকে সারি সারি চা বাগান…
কিন্তু এই ডুয়ার্সের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য আন্দোলন…
ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের একটি বড় অংশ প্রায় উপেক্ষিত,যার অন্যতম একটি অংশ ডুয়ার্স জুড়ে…
কিভাবে এই আন্দোলন উত্তরবঙ্গে ঢেউ তুলেছিল??
এই আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা একাত্ম হয়েছিলেন তাঁদের পরিচয় থেকে সেই আন্দোলনে যুক্ত প্রায় উপেক্ষিত মানুষদের ইতিহাস খনন করে খুঁজে আনার চেষ্টা করেছেন মধুশ্রী বন্দোপাধ্যায় ও সুপ্রিয় বসু …
তেভাগা আন্দোলনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সেনানীদের বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে কথপোকথন এর মাধ্যমে ইতিহাসের আলোকে তেভাগা আন্দোলনের চিত্ৰ খুঁজে আনার একটি বিকল্প চেষ্টা করতে হয়েছে লেখকদের,সাহায্য নিতে হয়েছে উত্তরবঙ্গের অসংখ্য মানুষের,তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এই বইয়ের সম্পদ..
এক নতুন দৃষ্টিকোণ এ তেভাগা আন্দোলনের অজানা ইতিহাস খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন বইয়ের লেখকদ্বয়…
অশ্রু ধারাবতী
অঞ্জলি দাশ
ছবি – আকাশলীনা
মূল হয়তো নিজেদের অজান্তেই ছিঁড়েছিল সেই সাতচল্লিশে। যখন মাটি ভাগ হয়েছিল দ্বিজাতিতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে। জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে নতুন বাস্তুর খোঁজে সীমান্ত পেরিয়েছিলেন অগণিত। কাঁটাতারের বেড়া নির্বাক দেখেছিল তত্তাবৎ যন্ত্রনা আর অভিমান। সে যন্ত্রনা, যারা আরও আরও দীর্ঘসময় অদৃষ্য তারাই শুধু মর্মে নিয়েছেন সে দ্রোহিক আলাপ। আলগা মাটিতে কাতর শিকড়, যেন শূন্যের মাঝখানে ঘর, বারামখানা থেকেও যেন নেই। পেছন দিকে তাকাতে গিয়ে যত দূর স্বচ্ছ দৃষ্টি যায়, ঠিক তত দূরে, চোখে ধরা দেয় একটা অন্য ভূখণ্ডের মনোরম কোলাজ। অনেকগুলো খণ্ডচিত্রের বর্ণময় সবুজ। টুকরো টুকরো মুহূর্ত, ছোট ছোট সুখ-দুঃখ, উৎসব, পার্বণ, দুর্যোগ, এক সাধারণ পরিবারের ওপর শতাব্দী আলোড়িত এক রাষ্ট্রবিপ্লবের ছায়া। সবকিছু নিয়ে এই বিগর্হণচারণ। পঞ্চাশ দশকের শেষ দিকে জন্মানো একজন কবির মনের আনাচে কানাচে লেগে থাকা কিছু কথাচিত্র।
সাতাত্তরে ভারতে এলেও প্রতন হয়ে পড়েছিলেন একাত্তরে। নতুন জন্ম নেওয়া যে বাংলাদেশ, সে আর তাঁর দেশ হয়ে উঠতে পারেনি। ওই ছ-বছর একটা অদ্ভুত শূন্যতায় ভর দিয়ে কাটিয়েছেন এপিফাইটের মতো। মাটি ছুঁতে পারেননি। গৃহ বলতে যা তা পড়ে আছে তাগাড়ে। যারা মুছে দিয়েছে তারা পাকিস্তানি মিলিটারি নয়, তারা চেনা কোনও মানুষ, হয়তো বা কোনও ভয়াল-ভায়াদ-প্রতিবেশী। চারপাশ শর্মহীন শূন্য। পরবর্তী যাপন, পড়াশুনা, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, বন্ধু, বয়োঃসন্ধির উদযাপন… সবই যেন শূন্যে ভেসে। যেন শুধু প্রয়োজনের তাগিদ। সবকিছুই রসিত, স্পর্শে নয়, অনুভবে নয়। নিস্তষ লাল-বিন্দুটির লৌহিত্যে ঢাকা পড়ে গেছে চারপাশের স্মৃতির সবুজ।
লেখক সম্পর্কে :
জন্ম ২৭ মে, ১৯৫৭। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর। কৈশোর থেকে কবিতা রচনার শুরু। ১৯৯১-এ প্রথম কবিতার বই ‘পরীর জীবন’।
কবিতার লতাগুল্মময় ছোট কোটরে বাস করতেই ভালবাসেন।
অন্তর্লীন অবলোকন থেকেই কবিতার পাশাপাশি রচিত তাঁর গল্প ও উপন্যাস। ‘জেব্রা ক্রসিং’ (১৯৭৮-৮১) একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। কবিতার জন্যে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি (২০১৪) ও বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্মারক (২০১০) পুরস্কার।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sujoy Ghosh
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
একজন পরশপাথর
ইতিহাসে মোড়া পাতিহাল
(সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১৩)
দীপক দাস
স্থানীয় সংস্কৃতির প্রসারণেই (কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে যাত্রা) একটি অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জীবনের লক্ষণগুলির মধ্যে কিছু সাধারণ সাদৃশ্যমূলক সমন্বয় সৃজিত হয়ে ওঠে। সেই সমন্বিত রূপটিই অঞ্চলটির সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যরূপে প্রতিভাত হয়। তাই সংস্কৃতির আঞ্চলিক চেহারাটি একটি দেশের একটি বিশেষ কালের অঙ্গমাত্র নয়- একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের ভিত্তিই হল আঞ্চলিক সংস্কৃতি, যা ‘লোকাল কালচারে’র সুরভিত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমবায়ে গড়ে ওঠে। এই অঙ্গ-প্রতাজের খোঁজেই সুপ্রকাশের অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালার পরিকল্পনা। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি হাওড়া জেলার জনপদ পাতিহালকে ঘিরে আবর্তিত।
Author : Pinaki Biswas
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বাংলার ডাকাত কালি
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sujoy Ghosh
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
আলাপ চারিতায় সেকালের চিত্র তারকা
বিফলে মূল্য ফেরত
অমিতাভ গুপ্ত
প্রচ্ছদশিল্পী : রোকু
বিহেভিয়রাল ইকোনমিক্স নিয়ে অমিতাভ গুপ্তর নিবন্ধ সংকলন।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Various Writers
Weight – 0.45kg
Binding – Hard Bound
হত্যান্বেষী
Type of Product
Physical
Publisher list
Khori Prakashani
Languages
Bengali
Binding
Hardbound
Publishing Year
2024
Author
Rajat Pal
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
Author : Asit Kumar Haldar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Pages :
Publisher : Khori
ভারতের শিল্পকথা : অসিত কুমার হালদার
Publisher
Khori – খড়ি প্রকাশনী
Binding
Hardbound
Language
Bengali
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
Author : Somobrata Sarkar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারতের প্রাচীন ধর্মীয় সম্প্রদায়
Author : Anandanath Roy
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বারভুঁইয়া বা ষোড়শ শতাব্দীর বাংলার ইতিহাস
Author : Swapan kumar Thakur
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বাংলার কৃষিকাজ ও কৃষিদেবতা
Author : SARDAR ABDUR RAHAMAN
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারত মহাসাগরে ভাস্কো ডা গামার ধর্মযুদ্ধ ও গণহত্যা
Publishing Year
2025
Pages
180
শিল্পকলার ইতিহাসের চর্চায় গুরুদাস সরকারের অবদান নিয়ে বলা নিষ্প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও মন্দিরের কথার ভূমিকার রচয়িতার নামটি একবার উল্লেখ
করতেই হয়। কারণ, সেই নামটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘কোনারকের কথা’ এবং ‘ভুবনেশ্বরের কথা’ আলাদা বই রূপে প্রকাশিত হওয়ায় দু’টি বইতেই সেই ভূমিকা এবং ‘মন্দিরের কথা’-র উপক্রমণিকা অংশটি সংযুক্ত করেছেন প্রকাশক। বর্তমান সংস্করণগুলির জন্য আলাদা করে নতুন ভূমিকাও যোগ করা হয়েছে .
Binding
Hard Board
Pages
171
Specifications
Binding
Hard Board Binding
ISBN
9789393833679
Publishing Year
2024
Pages
140
১৯৭১- এর মুক্তিযুদ্ধের পর এত বড় রক্ত স্নাত অভ্যুত্থান ও পটপরিবর্তন বিগত ৫৩ বছরে বাংলাদেশে আগে কখনও ঘটেনি। এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ ও বিশ্লেষণ এমন একজনের সম্পাদনায় গ্রথিত হয়েছে যিনি সম্মুখ থেকে এই আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্ব।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Amrita Konar
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
রানী কাহিনী
এফবিআই-এর ইতিহাসে চারটি ক্লাসিক কেস হল বৈমানিক চার্লস লিন্ডবার্গের শিশুর অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড, ব্ল্যাক ডালিয়ার হত্যারহস্য, সিরিয়াল কিলার জোডিয়াকের পাঁচটি খুন এবং জোনসটাউনে পিপলস টেম্পল নামে এক ধর্মীয় গোষ্ঠীর সদস্যের গণ আত্মহত্যা। এ বইতে স্থান পেয়েছে সেই চারটি ক্লাসিক ক্রাইম, অনেক ক্ষেত্রেই যার সম্পূর্ণ রহস্য আজও পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি।…
বৃক্ষমানুষের ছায়া
দুর্লভ সূত্রধর
অলংকরণ : অদ্বয় দত্ত
প্রচ্ছদ : সৌজন্য চক্রবর্তী
বাজারে আগুন— আগুন মানুষের জীবনেও। শূন্য খেলার মাঠ, সারাদিন ভারী ব্যাগ পিঠে টিউশনে টিউশনে ছেলেমেয়েদের দৌড়াদৌড়ি, অনবরত প্যাঁচ-পয়জার ও রিপুল্লাসে স্বজন-বন্ধুকে পরিঘাত, গা-জোয়ারি মাৎস্যন্যায় গ্রাসিত হাটবাজার, প্রান্তজনের প্রাত্যহিক শোচনীয় আত্মঘাত, একটি জনপদের ভুলে যাওয়া উত্তরাধিকার আর গৌরবের ব্যর্থ ইতিহাস— গৌর আর সুনন্দর মতো মানুষের অন্তর্গত পরিশীলনকে বিচলিত করে। জনপদে হঠাৎ গজিয়ে ওঠে মেঘভেদী মন্দির, ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলা আচার-বিচারের অতিলৌকিক কোলাহল ঘনিয়ে তোলে বিষণ্ণতার মেঘ।
উত্তরণের উপায় কি লেখা আছে আমাদের বিস্মৃতপ্রায় প্রতিরোধ ও প্রগতির তামাদি ইতিহাসে? সৌহার্দ্যের সুবাতাসে এখনও কি জন্ম হতে পারে রূপকথার?
বাংলা নাটকের ইতিহাস : প্রাচীন যুগ থেকে উনিশ শতক
গৌতম বসুমল্লিক
প্রচ্ছদ : সুপ্রসন্ন কুণ্ডু
প্রকাশক : তবুও প্রয়াস প্রকাশনী এবং
হিন্দুস্থান মিউজিক পাবলিশিং প্রাইভেট লিমিটেড
বাংলার অতি প্রাচীন যাত্রা ঐতিহ্যের সঙ্গে বিদেশি থিয়েটার মিশে ক্রমে যে উন্নত থিয়েটার সংস্কৃতির জন্ম হয়েছিল, আজও তা গৌরবের সঙ্গে বহন করে চলেছে বঙ্গদেশ। আলোচ্য বাংলা নাটকের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ থেকে উনিশ শতক) গ্রন্থে সেই ইতিহাসের কথা বলতে গিয়ে, পর্যায়ক্রমে প্রাচীন যুগের বাংলা যাত্রাভিনয়, বিদেশি রঙ্গালয়, শখের রঙ্গালয়, সাধারণ বা পেশাদারি নাট্যশালার কথা এসেছে। বিদেশি রঙ্গালয় ও শখের রঙ্গালয়ের কথা আলোচনা প্রসঙ্গে এমন অনেক নাট্যদল ও নাট্যমঞ্চের সন্ধান দেওয়া হয়েছে, যেগুলির কথা অন্যত্র বিশেষ আলোচিত হয়নি। এই খণ্ড শেষ করা হয়েছে, বিশ শতকের একেবারে গোড়ার দিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া অমরেন্দ্রনাথ দত্তের ক্লাসিক থিয়েটারের কথা দিয়ে। শুধু নাটক অভিনয়ের ইতিহাস নয়, এই গ্রন্থে উদ্ধৃত করা হয়েছে উল্লেখযোগ্য অনেক নাটকের নির্বাচিত অংশও, যা থেকে আজকের পাঠক, সে যুগের নাট্য-সংলাপ কেমন ছিল তা বুঝতে পারেন।
Author : Asok Chattopadhyay
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
লালন হারিনাথ ও রবিন্দ্রনাথ
Author : Sachindranath Chattopadhyay
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
প্রাচীন মিশর
Specifications
Binding
Hard Board
Publishing Year
2025
Pages
198
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debojyoti Bhattacharyya
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
আপনজন
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Aniruddha Sarkar
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
রহস্যে ঘেরা হিমালয়
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Kajal Bhattacharya
Weight – 0.55kg
Binding – Hard Bound
এফবিআই ফাইল থেকে
“And ye shall know the truth and The truth shall set ye free…”
আজ এতগুলো বছর পর কে যেন আবার হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার রহস্যজনক মৃত্যুর পেছনে থাকা কনস্পিরেসিকে খুঁড়ে বের করার চেষ্টা করছে। সে বোধহয় জানে না এর পরিণাম কী হতে পারে…
আমেরিকা দেশটা যেমন বিশাল, তেমনই বিস্তৃত তার অপরাধ-জগৎ। আমেরিকার ইতিহাসে কিছু কিছু অপরাধের কাহিনি ‘হল অফ ফেম’-এ স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। ‘সান ফ্রানসিসকো এমনও এগজামিনার’ সংবাদপত্র গোষ্ঠীর মালিক এই বরনডল্ফ হার্স্টের মেয়ে প্যাট্রিসিয়াকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়েছিল একদল এ দুষ্কৃতী। সেই অপহরণের ঘটনা এক বিচিত্র পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, যখন প্যাট্রিসিয়া হার্স্ট নিজেই তার অপহরণকারীদের সমর্থক হয়ে ওঠে। কিংবা ধরা যেতে পারে, সিআইএ-র অফিসার অলড্রিচ ‘রিক’ অ্যামিসের কথা। কেউ ভাবতে পারেনি সিআইএ-র অফিসে বসে নিঃশব্দে রুশদের কাছে দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য মোটা টাকায় বিক্রি করে চলেছে রিক অ্যামিস। অভিনেত্রী শ্যারন টেট হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা কাঁপিয়ে দিয়েছিল পুরো দেশকে। মাদকাসক্ত একদল তরুণ-তরুণী কোনও কারণ ছাড়াই কেন এ-রকম বীভৎস খুনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল, তা আজও রহস্য। তেমনই রহস্য অ্যালকাট্রাজ জেল থেকে পালানো তিন বন্দিকে ঘিরে। আমেরিকার সবচেয়ে সুরক্ষিত জেল থেকে পালিয়ে তারা কি শেষ পর্যন্ত পুলিশকে ধোঁকা দিতে পেরেছিল, না কি সমুদ্র পেরোতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাদের? এফবিআই এর এ রকম চারটি কেস স্থান পেয়েছে এই বইতে, যা রহস্য-প্রিয় পাঠককে ভাবাবে। লেখকের স্বানু পরিবেশনের মুনশিয়ানায় এফবিআই এজেন্টদের পাশাপাশি পাঠক নিজের অজান্তে তদন্তে শামিল হয়ে যাবেন।
গুপ্তচরবৃত্তির কথা বলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে কোনও না কোনও হলিউড বা বলিউড সিনেমার দৃশ্য। গল্পের নায়ক পাহাড়ের মাথা থেকে লাফিয়ে পড়ছে, সমস্ত সিকিউরিটি ভেঙে কোনও গুপ্তকক্ষে প্রবেশ করছে, শত্রুদেশে গিয়ে গোপনে সব জেনে চলে আসছে। আসলে কি সত্যিই গুপ্তচরবৃত্তি এতটাই গ্ল্যামারাস? যেকোনো গুপ্তচরবৃত্তি আসলেই ভীষণ গোপনে এবং সাবধানে সমাধা করা হল। সিনেমার মতো ঢাক-ঢোল পিটিয়ে তো নয়ই। গুপ্তচরবৃত্তির সমস্ত অভিযানই বেশ কতগুলো ধরন বা স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করেই পরিকল্পনা করা হয়। ‘দেশ বিদেশের গুপ্তচর: গঠনরীতি ও পরিকল্পনা’ (তৃতীয় খণ্ড)-এ একত্র করা হল সেই সমস্ত স্ট্র্যাটেজির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ও সে সম্পর্কিত কিছু গল্প।
বাংলা ভাষায় গুপ্তচর বৃত্তি নিয়ে লেখা সবথেকে ধারবাহিক ও বিশ্লেষণ ভিত্তিক সিরিজ ‘দেশ বিদেশের গুপ্তচর’ সিরিজে আপনাকে স্বাগত। বইয়ের পাতা উলটে পৌঁছে যান গুপ্তচরবৃত্তির অদ্ভুত দুনিয়ায়।
বাউল, ফকির, সাধুসন্ত, ভৈরবী, তান্ত্রিক, কাপালিক, দরবেশ, সহজিয়া, অঘোরী সাধুদের সঙ্গে আখড়া শ্মশানে দীর্ঘ আঠারো- উনিশ বছর ধরে বাস করবার অভিজ্ঞতাগুলো নিয়েই গড়ে উঠেছে আখড়া শ্মশানের ডায়েরি। এই বই লেখকের দিনলিপি, আত্মজীবনের অংশভাগ। এর ভেতর ধরা রয়েছে দেহসাধনা, দেহতত্ত্বের হরেক রকমের গুহ্য গোপন যোগাচার, তন্ত্র সাধনার গুপ্তক্রিয়া। যা সিংহভাগ মানুষের কাছেই একেবারে অজানা।
মাটিয়ারির ইতিহাস
(সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১০)
গোবিন্দ বিশ্বাস
স্থানীয় সংস্কৃতির প্রসারণেই (কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে যাত্রা) একটি অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জীবনের লক্ষণগুলির মধ্যে কিছু সাধারণ সাদৃশ্যমূলক সমন্বয় সৃজিত হয়ে ওঠে। সেই সমন্বিত রূপটিই অঞ্চলটির সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যরূপে প্রতিভাত হয়। তাই সংস্কৃতির আঞ্চলিক চেহারাটি একটি দেশের একটি বিশেষ কালের অঙ্গমাত্র নয়- একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের ভিত্তিই হল আঞ্চলিক সংস্কৃতি, যা ‘লোকাল কালচারে’র সুরভিত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমবায়ে গড়ে ওঠে। এই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের খোঁজেই সুপ্রকাশের অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালার পরিকল্পনা। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি নদীয়া জেলার প্রান্তিক জনপদ মাটিয়ারিকে ঘিরে আবর্তিত।
Author : Prasenjit Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
প্রত্নতথ্য
Author : Sushil Saha
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
দেশের বাড়ি
ধূপ ধুনুচি ও আরাত্রিক
অমিতেন্দু বিশ্বাস
প্রফুল্ল চাকীর মৃত্যু : দেখি নাই ফিরে
নির্মল কুমার নাগ
পরাধীনতার বিরুদ্ধে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু যাঁদের হাত ধরে ঘটেছিল, প্রফুল্ল চাকী ছিলেন তাঁদের পুরোভাগে। ক্ষুদিরাম-প্রফুল্ল চাকীর নাম একসাথে উচ্চারিত হওয়ার হলেও কী এক বিচিত্র কারণে প্রফুল্ল চাকী বারেবারেই সেই আলোকবৃত্তের বাইরে রয়ে গেছে। দুজনেরই আত্মোৎসর্গের শতবর্ষ অতিক্রান্ত। সেই অতিক্রান্ততাতেও প্রফুল্ল চাকী যথারীতি অনালোচিত ও অবহেলিত। শুধু তাই নয় তাঁর মৃতদেহের উপর যা অপমান করা হয়েছে তাও বোধ হয় কোনো বিপ্লবীর ভাগ্যে জোটেনি। আর তাঁর মৃত্যু সেতো রহস্যের কালো অন্ধকারে ঢাকা। ব্রিটিশ রাজ ও তার পোষা ভারতীয় শ্বাপদদের সাজানো তাঁর আত্মহত্যার কাহিনি যে ভ্রান্ত তাঁকে যে ব্রিটিশ বাহিনী ও তাদের দাস ভারতীয় পুঙ্গবরা নির্মমভাবে অত্যাচার করে গুলি করে খুন করেছিল তারই দলিল এই গ্রন্থ। এর পরতে পরতে সেই মৃত্যুরহস্যের আবরণ উন্মোচনের আঁচড়।
ইনসুলিন কী? কে আবিষ্কার করলেন ইনিসুলিন? কী ভাবে আবিষ্কার করলেন জিন? ইত্যাদি হাজারও প্রশ্নের উত্তর পতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে এই বইটা। ইনসুলিন আবিষ্কারের পঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সহজ সরল ভাষায় বর্ণনা করেছেন লেখক। সাথে রয়েছে আবিষ্কারক ডা. ফ্রেডরিক গ্রান্ট বান্টিঙের জীবনের রোমহর্ষক কাহিনী।
রোম মানে কেবল জুলিয়াস সিজার নয়, ব্রুটাস বা মার্ক অ্যান্টনি নয়। নয় মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার শাসন-কাহিনি। নয় আবার নিরো বা ক্যালিগুলা। আবার এদের বাদ দিয়েও হয় না রোমের ইতিহাস। সঙ্গে যুক্ত হবে প্রথম রাজতন্ত্রের যুগের মিথ-মিশ্রিত নানান কাহিনি।
কীভাবে তিলে-তিলে রাজতন্ত্র পরিণত হল প্রজাতন্ত্রে এবং পাঁচশো বছর বাদে আবার প্রজাতন্ত্র নষ্ট হয়ে ফিরে এল সম্রাটদের শাসন— চমকপ্রদ এই ইতিহাসের অধ্যায় নিয়ে আমাদের যাত্রা।…
অকূলের কাল
অর্দ্ধেন্দুশেখর গোস্বামী
‘হাফ প্যাডেলের কাল’-এর পরবর্তী পর্ব।
‘হাফ প্যাডেলের কাল’-এর বালক এখানে যুবক। গড়বেতা থেকে সে এসে পড়ে কলকাতায়। ঠাঁই মেলে উত্তর-কলকাতার এক হস্টেলে। সে হস্টেল যেন এক টুকরো বৈচিত্রময় বঙ্গদেশ। লেখা, পড়া, শোনা, সাহিত্যচর্চা এবং রাজনৈতিক আলোচনায় সে বেড়ে ওঠে। অতঃপর জীবিকার অনিশ্চয়তা, প্রেমে পড়া ও প্রেমের জন্য অপরিকল্পিত মরণঝাঁপ। আমাদের বংশগৌরব-লালিত মধ্যবিত্তের মিথ্যা ফানুসটিকে লেখক জীবন দিয়ে বোঝেন ও বেআব্রু করে দেখিয়ে দেন। লেখকের সংসার-গড়ার সংগ্রামময় আখ্যানেই এই পর্বের ইতি। অপেক্ষা পরবর্তী পর্বের।
দীপন ভট্টাচার্য
৪২৫
সিন্ধু সভ্যতার অগ্নি পূজা ও বৈদিক যজ্ঞ একটি তুলনামূলক আলোচনা।
দীপন ভট্টাচার্য
মেয়েদের তন্ত্র এবং অন্যান্য গুপ্তবিদ্যা
গৌতম সরকার
প্রচ্ছদ : স্বর্ণেন্দু ঘোষ
তন্ত্র বাংলা ও বাঙালির কাছে স্বাভাবিক যাপন। তন্ত্র সাধনায় নারীর গুরুত্ব অপরিসীম। তবে, এই গ্রন্থে আলাদাভাবে বিশেষত লোকনারীর শরীর-সংস্কৃতি এবং সমাজজীবনে যাপিত তন্ত্রের কথা উঠে এসেছে। পঞ্চ ‘ম’-এর মধ্যে মৈথুন এককভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তন্ত্র সাধনায় সিদ্ধিলাভের জন্য নারীরা লেসবিয়ানজম ও স্বমেহন মৈথুনের সাহায্য নিয়ে থাকে। এবং চর্চা করে থাকে। অনালোচিত লোকনারীর তন্ত্রচর্চা—এই গ্রন্থের মুখ্য উদ্দেশ্য। এছাড়াও বাংলা সাহিত্যে যেভাবে তন্ত্রচর্চার কথা আছে এবং বাংলার রূপকথা ও উপকথায় তন্ত্রের প্রয়োগ নিবিড়ভাবে আছে—এসবও এই গ্রন্থে আলোচিত হয়েছে। রূপকথার সোনার কাঠি ও রুপোর কাঠি আসলেই তন্ত্র প্রয়োগের প্রয়োজনীয় উপাদান। এক কাঠির মাধ্যমে রাজকন্যাকে বাঁচানো যায় আবার অন্য কাঠির মাধ্যমে তাকে আজীবন ঘুমের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। কায়াবদল, মন্ত্র, বশীকরণ ইত্যাদি আরও নানারকম গুপ্ত তন্ত্র নিয়ে এই বইতে আলোচনা করা হয়েছে।
নোনাপানি ইশকুল
চন্দনা সান্যাল
ছবি- মধুরিমা হাইত
কলেজে পড়ানোর স্বপ্নকে সরিয়ে রেখে বাধ্য হয়ে যে ইশকুলের চাকরিতে ঢুকতে হয়েছিল কবে থেকে সেই ইশকুল হয়ে গেল অস্তিত্বের আর এক নাম, কোথা দিয়ে পেরিয়ে গেল চৌত্রিশটা বছর তাকেই ফিরে দেখা অবসরের অলস নিঝুম দুপুরে। ফিরে দেখা সময়ের হাত ধরে চেনা শহরের, জানা পারিপার্শ্বিকের অগোচরে বদলে যাওয়াকে। ফিরে দেখা অবসরের আগে কোভিড-কবলিত শেষ দু-বছরের নিউ-নর্মাল অভিজ্ঞতাকে। আসলে বার বার এই সব কিছুর মধ্যে দিয়ে ফিরে ফিরে যাওয়া শিক্ষক-ছাত্রের অনন্য সম্পর্কের শিকড়ে যা বহু তোলপাড়েও বদলায় না, যা এক অতি সাধারণ মানুষের অতি সাধারণ যাপনকে অকৃপণ দানে করে তোলে অসাধারণ। এ এক ফিরে ফিরে দেখার গল্প, প্রতি দেখায় কুড়িয়ে পাওয়া নতুন কিছু।
লেখক সম্পর্কে :
জন্ম ১৯৬১ সালে কলকাতায়। স্কুলের পাঠ ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়ে, কলেজের পাঠ প্রেসিডেন্সি কলেজে।
সাম্মানিক বাংলায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ। বি-এড ট্রেনিং নিয়ে কলকাতার সল্টলেক স্কুলে বাংলা বিভাগে যোগদান। সাহিত্য-চেষ্টা বড় ছোটর ছড়া (বন্ধু পাবলিকেশনস), রান্নাঘরের নকশিখাতা (৯ঋকাল বুক্স)
সেখানেই টানা ৩৪ বছর শিক্ষকতার পর ২০২১ সালে অবসর গ্রহণ।
Binding
Hard Cover
Publisher
Amar Bharati
Year of Publication
2023
Author : ARJUN GOSSWAMI
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : Khori
দেশভাগ বিতর্কে দুই বাংলা
Author : Somabrata Sarkar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
কাপালিক তান্ত্রিক যোগী কথা
সন ১৭৫১। বাবার মৃত্যুর পর শুভাকাঙ্খী মি. ক্যাম্বেলের পরামর্শে ডেভিড ব্যালফুর রওনা দেয় শ জমিদারবাড়ির উদ্দেশে। মনে আশা, বাপ-মা হারা হতভাগ্য জীবনে যদি একটু হাল ফেরে। কিন্তু ইষ্টদেবতা যে অন্য কিছু পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন ডেভিডের জন্য!
ভাগ্যের চাকা ঘোরে ঠিকই, কিন্তু তার ইচ্ছানুসারে নয়। ঘটনাচক্রে ডেভিডের জীবন জড়িয়ে যায় রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত অ্যালান স্টুয়ার্ট ব্রেকের সঙ্গে। এদিকে অ্যালানও ডেভিডের কাহিনি জানতে পেরে তাকে তার লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু কীভাবে হবে সেই অসাধ্য সাধন?
ডেভিড ব্যালফুরের সেই বিচিত্র অভিযান নিয়েই স্কটল্যান্ডের পটভূমিকায় রবার্ট লুই স্টিভেনসনের ইতিহাসাশ্রয়ী উপন্যাস ‘কিডন্যাপড’।
বাঙালির যৌন আচরণ, অভ্যাস, অভিমুখ ও দৃষ্টিকোণ বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম দিক। এই সবকিছু মিলিয়ে গড়ে উঠেছে বাঙালির যৌন-সন্দর্ভ। প্রাক্-ঔপনিবেশিক পর্যায়ে বাঙালির সাহিত্য, লোকাচার, সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক বাঙালি যৌনতার যে স্বরূপ প্রকাশ করে, ইউরোপীয় প্রভাবের আওতায় আসার পর তা কিছুটা বদলে যায়। সংস্কৃতির অন্যান্য অংশের মতো যৌনতাও সমাজের বিভিন্ন স্তরে পৌঁছে এক মিশ্র চেহারা নেয় এবং উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে প্রকট হতে থাকে। আবার বিশ শতকে এসে সেই সন্দর্ভও বদলে যেতে শুরু করে।
পঞ্চাশ-ষাটের দশক থেকেই বাঙালির যৌনবোধ আরও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছিল। নব্বই দশকের একেবারে গোড়ায় মুক্ত অর্থনীতির ধাক্কায় একদিকে যেমন ভুবনায়িত যৌনতার সংজ্ঞার্কেনিজেদের জীবনে গ্রহণ-বর্জনের মধ্যে দিয়ে আপন করল বাঙালি, তেমনই লিঙ্গরাজনীতির প্রশ্নগুলোও বাঙালিকে নতুন করে ভাবতে শেখাল।
দুর্লভ পত্রিকা, বই, ছবি ও একগুচ্ছ নতুন নিবন্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালির সেই পরিবর্তমান যৌনচেতনার এক সংক্ষিপ্ত রূপরেখা আঁকা হয়েছে এই সংকলনে।
লিঙ্গসন্ত্রাস’ গ্রন্থটির স্বকীয়তা এখানেই। নিছক সমাজের দৃশ্যগ্রাহ্য বৈষম্য ও হিংস্রতা বা ধর্মকে গালাগালি নয়; সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে সূত্রনির্দেশ করে নারী ও শিশুর প্রতি হিংসার বিবিধ সংজ্ঞা, সারাবিশ্বে অদ্যাবধি নথিভুক্ত নারীনিগ্রহগুলির শ্রেণিবিভাগ ও বর্ণনা, সামাজিক ও বাণিজ্যিক অনুমোদন পেয়ে যাওয়া কিছু কদাচারকে লিঙ্গহিংসা হিসাবে শনাক্তকরণ এবং তৎসহ লেখিকার ক্ষুরধার বিশেষণ এই বইটিকে শুধু মনুষ্যত্ববাদের স্তম্ভ নয়, অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষের একটি শিখরেও পরিণত করেছে। সুদীর্ঘ ১৪ বছর লিঙ্গবিজ্ঞান নিয়ে নিরলস তপস্যা যে গূঢ়তর সত্য উদ্ঘাটন করেছে, তার অন্যতম উপজাত ফল হল, ‘লিঙ্গসন্ত্রাস’।
প্রবাদের খইচুবড়ি
প্রবাদ-প্রবচন-বাগধারার লোকগল্প
ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়
প্রচ্ছদ: সুপ্রসন্ন কুণ্ডু
সাধারণ মানুষের জ্ঞান, তাদের চলতি কথা এবং সর্বোপরি আলাপচারিতার মধ্যে দিয়ে যুগে যুগে উঠে এসেছিল তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, অনুভূতির নির্যাস আর সেসবই লোকপ্রিয়তার কষ্টিপাথরে যাচাই হতে হতে উত্তীর্ণ হয়ে একসময় লোকপরম্পরায় প্রচলিত হল যার বাংলা নাম প্রবাদ, প্রবচন এবং বাগধারা।গরম কড়াইতে ধান থেকে বা ভুট্টার দানা থেকে খই যেমন ফুটে এদিক ওদিক ছিটকে পড়ে তেমনি লোকমুখে বাংলা সাহিত্যের এক প্রাচীনতম দলিল হয়ে রইল প্রবাদ যার পরিপুষ্টি আর স্থায়িত্ব আমাদের লোকায়ত সাহিত্যের অন্যতম সম্পদ।
বই চিত্রে গণেশ পাইন
গণেশ পাইনের অলংকরণ
সমীর ঘোষ
প্রচ্ছদ – অরিন্দম নন্দী
শিল্পী গণেশ পাইনের ছবির প্রধান আকর্ষণ দৃশ্যগ্রাহ্য বাস্তবতার সঙ্গে অপার রহস্য ও ইঙ্গিতময়তা। রঙের স্তরে স্তরে আলো-আঁধারি মায়া, সূক্ষ্ম রেখার বুনোট বিস্তার- তারই সঙ্গে বিস্ময়কর অন্তঃপ্রবাহী ব্যঞ্জনা।
যে ছবির জন্য গণেশ পাইনের শিল্পী-স্বীকৃতি- তার পাশে ধারাবাহিক গ্রন্থচিত্রণ, বিচিত্র শৈলী প্রয়োগে বিশিষ্ট। বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কখনো স্বপ্নমেদুর রূপকল্প নির্মাণ, কখনো প্রাচীন ভারতীয় ভাস্কর্যের শৈলীর নিপুণ প্রয়োগ, আবার তথ্য অনুসারী অলংকরণে মিশে আছে গণেশ পাইনের শ্রমসাধ্য নিরীক্ষা, প্রগাঢ় প্রজ্ঞা এবং আন্তরিকতার চিহ্ন।
গণেশ পাইনের স্বীকৃত ছবির পাশে গ্রন্থচিত্রণ অনেকাংশেই উপেক্ষিত। আলোচনায় কিংবা শিল্পের মূল্যায়নে অলংকরণ তেমন গুরুত্ব পায় না।
এই প্রথম গণেশ পাইনের গ্রন্থচিত্রণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সঙ্গে বহু সংখ্যক দুর্লভ অলংকরণের নমুনা নিয়ে গ্রন্থপকাশ- বলা যায় ব্যতিক্রমী প্রয়াস।
Specifications
Binding
Hard Board
Publishing Year
2025
Pages
320
Author
Specifications
Binding
Hard Board Binding
Publishing Year
2023
Pages
272
Author
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-81-939838-6-7
Publishing Year
2019
Pages
248
“গানই আমার প্রাণ, গানই আমার ভগবান,
গান গেয়ে গেয়ে যায় চলি এ প্রাণ,
যেখানে কেউ নাই সেথা দিও স্থান।
ভবার পরম আত্মা, গানই সাধন সত্ত্বা,
গানেই বাধ্য করে চঞ্চল প্রাণ।
জানি না সাধনা, জানি না উপাসনা,
ভবার বাসনা শুধু গানই প্রধান।”
গানের ছন্দে ভবাপাগলা এইভাবে নিজের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ছিলেন এমনই প্রাণখোলা স্বভাবের মানুষ, তাঁর সংস্পর্শে যে যখন এসেছেন তাঁকেই তিনি আপন করে নিয়েছিলেন। একজন ধার্মিক ব্যক্তি হয়েও তাঁর মধ্যে ছিল না কোনো আচার-বিচার, ভিন্ন ভেদ, কু-সংস্কারচ্ছন্নতা। শত্রু- মিত্র ভাবনাও তাঁর মধ্যে কখনও দেখা যেত না। জাতিভেদ প্রথা তিনি মানতেন না। মানতেন না খাদ্য নিয়ে আচার-বিচার। তিনি বলতেন তুমি সব খাবে, শুধু নিজের মাথা খাবে না। তিনি মনে করতেন মনুষ্যত্ব হারানো ও চরিত্রহীনতাই নিজের মাথা খাওয়া। মনে করতেন দেশকাল ভেদে সহজলভ্য, সহজপাচ্য খাদ্য খেলে ধর্ম নষ্ট হয় না। ধর্ম এত ঠুনকো জিনিস নয় যে হাত থেকে পড়ে ভেঙে যাবে। শাশ্বত সত্যই ধর্ম।
শ্রদ্ধেয় শ্রীসত্যানন্দ গিরি ভবাপ্যদলা সম্পর্কে লিখেছিলেন, ভবাপাগলার মধ্যে শান্ত, দাস্য, বাৎসল্য, সখ্য, মধুরাদি পঞ্চভাবের সমন্বয় ঘটেছিল। প্রেম, ভক্তি, কর্ম, জ্ঞান সমস্ত যোগমার্গের সমন্বয় ভবা। ভবাকে ভাবা, ভবাকে বোঝা বা বিশ্লেষণ করা সাধারণ মানুষের পক্ষ্যে দুঃসাধ্য; হয়তো বা অসাধ্যও।
(ভবাপাগলা, লেখক সত্যানন্দ গিরি, পৃষ্ঠা ৬)
তবুও সকলের জ্ঞাতার্থে ভবাপাগলাকে জানতে ও সকলকে জানাতে বদ্ধপরিকর হয়েছি এই দুঃসাধ্য কাজটিকে সাধ্যমতো লিখতে।
বুড়ি কলকাতার তন্বী রূপের প্রেমে পড়েছি কবে‚ আজ আর তা মনে পড়ে না‚ শুধু জানি এই শহর এক স্বভাব জাদুকরী,কারণ‚ এই তিনশো বছরের শহরের অলি গলি রাস্তাঘাট দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কখন যেন চোখের সামনে ঝলসে ওঠে এক ক্যালাইডোস্কোপ‚ যেখানে একদিকে মাথা তোলে নন্দরামের মন্দির‚আর একদিকে বাংলার গ্যারিক‚ ওই ভেসে আসে নবাব ওয়াজেদের লখনৌ বিরিয়ানির খুশবু‚ আর তার সাথেই চিৎপুরের আতরওয়ালাদের আতরের অলৌকিক সুগন্ধ। উত্তরের এঁদোগলিতে শুনতে পাই গান বাঁধছেন সলিল চৌধুরী‚ আবার দক্ষিণে সারারাত দরজা খুলে বসে থাকে এক ওষুধ-দোকান‚ নাম‚ বাথগেট। ময়দানের সন্ধ্যায় গোলের চিৎকার মিলিয়ে যেতে যেতে ছলকে ওঠে চিকেন স্ট্যু আর মধ্যরাতের পার্ক স্ট্রিটের মায়া-সরণিতে জেগে ওঠেন পাম ক্রেইন আর উষা আইয়ার। আমরা হাঁটতে থাকি‚ আমাদের সঙ্গে হাঁটেন রবীন্দ্রনাথ‚ জীবনানন্দ‚ শক্তি, সুনীল‚ সত্যজিৎ। দক্ষিণের দেব বর্মনদের গানবাড়ির সঙ্গে উত্তরে পাথুরেঘাটার জ্ঞান গোঁসাই মিয়াঁ-কি-মলহারে সুর তোলেন‚ আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি এই শহরের অলি গলি পাকস্থলিতে‚ যে শহরের নাম ছিল ক্যালকাটা।
বর্ষা আসে, বসন্ত : একজন অভিনেত্রীর আত্মকথন
অলকনন্দা রায়
অনুলিখন ও সম্পাদনা- ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়
প্রচ্ছদ – সেজুঁতি বন্দ্যোপাধ্যায়
রুপোলি পর্দায় যাঁর জীবন শুরু সত্যজিতের নায়িকা রূপে তিনিই কিনা পারিবারিক রক্ষণশীলতার আবহে দীর্ঘ দিনের জন্য চলে গেলেন প্রেম-বিয়ে-সংসারের আড়ালে। প্রেসিডেন্সির কৃতী ছাত্রী অলকনন্দা, কাঞ্চনজঙ্ঘার নায়িকা মণীষা যেন ভেসে গেলেন অদৃশ্যের অন্তরালে।
অদৃষ্টের নিষ্ঠুর পরিহাস উড়িয়ে দিয়ে সেই অলকনন্দা যখন আবার অভিনয় জীবনে ফিরলেন, তখন তিনি বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর নায়িকা। একের পর এক অভিনয় করলেন শ্যাম বেনেগাল, ঋতুপর্ণ ঘোষ, রোনাল্ড জফ, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো পরিচালকদের সঙ্গে। মঞ্চেও সমান সাবলীল এই অভিনেত্রী, তাঁর পথচলা আজও বহমান।
বাংলার ও ভারতের নাটক ও ফিল্মের অগ্রগণ্য পরিবারের কন্যা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর জীবনের গতিপথ ভিন্ন স্রোতে এগিয়েছে। এই বই নিছক আত্মকথন নয়, এক যুগোত্তীর্ণ সময়ের সামাজিক ও ঐতিহাসিক দলিল।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Riju Ganguly
Weight – 0.6kg
Binding – Hard Bound
পঞ্চম বৈদিক পৌরাণিক:প্রবন্ধ পর্ব
কবিতার রান্নাঘর কবিদের ঘরবাড়ি
সোমব্রত সরকার
পার্থ দাশগুপ্ত চিত্রিত
সে এক আশ্চর্য দিনকাল! কলেজ পড়ুয়া তরুণের চারপাশে ছড়ানো বুদ্ধদেব বসুর চিঠি, বিষ্ণু দে-র থেকে উপহার পাওয়া বই, মোহিতলাল মজুমদারের চিঠি, কবিতা ও বঙ্গদর্শন পত্রিকা। বনানী বাড়িতে জীবনানন্দের সই করা বই দেখার উন্মাদনা ও উল্লাস-প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত, মণিভূষণ ভট্টাচার্য কবিতা পড়ছেন। দেবারতি মিত্র, দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়, রণজিৎ সিংহ-পুরনো সময়, পার হওয়া স্মৃতি। অমিতাভ গুপ্তের বই বেরোচ্ছে, দেবদাস আচার্যকে ঘিরে মৃদুল দাশগুপ্ত, জয় গোস্বামী, নির্মল হালদার। দেবকুমার বসুর বাড়িতে মলাট-ভাঙা শক্তি, বিনয়ের কাব্যগ্রন্থ-প্রথম অফসেটে ছাপা বইয়ের নাড়াচাড়া-১৯৪৭ সাল। দুপুরবেলা খেতে বসা দেবকুমার বসুর স্ত্রীর হাতের সুস্বাদু রান্না-পোলাও, মাংস, ধনেপাতা চিংড়ি মাছ দিয়ে বাটা, মোচা, কইমাছ।
যোগিয়া বাড়ির রাশভারী মণীন্দ্র গুপ্ত, পুনে থেকে ডাকে আসা রাজলক্ষ্মী দেবীর কবিতা, গীতা চট্টোপাধ্যায়ের বনেদি বাড়ি, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় লাল বাড়ি, শঙ্খ ঘোষের ঈশ্বরনিবাস। কল্যাণীর রাস্তায় হেঁটে চলা বীরেন্দ্রনাথ-ধোঁয়া ওঠা গরম বোঁদে, শান্তিপুরে ফল্গু বসুর বাড়ি। রমেন্দ্রকুমার আচার্যচৌধুরীর চলে যাওয়া, পূর্ববঙ্গের স্মৃতি-ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুসঙ্গ-দুর্গাপুর। কোগ্রামে কুমুদরঞ্জনের বাড়ি-অষ্টমীতে বলির মাংস রান্না। মনকেমনের অনবদ্য চিঠি-অশোক মিত্র, অশ্রুকুমার সিকদার, সমবয়সীদের কলতান-পত্রিকা, প্রেম, ব্যথা ও বিচ্ছেদ। অগ্রজদের হাতে ধরে শেখানো ছন্দ। এ বই ফেলে আসা সিকি শতাব্দীর কবিতার রান্নাঘর, কবিদের ঘরবাড়ির জীবন্ত অন্দরসজ্জা।
Smritir Sarani Beye
Barun Dasgupta
স্মৃতির সরণি বেয়ে
Mandas
Dipan Bhattacharya
Pragga Prakashani
0.6kg
Author : SOUMYA BASU
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ফিরে দেখা বাংলার বিপ্লববাদ
Hardbound
0.8kg
তিব্বত এক ‘রহস্যময় দেশ’। যে দেশের অধিকাংশ বিষয় আজও আমাদের অজানা। তিব্বতেই না-কি রয়েছে শাম্ভালা বা জ্ঞানগঞ্জ। তিব্বতে আর্যদের সন্ধানে হিটলারের নাৎসি বাহিনি অভিযান চালিয়েছিল। লেখক দীর্ঘ গবেষণা চালিয়েছেন তিব্বত দেশটির ওপর। যেমন তিব্বতের রাজধানী লাসার পোতালা প্রাসাদ থেকে দালাই লামার অলৌকিক নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন, তেমনি তিব্বতের মিথ, রহস্য, অলৌকিক বিষয়, সীমান্ত, রাজ-পরম্পরা, খাওয়া-দাওয়া নিয়েও আলোচনা করেছেন। এর পাশাপাশি লেখক তিব্বতের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসের কথাও তুলে ধরেছেন এই বইয়ে।
সিন্ধু সভ্যতায় শাঁখার প্রথম দেখা পাওয়া গেলেও আজ শাঁখা দেখতে পাওয়া যায় তার চেয়ে বহু দূরের দেশ বাংলায়। তাহলে শাঁখা নিয়ে নানান বিশ্বাসের জন্ম কি সিন্ধু সভ্যতায়? সিন্ধু শাঁখার সঙ্গে আজকের শাঁখার কতটা মিল? সিন্ধু সভ্যতার পতনের পরও যদি শাঁখার অস্তিত্ব থেকে যায়, তাহলে কি সিন্ধু সভ্যতার সেই মানুষগুলির হদিস আমরা শাঁখার সূত্র ধরে খুঁজে ফেলতে পারি? কারা সেই শঙ্খের কারিগরদের আশ্রয় দিয়েছিল? কীভাবে বাংলায় শাঁখা পৌঁছেছিল? শাঁখার মতো সিঁদুর ব্যবহারের কি কোন প্রাচীন প্রমাণ পাওয়া গেছে?…
বইয়ের কথা:
রবীন্দ্রনাথ বিশ্বনাগরিক। তিনি দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিভাধর উজ্জ্বল ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। বিশেষ করে বিভিন্ন বাঙালি ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর যে গভীর মধুর সম্পর্ক ও হৃদ্যতা গড়ে উছেছিল আলোচ্যগ্রন্থে সেসব কাহিনী তথ্যসমৃদ্ধ সহকারে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে লেখকের প্রয়াস প্রশংসনীয়। আলোচ্য প্রবন্ধ নিবন্ধগুলির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি যেমন আমাদের সামনে উন্মোচিত হয়, তেমনি রবীন্দ্রনাথ নতুন করে আবিষ্কৃত হন। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে জানার তো শেষ নেই। সুধী পাঠকগণ এ গ্রন্থ থেকে রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারবেন। এই সংকলনটি ইতিহাস তথা সময়ের দলিল হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
লেখক পরিচিতি:
অলক মণ্ডলের জন্ম ১৯৬২ সালের ৭ মে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ফলতা থানার অন্তর্গত মাতুলালয় মাখনা গ্রামে। পৈতৃক বাসস্থান ওই থানার কৈখালি গ্রামে। নব্বই দশক থেকে সরকারি চাকুরির পাশাপাশি বিভিন্ন সাময়িক পত্রপত্রিকায় সমকালীন সাহিত্য, জীবন, ইতিহাস প্রভৃতি নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখে চলেছেন। ইতিমধ্যে প্রকৃতিপ্রেমিক কালজয়ী কথা সাহিত্যিক বিভূতিভূষণকে নিয়ে তাঁর দুটি গবেষণাগ্রন্থ (নানা রঙের বিভূতিভূষণ ও দেবযানের সাধককবি বিভূতিভূষণ) প্রকশিত হয়েছে ও সুধীজনের প্রশংসা লাভ করেছে। এছাড়া আরও শতাধিক প্রবন্ধ-নিবন্ধ অগ্রন্থিত অবস্থায় আছে।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Soumya Basu
Weight – 0.6kg
Binding – Hard Bound
রাজনৈতিক সন্ন্যাসি
বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য তাজমহলকে ঘিরে রয়েছে অজস্র মিথ ও রহস্য। দু’দশক ধরে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিকের মেহনতের ফসল তাজমহল, যা কুতুব মিনারের থেকেও বেশি উঁচু। তাজমহলের নির্মাণসামগ্রী এসেছিল সারা পৃথিবী থেকে।… সত্যিই কি তাজমহল নির্মাণের পর শ্রমিকদের হাতা কেটে ফেলা হয়েছিল?… তাজমহল নির্মাণের চেয়ে দ্বিগুণ খরচ হয়েছিল ময়ূর সিংহাসন তৈরিতে!… কোথায় আছে মমতাজের আসল সমাধি?… তাজমহলের জমির আসল মালিক কারা?… এই বিরাট স্থাপত্য এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রহস্যের অনুসন্ধান করেছেন সাংবাদিক-গবেষক অনিরুদ্ধ সরকার।
রহস্যে ঘেরা হিমালয় এবং রহস্যে ঘেরা তিব্বতের পর এই সিরিজের তৃতীয় বই— রহস্যে ঘেরা তাজ।
বাংলা থিয়েটারের পটভূমি প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ ৩
ডঃ বৃন্দাবন কুণ্ডু
Pre Booking Special Discount
Prebooking Last Date – 07/04/2026
শুশুনিয়া: ঐতিহাসিক ও প্রাগৈতিহাসিক গুরুত্ব’ গ্রন্থে বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড়কে কেন্দ্র করে বঙ্গদেশের প্রাগৈতিহাসিক সময়ের রূপরেখা খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে— অনুসন্ধান প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের ভিত্তিতে রচিত হয়েছে। প্রত্ন-উপাদানের তাৎপর্য, পশ্চাদভূমি উদঘাটনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের সাধ্যমতো চেষ্টা করা হয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গিতে। বাংলায় অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান ছড়িয়ে আছে, খুঁজলে যা আজও পাওয়া যেতে পারে। মাঝে মধ্যে হঠাৎ কিছুর সন্ধান অতীতের ধারণাগুলি বিবর্তিত করে, এক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি বিশাল ভূমিকা নিয়েছে। বর্তমান প্রজন্ম যাতে এবিষয়ে অনুসন্ধিৎসু হয়, সেই লক্ষ্যে লেখকের আন্তরিক প্রয়াস। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে আগ্রহী হলে পশ্চিমবঙ্গবাসী আমরা উপকৃত হতে পারি।
বাংলা সিনেমার চালচিত্র প্রথম খণ্ড
সংকলন, গ্রন্থনা, ভাষ্য : ঋদ্ধি রিত
প্রচ্ছদ ও সজ্জা : ঋদ্ধি রিত
মুদ্রিত মূল্য : ৬০০ টাকা
“গতানুগতিকতার বাইরে ভাবনার নামই মৃণাল সেন। তাঁর ফ্রেমে ধরা দিয়েছে শহরের প্রগতিশীল বাঙালির ইতিহাসের সাক্ষর। বাইরে থেকে দেখলে অধিকাংশ ছবির ঘটনাস্থল কলকাতা। কিন্তু ছবিতে উঠে আসা কলকাতা, ভারতবর্ষের একটি শহর; যে দেশে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী একশো জনের মধ্যে যাট জনই দারিদ্র্যরেখার নিচে বাস করেন। এই কলকাতা কেন্দ্রিক চলচ্চিত্রের আঙিনায় কলকাতা ট্রিলজির কথা উঠলে সত্যজিৎ রায়ের থেকেও আগে আসে মৃণাল সেনের নাম। তার কারণ তাঁরই একটি লেখা। যেখানে তিনি বলছেন, “এ দেশের যে শহরটা, শুনে থাকি, বারুদে ঠাসা—তার নাম কলকাতা… কলকাতায় বিক্ষোভ, ক্রোধ, ব্যারিকেড আর বোমা। কলকাতা বেপরোয়া, কলকাতা মারমুখী।” (মৃণাল সেন, ‘ভূত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ’, ১৯৭৭)।”




