Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
Dipan Bhattacharya
Pragga Prakashani
0.6kg
কখনও জানতে ইচ্ছে হয়নি, বিভিন্ন প্রকারের মদ কী করে তৈরি হয়? মদ নিয়ে ইতিহাসে কত যুদ্ধ ঘটেছে, আর কীভাবে মদের বাজার তৈরি হয়েছে? মদ খেলে শরীরে কী ঘটে? কেন মানুষ মাতাল হয়? কেন এক-একরকম গ্লাস? বিয়ার কেন তেতো হয়? কী করেই বা বিভিন্ন ককটেল বানায়? কেন সিডি আর মিনারেল ওয়াটারের আড়ালে মদের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়? কোন রাজ্যে আর কোন দেশে মদ সন্তা? কোথায় বা নিষিদ্ধ? দেবতারা কোন মদ খেত? ইসলামে ও বৌদ্ধদের মদ্যসেবন নিষিদ্ধ কেন?
এ ছাড়াও আরও মদ নিয়ে প্রশ্ন আছে? অথচ কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারেন না? তাহলে সুরামন্থন করে ফেলুন, এক অবিস্মরণীয় সফরে পেয়ে যান আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর…
চিয়ার্স… (সেটাই বা কেন গ্লাসে গ্লাসে ঠোকাঠুকি করে বলা হয়?)
Binding
Hard Cover
Publisher
Amar Bharati
Year of Publication
2023
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
জানো কি?
বাসনা দাস্ত বইতে প্রাচ্ছাদটি আঁকতে গিয়ে সত্যজিৎ রায় প্রথমবারের মতো কী এমন করেছিলেন, যা এরপরে তাঁকে মাত্র একবারই করতে দেখা গিয়েছিন?
মোমবাতির আলোয় রহস্য কাহিনির চেয়ে ভুতের গল্প বেশি জমবে’-এই কথায় উৎসাহিত হয়ে, কোন বেস্টসেনিঃ লেখক তাঁর জীবনের একমাত্র ভুতের গল্পটি লিখেছিলেন? পিসিমার জমিদারির দেখাশোনা করার সময়, প্রজাদের কথা ফোনোয়াফে রেকর্ড করতে করতে, কোন লেখক। তাঁর সাহিত্যকর্মের রসদ জোগাড় করতেন?
বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়ানো ব্যারাকপুর-নিবাস
উপেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়-এর সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের যোগসুত্র কী ছিল? অতুলান্ড (মতান্তরে অঙুলানন্দ) দাশের
কন্যা, যাঁর ডাকনাম ছিল বেবী, কীভাবে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন?
Prebook
২৫ এ মে পর্যন্ত চলবে এই Pre-Booking
YEAR OF PUBLISHING – 2023
এক সময় একদল আফগান এবং পাকিস্তানি শিখ পরিবার নিরাপত্তার খাতিরে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তারা ভেবেছিলেন এই দেশে নিরাপদের তারা বসবাস করতে পারবেন। কিন্তু ১৯৮৪ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয় ভারতবর্ষের ইতিহাসের এক লজ্জাজনক অধ্যায়। আজ ১৯৮৪ সর্দার গদ্দার হে এর এই পর্বে তুলে ধরেছি এরকমই এক শিখ পরিবারের কাহিনী।যারা ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান থেকে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কি হয়েছিল সেদিন?
উনিশ শতকের মনীষীদের লেখায় তাঁদের বাল্যকালের শিক্ষাব্যবস্থার অপূর্ব জলছবি।
জঙ্গল, নদী, ঝর্ণা, পাহাড় ও বিপুল খনিজ সম্পদে ভরা প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের গড়ে ওঠার নেপথ্যকাহিনি, সেখানকার জনজীবনের নিত্য-নৈমিত্তিক লড়াই ও শোষণের অপূর্ব দলিল এই বই।
মেয়েদের ক্ষেত্রে ‘লাস্যময়ী’ শব্দটির ব্যবহার নিয়ে বাগবিতণ্ডা চলছে দীর্ঘকাল ধরে।
ব্যুৎপত্তিগত অর্থের বিচারে লাস্যমায়ী মানে লীলায়িত ভঙ্গিতে নৃত্যরত নারী হলেও প্রচলিত অর্থে যৌন উদ্দীপক অর্থেই এই শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। বিশেষত সিনেমার নায়িকাদের বেলায় অনেক সময় ‘কমপ্লিমেন্ট’ স্বরূপই বলা হয় কথাটি।
এই লাস্যময়ী ইমেজ ব্যবহারে শুধু নায়িকারাই নয়, তাদের চেয়ে বরং অনেকাংশে এগিয়ে আছেন মহিলা গুপ্তচররা।
বাস্তব জীবনে প্রতি মুহূর্তে অভিনয় করতে থাকা এই মহিলাদের মারণাস্ত্র ‘হানি ট্র্যাপ’ বা ‘মধুর ফাঁদে’ যে কত শত রাঘব বোয়াল ধরা পড়েছে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই।
অনন্যা দাস বাংলা ভাষায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ পত্রপত্রিকার নিয়মিত লেখক। বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় সৃজনশীল রচনার সঙ্গে তিনটি। ভাষাতেই পারস্পরিক অনুবাদের কাজ করেন। বর্তমানে স্বামী ড. অরুণাংশু দাশ-এর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় বসবাস করেন এবং পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত ।
অনন্যা দাস বাংলা ভাষায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ পত্রপত্রিকার নিয়মিত লেখক। বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় সৃজনশীল রচনার সঙ্গে তিনটি। ভাষাতেই পারস্পরিক অনুবাদের কাজ করেন। বর্তমানে স্বামী ড. অরুণাংশু দাশ-এর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় বসবাস করেন এবং পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত ।
ফের জ্বলছে কাশ্মীর। চারদিকে রক্তের গন্ধ। মৃত্যুর মিছিল ভূস্বর্গে। চিনারের বন পেরিয়ে যে হাওয়া সর্বাঙ্গ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় সে হাওয়ায় আজ তীব্র বারুদের গন্ধ। সে হাওয়া অন্য এক ভারতের তীক্ষ্ণ হাহাকার আর সর্বগ্রাসী ক্ষোভের কথকতা শুনিয়ে যায়! কাশ্মীর মানে, বিধ্বস্ত নিরাপত্তা, সম্মান। ভূমিপুত্রদের সকলের নাম একযোগে অঘোষিত জঙ্গি তালিকায় তুলে দেওয়া! রাস্তায় বেরোলেই পদে পদে তল্লাশি আর উর্দিধারীদের শরীর ও চোখের চাউনি থেকে ঝরে পড়া অপমান। জনজীবন বিপর্যন্ত হওয়াটা তো বাইরে থেকে চোখে পড়ে! গোটা মানবজমিন যে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, তা আমার ‘নিরাপদ’ আশ্রয়ে বসে টের পাই কই। এই ভূস্বর্গে দমবন্ধ হয়ে আসে!
সীমান্ত গ্রামের ধুলোবালিতে বেড়ে ওঠা। কাঁটাতারের যন্ত্রণা ভুলতে সাঁতরে পার হওয়া ইছামতী। সময়ের সঙ্গে শুধুই জড়িয়ে পড়া স্বপ্নের প্যাঁচে। লিটলম্যাগ। মফঃস্বলের পত্রিকায় হাতেখড়ি। পেটে খিদে। ফেরার পথ ছিল না। তাই শুধুই লেখা। লিখতে লিখতে ভাত জোগাড়ের চেল। কত লেখা যে পুষ্টি পায়নি। কিন্তু জীবনকে কথা দিয়েছি, লিখেই যাব। গত ২০ বছর বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আরও শিখতে চাই। মিশে যেতে চাই অজস্র জীবনের সঙ্গে। ব্যক্তিগত কান্না নেই, নেই ব্যক্তিগত জয়।
Titumir
Kumaresh Das
কথায় বলে, ‘লক্ষ্মী-শ্রী’ -কী বোঝায়, একথা দিয়ে?
বস্তুত, ‘লক্ষ্মী’ আর্থে অতুল ধন-সম্পদ-ঐশ্বর্য; আর ‘শ্রী’ অর্থে অনির্বচনীয় লাবণ্য-সৌন্দর্য ও ধীর-স্থির অচলভাব। উভয় মিলে ‘লক্ষ্মী-শ্রী’।
ভারতবর্ষে, স্মরণাতীত কাল ধরে এই ‘লক্ষ্মী-শ্রী’ ভাবনার রেশ চলেছে নানাভাবে, নানান বিভঙ্গে।।
হিন্দু-বৌদ্ধ-জৈন, ভারতবর্ষের এই তিনটি প্রধানতম ও প্রাচীনতম ধর্মধারায় বাক্যপথাতীত রূপও লাবণ্য, অপরিসীম ধন ও ঐশ্বর্য এবং প্রাণময় ও প্রাণপ্রদ অন্ন-এ সকলের প্রতিভূ ও প্রতীকরূপে গণ্য হয়েছেন ‘শ্রী-লক্ষ্মী’ তথা দেবী লক্ষ্মী।
হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে, ভারতবর্ষে, মার্গ ধর্ম ও লোকধর্ম, মার্গ-সংস্কৃতি ও চিরায়ত লোকসংস্কৃতি, এবং ইতিহাসের অঙ্গনে, দেবী লক্ষ্মী অবিরামভাবে পদচারণা করে চলেছেন। ‘লক্ষ্মীর পা-চালি’ গ্রন্থে তারই চমকপ্রদ ও আকর্ষণীয় বিবরণ।
বাঙলার লোকমানসে ও লোকসাংস্কৃতিক জগতে, বাঙালির গৃহাঙ্গনে ‘লক্ষ্মীর পা-চালি’ সম্পর্কে ইতিপূর্বে কোনো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। মধ্যযুগীয় বাঙলা কাব্যাদিতে ধান-চাল-অন্নের, কবিগণ প্রদত্ত বিচিত্র বিবরণ, এ যাবৎ সম্পূর্ণ অজ্ঞাতই আছে বলা চলে। এসবের বিস্তৃত বিবরণ দানের পাশাপাশি রয়েছে বাঙলার কৃষি-অর্থনীতিতে এবং প্রবাদ-প্রবচন তথা সমাজজীবনে ধান-চালের ভূমিকার কথা।