Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
Author : Somobrata Sarkar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারতের প্রাচীন ধর্মীয় সম্প্রদায়
Author – Surendranath Dasgupta
Publication – Khori
Weight – 0.5kg
Author : Surendranath Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
রবীন্দ্রনাথ নিবেদিতাকে বলেছিলেন ‘লোকমাতা’, অরবিন্দ বলেছিলেন ‘শিখাময়ী’। নিবেদিতা নিজেকে বলতেন ‘রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের নিবেদিতা’। রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ-নিবেদিতা শাশ্বত ভারতাত্মারই চিৎশক্তির অবিচ্ছেদ তরঙ্গায়ণ।
ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতবর্ষের আত্মোন্মীলনের একটা সংক্রান্তিপর্ব। প্রতীচ্য-শক্তির শতবর্ষব্যাপী অভিঘাতের প্রত্যুত্তরে ভারত-চেতনায় জাগল এক বিরাট বিপ্লব। বাইরে সে-বিপ্লব প্রকাশ পেল ভারতের ক্ষাত্রশক্তির বিস্ফোরণে, তার রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষায়; অন্তরের বিপ্লব ফুটল তার ব্রাহ্মী-চেতনার সহস্রদল উন্মেষণে, তার আত্ম-আবিষ্কারের অতন্দ্র সাধনায়। দুটির মধ্যেই দেখেছি, ভারতবর্ষ চাইছে তার অখণ্ড বৃহৎ সত্তাকে স্পষ্ট দিবালোকে অনুভব করতে।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manish Mukharjee
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
ভৈরবী ও অন্যান্য
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-81-948715-0-7
Publishing Year
January, 2021
Pages
151
ভূত মানেই কি শুধু ভয়, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে লোকসংস্কৃতি ও মনস্তত্ত্বের গভীর রহস্য? লেখক অভিষেক মিত্রের ‘ভূতকোষ’ বইটি প্রচলিত ভূতের গল্পের ছক ভেঙে পাঠকদের নিয়ে যায় এক অচেনা অলৌকিক জগতে। এই নন-ফিকশন বইটিতে বাংলা-সহ লাদাখ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও সিকিম-এর মতো ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় একশোটিরও বেশি আঞ্চলিক ভৌতিক চরিত্রের শিহরণ জাগানো বিবরণ স্থান পেয়েছে। ‘নাওয়াং চুরেল’, ‘পিছলাগ’ কিংবা ‘রেং ভূত’-এর মতো অজানা সত্তারা কীভাবে সমাজের বঞ্চনা ও প্রকৃতির প্রতি অবিচারের প্রতীক হয়ে উঠেছে, তা এখানে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ভারতের বৈচিত্র্যময় ভৌতিক লোককথা জানতে এটি একটি অবশ্যপাঠ্য আকর-গ্রন্থ।
শিল্পকলার ইতিহাসের চর্চায় গুরুদাস সরকারের অবদান নিয়ে বলা নিষ্প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও মন্দিরের কথার ভূমিকার রচয়িতার নামটি একবার উল্লেখ
করতেই হয়। কারণ, সেই নামটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘কোনারকের কথা’ এবং ‘ভুবনেশ্বরের কথা’ আলাদা বই রূপে প্রকাশিত হওয়ায় দু’টি বইতেই সেই ভূমিকা এবং ‘মন্দিরের কথা’-র উপক্রমণিকা অংশটি সংযুক্ত করেছেন প্রকাশক। বর্তমান সংস্করণগুলির জন্য আলাদা করে নতুন ভূমিকাও যোগ করা হয়েছে .
বইয়ের কথাঃ
শিহরন জাগানো রহস্য, রোমাঞ্চ ও ভয়ের গল্প কে না পছন্দ করে! তবে শিশু- কিশোরদের মন তাতে বেশি আন্দোলিত হয়। তাদের কোমল আবেগ এবং স্বপ্নভারাতুর জগৎ কৃত্রিম ভয়ের আনন্দে রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে। তাই শিশু-কিশোদের জন্যে লেখা কাহিনি হতে হয় সরল ও সরস। লীলা মজুমদার ‘অবনীন্দ্রনাথ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘শিশুদের জন্য লিখতে গেলে আরও কতকগুলো অলিখিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। ভাষা হওয়া চাই সহজ, সরল, কথার মানেটা যদিবা যুক্তির জগতে অগ্রাহ্য, রূপের জগতে, শব্দের জগতে কথাকে আগে বসতে হবে আসর জমিয়ে, ছোটো ছেলেমেয়েরা যাতে কথাগুলো পড়বামাত্র তার চোখের সামনে রূপের, রঙের শোভাযাত্রা শুরু হয়ে যায়। কানে বাজে মৃদঙ্গ, ঢোল, করতাল, জগঝম্প, শিঙা, অর্থাৎ প্রাণভরপুর ভাষা চাই, যা শুনলেই শিশুর মন চনমনিয়ে উঠবে।’ এই সঙ্কলনের গল্পগুলো তেমনই, ভাষার সরলতায় সজীব। ভিন্ন স্বাদের দশটি গল্প রয়েছে বইটিতে। রহস্য, রোমাঞ্চ, গা ছমছমে ভয় এবং একই সঙ্গে কৌতুকের মিশেল রয়েছে কাহিনিগুলোর পরতে- পরতে। আবার কোনও-কোনও গল্পের মানবিক আবেদন পাঠকের মনকে সহজেই আর্দ্র করে তুলতে পারে।
লেখক পরিচিতিঃ
ইমদাদুল হক মিলনের জন্ম বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ সেপ্টেম্বর। পিতার নাম গিয়াস উদ্দিন খান, মাতা আনোয়ারা বেগম। ঢাকার গেন্ডারিয়া হাই স্কুল থেকে এস এস সি পাশ করেন। এর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে সাম্মানিক স্নাতক তাঁর প্রথম প্রকাশিত কিশোর গল্প ‘বন্ধু’, ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ পত্রিকায়। প্রথম উপন্যাসের নাম ‘যাবজ্জীবন’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমির ‘উত্তরাধিকার’ সাহিত্য পত্রিকায়। তিন পর্বে তাঁর দীর্ঘ ‘নূরজাহান’ উপন্যাসটি কালজয়ী সাহিত্য হিসেবে গণ্য। ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে দেশবিদেশের নানা পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে তাঁর ‘নূরজাহান’ উপন্যাসের জন্যে পেয়েছেন ভারতের আই আই পি এম সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার। কাজী মাহবুবউল্লাহ পুরস্কার ২০১৮, আই এফ আই সি ব্যাঙ্ক সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ এবং ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে পেয়েছেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘একুশে পদক’। ২০১১ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময় থেকে ২০২১ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক কালের কণ্ঠ’-এর সম্পাদক ছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় তিনশোটি। তিনি ভারতসহ জার্মানি, ইংল্যান্ড, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, নেপাল, সিঙ্গাপুর ও তাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছেন।
বিফলে মূল্য ফেরত
অমিতাভ গুপ্ত
প্রচ্ছদশিল্পী : রোকু
বিহেভিয়রাল ইকোনমিক্স নিয়ে অমিতাভ গুপ্তর নিবন্ধ সংকলন।
বিষয় কার্টুন : কার্টুনিস্ট কুট্টি সংখ্যা
প্রচ্ছদ : কামিল দাস
‘বিষয় কার্টুন’ পত্রিকার পয়লা সংখ্যা কার্টুনিস্ট কুট্টিকে নিয়ে ২০০৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সংখ্যাটি কার্টুনপ্রেমী পাঠকদের কাছে প্রসংশিত হয়েছিল। দীর্ঘ বছর হারিয়ে যাওয়া সেই সংখ্যাটি বই আকারে ফিরিয়ে নিয়ে এল ‘বুক ফার্ম’।
১৯৬০-৮০-র সময়কালে কুট্টির কার্টুনের সঙ্গে ঐকান্তিক সম্পর্ক ছিল ‘আনন্দবাজার’ ও ‘আজকাল’ সংবাদপত্রের পাঠকদের। সেই কার্টুনের নির্বাচিত নিদর্শন সহ এই বইতে রয়েছে তঁার জীবনের বিচিত্রকথা ‘কুট্টি কাহিনি’, কুট্টির দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর লেখা, শিল্পী দেবব্রত ঘোষ, লেখক অনুক্ত বর্মণ, প্রদীপ পারেখ ও সম্পাদক বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায়ের মূল্যায়ণ। কুট্টির কার্টুনের সঙ্গে নানাস্বাদের এই লেখাগুলিও পাঠকদের মনোরঞ্জন করবে নিশ্চিত ভাবেই।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debasree Chakraborty
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
বিশ্বম্ভর নিমাঞ্জির অন্তর্ধান
বিশ্বসাহিত্য কমিকস খন্ড ৩
গৌতম কর্মকারের চিত্রনাট্য ও ছবিতে
‘বিশ্বসাহিত্য কমিকস ৩’ ছয়টি সুবিখ্যাত গল্প উপন্যাসের চিত্রসম্ভার। বিষয়বৈচিত্র্যে এবারের সংকলনটি অনন্য। গহন অরণ্যে হস্তিযূথের তাণ্ডব, উল্কার পিঠে মহাজাগতিক অভিযান, প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে নির্জন দ্বীপে বেঁচে থাকার লড়াই, সঙ্গে ভবিষ্যত পৃথিবীর দুঃস্বপ্নময় চালচিত্র। আছে বাস্তবের আগুনে দগ্ধ এক অখ্যাত কর্মীর করুণ জীবনকথা। দুই মলাটের অভ্যন্তরে তুলির ছন্দে সেজে উঠেছে বিশ্ববরেণ্য সাহিত্য কীর্তিগুলি। দুই যুগ ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত গৌতম কর্মকারের হারিয়ে যাওয়া সৃষ্টিগুলি নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে পেরে আমারা খুশি।
বর্ষীয়ান শিল্পী গৌতম কর্মকার পেশায় চিকিৎসক, দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর কমিক্স নিয়ে কাজ করে চলেছেন। তাঁর অসংখ্য কাজ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
বর্তমান গ্ৰন্থে বিশ্বসাহিত্যের পাঁচটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের এবং একটি চার পাতার কমিক্স দেওয়া হল।
সূচিপত্র :
১. হৈটি টৈটি (আলেকজান্দর বেলায়েভ)
২. ধূমকেতুর সওয়ার (জুল ভের্ন)
৩. ব্ল্যাক ডায়মন্ডস (জুল ভের্ন)
৪. ঘুম যখন ভাঙলো (এইচ জি ওয়েলস)
৫. ওভারকোট (নিকোলাই গোগোল)
৬. প্রবাল দ্বীপ (আর এম ব্যালেনটাইন)
Weight
0.7 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Language
Bengali
Publisher
Biva Publication
Publishing Year
2026
Binding
Paperback
বই চিত্রে গণেশ পাইন
গণেশ পাইনের অলংকরণ
সমীর ঘোষ
প্রচ্ছদ – অরিন্দম নন্দী
শিল্পী গণেশ পাইনের ছবির প্রধান আকর্ষণ দৃশ্যগ্রাহ্য বাস্তবতার সঙ্গে অপার রহস্য ও ইঙ্গিতময়তা। রঙের স্তরে স্তরে আলো-আঁধারি মায়া, সূক্ষ্ম রেখার বুনোট বিস্তার- তারই সঙ্গে বিস্ময়কর অন্তঃপ্রবাহী ব্যঞ্জনা।
যে ছবির জন্য গণেশ পাইনের শিল্পী-স্বীকৃতি- তার পাশে ধারাবাহিক গ্রন্থচিত্রণ, বিচিত্র শৈলী প্রয়োগে বিশিষ্ট। বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কখনো স্বপ্নমেদুর রূপকল্প নির্মাণ, কখনো প্রাচীন ভারতীয় ভাস্কর্যের শৈলীর নিপুণ প্রয়োগ, আবার তথ্য অনুসারী অলংকরণে মিশে আছে গণেশ পাইনের শ্রমসাধ্য নিরীক্ষা, প্রগাঢ় প্রজ্ঞা এবং আন্তরিকতার চিহ্ন।
গণেশ পাইনের স্বীকৃত ছবির পাশে গ্রন্থচিত্রণ অনেকাংশেই উপেক্ষিত। আলোচনায় কিংবা শিল্পের মূল্যায়নে অলংকরণ তেমন গুরুত্ব পায় না।
এই প্রথম গণেশ পাইনের গ্রন্থচিত্রণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সঙ্গে বহু সংখ্যক দুর্লভ অলংকরণের নমুনা নিয়ে গ্রন্থপকাশ- বলা যায় ব্যতিক্রমী প্রয়াস।
বোমার যুগের কাহিনী : বিজলী পত্রিকায় প্রকাশিত
(বিপ্লবী গ্রন্থমালা)
বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
সংকলক : জয়ন্তী মুখোপাধ্যায়
বঙ্গদেশে যেসব ধান জন্মায়, সেসব ধানের আদ্যন্ত বিবরণ বা বর্ণনা, পরন্তু ধান-চালের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কযুক্ত আলোচনা এই গ্রন্থখানির মূল বিষয়। এককথায় ‘বঙ্গে চালতত্ত্ব’ গ্রন্থটিকে ধান এবং চাল কারবারের সহায়ক অমূল্য গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হয় না। ‘সংজ্ঞা ও পরিভাষা’-র মধ্যে ধান এবং চালের বিভিন্ন ভাষার নামও পাঠকদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে।
সুন্দরবনের প্রতিদিনের লড়াই,বিশ্বাস আর স্বপ্নপূরণের রূপকথা নিয়ে বনবিবির পালা মানুষের রক্ত-ক্লেদময় লড়াকু জীবনযাপনের প্রতীক।
দোকানের পণ্য পসরার বিজ্ঞাপন সংবলিত পুস্তিকা প্রকাশিত হত সে-সময়। তা ছাড়াও পঞ্জিকার পাতায় পাতায় থাকত বিজ্ঞাপন। তা-ই এই বইয়ের মূল উপাদান। আলোচ্য দোকানদারি ‘ঔষধ-আতর-তৈলাদি’।”
বইয়ে এই প্রসঙ্গেই তখনকার সমাজ, স্বাস্থ্য, যৌনতা, লেখাপড়া, শ্রীলতা-অশ্লীলতা এবং স্বামী-স্ত্রী’র সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ের নিরিখে বিজ্ঞাপন এবং পণ্য পসরাকে দেখা হয়েছে।
সামাজিক অবস্থা এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ঔষধ-আতর-তৈলাদি’র কারবার চলেছে, তারই এক কৌতুকপ্রদ বিবরণ রয়েছে এই বইয়ে।
বিচার-বিশ্লেষণ ও প্রতিপাদ্যের ক্ষেত্রে অহেতুক গাম্ভীর্য কিংবা অকারণ লঘুতার আশ্রয় নেওয়া হয়নি। বলার কথা আরও এই যে, কোনও ধরনের মরালিটি নজু কেবল রিয়েলিটির প্রেক্ষিতেই বিষয়গুলিকে দেখা হয়েছে।
Author : DIPANKAR PARUI
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বৌদ্ধ ধর্মের ইতিবৃত্ত
ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতির উপর বৈদিক সংস্কৃতির ও বেদান্ত দর্শনের প্রভাব পড়েছে। তবে তুলনায় বাঙালি জীবনে বেদ-নির্ভর সংস্কৃতির প্রভাব খুব বেশি নেই বলে মনে করেছেন নৃতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব, ইতিহাস ও সাহিত্যের গবেষকগণ। তাঁদের অভিমত আর্যভাষাভাষী আদি-নর্ডিক গোষ্ঠীর রক্তপ্রবাহ ও সংস্কৃতি বাঙালির সমাজ জীবনে ও সমাজ সংগঠনে এত ক্ষীণ যে, বাংলা দেশের ব্রাহ্মণদের মধ্যে খুব সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ সত্ত্বেও সহসা ধরা পড়ে না। বরং আদি অস্ট্রেলয়েড গোষ্ঠী, অ্যালপাইন গোষ্ঠী এবং দ্রাবিড় সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে যথেষ্ট। ধর্ম-সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির সঙ্গে বৌদ্ধ, জৈন, ব্রাহ্মণ্য ধর্মনীতি ও দর্শনের সংমিশ্রণে বাঙালি জাতির মানসলোক গড়ে উঠেছে। যদিও সেন বর্মন আমল থেকে স্মার্ত পণ্ডিতদের নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত সমাজব্যবস্থা, ধর্মাচরণ বাঙালি হিন্দুধর্মের মানুষের সমাজজীবন ও সাহিত্যকে নিয়ন্ত্রিত করেছে। সমগ্র মধ্যযুগ জুড়ে সেই নিয়ন্ত্রণ কখনও দৃঢ় হয়েছে, আবার কখনও শিথিল হয়েছে। কিন্তু তারও আগে বৃহত্তর বঙ্গদেশে (অঙ্গ, বঙ্গ, পুণ্ড্র, সমতট, গৌড়) দীর্ঘকাল ধরে প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির প্রভাব যেমন পড়েছিল, তেমনি প্রায় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বৌদ্ধধর্ম ও বৌদ্ধ-সংস্কৃতির যথেষ্ট প্রভাব পড়েছিল বাঙালি জনমানসে। প্রাচীন-মধ্যযুগের বাংলার সমাজ ও সাহিত্য সেই প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেনি। সমাজে তো বটেই; সাহিত্যের গভীরেও রয়ে গেছে সেই প্রভাব।
সম্রাট নেপোলিয়ার বাহিনীর প্রাত্তন যোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেরার, জীবনের সায়াহ্নে সান্ধ্য আসরে বসে শোনান তাঁর বীরত্বগাথা। আত্মগৌরবে পূর্ণ এসব কাহিনিতে ফুটে ওঠে একসময়ের উত্তপ্ত রক্তের উদ্দীপনা এবং তাঁর রমণীমোহন ব্যক্তিত্বে আকৃষ্ট অসংখ্য তৃষিত হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা। এই মোহনীয়তা ও বীরত্বে তিনি সম্পন্ন করেছিলেন বহু দুঃসাধ্য কর্ম। সম্রাট নেপোলিয় স্বয়ং তাঁর কর্মগুণে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ওয়াটারলু অভিযান এবং সেন্ট হেলেনা থেকে উদ্ধারের মতো বিপজ্জনক অভিযানে প্রেরণ করেন।
স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের সৃষ্ট এই চরিত্র সম্পর্কে ডয়েল-বিশেষজ্ঞ আওয়েন এডওয়ার্ডস বলেছিলেন, “এত সমৃদ্ধ ইতিহাসভিত্তিক ছোটোগল্প আর কখনও লেখা হয়নি।”
দক্ষ অথচ সরলমনা এই দেশপ্রেমিককে ঘিরে রচিত গল্প ও নাটক প্রথমবার একত্রিত হয়েছে, যেখানে রয়েছে প্রয়োজনীয় টীকা, দুষ্প্রাপ্য অলংকরণ এবং অসংখ্য ছবি।
বৃক্ষমানুষের ছায়া
দুর্লভ সূত্রধর
অলংকরণ : অদ্বয় দত্ত
প্রচ্ছদ : সৌজন্য চক্রবর্তী
বাজারে আগুন— আগুন মানুষের জীবনেও। শূন্য খেলার মাঠ, সারাদিন ভারী ব্যাগ পিঠে টিউশনে টিউশনে ছেলেমেয়েদের দৌড়াদৌড়ি, অনবরত প্যাঁচ-পয়জার ও রিপুল্লাসে স্বজন-বন্ধুকে পরিঘাত, গা-জোয়ারি মাৎস্যন্যায় গ্রাসিত হাটবাজার, প্রান্তজনের প্রাত্যহিক শোচনীয় আত্মঘাত, একটি জনপদের ভুলে যাওয়া উত্তরাধিকার আর গৌরবের ব্যর্থ ইতিহাস— গৌর আর সুনন্দর মতো মানুষের অন্তর্গত পরিশীলনকে বিচলিত করে। জনপদে হঠাৎ গজিয়ে ওঠে মেঘভেদী মন্দির, ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলা আচার-বিচারের অতিলৌকিক কোলাহল ঘনিয়ে তোলে বিষণ্ণতার মেঘ।
উত্তরণের উপায় কি লেখা আছে আমাদের বিস্মৃতপ্রায় প্রতিরোধ ও প্রগতির তামাদি ইতিহাসে? সৌহার্দ্যের সুবাতাসে এখনও কি জন্ম হতে পারে রূপকথার?
বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত : ইতিহাস কিংবদন্তী স্থাপত্য
শ্যামল কুমার মুখোপাধ্যায়
বীরভূমি বুন্দেলখন্ড। লোককথা, হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস অনুপম নৈসর্গের পটভূমিতে রচিত প্রাচীন দুর্গ, প্রাসাদ, দেবদেউলের অপরূপ শিল্প সম্ভার সব মিলিয়ে বুন্দেলখন্ডের আকর্ষণ অমোঘ, অপ্রতিরোধ্য। একদিকে এই ভূখণ্ডের রণনিপুণ রণনায়কদের রণক্ষেত্রে রক্তের অক্ষরে রচিত জীবনগাথা, অন্যদিকে আবার তাদেরই পাথরের বুকে রেখে যাওয়া ঈশ্বরদত্ত শিল্পচেতনার উত্তরাধিকার আর এই সবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নানা লোকগাথা সব নিয়েই এই বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত।
সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীর সহিত আমার প্রথম পরিচয় হইয়াছিল সন তেরশ’ একত্রিশ সালে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলি শেষ করিয়া সবেমাত্র বাহির হইয়াছি। পয়সার বিশেষ টানাটানি ছিল না, পিতৃদেব ব্যাঙ্কে যে টাকা রাখিয়া গিয়াছিলেন, তাহার সুদে আমার একক জীবনের খরচা কলিকাতার মেসে থাকিয়া বেশ ভদ্রভাবেই চলিয়া যাইত। তাই স্থির করিয়াছিলাম, কৌমার্য রত অবলম্বন করিয়া সাহিত্যচর্চায় জীবন অতিবাহিত করিব। প্রথম যৌবনের উদ্দীপনায় মনে হইয়াছিল, একান্তভাবে বাগ্দেবীর আরাধনা করিয়া বঙ্গ-সাহিত্যে অচিরাৎ যুগান্তর আনিয়া ফেলিব। এই সময়টাতে বাঙালীর সন্তান অনেক ভাল স্বপ্ন দেখে, যদিও সে-স্বপ্ন ভাঙিতেও বেশি বিলম্ব হয় না।
কিন্তু ও কথা যাক। ব্যোমকেশের সহিত কি করিয়া পরিচয় হইল এখন তাহাই বলি।
যাঁহারা কলিকাতা শহরের সহিত ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত, তাঁহাদের মধ্যেও অনেকে হয়তো জানেন না যে এই শহরের কেন্দ্রস্থলে এমন একটি পল্লী আছে, যাহার এক দিকে দুঃস্থ ভাটিয়া-মাড়োয়ারী সম্প্রদায়ের বাস, অন্য দিকে খোলার বস্তি এবং তৃতীয় দিকে তির্যকচক্ষু পীতবর্ণ চীনাদের উপনিবেশ।
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্য সাহিত্যের বৈশিষ্ট্যগুলির একটি হল কাহিনির প্রতি স্তরে আর ভাঁজে সুক্ষ্ম রসবোধের ছোঁয়া দিয়ে রাখা। ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে লেখা গল্প-উপন্যাসের সেই বিষয়টির খোঁজ করা হয়েছে এই বইতে। একই সঙ্গে ব্যোমকেশ এবং অজিতের চরিত্রেও শরদিন্দু আরোপ করেছেন আশ্চর্য মূল্যবোধ এবং জীবনরস সন্ধান আর আস্বাদনের মানসিকতা। এই বইতে আলোচিত হয়েছে সেই বিষয়টিও।
জীবনরসিক ব্যোমকেশ বক্সীর মানবিক মূল্যবোধ আর কাহিনিতে প্রচ্ছন্ন ও প্রকট হয়ে থাকা হাস্যরসের সন্ধানে এই বইয়ের আলোচনাও এক ধরনের সত্যান্বেষণ।
রোম মানে কেবল জুলিয়াস সিজার নয়, ব্রুটাস বা মার্ক অ্যান্টনি নয়। নয় মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার শাসন-কাহিনি। নয় আবার নিরো বা ক্যালিগুলা। আবার এদের বাদ দিয়েও হয় না রোমের ইতিহাস। সঙ্গে যুক্ত হবে প্রথম রাজতন্ত্রের যুগের মিথ-মিশ্রিত নানান কাহিনি।
কীভাবে তিলে-তিলে রাজতন্ত্র পরিণত হল প্রজাতন্ত্রে এবং পাঁচশো বছর বাদে আবার প্রজাতন্ত্র নষ্ট হয়ে ফিরে এল সম্রাটদের শাসন— চমকপ্রদ এই ইতিহাসের অধ্যায় নিয়ে আমাদের যাত্রা।…
পেশায় সাংবাদিক হলেও কলকাতার ইতিহাস নিয়ে লেখকের চর্চা দীর্ঘদিনের। সংবাদপত্র ছাড়াও বিভিন্ন সাময়িকপত্র ও বৈদ্যুতিন মাধ্যমে লেখকের কলকাতা সম্পর্কিত যে সমস্ত রচনা প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোর থেকে বাছাই করা কিছু নিবন্ধ নিয়ে এই বই।
কলকাতার আদি ইতিহাস থেকে আরম্ভ করে, এই শহরের নামকরণ, উল্লেখযোগ্য কিছু রাস্তার নামের ইতিহাস, রাইটার্স বিল্ডিংস, টাউন হল, নদীয়া হাউস, কলকাতার ব্যাপটিস্ট মিশন প্রেস-সহ শহরের স্বনামধন্য বেশ কিছু বাড়ির কথা ছাড়াও রয়েছে কলকাতা শহর গড়ে ওঠবার সময়কালের বিচিত্র সব কাহিনি। শুধু রাস্তা আর বাড়ির কথাই নয়, এই বইতে রয়েছে স্বদেশি আন্দোলনের প্রেক্ষিতে লেখা একাধিক নিবন্ধও। আশা করা যায়, কলকাতা শহরের ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী পাঠকদের অনেক কৌতূহল মেটাতে পারবে এই বই।
বুড়ি কলকাতার তন্বী রূপের প্রেমে পড়েছি কবে‚ আজ আর তা মনে পড়ে না‚ শুধু জানি এই শহর এক স্বভাব জাদুকরী,কারণ‚ এই তিনশো বছরের শহরের অলি গলি রাস্তাঘাট দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কখন যেন চোখের সামনে ঝলসে ওঠে এক ক্যালাইডোস্কোপ‚ যেখানে একদিকে মাথা তোলে নন্দরামের মন্দির‚আর একদিকে বাংলার গ্যারিক‚ ওই ভেসে আসে নবাব ওয়াজেদের লখনৌ বিরিয়ানির খুশবু‚ আর তার সাথেই চিৎপুরের আতরওয়ালাদের আতরের অলৌকিক সুগন্ধ। উত্তরের এঁদোগলিতে শুনতে পাই গান বাঁধছেন সলিল চৌধুরী‚ আবার দক্ষিণে সারারাত দরজা খুলে বসে থাকে এক ওষুধ-দোকান‚ নাম‚ বাথগেট। ময়দানের সন্ধ্যায় গোলের চিৎকার মিলিয়ে যেতে যেতে ছলকে ওঠে চিকেন স্ট্যু আর মধ্যরাতের পার্ক স্ট্রিটের মায়া-সরণিতে জেগে ওঠেন পাম ক্রেইন আর উষা আইয়ার। আমরা হাঁটতে থাকি‚ আমাদের সঙ্গে হাঁটেন রবীন্দ্রনাথ‚ জীবনানন্দ‚ শক্তি, সুনীল‚ সত্যজিৎ। দক্ষিণের দেব বর্মনদের গানবাড়ির সঙ্গে উত্তরে পাথুরেঘাটার জ্ঞান গোঁসাই মিয়াঁ-কি-মলহারে সুর তোলেন‚ আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি এই শহরের অলি গলি পাকস্থলিতে‚ যে শহরের নাম ছিল ক্যালকাটা।
খুনি যেখানে নিজে থেকে এসে আত্মসমর্পন করল, সেখানে কেন একটাও সাক্ষ্য-প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেল না? আর কেনই বা বারবার ঘুরে ফিরে আসতে লাগল অতীতের এক ভয়াবহ ঘটনার উল্লেখ। সে কি পাগল? পাগল হলে এত হিমশীতল মস্তিষ্কের অধিকারী সে হয় কী করে? সে যেন আগে থেকেই জানে একটু বাদে কী ঘটতে চলেছে। ঠিক যেন দাবার বোর্ড সাজিয়ে বসেছে সে। একটা চাল এদিক ওদিক হলেই কিস্তিমাত…
‘ক্যারাভান’ নামক জনপ্রিয় গ্রাফিক নভেলের ঘটনার ঠিক পরেই শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায় ‘ক্যারাভান: প্রতিশোধ’। প্রতিশোধ ও পরিত্রাণের এক রুদ্ধশ্বাস গাথা বলবে এই কাহিনি। আসিফ ও দুর্গা রক্তলোলুপ ভ্যাম্পায়ারদের ভয়ঙ্কর আক্রমণ থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা বুঝতে পারে— সব বিপদের কারণ অতিপ্রাকৃত নয়, কিছু ভয়ের উৎস আসলে মানুষই। ‘ক্যারাভান প্রতিশোধ’ হল ক্যারাভান মহাগাথার শেষ অধ্যায়— পরিণতির আখ্যান।
ছবিওয়ালার গল্প
অশোক মজুমদার
‘দেখতে হয় নইলে চোখ বন্ধ করে থাকতে হয়’।
এই ট্যাগলাইন যে বাঙালি চিত্রসাংবাদিকের জন্য একমাত্র প্রযোজ্য, তিনি অশোক মজুমদার । বর্ষীয়ান, জনপ্রিয় ও তুমুল প্রতিভাবান এই শিল্পীর লেন্সে ধরা দিয়েছেন ইন্দিরা গান্ধী থেকে বারাক ওবামা; অমর্ত্য সেন থেকে স্টিভেন স্পিলবার্গ; পাশাপাশি ধরা পড়েছে রোজকার মানুষের দৈনন্দিন ওঠাপড়া ও বঙ্গজীবনের সামগ্রিক চালচিত্র । চল্লিশ বছরেরও বেশি সময়জুড়ে তোলা ১০১ টি বাছাই ব্যক্তি ও ঘটনার ছবি ও সেই ছবি তোলার গল্প ও অভিজ্ঞতা একত্রিত করে প্রকাশ পাচ্ছে ছবিওয়ালার গল্প । সম্পূর্ণ রঙিন, বিদেশি আর্ট পেপারে ছাপা প্রায় ৫০০ পাতার এই অদ্বিতীয় সংকলন বঙ্গজীবনের সাম্প্রতিক ইতিহাসের জীবন্ত দলিল।
হারিয়ে যাওয়া আশি-নব্বই দশক, হারিয়ে যাওয়া যৌথ যাপন, হারিয়ে যাওয়া নির্মল শৈশব ফিরে পাওয়ার জন্য যে সূচিমুখ বেদনা ত্রিশোর্ধ্ব বাঙালির বুকে বসত করে তার তুলনা নেই।
অন্তরীপ সময়ের কাঁটাকে ঘুরিয়ে দিতে চেষ্টা করেছে তীব্র আবেগে। স্কুলব্যাগে লুকিয়ে আনা ছোটো ছোটো কমিক্সের বইগুলো, পড়ার বইয়ের ফাঁকে লুকিয়ে রাখা হিরে মানিকগুলো, ম্যাগাজিনের দোকানে হৃদয় উদ্বেল করে সাজিয়ে রাখা প্রাণ সাহেবের চাচা চৌধুরীর কমিক্সগুলো আবার এনেছে অন্তরীপ কমিক্স।
এই অমনিবাস এডিশন-এ ধরা রইল সকলের প্রিয় সেই প্রথমযুগের প্রাণ অঙ্কিত শিল্পকর্মগুলি।
অন্তরীপ কমিক্স ও প্রাণ-এর যৌথ উদ্যোগে বাংলার পাঠকের সামনে হাজির হয়েছে এক সময়যান। অতীতের নির্মল যাপনে ফিরে যাওয়ার এক জাদুকাঠি। আজকে যাঁরা সেইসব দিন, সেইসব যাপন, সেইসব কমিক্সের অভাববোধ করেন তাঁরা হাতে তুলে নিন এই জাদুকাঠি। চড়ে বসুন এই সময়যানে। সঙ্গে নিন আজকে যাঁরা শৈশবে— তাদেরও। চাচা চৌধুরীর কম্পিউটারের থেকেও প্রখর মস্তিষ্কের কিস্সাকাহিনি প্রবাহিত হোক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।
‘চল পানসি কলকাতা’ তিন হাজার পাঁচশো কিমি ব্যাপী এক ভ্রমণ-উপাখ্যান যেখানে অজন্তা, ইলোরা, বিবি কি মকবারার মতো গৌরবময় কিছু স্থাপত্য, ঘৃষ্ণেশ্বর, ওঙ্কাররেশ্বর, মহাকালেশ্বরের প্রাচীন মন্দির ও উজ্জয়িনী, ওয়ার্ধা, সেগাঁও-এর মতো ঐতিহাসিক নগরীর পাশাপাশি কয়েকটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও সেবা-আশ্রমের কাহিনি বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কাহিনির পটভূমিকার সঙ্গে বলা হয়েছে কিছু মানুষের গল্প, যারা সাধারণ হয়েও চরিত্রের গুণে হয়ে উঠেছেন অনন্য সাধারণ। চিকলধারা অভয়ারণ্য, মন্দারমণি সমূদ্রবেলা, এবং নেতাজির জন্মস্থান দর্শন এই অভিযানের বিশেষ দিক।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Mahua GHosh
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
চণ্ডাল
এই কাহিনীর একদিকে রয়েছে খুলনা উত্তরের ডন মোজাফফর রহমান আর অন্যদিকে দক্ষিণের আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়া জামশেদ মোল্লা। হঠাৎই শহরে আগমন ঘটে এক রহস্যময় ব্যক্তির, যাকে চেনে এবং সমীহ করে শহরের অন্ধকার জগৎ। দেখতে দেখতে খুলনা শহরের রঙ পাল্টে হয়ে যায় রক্তবর্ণ। পুলিশ অফিসার হাদী আলম ও তার সহকারী বাবুল নেমে পড়ে রহস্য উদঘাটন করতে। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসে জার্নালিস্ট সামিয়া। তারা কি শহরের এই হত্যালীলা থামাতে পারবে? শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় কে? সেই গল্পই বলে ‘চতুরঙ্গের অশ্বারোহী’।
আজ থেকে ৪০০ বছর আগেও ইউরোপে রাজরাজড়ার ঘরে ছাড়া চিনির দেখা পাওয়া যেত না। কেক পেস্ট্রি পুডিং, কিচ্ছু ছিল না। কারণ, ইউরোপে চিনিই ছিল না।
৫০০ বছর আগে থেকে ইউরোপের কিছু কিছু দেশ তাদের দখল করা আমেরিকায় আফ্রিকা থেকে দাস এনে আখ চাষ ও চিনি প্রস্তুত শুরু করল। এই দাসদের রক্ত ঘাম অশ্রু দিয়ে তৈরি চিনি একদিকে কিছু ইউরোপীয় মালিকদের জন্য অশেষ মুনাফা এনে দিল, পাশাপাশি ইউরোপের খাবার টেবিলে পৌঁছে দিল মিষ্টি চা কফি চকলেট কেক ইত্যাদি নানা সুখাদ্য।
পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গেল চিনি আর মুনাফার তাগিদে।
‘চিনি কাহিনী’ এক তিক্ত ইতিহাস।
প্রণবেশ রায়, ওরফে পানু তাচ্ছিল্যে পেনো, চাপরাশি হয়ে পত্রিকার অফিসে ঢুকেছিল। পত্রিকার তৎকালীন কর্ণধারের দাক্ষিণ্যে সে সাংবাদিক বনে। পানু রিপোর্টার। কিন্তু স্নেহপরায়ণ মালিকের পুত্রের আমলে সে আর তেমন কল্কে পায় না। বর্তমান মালিক হাঁদু চক্কোত্তি তাকে একরকম বলেই দিয়েছে, যে ভাবেই হোক পত্রিকায় রকমারি ছন্দের কবিতা দিয়ে সে যদি তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পত্রিকাটিকে পরাস্ত না করে তাহলে তাকে এই সাধের চাকরিটির মায়া কাটাতে হবে।
হাঁদু চক্কোত্তি আবার ছন্দরসিক। কোত্থেকে একটা পুরনো বাংলা পুঁথি যোগাড় করেছে। তাতে আছে অজ্ঞাত কবিদের লেখা নানান ছন্দের কবিতা। পানুর ওপর ভার পড়ে সেই সব প্রাচীন কবিদের কুলুজী খুঁজে বার করার।
সেই কাজেই পানুর সঙ্গে দেখা হয়ে যায় এক মাথা পাগলা কিন্তু মস্ত গুণী কবির। চরিত্রটি সরাসরি যেন উঠে এসেছে হ-য-ব-র-ল থেকে। তাই সে কখন পেটুক রামু, কখনও ছাপোষা কেরানি, কখনও বা বার্নার্ড পঞ্চাশ, অসিতবরণ, ভোলা নর্তক কিংবা বীরপুরুষ সাহা। অন্তিম অবতারে সে নিত্য গোঁসাই। একই অঙ্গে এতো রূপ! তুখোড় ছান্দসিক ও ছড়াকার।
আসলে কে সে? সেটাই রহস্য। সেটাই ইতিহাস। সেই নিয়েই গল্প। পঞ্চাননমঙ্গলের মতো রুদ্ধশ্বাস না হলেও কাহিনীতে মজা আছে। সম্যক জানতে হলে বইটা পড়া দরকার।
শেষে যা হয় হোক, এই উপন্যাসে প্রাপ্তি শুধু সেটাই নয়। কাহিনী ছাড়াও পুরো আখ্যান জুড়ে এর ছড়িয়ে আছে অজস্র ছড়া। অসম্ভব নিপুণতায় ছড়াগুলো নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ছন্দে। ছন্দের দৃষ্টান্তরূপে গদ্যের মাঝে এলেও ছড়াগুলো কোথাও আরোপিত লাগে না। আর এগুলোকে মূলত ছড়া বললেও তার মাঝেই লেখক রেখে দিয়েছেন রামায়ণ, গীতগোবিন্দ, মেঘনাদবধ কাব্যের কিছু কিছু বাংলা ছন্দরূপ! যা অন্যান্য ছড়াগুলোর লঘুতা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আছে দৃষ্টান্ত দিয়ে ছন্দের প্রকরণ বোঝানো। অবশ্যই গল্পের মধ্যে, অ্যাকাডেমিক ক্লিষ্টটা নেই তাতে। অথচ গঠন দেখে বোঝা যায় তার পিছনে রয়েছে বিস্তর অধ্যয়ন। পণ্ডিত লোক পাঠ করলে নিশ্চয়ই বুঝবেন। ভুলভ্রান্তি আছে কিনা তাঁরাই বলতে পারবেন।
ভালোবাসা। চার অক্ষরের এই দেবতাটির কাছে নতজানু হতে হয় সকলকেই। কলেজকালের জাদুবয়েসিরা তার দোরে হাত পাতে। তার উপাসনায় তিন দশকের বেশি দাম্পত্য কাটানো জুটি ঘর পালিয়ে তিস্তাপাড়ে। তারই নেশায় নদীটি নারীরূপ ধরে দয়িতকে গ্রাস করে… অথবা কিন্নরী মানুষের ঘরে এসে মরজগতে আশ্রয় নেয়। গত এক দশক ধরে প্রকাশিত হয়ে চলা তেমনই কিছু ভালোবাসার কাহিনি।
অমরেন্দ্র কুমার রায় তাঁর ‘শরৎপ্রসঙ্গ’ বইতে লিখেছেন- “অনেকের ধারণা শরৎচন্দ্র বেশ্যাসক্ত ছিলেন।” ‘শরৎচন্দ্রের রেঙ্গুনের বন্ধু গিরীন্দ্রনাথ সরকার তার ‘ব্রহ্মদেশে ‘শরৎচন্দ্র’ গ্রন্থে শরৎচন্দ্রকে “সমাজ বিরোধী, উচ্ছৃঙ্খল যুবক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও লিখেছেন-
“তিনি একদিক দিয়ে ছিলেন এক উচ্ছৃঙ্খল যুবক, দিনরাত মদের নেশায় চূড় হয়ে থাকতেন। মদ না পেলে আফিমের নেশাতেও ভূত হয়ে থাকতেন আর অধিকাংশ সময় কাটাতেন রেঙ্গুন শহরের -নিষিদ্ধ পল্লীতে।” শরৎচন্দ্রের জীবনীকার গোপালচন্দ্র রায় লিখেছেন- “শরৎচন্দ্র একবার তাঁর বন্ধুর সঙ্গে পতিতার কাছে গিয়েছিলেন। মেয়েটি নাচ গান জানতো। নাচ গান চলতে লাগল। এদিকে দু-বন্ধু মিলে একটু একটু করে মদ্যপানের মাত্রাও বাড়াতে লাগলেন। এক সময় উভয়েই নেশায় বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। এমনকি তাদের কোমরের কাপড়ও ঠিক রইল না।” কিন্তু কেন শরৎচন্দ্রের এই ছন্নছাড়া জীবন। কেন শরৎচন্দ্রকে প্রায় সারা জীবন তথাকথিত ভদ্র এলিট সমাজের কাছে অপাংক্তেয় হয়ে থাকতে হয়েছিল?-
এর উত্তর বাঁধা ছিল বাংলা সাহিত্যের এক বিখ্যাত লেখিকা নিরুপমাদেবীর আঁচলে। তিনি নরেন্দ্র দেব ও রাধারাণীদেবীর কাছে স্বীকার করেছিলেন- “শরৎদার যে বাউন্ডুলে দশা হয়েছিল, সে শুধু আমারই জন্য।” এই বইতে সেই মাতাল বাউন্ডুলে পতিতালয়গামী উচ্ছৃঙ্খল শরৎচন্দ্রের কথা।
চৌথুপী সাঙ্ঘারামে মরণভয় ছড়িয়ে পড়েছে। অন্ধকারে সাঙ্ঘারামের শূন্য প্রাঙ্গণে পদচারণা করছেন মহাস্থবির। দুশ্চিন্তায় তার চোখে ঘুম নেই। একদিকে সাঙ্ঘারামের আবাসিকদের সুরক্ষার গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে চৌথুপীর গ্রন্থাগারের অমূল্য পুঁথিগুলির অনিশ্চিত ভবষ্যতের দুশ্চিন্ত। দূরে গ্রন্থাগারের গবাক্ষের ভিতর দিয়ে ক্ষীণ আলোকরশ্মি দেখা গেল। এত রাতে গাঁথাঘরে আলো? কৌতুহলে পায়ে পায়ে এগিয়ে মহাস্থবির গ্রন্থাগারের বিশাল দরজার সামনে এসে থমকে দাঁড়ালেন – গাঁথাঘরের মুখ্য দ্বার খোলা!
চৌথুপীর চর্যাপদ” কি শুধুই থ্রিলার ? নাকি থ্রিলারের মোড়কে বন্দি এক গভীর গবেষণার প্রকাশ? বাঙালির আসল পরিচয় অন্বেষণ করে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন প্রীতম বসু। বাঙালির সম্বন্ধে প্রকাশিত ইতিহাস যে অসম্পূর্ণ এবং এই ইতিহাস আবিষ্কারের জন্য ভাবী প্রজন্মের বাঙালির রোড ম্যাপ কী তাও কলমের আঁচড়ে বন্দি করেছেন লেখক। পাতায় পাতায় বিস্ময় আর শিহরণের আনন্দ !পডুন এ কালের থ্রিলার লেখকদের মধ্যে অন্যতম প্রীতম বসুর আশ্চর্য উপন্যাস “চৌথুপীর চর্যাপদ” আর চিনুন নিজের প্রাচীন গৌরবের উজ্জ্বল অক্ষরকে।
চলচ্চিত্র পোস্টারের জন্ম চলচ্চিত্র জন্মের প্রায় একই সময়ে। নানা সময়ে নানা দেশে এই চলচ্চিত্র পোস্টারের নানা বিবর্তন, পরিবর্তন ঘটেছে- বিষয়ে, আঙ্গিকে, প্রয়োগ-কল্পনা ও শৈল্পিক-চিন্তায়। কখনও পৃথিবীবিখ্যাত শিল্পীরা চলচ্চিত্রের জন্যে পোস্টার এঁকেছেন। চলচ্চিত্রের সামজিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসে চলচ্চিত্র পোস্টার এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেই পোস্টারের আদি, অতীত, বর্তমান নিয়েই এই সচিত্র গ্রন্থ, যাতে রয়েছে বিশ্ব চলচ্চিত্রের পোস্টারের বিবর্তনের ইতিহাস, সঙ্গে শতাধিক দুষ্প্রাপ্য মূল পোস্টারের প্রতিলিপি।
সিনেমাপাড়া দিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে
তরুণ মজুমদার
ছায়াছবি মানেই আলোছায়ার খেলা। আবার ছায়াছবির জগতে যাঁরা ঘুরে বেড়ান তাঁদের জীবনেও আলোছায়ার খেলা কম নেই। তারই কিছুটা পরিচয় দেবার জন্যে এই লেখা। সাহিত্য নয়, কথকতা।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manas Bhandari
Weight – 0.2kg
Binding – Hard Bound
কলেজস্ট্রীট কফি হাউস
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় বঙ্গের দুর্গাপুজো কেমন হয়েছে? বাংলা সংবাদপত্রে পুজার সময়, সমাজ, খবর, ছবি, বিজ্ঞাপন আর অন্যান্য বিষয়ে কী ছাপা হয়েছে। সেই ভয়াবহ দমবন্ধ সময়ের দুর্গাপুজোর সচিত্র বিবরণ।
মনুষ্যত্বের পথচলা হল অন্ধকার থেকে আলোর দিকে যাত্রা, মৃত্যু হতে অমৃতের দিকে যাত্রা, ভ্রান্তি থেকে সত্যের দিকে যাত্রা । তন্ত্রও সেই একই কথা বলে। বলে দেহ থেকে দেহাতীতে যাওয়ার কথা। আর এই যাত্রাপথের গলিখুঁজিতে ওঁত পেতে থাকে কত না অগণন ছায়াশরীরের বুভুক্ষু আর্তনাদ। অন্ধ অভিশাপের সাতকাহন। আর সেই অন্ধকারের ছায়ার মধ্যে কেউ কেউ আসেন আলোর মাভৈঃ মন্ত্র নিয়ে। মন্ত্রকন্ঠে বলেন, ‘জেনে রাখো অমৃতের সন্তান, এই পৃথিবীর সমস্ত পূজা, আরাধনা, মন্ত্রপাঠের থেকেও মহত্তর স্নেহ, দয়া, করুণা, মৈত্রী। কারণ ভালবাসাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় তন্ত্র, সবচেয়ে বড় যাদু।’ সেই ভয় আর ভালবাসার গল্প শোনাতে আবার ফিরে এসেছেন ভবতারণ চট্টোপাধ্যায় এবং স্বয়ং কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ।
এই সংকলনে মনোরথ শর্মার বাছাই করা অনেকগুলি গল্প স্থান পেয়েছে। বেশির ভাগ গল্পে আছে ইতিহাসের ছোঁয়া। তবুও সেগুলি ঐতিহাসিক গল্প নয়। পাত্রপাত্রী স্থানকাল এসব আধুনিক। কাহিনির খাতিরে অনেকসময় গল্পের চরিত্রেরা ফিরে গেছে সুদূর অতীতে। তাদের কাছে লুপ্ত হয়ে গেছে স্থানকালের বিভেদরেখা।
তাতেই জমে উঠেছে গল্প। বাস্তব, অলীক, বিশ্বাস্য অবিশ্বাস্য ইত্যাদি নানান প্রেক্ষিতে বোনা হয়েছে কাহিনি। তাঁর বহু গল্পে আছে একধরনের মায়াবী জাদু-বাস্তবতা। বালক বালিকা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবার কাছেই তা আদরণীয় হয়ে ওঠে।
দামাস্কাসের ছুরির গল্পগুলি সববয়সের পাঠক পাঠিকার জন্য। মামুলী অলৌকিক গল্পের সঙ্গে তুলনা করলে এই গল্পগুলিতে পাঠকের আর একটি বাড়তি পাওনা আছে। সেটি হল গল্পের নিখুঁত পটভূমি নির্মাণের জন্য সমাজ, ইতিহাস, ভূগোল, পুরাতত্ব এমনকি তন্ত্রেরও আলোচনা। অবশ্যই কাহিনির খাতিরে। এই বৈচিত্র্য ও অভিনবত্বের জন্যই মনোরথ শর্মার বিশেষ পরিচিতি।
Editor – Soumyo Basu
Binding: Paste Board (Hard) with Jacket
ISBN: 978-81-942305-2-6
Publishing Year: 2022
Specifications
Binding
Hard Board Binding
ISBN
9789393833679
Publishing Year
2024
Pages
140
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Name
Dante Rachana Samagra
Binding
Hardcover
Language
Bengali
Publisher
Tuli Kalam
Pages
300
Publishing Year
2025
ডার্ক ১২
অনুপম মুখোপাধ্যায়
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ : হিয়া মুখার্জী
‘ডার্ক ১২’-র বারোটা গল্প ভয়ংকরভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য লেখা। পড়ার পরে আপনার মাঝরাতে ওয়াশরুমে যেতে ভয় করবে কি না সেটা খুব তুচ্ছ প্রশ্ন। কিন্তু গল্পগুলো পড়ার পরে আপনার নখ কাটতে ভয় করতে পারে। স্নান করতে ভয় করতে পারে। ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে মনে হতে পারে কিছু একটা ঠিক নেই। বাসে বা ট্রেনে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারেন। অফিসে কাজ করতে করতে ত্রাসে ঘেমে উঠতে পারেন। কোনো অচেনা বাড়ির সামনে হয়তো আপনি থমকে দাঁড়াবেন, হয়তো না ঢুকেই ফিরে আসবেন। বাড়ির বাচ্চাদের হাতে এই বই যেন কোনোভাবে না পড়ে। যাঁদের প্যানিক অ্যাটাকের ধাত আছে, তাঁদের হাতেও না। এই বই মামুলি ভূত-প্রেত-পিশাচ-ডাইনি অবলম্বন করে গড়ে ওঠেনি। ‘ডার্ক ১২’-এর আতঙ্ক বাংলা সাহিত্যে নতুন। হাঁ করে রক্ত খেতে আসা ভয়াল মূর্তির বর্ণনা যাঁরা খোঁজেন, বা কোনো তান্ত্রিক দেবদেবীর বিকট কাহিনি, তাঁদের জন্য ‘ডার্ক ১২’ একটা অন্য অভিজ্ঞতা হবে। এই বইটা আপনাকে তাড়া করবে।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manish Mukharjee
Weight – 0.3kg
Binding – Hard Bound
দেবদূতের বুলেট
উমা -পার্বতী বাঙালির ‘মানসকন্যা ‘। তিনি সবার দুর্গতি নাশ করেন, অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে বিশ্বজুড়ে শুভের প্রতিষ্টা করেন। এই মাতৃকা দেবীর অনার্য – আর্য – বৈদিক উদ্ভব, পরম্পরা ও বিবর্তন নিয়ে রচিত নিবন্ধ সংকলন।
গুরু, তন্ত্র, মন্ত্র, যোগ ও নিজের সঙ্গে একত্বজ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতের তন্ত্রসাধকেরা গিরি গুহায়, ডেরায়, শ্মশানে লোকচক্ষুর আড়াল নিয়ে করে চলেছেন তন্ত্রবিদ্যার নিগূঢ় চর্চা। বহমান তান্ত্রিক সাধনা প্রাচীনকাল থেকে মধ্যযুগ এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত নানারকমভাবে ভারতের সাংস্কৃতিক ধারাকে বাহ্য ও অন্তর্গঢ় ভাবধারা দিয়ে পুষ্ট করেছে। এর এক সাধনক্রম আছে। বইতে তারই প্রকাশ ঘটেছে।
Author – Soumabrata Sarkar / সোমব্রত সরকার
Prakashani – Khori
গুপ্তচরবৃত্তির কথা বলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে কোনও না কোনও হলিউড বা বলিউড সিনেমার দৃশ্য। গল্পের নায়ক পাহাড়ের মাথা থেকে লাফিয়ে পড়ছে, সমস্ত সিকিউরিটি ভেঙে কোনও গুপ্তকক্ষে প্রবেশ করছে, শত্রুদেশে গিয়ে গোপনে সব জেনে চলে আসছে। আসলে কি সত্যিই গুপ্তচরবৃত্তি এতটাই গ্ল্যামারাস? যেকোনো গুপ্তচরবৃত্তি আসলেই ভীষণ গোপনে এবং সাবধানে সমাধা করা হল। সিনেমার মতো ঢাক-ঢোল পিটিয়ে তো নয়ই। গুপ্তচরবৃত্তির সমস্ত অভিযানই বেশ কতগুলো ধরন বা স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করেই পরিকল্পনা করা হয়। ‘দেশ বিদেশের গুপ্তচর: গঠনরীতি ও পরিকল্পনা’ (তৃতীয় খণ্ড)-এ একত্র করা হল সেই সমস্ত স্ট্র্যাটেজির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ও সে সম্পর্কিত কিছু গল্প।
বাংলা ভাষায় গুপ্তচর বৃত্তি নিয়ে লেখা সবথেকে ধারবাহিক ও বিশ্লেষণ ভিত্তিক সিরিজ ‘দেশ বিদেশের গুপ্তচর’ সিরিজে আপনাকে স্বাগত। বইয়ের পাতা উলটে পৌঁছে যান গুপ্তচরবৃত্তির অদ্ভুত দুনিয়ায়।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Kaushik Roy
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
দেশ বিদেশের গুপ্তচর মিথ ও ইতিহাস
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Kaushik Roy
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
দেশ বিদেশের গুপ্তচর
Author : ARJUN GOSSWAMI
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : Khori
দেশভাগ বিতর্কে দুই বাংলা
Author : Sushil Saha
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
দেশের বাড়ি
Type of Product
Physical
Publisher list
Khori Prakashani
Languages
Bengali
Binding
Hardbound
Editor
Sushil Saha
Publishing Year
2023
দুর্গাচরণ তাঁর বইখানি তুলে দিতে চেয়েছিলেন, ‘সর্বকালের ভ্রমণ বিলাসীদের করকমলে’ অথচ বইটি কিন্তু নিছক এক ভ্রমণ কাহিনী আদৌ নয়। সেই সব পরিব্রাজকেরা কেউই মানুষ নন, দেবতা, যদিও মনুষ্য বেষে ও সংশ্লিষ্ট ক্লেশের শিকার হয়ে যতদূর সম্ভব মনুষ্য ভাবেই তাঁরা ভারতভূমি দর্শন করেছেন। ভ্রমণ পিপাসুদের মত প্রকৃতি দর্শনের পাশাপাশি ভ্রাম্যমান দেবতারা দেখতে এসেছিলেন ইংরেজ শাসনের একশ বছর অতিক্রান্ত হলে পর কি কি বিষয়ে কতখানি পরিবর্তন ঘটেছে। দেশের প্রকৃত অবস্থা কি। জলাধিপতি বরুণ, যাঁর মর্ত্যধামে গতায়াত প্রায় নিয়মিত, ইংরেজ রাজত্ব সম্পর্কে প্রথমেই তিনি তাঁর মুগ্ধতার কথা জানিয়ে বলেছেন, ‘এ প্রকার বুদ্ধিমান ও প্রতাপশালী রাজা আমি কখন কোন যুগে চক্ষে দেখি নাই। পৃথিবীর মধ্যে এমন কোন স্থান নাই, যেখানে ইহাদের রাজ্য নাই। স্বর্গে ইংরেজাধিকৃত স্থান নাই বটে, কিন্তু সত্বরেই বোধকরি, স্বর্গরাজ্যও ইংরাজদের করতলগত হইবে’।
একদিন ইন্দ্র, বরুণ প্রমুখেরা মর্ত্য বিষয়ে নারায়ণের সঙ্গে আলাপ আলোচনা ক্রমে স্থির হল সব দেবতা একত্রে মর্ত্যধামে এসে চাক্ষুষ একবার ভারতের অবস্থা প্রত্যক্ষ করবেন। নারায়ণের সাধ, ‘একবার কোলকেতা দেখিতে ও কলের গাড়িতে চড়িতে বড় সাধ’। কিন্তু নারায়ণের এহেন আবদারে লক্ষ্মীদেবীর বয়ানে দেশী বিত্তবান বাবুদের মত নারায়ণের চরিত্র স্খলনের সম্ভবনার কথা বলে সাবধান করেছেন। “সেখানে গিয়ে যদি আরমানি বিবি পাও আর কি আমায় মনে ধরবে? না, স্বর্গের প্রতি ফিরে চাইবে? হয়তো তাদের সঙ্গে মিশে মদ, মুরগী, বিস্কুট, পাঁউরুটি খেয়ে ইহকাল পরকাল ও জাত খোয়াবে! শেষে জাতে ওঠা ভার হবে, আর দেখতে দেখতে যে বিষয়টুকু আছে তাও ক্ষোয়া যাবে। এমনও হতে পারে — ব্রাহ্মসমাজে নাম লিখিয়ে বিধবা বিয়ে করে বসবে। কিংবা থিয়েটারের দলে মিশে ইয়ারের চরম হয়ে রাতদিন কেবল ফুলুট বাজাবে ও লক্ষ্মীছাড়া হবে। শুনেছি কোলকাতার শীল না নোড়া কারা ৭৫ হাজার টাকায় কোন থিয়েটার কিনে দুই তিন লক্ষ টাকা উড়াইবার যোগাড় করেছে। আমিও শীঘ্র তাহাদের বাড়ী পরিত্যাগের ইচ্ছা করেছি’। খুব কম কথায় কলকাতার সেকালের বাবুদের ফূর্তি আর ফতুর হয়ে যাওয়ার চালু কিসস্যাগুলিকে লক্ষ্মীর বয়ানে লেখক পরিবেশন করেছেন, যাকে বলে প্রথম চোটেই। এরপর মহাদেবের সঙ্গেও মর্ত্যযাত্রার বিষয়ে কথোপকথনে মর্ত্যের, বিশেষ্ট কলকাতার সাম্প্রতিকতম অবস্থা , বাবুয়ানি সম্পর্কে লেখকের ভাষ্য এই রচনাকে ভ্রমণ কাহিনীর বাঁধা ছক থেকে বার করে এনে এক সরস সামাজিক ধারা বিবরণীতে উত্তীর্ণ করেছে।
Editor : Kaushik Dutta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : Khori
দেয়ালের লেখা : এক অন্তহীন প্রকীর্ণ শিল্পকথা
অনন্ত জানা
প্রচ্ছদ : সৌজন্য চক্রবর্তী
“শুধু চারপাশে অব্যবস্থিততার একটা স্বস্তিহীন বোধ— একটা অচিহ্নিত তিরতিরে ব্যথা, একটি অজ্ঞাতকুলশীল বেদনার অনুভব, ছন্নতার আশঙ্কাদীর্ণ ভবিতব্য-ভারাতুর এক মেদুরতা ভেতরে ভেতরে ঘনিয়ে থাকলো নিরন্তর— কোন অস্থিতির পালা এবার! কে জানে— কোন্ উন্নয়নের বোমারু বিমান কোন্ নিরাশ্রয়ী আতঙ্কের লক্ষ্যবস্তুর খোঁজে আছে…।”
ধূপ ধুনুচি ও আরাত্রিক
অমিতেন্দু বিশ্বাস
আমরা প্রত্যেকেই দু’টি জগতের সঙ্গে পরিচিত— বাস্তব জগৎ অর্থাৎ যা হয়; আর কল্পনার অলীক জগৎ, অর্থাৎ যা হলে ভালো হত। কিন্তু এই দুইয়ের মাঝামাঝি যদি থাকে এক তৃতীয় ধূসর জগৎ? ধরা যাক, স্বপ্নের ভেতর আপনি সত্যিই পৌঁছে গেলেন এক কাঙ্ক্ষিত, কিন্তু অস্তিত্বহীন জায়গায়। কিংবা ঘুমের মধ্যে এমন এক ঘটনা প্রত্যক্ষ করলেন, যা ঘটেছিল সুদূর অজানা অতীতে, অন্য কারওর জীবনে। সন্তানের হোমটাস্ক-এ লেখা রূপকথায় হঠাৎ সচমকে আবিষ্কার করলেন নিজের ফেলে আসা জীবনের বৃত্তান্ত। তা হলে?… সেই আকর্ষনীয় অথচ অস্বস্তিকর অচেনা জগতের প্রেক্ষিতে লেখা সাতটি আখ্যান একত্র করেই এই সংকলন— ধূসর জগৎ।
মহাকাব্যিক এই কাহিনি১৬৮৯ সাল থেকে ১৮৫৭-‘র মহাবিদ্রোহ ছুঁয়ে ছুটে চলে ১৯১৮-য় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দিকে। সুদূর আফগানিস্তানের এক দূর্গ ঘিরে গড়ে ওঠা ঘটনার ঘনঘটায় জড়িয়ে পড়েন ব্রিটিশের হাতে বন্দি এক জার্মান সেনাপতি, সমগ্র মধ্য এশিয়ার জার্মান যুদ্ধ পরিকল্পনা যাঁর মাথার ভিতর, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কূটনীতিবিদ, আর… এক ভারতীয় বিপ্লবী, যার নাম ‘রাও’।
শতাব্দী প্রাচীন দূর্গের সাথে জড়িয়ে রয়েছে যে গুপ্তধনের কথা, সে কি বাস্তব? নাকি নিতান্তই কল্পনা? কার কাছেই বা আছে সেই গুপ্তধন উদ্ধারের চাবিকাঠি? রাও কি উদ্ধার করতে পারবে ব্রিটিশ সরকারের জাল থেকে সেই বন্দি সেনাপতি কে?
কাহিনি ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে কখনও ছুটেছে আফগানিস্তানের দিকে, আবার কখনও সেই তুরস্কে। প্রশ্ন একটাই, আগুন পাখির ছোবল সামলে রাও কি পারবে তার লক্ষ্যে সফল হতে?
এই সব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসছে ঐতিহাসিক থ্রিলার— ডসিয়ার: রাও
আগুন পাখির ছোবল
দ্রোহের বাউল
হান্স আয়েস্লার
অনুবাদ ও সম্পাদনা : দীপঙ্কর সিংহ
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সঙ্গীত চিন্তাবিদ ও জনপ্রিয় সঙ্গীতকার হান্স আয়েস্লারের বিভিন্ন বক্তৃতা ও লেখা শুধু নয় আমেরিকায় আয়েস্লারকে জেরা ও বিতাড়িত করার ন্যাক্কারজনক ঘটনার কিছু নথির অনুবাদ,যা সাংস্কৃতিক জগতের মানুষের প্রতি সাম্রাজ্যবাদের আচরণকে উম্মোচিত করে,বিশ্ব ফ্যাসিবাদ-বিরোধী সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা এই ব্যক্তিত্বের কথার ছত্রে ছত্রে পাওয়া যায় শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গীতজগতের সুচারু বিশ্লেষণ ও আগামীর দিকনির্দেশ…
আয়েস্লারের জীবনী ও তাঁর লেখা সহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে আনার চেষ্টা করেছেন অনুবাদক ও সম্পাদক দীপঙ্কর সিংহ..
ডুয়ার্স উত্তরবঙ্গ মানেই আমাদের কাছে ট্যুরিস্ট স্পট থেকে সারি সারি চা বাগান…
কিন্তু এই ডুয়ার্সের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য আন্দোলন…
ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের একটি বড় অংশ প্রায় উপেক্ষিত,যার অন্যতম একটি অংশ ডুয়ার্স জুড়ে…
কিভাবে এই আন্দোলন উত্তরবঙ্গে ঢেউ তুলেছিল??
এই আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা একাত্ম হয়েছিলেন তাঁদের পরিচয় থেকে সেই আন্দোলনে যুক্ত প্রায় উপেক্ষিত মানুষদের ইতিহাস খনন করে খুঁজে আনার চেষ্টা করেছেন মধুশ্রী বন্দোপাধ্যায় ও সুপ্রিয় বসু …
তেভাগা আন্দোলনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সেনানীদের বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে কথপোকথন এর মাধ্যমে ইতিহাসের আলোকে তেভাগা আন্দোলনের চিত্ৰ খুঁজে আনার একটি বিকল্প চেষ্টা করতে হয়েছে লেখকদের,সাহায্য নিতে হয়েছে উত্তরবঙ্গের অসংখ্য মানুষের,তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এই বইয়ের সম্পদ..
এক নতুন দৃষ্টিকোণ এ তেভাগা আন্দোলনের অজানা ইতিহাস খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন বইয়ের লেখকদ্বয়…
একটা ডাকাতদল… এক ডাক্তারের কালো অতীত… এক জাঁক-দেখানো চোর… ছেলেবেলার পাঠ্য বইয়ের জিমি ভ্যালেন্টাইন… একটা দুরন্ত পরিকল্পনার অপরাধ… এক অপরাধীর স্বীকারোক্তি… এক পকেটমার… এক আন্তর্জাতিক প্রাচ্যদেশীয় অপরাধীদলের পাণ্ডা… ভয়ংকর এক খেলা… একটা হাত।
মোট দশ কাহিনি। কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে দশ খলনায়ক। কাহিনির সৃজনে বিশ্বের সেরা দশ গল্পকার। বাংলা তর্জমায় দীপ্তজিৎ মিশ্র। জটায়ুর মতোই দশ ‘রহস্য্ রোমাঞ্চ্ কাহানি’-র পসরা নিয়ে আসছে ‘দুর্ধর্ষ দুশমন’।
সাক্ষাৎকার। তার আড়ালে গল্প। বিচিত্র, অভিনব, রকমারি। হলিউড অভিনেত্রী থেকে নোবেল লরিয়েট, আমস্টারডামের প্রাক্তন যৌনকর্মী থেকে প্যারিসের গ্রাফিক নভেল আর্টিস্ট- উঠে এসেছে তাঁদের কাহিনি। আছে দূরদেশে হারিয়ে যাওয়ার গল্প আবার ভিনদেশে বাংলা-বাঙালিকে খুঁজে পাওয়ার আখ্যান। ‘দূরের মানুষ দুই মলাটে’ আসলে এক জার্নি। দূরকে চেনার, হয়তো নিজেকে জানারও।
রহস্য-রোমাঞ্চের প্রতি, ভয়ের প্রতি আকর্ষণের বীজ মানুষের রক্তে গভীরে প্রোথিত। আমরা ভয় পেতে ভালোবাসি, শিহরিত হতে চাই। উত্তেজনার পারদ যত চড়তে থাকে, অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণের সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে চলে তৃপ্তি। এই বই তাই ভয় পাওয়ায়। মনের গোপন অন্ধকার কোণে নিঃশব্দে ঘুমিয়ে থাকা অচেনা ‘আমি’-কে টেনে বাইরে নিয়ে আসে। দাঁড় করিয়ে দেয় মুখোমুখি। আমরা রোমাঞ্চিত হই, আতঙ্কিত হই, চমকে উঠি। ‘এবং রক্তচাঁদ’ বইটিতে সংকলিত হয়েছে এমনই দশটি কাহিনি। কোনওটি অলৌকিক, কোনওটি নিখাদ রহস্য। আবার কোনওটি মনের গহন গোপন অন্ধকারের গল্প শোনায়। পাঠকের হাত ধরে নিয়ে যায় শিহরনের দুনিয়ায়।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sujoy Ghosh
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
একজন পরশপাথর
একশো বছরের একাকিত্ব (প্রথম খন্ড)
গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
পরিকল্পনা ও অনুবাদ : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যাপক অশোক ভট্টাচার্য
প্রচ্ছদের আলো : তৌসিফ হক
স্প্যানিশ ভাষায় কলম্বিয়ার প্রখ্যাত লেখক ও সাংবাদিক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস রচিত কালজয়ী উপন্যাস সিয়েন আনিওস দে সোলেদাদ এর বাংলা ভাষান্তর ‘একশো বছরের একাকিত্ব।
“লিওনেল আন্দ্রেস মেসি-ই আজকের অনিবার্য মহাকাব্য। তবে সাহিত্যিক মহাকাব্য। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত লাতিন আমেরিকা থেকে সমৃদ্ধ ইউরোপে অভিপ্রয়াণকারী মেসিজীবন হল সেই লিটারারি এপিক, যা তৃতীয় বিশ্বের কোনো কমবয়সি ফুটবলার বা নটকে উত্তেজিত বা উদ্বেজিত অথবা আরও ঝুঁকি নিয়ে বলা যায়, প্রাণিত করতে পারে।… বিশ্বাস করি, আমাদের দেশেও নিশ্চয়ই দীর্ঘ বিরতির শেষে সেই অপূর্ব এল ডোরাডোর উৎসের সন্ধান কোথাও না কোথাও, কেউ না কেউ পাবেনই।”
এই বইয়ে লেখক এমন কিছু চরিত্র আর ঘটনাবলিকে আমাদের সামনে উপস্থাপিত করেছেন, যারা স্পটলাইটে থাকে না, অথচ যাদের চলনের উপরেই নির্ভর করে দৃশ্যমান অনেক বড়ো-বড়ো ঘটনা। তা হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা ঠেকানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা, হতে পারে এক নিখুঁত হত্যাকাণ্ডের ওপর থেকে পর্দা সরানো, বা হতেও পারে এক সিরিয়াল কিলারকে ধরার জন্য চালানো দুঃসাহসিক অভিযান।…
এইসব ভয়ংকর অপারেশন ও মিশনের নেপথ্যে থাকে কিছু সূক্ষ্ম, অনুচ্চ, অথচ দৃঢ় ও ক্রূর ঘটনাক্রম।…
গল্পগুলোর সঙ্গে এতে স্থান পেয়েছে দুটি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক প্রবন্ধ। তাদের বিষয়বস্তু ঐতিহাসিক হলেও পড়লেই বুঝবেন, তারা কতটা সমকালীন। নিপীড়িতের হাহাকার আর উৎপীড়কের হুহুঙ্কারের পটভূমিকে এই লেখাগুলো বুঝিয়ে দেয়, “দেয়ার ইজ নাথিং নিউ আন্ডার দ্য সান” কথাটা কতখানি সত্যি!…
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Kajal Bhattacharya
Weight – 0.55kg
Binding – Hard Bound
এফবিআই ফাইল থেকে
আমেরিকা দেশটা যেমন বিশাল, তেমনই বিস্তৃত তার অপরাধ-জগৎ। আমেরিকার ইতিহাসে কিছু কিছু অপরাধের কাহিনি ‘হল অফ ফেম’-এ স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। ‘সান ফ্রানসিসকো এমনও এগজামিনার’ সংবাদপত্র গোষ্ঠীর মালিক এই বরনডল্ফ হার্স্টের মেয়ে প্যাট্রিসিয়াকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়েছিল একদল এ দুষ্কৃতী। সেই অপহরণের ঘটনা এক বিচিত্র পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, যখন প্যাট্রিসিয়া হার্স্ট নিজেই তার অপহরণকারীদের সমর্থক হয়ে ওঠে। কিংবা ধরা যেতে পারে, সিআইএ-র অফিসার অলড্রিচ ‘রিক’ অ্যামিসের কথা। কেউ ভাবতে পারেনি সিআইএ-র অফিসে বসে নিঃশব্দে রুশদের কাছে দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য মোটা টাকায় বিক্রি করে চলেছে রিক অ্যামিস। অভিনেত্রী শ্যারন টেট হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা কাঁপিয়ে দিয়েছিল পুরো দেশকে। মাদকাসক্ত একদল তরুণ-তরুণী কোনও কারণ ছাড়াই কেন এ-রকম বীভৎস খুনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল, তা আজও রহস্য। তেমনই রহস্য অ্যালকাট্রাজ জেল থেকে পালানো তিন বন্দিকে ঘিরে। আমেরিকার সবচেয়ে সুরক্ষিত জেল থেকে পালিয়ে তারা কি শেষ পর্যন্ত পুলিশকে ধোঁকা দিতে পেরেছিল, না কি সমুদ্র পেরোতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাদের? এফবিআই এর এ রকম চারটি কেস স্থান পেয়েছে এই বইতে, যা রহস্য-প্রিয় পাঠককে ভাবাবে। লেখকের স্বানু পরিবেশনের মুনশিয়ানায় এফবিআই এজেন্টদের পাশাপাশি পাঠক নিজের অজান্তে তদন্তে শামিল হয়ে যাবেন।
এফবিআই-এর ইতিহাসে চারটি ক্লাসিক কেস হল বৈমানিক চার্লস লিন্ডবার্গের শিশুর অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড, ব্ল্যাক ডালিয়ার হত্যারহস্য, সিরিয়াল কিলার জোডিয়াকের পাঁচটি খুন এবং জোনসটাউনে পিপলস টেম্পল নামে এক ধর্মীয় গোষ্ঠীর সদস্যের গণ আত্মহত্যা। এ বইতে স্থান পেয়েছে সেই চারটি ক্লাসিক ক্রাইম, অনেক ক্ষেত্রেই যার সম্পূর্ণ রহস্য আজও পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি।…
Author : SOUMYA BASU
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ফিরে দেখা বাংলার বিপ্লববাদ
গোয়েন্দাপীঠ সিরিজ়ের প্রথম তিনটি খণ্ড এবং পরবর্তীতে নতুন চারটি গল্পসহ ‘গোয়েন্দাপীঠ সমগ্র’ প্রকাশমাত্রই পাঠকপ্রিয় হয়েছিল সর্বস্তরে। কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দাদের নিয়ে বাস্তবের নানান রুদ্ধশ্বাস মামলার থ্রিলারধর্মী আখ্যান সহৃদয় স্বীকৃতি পেয়েছিল পাঠকের দরবারে। সেই সিরিজ়েরই এবার প্রত্যাবর্তন আটটি কাহিনি নিয়ে। তদন্তপদ্ধতির নিরিখে দিকচিহ্ন হিসেবে স্বীকৃত, এমন একাধিক মামলার নেপথ্যকাহিনি সমৃদ্ধ করেছে গোয়েন্দাপীঠ সিরিজ়ের এই নবতম নিবেদনকে। অভিজ্ঞ আইপিএস সুপ্রতিম সরকার তাঁর নির্মেদ এবং স্বাদু লেখনীতে আটটি ভিন্ন চরিত্রের মামলায় তুলে এনেছেন বাস্তবের ফেলু-ব্যোমকেশদের তদন্তপথের নানান চড়াই-উতরাই। ঘটনার কিনারা, তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং চার্জশিট পেশ যদি ম্যারাথন দৌড়ের প্রথমার্ধ হয়, তার চেয়েও কঠিনতর হল দ্বিতীয়ার্ধ, যেখানে অভিযুক্তকে আদালতে দোষী সাব্যস্ত করাটাই হয়ে দাঁড়ায় তদন্তকারীর পাখির চোখ। এই দ্বিতীয়ার্ধের যাত্রাপথের বাধাবিপত্তি-টানাপড়েন নিখুঁত উঠে এসেছে লেখকের টানটান বর্ণনায়। মাত্র মাসচারেক আগে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগরে এক নাবালিকার ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল রাজ্যে। সংশ্লিষ্ট মামলায় মাত্র বাষট্টি দিনের মধ্যে অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল আদালত, যা পশ্চিমবঙ্গের তদন্ত-ইতিহাসে এক সর্বকালীন নজির। কোন পথে কীভাবে এগিয়েছিল তদন্ত, কীভাবে হয়েছিল এই অসাধ্যসাধন, শেষ কাহিনিতে সুপ্রতিম সবিস্তার লিপিবদ্ধ করেছেন তার প্রামাণ্য ধারাবিবরণী। যা এ-ধরনের মামলায় আদর্শ তদন্ত-মডেল হিসেবে নিশ্চিত অনুসৃত হবে আগামীতে। ‘Police procedural’ গোত্রভুক্ত এই বই বাংলার অপরাধ-সাহিত্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। সে রক্তমাংসের গোয়েন্দাদের কর্মকাণ্ডে উৎসাহী সাধারণ পাঠকই হোন বা পেশাজনিত তদন্তশিক্ষার্থী, সবার কাছেই অবশ্যপাঠ্য। গোয়েন্দাপীঠ। ফিরে এল।
ইনসুলিন কী? কে আবিষ্কার করলেন ইনিসুলিন? কী ভাবে আবিষ্কার করলেন জিন? ইত্যাদি হাজারও প্রশ্নের উত্তর পতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে এই বইটা। ইনসুলিন আবিষ্কারের পঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সহজ সরল ভাষায় বর্ণনা করেছেন লেখক। সাথে রয়েছে আবিষ্কারক ডা. ফ্রেডরিক গ্রান্ট বান্টিঙের জীবনের রোমহর্ষক কাহিনী।
‘গান উজানের যাত্রী’, লেখক: কঙ্কণ ভট্টাচার্য
এই বইয়ে তিন ধরনের লেখা আছে। শৈশব থেকে বেড়ে ওঠা, সময় ও সামাজিক মানচিত্রে যৌবন এবং শেষ পর্যায়ে সারা জীবনের গানযাপন। এই পর্যায়ে আছে কয়েকজন পথপ্রদর্শক শিক্ষকের কথা ও বেশ কিছু নির্বাচিত গান। এই বই আত্মজীবনী নয়, একজন সৃষ্টিশীল সঙ্গীত কর্মীর গানযাপনের কাহিনী, যেখানে ধরা দিয়েছে পরিবর্তনশীল সময় ও মানুষ।
যেহেতু স্রোতের বিপরীতে সৃষ্ট গানবাজনা মূলস্রোতের মিউজিক মিডিয়াতে তেমন প্রচারিত হয়না, এই বই গানগুলিকে ধরে রাখারও একটা প্রয়াস। সেই কারণে গান হয়ত একটু বেশিই আছে। পাঠকের কাছে গানগুলি যাতে কেবলমাত্র বাণীতেই আবদ্ধ না থাকে তাই ইউটিউবে প্রকাশিত গানগুলির ক্ষেত্রে গানের #কিউ_আর_কোড (#QR_CODE) বাণীর পাশে দেওয়া হয়েছে। আগ্রহী পাঠক শ্রোতা স্মার্ট ফোনে ওই কোড স্ক্যান করলে গানটি বেজে উঠবে। এতে আশাকরি একটু সুবিধাই হবে।
গানে ও সুরে : কিশোরকুমার
কুণাল দাশগুপ্ত
প্রচ্ছদশিল্পী – রোকু
শহরের বিশিষ্ট গাইনোকোলোজিস্ট ডক্টর মোহনা মিত্র নিরুদ্দেশ। চূড়ান্ত পেশাদার ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী ডক্টর মিত্র নিজের ফার্টলিটি সেন্টার তৈরি করছিলেন। এই হাসপাতালকে শহরের এক নম্বর ফার্টিলিটি ক্লিনিক হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। তাঁর এই আকস্মিক অন্তর্ধানের তদন্ত করতে নেমে পুলিশের সিনিয়ার ইন্সপেক্টর সুশোভন রায় ও তাঁর অধস্তন অফিসার পলাশের সামনে একে একে উঠে আসতে থাকে আশ্চর্য সব তথ্য। তাঁরা জানতে পারেন, অনতিদূর অতীতে শহরে একের পর এক খুন হয়েছে চিকিৎসা জগতের সঙ্গে যুক্ত নানান ব্যক্তি। মোহনা মিত্রের অপহরণ কি সেই ধারাবাহিক হত্যা রহস্যেরই অংশ। কে বা কারা করে চলেছে এসব হত্যা? কেনই বা করছে? মোহনা মিত্র কি আদৌ বেঁচে আছেন, নাকি তাঁকেও সরিয়ে দিয়েছে হত্যাকারী? সুশোভন ও পলাশ কি খুঁজে পাবে অপরাধীদের?
পার্কস্ট্রিটের এক কিউরিও শপ থেকে একটি পিরামিডের প্রাচীন মডেল খুব সস্তায় কিনে বাড়িতে নিয়ে এল ইউসুফ। পিরামিড বাড়িতে আনার পর থেকেই একে একে অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় ইউসুফ ও তার স্ত্রী ফারজানা। এর পেছনে মিশরের কোন গোপন ইতিহাস লুকিয়ে আছে? ঘুল তাদের জীবনে কেন এল? তানিয়া কে? সে কী আদৌ মানুষ? কিভাবে মুক্তি পাবে ইউসুফরা? জানতে হলে পড়ুন ‘ঘুল’।
গিলগামেশ বিস্মৃত এক যুগের মহাকাব্য; সম্ভবত বিশ্বের প্রথম লিখিত মহাকাব্য যা লেখা হয়েছিল কাদার ট্যাবলেটে একপ্রাচীন লিপি কিউনিফর্মে। পাঁচ হাজার বছর আগে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলের এক নগর উরুকের রাজা ছিলেন গিলগামেশ। তাঁর জীবন ও অমৃতের সন্ধানে তাঁর যাত্রার কাহিনি হল এই মহাকাব্য। এই গ্রন্থে রয়েছে মহাকাব্যের একটি গদ্যরূপ এবং ভূমিকায় বর্ণিত হয়েছে গিলগামেশ মহাকাব্য আবিষ্কার ও তার লিপির পাঠোদ্ধারের চাঞ্চল্যকর বিবরণ।
গিরগিটি
লেখা ও রেখা : সারনাথ ব্যানার্জি
তর্জমা : শৌভিক দে সরকার
ভাব থেকে ভাষায় পৌঁছতে মধুকবির লেগেছিল বছর দশেক আর সারনাথের লাগল পঁচিশ । উৎসাহীরা বলে থাকেন সারনাথের প্রথম মলাটবন্দী কাজ ‘করিডোর’ ভূভারতের প্রথম গ্রাফিক উপন্যাস। পঁচিশ বছরে ইন্টারনেট ঝালমুড়ি হয়েছে; দেশ নানান ফুলে ও আদানীতে ছেয়ে গেছে, করোনা হয়েছে; ইরাক সিরিয়া প্যালেস্টাইন হয়েছে; আইপিএল ও সানি লিওন হয়েছে আর হুগলির জল রাইনে গিয়ে মিশেছে।
তবে পুরনো দিল্লির চ্যাপটাচেপটি ভিড়, ভিক্টোরিয়ার ফুরফুরে বাদামভাজা, কনটপ্লেসের চওড়া লুকোচুরি খেলার বারান্দা বদলায়নি খুব বেশি; সেখানে ক্ষণজন্মা সেকেন্ডহ্যান্ড বইয়ের কারবারি জাহাঙ্গীর রেঙ্গুনওয়ালা আর তার নানান কিসিমের খদ্দের ভৃগু, ডিজিটাল, ডিভিডি বা শিন্টুর দেখা একটু খুঁজলেই আজও পাওয়া যায়।
‘করিডোর’ সমাজ আর সময়কে নিয়ে রংমিলান্তি খেলার ওভারডোজ, আজ তাকে ‘গিরগিটি’ ছাড়া অন্য নামে ডাকা চলে না।
দিল্লি লুটেইনের প্রাণকেন্দ্রে বসে পুরনো বইয়ের কারবারি জাহাঙ্গীর রেঙ্গুনওয়ালা রোজ কাপের পর কাপ চা খেতে খেতে তামাম দুনিয়া নিয়ে জ্ঞানবিতরণ করে। তার খদ্দেরদের মধ্যে ভৃগু ইদানিং কালের ইবন বতুতা, একসাথে অ্যান্টিক আর প্রেম খুঁজছে; নিজেরই মাথার ভেতরে আটকে পড়া ডিজিটাল দত্ত, কার্ল মার্ক্স আর এইচ ওয়ান বি ভিসার টানাপোড়েনে জেরবার; আর সদ্যবিবাহিত শিন্টু, শক্তিবর্ধক জরিবুটির খোঁজে জান লাগিয়ে দিয়েছে।
কনট প্লেসের করিডরে হোক বা কলকাতার রাস্তায়, এই বইতে লেখায় ও রেখায় ধরা পড়েছে একাকিত্ব আর ভাঙাচোরা মায়াবী শহুরে অস্তিত্বের পাঁচালী। স্কেচ, ইলাস্ট্রেশন আর ফোটোগ্রাফির মিশেলে সারনাথ ব্যানার্জি এই চালচিত্রকে এক সম্পূর্ণ অন্য মাত্রা দিয়েছেন।
গোমতীর উপাখ্যান-এর কাহিনি গড়ে উঠেছে দুটি শ্রেণিকে কেন্দ্র করে। একদিকে রাজপরিবার, অন্যদিকে প্রজাপরিবার। উভয়ই সমান্তরালভাবে উপস্থাপিত। প্রকাশিত হয়েছে নিকৃষ্ট রাজপ্রাসাদ-ষড়যন্ত্র ও পরিবা কন্দ্রিক ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্রের বিষাক্ত পরিবেশের পরিণামে যেমন রাজপরিবারের সদস্যরা নির্মজ্জত, তেমনই সাধারণ মানুষের এক রকম অস্তিত্ব-সংকটও প্রকাশিত। অন্ধকার ও ধূসরতা কোনো কোনো চরিত্রের জীবনসমগ্রের প্রতিভাস সৃষ্টি করেছে। এটি যেন ব্যক্তিমানুষের মনোদৈহিক জটিলতার বিন্যাস। উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জীবনের বিচ্ছিন্নতা, নিঃসঙ্গতা, একাকিত্ব, আত্মদহন ও ক্রমবর্ধমান ব্যর্থতার সর্বগ্রাসী আকর্ষণে কেউ কেউ হয়ে উঠেছে শূন্য, রিক্ত ও যন্ত্রণাদগ্ধ। গোমতীর উপাখ্যান মনোসংকট ও মনোবিশ্লেষণের নৈপুণ্যে আঙ্গিকগত অভিনবত্ব অর্জন করেছে।… বর্ণনাভঙ্গির অন্তরালে চিত্রনির্মাণ ও নাট্যরীতির অন্তর্বয়ন এক নতুন শিল্পমাত্রা সৃষ্টি করেছে। সর্বজ্ঞ দৃষ্টিকোণে সুনিয়ন্ত্রিত শিল্পরীতির সুগঠিত নাটক, স্বাতন্ত্র্যচিহ্নিত। সাহিত্য সাময়িকী, ৭ মে ২০২১।
ভদ্রলোকের নাম ইন্দ্রমোহন খাসনবিশ। বয়স আন্দাজ ৫৬-৫৭। চূড়ান্ত রকমের বইপোকা। আগে কাস্টমসে চাকরি করতেন, কিন্তু শুধুমাত্র নিরুপদ্রবে বই পড়বে বলেই, তিনি অবসরের আগেই অবসর নিয়েছেন। ইন্দ্রমোহন থাকেন উত্তর কলকাতার ২/১এ, রাজেন্দ্র ঘোষাল লেনের নিজস্ব পৈত্রিক বাড়িতে। স্ত্রী-বিয়োগ ঘটেছে অনেকদিন আগেই। ইন্দ্রমোহন নিজের হাতে বাজার করতে পছন্দ করেন। নিয়মিত ব্যায়াম করেন। নিতান্তই মাছে-ভাতে বাঙালি। মিষ্টি খেতেও ভারি পছন্দ করেন। বর্তমানে এই বাড়িতে থাকে তার একমাত্র পুত্র সন্মোহ। ও বেসরকারি ব্যাঙ্ককর্মী। পিতা-পুত্রের সম্পর্ক একেবারে বন্ধুর মতই। আর থাকে আরেকজন। প্রায়-বৃদ্ধ নিশীথ ষড়ঙ্গী। এই মানুষটি ইন্দ্রমোহনের বিয়ের সময়কাল থেকেই এই বাড়িতে আছেন। বলতে গেলে মূলত ইনিই সংসার সামলান।
Author – Proloy Basu
Publication – Khori Prakashani
Weight – 0.5kg
কল্পনার গোয়েন্দাকাহিনির ফেলু-ব্যোমকেশদের সঙ্গে বাস্তবের সত্যান্বেষীদের ফারাক বিস্তর। বাস্তবের অপরাধ-তদন্তে রোমাঞ্চ-উত্তেজনা ততটা নেই, যতটা রয়েছে পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়। নির্মাণের জগত্ মূলত, সৃষ্টির ততটা নয়। অপরাধীকে চিহ্নিত করার মধ্যেই কাল্পনিক গোয়েন্দার কাজ শেষ। বাস্তবের গোয়েন্দাদের দায় শুধু অপরাধের কিনারাতেই শেষ নয়, নিখুঁত তদন্তে দোষীর শাস্তিবিধান পর্যন্ত অবকাশ নেই বিশ্রামের। অভিজ্ঞ আই পি এস অফিসার সুপ্রতিম সরকারের এই বইটিতে ধরা আছে কলকাতার বারোটি চাঞ্চল্যকর খুনের মামলার রুদ্ধশ্বাস নেপথ্যকথা, রক্তমাংসের গোয়েন্দাদের কীর্তি, তদন্তের কী-কেন-কখন। গোয়েন্দাপীঠ লালবাজারের সঙ্গে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের তুলনা যে সঙ্গত কারণেই হত, কাহিনিগুলি তার প্রামাণ্য দলিল। রহস্যপিপাসু পাঠকের রসনাতৃপ্তির রসদ ছড়িয়ে আছে পাতায় পাতায়। নিছক অপরাধের ঘটনাপ্রবাহ নয়, স্বাদু লেখনী আর টানটান বিন্যাসে এ বইয়ের অনায়াস উত্তরণ অপরাধ-সাহিত্যের নতুন ধারায়।
জয়ন্ত-মানিক, কিরীটি, ব্যোমকেশ কি ফেলুদার মতো গল্পের গোয়েন্দা নয়, এই গোয়েন্দারা বাস্তবের। চরিত্ররাও রক্তমাংসের, আর কাহিনি ‘গল্প হলেও সত্যি’ শ্রেণিভুক্ত। গত শতকের ত্রিশের দশকের পাকুড় হত্যা মামলা দিয়ে শুরু, শেষ মাত্র দশ বছর আগের লুথরা হত্যাকাণ্ডে। নানা কারণে এই এক ডজন খুনের রুদ্ধশ্বাস কাহিনি কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের শতাব্দী-পেরোনো ইতিবৃত্তে উজ্জ্বল হয়ে আছে। গোয়েন্দাপীঠ লালবাজার (আনন্দ) বইয়ে ঝরঝরে ভাষায় সেই সব তদন্তপদ্ধতির বিবরণ রচনা করেছেন বর্তমানে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। ‘লেখাগুলি একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না করে উপায় থাকে না’, ভূমিকায় নগরপাল রাজীব কুমারের মন্তব্যটি যথার্থ। সঙ্গে তারই প্রচ্ছদ।
কল্পনার গোয়েন্দার জগৎ মূলত ‘সৃষ্টির’। বাস্তবের গোয়েন্দার জগৎ ‘নির্মাণের’। সৃষ্টি আর নির্মাণের এই পার্থক্য, গল্পের গোয়েন্দার কীর্তিকলাপের থেকে বাস্তবের গোয়েন্দার কর্মকাণ্ডের এই তফাতই গোয়েন্দাপীঠ সিরিজের আধার। নামে ‘সমগ্র’, আসলে দলিল। বাস্তবের তদন্ত-আখ্যানের যে দলিল ব্যাপ্ত উনিশ শতকের ধূসর অতীত থেকে একুশ শতকের ঘটমান বর্তমান পর্যন্ত। ‘গোয়েন্দাপীঠ সমগ্র’ স্রেফ রহস্যরসিকের রসনাতৃপ্তির রসদ নয়। আগামীর তদন্তশিক্ষার্থীর দিকদর্শকও।
রাজ পরিবারের ইতিহাস সবসময়ই বিশ্বাসঘাতকতা আর খুনোখুনির মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস।
মধ্যযুগের বিশ্বের ইতিহাসে রাজপরিবারে গুপ্তহত্যার এমনইকিছু রোমহর্ষক, রক্তাক্ত ঘটনা নিয়ে কাহিনি এগিয়েছে। সেখানে যেমন পরকীয়ায় লিপ্ত নিষ্ঠুর রানি আছেন,তেমনই বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত উন্মাদ সম্রাটও আছেন। উভকামী নিষ্ঠুর রাজার নির্যাতন আছে। আছে ধূর্ত মন্ত্রী আর আছে বিশ্বাসঘাতক ভাই।
সেই সমস্ত বেদনাদায়ক, নির্মম আর নিষ্ঠুর সত্যি ঘটনার আখ্যান ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে এসে এই বইয়ের পাতায় জীবন্ত দলিল হয়ে উঠেছে।
বইয়ের কথা:
সাত রকম অভিজ্ঞতার সতেরো রকম রঙে সাজানো শাশ্বতীর গল্প ভূবন। ‘হালুম’তার ব্যতিক্রম নয়। আলোর কথা আছে এখানে। আছে ভালোর কথা। তাই বলে কি মন্দ নেই, কালো নেই বা অন্ধকার নেই? আছে। জীবনের নিয়ম মেনেই আছে। তবে এক সময় তারা পিছু হঠেছে। মুখ লুকিয়েছে লজ্জায়। অন্ধকারকে ছিড়েখুঁড়ে মুখ দেখিয়েছে আলো। জীবন কীরকম, তা শুধু নয়। জীবন কী হলে ভালো হত তারই কথা বলে এই গল্পগুলো। এখানে চরিত্র বহুবিধ। বাঘ, কুমির, বানরছানা, ব্যাঙ, সাপ, কচ্ছপ, গাছ ইত্যাদিরা যেমন আছে তেমনি আছে রাজা, রাজকন্যা, চাষীর মেয়ে, পাঠশালার পোড়ো। সবাই মিলেই গড়ে তুলেছে আনন্দের সংসার।
লেখক পরিচিতি:
শাশ্বতী চন্দের জন্ম শিলিগুড়িতে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজিতে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। লেখালেখির জগতে প্রবেশ ছাত্রজীবনে ‘শুকতারা’-এ প্রকাশিত গল্পের মাধ্যমে। অদ্যাবধি অসংখ্য গল্প প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। শিশু কিশোর সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক সাহিত্যেও সমান স্বচ্ছন্দ। প্রকাশিত গ্রন্থ ‘পদ্মপাতায় জল’, ‘এবং আগামীকাল’ ও ‘টুপুরের পুষ্যিরা’। প্রিয় নেশা বই পড়া ও বেড়ানো।
হারানো কমিক্স
অলংকরণ : তুষার চ্যাটার্জী
সম্পাদনা – ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
হারানো দিনের ভিন্টেজ সাদাকালো কমিক্স। সংকলনে থাকছে নয়টি ভিন্ন স্বাদের চিত্রকাহিনি—
– ‘খুনী কে?’
– ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ’
– ‘মহম্মদ জল্লাদ’
– ‘আশ্চর্য’
– ‘ঝিলম নদীর তীরে’
– ‘হত্যাকারী’
– ‘গাবলু ও গুণ্ডা হাতী’
– ‘হাসির রাজা গোপাল ভাঁড়
– ‘লঙ্কা কাণ্ড’
Publication – Pragga
Author – Krishnendu Das
Weight – 1.2kg
Binding – Hard Bound
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Various Writers
Weight – 0.45kg
Binding – Hard Bound
হত্যান্বেষী







