Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
Bar Bar Mager Muluk
By Biswajit ray
Mandas
Klanto Uter Cholachol
Prithwi Basu
ক্লান্ত উটের চলাচল
Mandas
Bengali book
Smritir Sarani Beye
Barun Dasgupta
স্মৃতির সরণি বেয়ে
Mandas
Professor Challenger Samagra
প্রফেসর চ্যালেঞ্জার সমগ্র
Tuli Kalam
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Language
Bengali
Publishing Year
2025
Publisher
Tuli Kalam
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Language
Bengali
Binding
Hardcover
Pages
367
Publisher
Tuli Kalam
Publishing Year
2025
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Name
Dante Rachana Samagra
Binding
Hardcover
Language
Bengali
Publisher
Tuli Kalam
Pages
300
Publishing Year
2025
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 14 × 2 cm
Author Name
Abhik Dutta
Binding
Hardcover
ISBN
9789348544414
Language
Bengali
Pages
148
Publisher
Book Farm
Publishing Year
2025
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Sri Jagadishchandra Ghosh
Language
Bengali
Publisher
Maity Book House
Publishing Year
2025
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Sunilkumar Ghosh
Language
Bengali
Binding
Hardcover
Publisher
Tuli kalam
Publishing Year
2025
2025
0.5kg
অলৌকিক গল্প পড়তে বোধহয় সব বয়সের মানুষ ভালোবাসেন৷ ভালোবাসেন অনেককিছুই যার বুদ্ধিতে ব্যাখ্যা মেলেনা৷
মানুষ ভয়ের গল্প পড়ে ভয় পায় আবার হয়তো বা অবচেতনে ভয় পেতেও ভালোবাসে৷
আবার শীতের রাতে হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বা বর্ষায় মুড়ি তেলেভাজা সহযোগে ভৌতিক গল্প আলাদা মাত্রা আনে৷
হাড় হিম করা ভৌতিক পরিবেশ, ছাযাচ্ছন্ন বিশ্বচরাচর, প্রেত মূর্তির করালদ্রংস্ট্র বিভীষিকা শিহরন জাগায়, স্নায়ুতন্ত্রে ভয়ের কম্পন তোলে এরকমই বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত এবং নতুন কিছু গল্প নিয়েই এই নির্ভেজাল ভৌতিক গল্পের সংকলন।
Binding
Hardcover
Pages
176
ISBN
978-93-94716-84-1
Brand
Patrapath Prakashani
Publishing Year
2024
Category
Short Stories
Genre
Horror
তন্ত্র নির্ভর ভৌতিক গল্প ধারায় ননী কাপালিক চরিত্রটি অন্য মাত্রার দাবী রাখে। শুষ্ক মেদহীন শরীর। মুখ ভর্তি দাঁড়ি ও মাথা ভর্তি জট, যা কোমর অব্দি বিস্তৃত। পরনে কেবল কৌপিন। সম্বল বলতে সব সময়ের সঙ্গী একটি করোটি। সর্বাঙ্গে চিতাভস্ম । কপালে মেটে সিঁদুরের লেপন। দুচোখে ভূত- ভবিষ্যতের জ্ঞানশিখা সর্বদা প্রজ্বলিত। জগৎ সংসারে উপস্থিত তন্ত্রের সকল মার্গ তাঁর অধীন। দেখে যেন মনে হয় অনন্ত কাল ধরে তিনি এই জগৎ সংসারের অশুভ শক্তিকে বিনাশ করার লক্ষ্যে ভ্রমণ করে বেড়াচ্ছেন। শ্মশানচারী, তন্ত্রজ্ঞানী, পিশাচ সিদ্ধ, দশমহাবিদ্যায় পারদর্শী, নির্ভীক, ননী কাপালিক সমস্ত রকম অপশক্তির মায়াজাল ছিন্ন করতে সর্বদা প্রস্তুত। অসীম অলৌকিক শক্তির অধিকারী হয়েও ব্যক্তি স্বার্থে তিনি তা প্রয়োগ করেন না। তাঁর শরণাপন্ন হয়ে আজ অব্দি কেউ শূন্য হাতে ফিরে যায়নি। তাঁর প্রিয় খাদ্য বস্তু ননী।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Ashish Chakraborty
Binding
Hardcover
Language
Bengali
Publisher
Patrapath
Publishing Year
2024
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Koushik Karak
ISBN
978-93-94716-70-4
Pages
208
Language
Bengali
Binding
Hardcover
Publisher
Patrapath
Publishing Year
2025
১৫।১৬ বৎসর পূর্ব্বে আমার ধারণা ছিল যে আমাদের সংস্কৃত জ্যোতিষশাস্ত্রে জ্ঞাতব্য বিষয় কিছু নাই। দৈবক্রমে মহামহোপাধ্যায় সামন্ত শ্রীচন্দ্রশেখর সিংহ মহাশয়ের সহিত সাক্ষাৎকার ঘটে। তাঁহার সহিত যৎকিঞ্চিৎ আলাপেই বুঝিতে পারি যে, আমাদের প্রচলিত পঞ্জিকার মধ্যেই অনেক চিত্তাকর্ষক গণনা আছে এবং দূরবীক্ষণ উদ্ভাবনা ও কোপার্ণিকের অভ্যুদয়ের পূর্ব্বকালের য়ুরোপীয় জ্যোতিষ অপেক্ষা আমাদের জ্যোতিষ কিছুমাত্র ন্যূন নহে।
তদনন্তর অবসরক্রমে আমাদের জ্যোতিষ আলোচনা করিতে প্রবৃত্ত হই। এই সময় একদিন ওড়িশার তৎকালীন কমিশনার মাননীয় ঐতিহাসিক শ্রীযুক্ত রমেশচন্দ্র দত্ত মহাশয়ের সহিত আমাদের কোন জ্যোতিষীর আবির্ভাবকাল ও যবনগণের নিকট আমাদের প্রাচীন জ্যোতিষীগণের তথা-কথিত ঋণ-সম্বন্ধে সংলাপ হয়। তিনি আমার টিপ্পনী সকল ইংরাজি ভাষায় প্রকাশ করিতে উপদেশ করেন। আমার ছাত্র ও সুহৃদ্ শ্রীযুক্ত গোপালবল্লভ দাস এম. এ. জ্যোতিষ বিষয়ে গ্রন্থ লিখিতে আমায় পুনঃ পুনঃ অনুরোধ করেন। ওড়িশার অন্তর্গত কেওঞ্ঝরাধিপতি শ্রীমন্ মহারাজ ধনুর্জয় নারায়ণ ভঞ্জ দেব মহোদয় আমায় সবিশেষ উৎসাহিত করেন। ইঁহাদের উৎসাহ পাইয়া আমার টিপ্পনীগুলি পুস্তকাকারে প্রকাশ করিবার অভিলাষ, জন্মে।
শোণিত উপাখ্যান ট্রিলজি’ বাংলা সাহিত্যে এক এক্সপেরিমেন্টাল কাজ। শুধু পিশাচ, স্কন্ধকাটা, চুড়েল আর শক্তিশেলধারী যাদুকরই নয়, মূলত আরবান ফ্যান্টাসি ঘরানার এ কাহিনী জুড়ে বোনা হয়েছে জটিল, হাড়হিম করা এক রহস্যের জাল। বর্তমান থেকে শুরু হয়ে অতীত ছুঁয়ে ভবিষ্যতে গিয়ে শেষ হয় শোণিত উপাখ্যান ট্রিলজি। কিন্তু শেষ হয়েও কি শেষ হয় এ কাহিনী? রক্তের রঙে, রক্তের ধারায় এ আখ্যান শুধু প্রলয়ঙ্কর এক গল্প বলে যায়।
খোঁজা থামিয়ে দিলেই পাবার আশা নিঃশেষ হয়ে যায়। নর্মদার সামনে বসে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ভাবতে বাধ্য হয় রুদ্রদেব আর অসিত। সমুদ্র সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। এখানে গুরু শিষ্যের বিষয় খাটবে না, দুজনেই নবিশ। তবু অসিতকে এগিয়ে যেতেই হবে। অঙ্গদকে উদ্ধার না করে সে ফিরে যাবে না। রুদ্রদেবও শিষ্যকে ত্যাগ করতে পারে না। শিক্ষা শেষ হবার আগে কোন গুরুই শিষ্যকে ত্যাগ করে না।
ওদিকে রাহু অঙ্গদকে নিয়ে জাহাজে চেপে বসেছে। পশ্চিমে নিজের পরিচিত বন্দরের অভাব নেই। সেগুলোর একটাতে থিতু হয়ে বসেই অঙ্গদকে নিয়ে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের পরিকল্পনা করে চলেছে সে। কিন্তু বিধির চিন্তা হয়তো অন্যরকম। রাহুর মতো লোকের তো আর পৃথিবীতে অভাব নেই। চলার পথে রাহু বুঝতে পারে, অঙ্গদের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে লোকে। কেউ কেউ তো অঙ্গদকে পাবার জন্য তার প্রাণ নিতেও পেছপা হবে না।
রোমান সাম্রাজ্যের দখলে আছে পুরো গ্রীস আর ভূমধ্যসাগরের চারিদিকের অঞ্চল। রোমান সম্রাট ট্রাজানের শাসনে সাম্রাজ্যের কোথাও কোন সমস্যা মাথাচাড়া দিতে পারছে না। তবে পরাধীন গ্রীসের বাতাসে মাঝে মাঝে শোনা যায় স্বাধীনতার কানাকানি। আলেকজান্ডারের উত্তরসূরিরা নিজেদের এই অবস্থা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। নিজেদের সিংহসম সাহস মাঝে মাঝে জেগে উঠতে চায়। বিদ্রোহের লক্ষণ দেখা দেয় স্পার্টার আকাশে বাতাসে।
ইভানের স্বাধীনতা নিয়ে তেমন মাথাব্যথা নেই। গ্রীসের অভিজাত সেনাদলে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে অভিজাত সুবিধা নিয়ে জীবন কাটাতে পারলেই হলো। সেই লক্ষ্যেই স্পার্টার সেরা যোদ্ধা হবার পথে এগিয়ে চলেছে সে। কিন্তু হঠাৎ করে বদলে যায় তার জীবন। প্রেম জোয়ার বইয়ে দেয় তার জীবন নদীতে। আর, প্রেম কখনোই কাউকে অবিকৃত রাখে না।
স্পার্টার দুর্গম পাহাড়ে জেগে ওঠার অপেক্ষায় আছে এক অমোঘ শক্তি। টিয়ার অব এপোলোর অপেক্ষায় কাল কেটে যাচ্ছে তার। সে কি জেগে উঠবে গ্রীসের স্বাধীনতার ভাগ্যবিধাতা হয়ে?
আপাত সম্পর্কহীন ঘটনাগুলো শেষে মিলে গেলো একই বিন্দুতে। মহাকালের পথে শুরু হলো এক রোমাঞ্চকর মহাযাত্রা।
অঙ্গদকে ফিরে পাবার হিসেব মিলিয়ে নিজের ভূমির দিকে এক গতিতে ফিরে আসছে অসিত। ভেতরে ভেতরে একটা আতঙ্ক দানা বেঁধে উঠছে তার। দেশ ছেড়ে এসেছে কম দিন তো হয়নি। গ্রামের কেউই তো তার সাফল্যের ব্যাপারে আশান্বিত ছিল না। যদি, রাধার মা এরই মধ্যে রাধার হাত অন্য কারো হাতে তুলে দিয়ে থাকেন, তাহলে তো সব পেয়েও কিছুই পাওয়া হবে না অসিতের। ক্রমাগত পথ চলছে সে রুদ্রদেবকে নিয়ে, সাথে জপছে ঈশ্বরের নাম। কিন্তু, অসিতের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই, সে যেভাবে আর্যাবর্তকে রেখে গিয়েছিল, আর্যাবর্ত এখন আর সেই অবস্থায় নেই। রাজনীতি অনেক ভাবেই পাল্টে ফেলেছে নিজের গতি পথ। চেরা রাজা উথিয়ানের মৃত্যুর পর ভেরাপ্পন এখন রাজা হবার স্বপ্নে বিভোর। তার সেই পথে বাধা কেবল রানি নলিনী ও রাজপুত্র নিদাম। তবে সেসব বাধাকে সহজেই এড়িয়ে যাবার পরিকল্পনা চলছে ভেরাপ্পনের মাথায়। সিংহাসন কি আসলেই এতো সহজে হস্তগত হবে? চোলায় শান্তি ফিরে এসেছে। প্রজারা এবার চাইছে রাজা কারিকালার বামপাশের আসনে রানি লক্ষ্মী হয়ে বসুক। রানির সন্ধান করছে কারিকালা। তবে সেই সন্ধান কি আদৌ এত কণ্টক বর্জিত হবে? শকদের সম্পদের হাতছানিতে মহারাজ সাতকর্ণী অবস্থান করছেন উজ্জয়িনীতে। ওদিকে অবহেলায় পড়ে আছে তার রাজধানী প্রতিষ্ঠানা। শাসকের অনুপস্থিতিতে ধীরে ধীরে রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে অরাজকতা। মহাবলের কথা মনে আছে? যে সামন্ত যুবরাজ অঙ্গদকে আগুনে ফেলেছিল। সে পিতার মৃত্যুর পর রাজা হয়েছে। তারপর বসেছে অত্যাচারের পশরা সাজিয়ে। মহাপ্রস্থান সকল হিসেব মেলানোর পথ। সে হিসেবের কাছে পৃথিবীর সকল হিসেব গৌণ, এতো কঠিন গণিত কোন গণিতের বইয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে আশার কথা একটাই। ‘মহাকাল কখনও কোনও হিসেব বাকি রাখে না’।
উনিশ শতকের এক বিখ্যাত ভারত – পথিকের কলমে তৎকালীন অবিভক্ত ভারতবর্ষের ইতিহাস – সমাজনীতি – রাজনীতি – অর্থনীতি – শাসননীতির বিস্তৃত বিশ্লেষণ। সম্পাদনা : ড. শ্যামপদ মন্ডল
বঙ্গদেশে যেসব ধান জন্মায়, সেসব ধানের আদ্যন্ত বিবরণ বা বর্ণনা, পরন্তু ধান-চালের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কযুক্ত আলোচনা এই গ্রন্থখানির মূল বিষয়। এককথায় ‘বঙ্গে চালতত্ত্ব’ গ্রন্থটিকে ধান এবং চাল কারবারের সহায়ক অমূল্য গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হয় না। ‘সংজ্ঞা ও পরিভাষা’-র মধ্যে ধান এবং চালের বিভিন্ন ভাষার নামও পাঠকদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে।
ভারতশিল্প বস্তুত একটি মহাসমুদ্রের মতো। তার আছে নানা অঙ্গ, নানা প্রকোষ্ঠ যেমন সৌন্দর্যতত্ত্ব, রীতি, শৈলী,বিবর্তন,কাল বিভাজন, অঞ্চল বিভাজন ইত্যাদি। এই বইটিতে শিল্প – ঐতিহাসিক ড.মলয়শঙ্কর ভট্টাচার্য স্বল্প পরিসরে আলোচনা করেছেন ভারতশিল্পের চর্চার উন্মেষকাল ও তার শিল্পানুসন্ধানীদের কথা, শিল্পের নানান ধারা এবং শৈলী, শিল্পকর্মে জীবনের প্রতিফলনের কথা, ভারতের বাইরে তার প্রসারের কথা এবং আরও অন্যান্য বিষয়।
আলপনা আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাঙালি জাতির সংস্কৃতিতে আলপনা কবে যুক্ত হয়েছে তার উৎস খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য। পুজো-পার্বন, ব্রত-মঙ্গলকর্ম, উৎসব-অনুষ্ঠান সর্বত্র আলপনা বিশেষতঃ প্রথাগত আলপনা তার অধিকার বিস্তার করে রেখেছে। লোক-সংস্কৃতির এই বলিষ্ঠ ধারাটি জনমানসে প্রোথিত হওয়ার তেমন সুযোগ পায়নি। আলপনা সংস্কৃতির সে অভাব পূরণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে রচিত এই গ্রন্থ। এখানে আলপনার উৎস, ইতিহাস, বৈচিত্র্য ও যুগোপযোগী পরিবর্তনের ধারা সম্পর্কে বিস্তৃত আলোচিত হয়েছে।
বাংলার বহু জ্ঞাত অজ্ঞাত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জীবন – ইতিহাস। পরাধীনকালে যেসব দুঃসাহসী দামাল বাঙালি ব্রিটিশ শাসনমুক্ত স্বাধীন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দেশমাতাকে ভালবেসে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য নিজেদের স্বার্থ -অর্থ – সম্মান এমনকি জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার আস্বাদ পৌঁছে দিয়ে গেছেন, তাঁদের কর্মকান্ডের কথা আজ আমরা ভুলতে বসেছি। এই সুবৃহৎ সংকলনে রয়েছে সেইসব মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সংক্ষিপ্ত জীবনচরিত যা পড়ে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যাবে।