Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
লোকায়ত উৎসবে – গাজনে – চড়কে -ষষ্টীতলায়- কাবায় শাক্ত পীঠস্থানে পাথরের অশেষ ভুমিকার কথা সর্বজন বিদিত। গীতা -চন্ডী- ভাগবত – উপনিষদ -রামায়ণ – মহাভারতের আলোকে অজস্র ছবির সঙ্গে দেবাত্মা পাথরের মধ্যে মানবত্ব বিশ্লেষণ।
আমাদের পূজা -পার্বণ অসংখ্য। স্থান বা অঞ্চলভেদে পার্বণের ভেদও রয়েছে। পূজা -পার্বণের উৎপত্তি ও প্রকৃতি না জানলে সঠিক ইতিহাস অজ্ঞাত থেকে যায়। লেখক এই গ্রন্থে সাবলীল ভাষায় কতকগুলি প্রসিদ্ধ পূজা -পার্বণের উৎপত্তি ও প্রকৃতি বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনা থেকে পূজা -পার্বণের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা সঠিকভাবে প্রতীয়মান হয়। স্মৃতি ও পুরাণের মাধ্যমে কি অপূর্ব কৌশলে আমাদের ইতিহাস জনসাধারণের মধ্যে প্রচারিত হয়ে চলেছে তা পাঠক এই গ্রন্থ পাঠে অবগত হবেন।
Bharatpathik Raja Rammohan Roy er ek mulyaban grantha…
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
কবি’র লোকসাধারণের কবিতার নতুন সংযোজন ‘আমরি বাংলা ভাষা’। এই সংকলনে উঠে এসেছে লোক সাধারণের বহুমাত্রিক জীবনের বহুবর্ণরঞ্জিত কথকতা। সংকলনে জায়গা পেয়েছে ২৩টি কবিতা। এর মধ্যে কবি’র জননন্দিত কবিতা ‘মৃণালের পত্র’ কে নিয়ে রয়েছে একটি শ্রুতিনাটক। কবি’র কলমে এই প্রথম কোনো কবিতা সংকলনে প্রকাশিত হল শ্রুতিনাটক। কবি এই প্রত্যয়ে গভীরভাবে বিশ্বাসী যে লোকসাধারণের কবিতা’কে কোনো দেশ কালের সংকীর্ণ গণ্ডীর মধ্যে আবদ্ধ করা যায় না। এর ব্যাপ্তি সর্বজনীন। তাই এই সংকলনে বাংলার লোকসাধারণের সঙ্গে রয়েছে সুদূর আমাজনের বৃষ্টি অরণ্যের পরিবেশ সংরক্ষণের আদিবাসী আন্দোলনের নেত্রী নেমস্তে নেঙ্কিমোর কথা, আছে এই উপমহাদেশের মরুপাহাড়ের মৃত্যুঞ্জয়ী কবি তরুণী নাদিয়ার কথা, আছে তৃতীয় বিশ্বের শিশুমুক্তির অধিনায়ক ইবাবুল মাসিন’কে নিয়ে লেখা ‘এক শ্রমিক শিশুর জবানবন্দি’। এই সংকলনে লোকসাধারণের বাঁচন লড়াইয়ের পাশাপাশি তাদের ভালোবাসাকেও অন্য এক মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন কবি। তাই ‘ছাড়বাড়’ কবিতায় কি অবলীলায় মেয়েটি বলছে, ‘আমার কাঠকুড়াতে বেলা গেল / ভাতখাওকী বেলা / আমার ভাত রাঁধতে বেলা গেল / ঘুঘু ডাকা বেলা / ও সোঁদাল ভোমারা রে….. আমার মাথার। কিরা বলি তোকে / …. তুই দেখা হলে বলে দিবি উহাকে / আমি শালবনে দড়ি লিব | তবু নাই দেখব সতীনকে / আমার ভালোবাসায় গড়া ঘরে। / আমি নাই দেখব সতীনকে।’
Author – Kanan Debi
Binding: Hard Board
ISBN: 978-81-93435-11-3
Pages: 67
Author : SriVijaychandra Majumder
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Language
Bengali
Binding
Hardcover
Pages
367
Publisher
Tuli Kalam
Publishing Year
2025
সুপ্রাচীন কাল থেকেই ভারতবর্ষে কৃষ্ণ উপাসনার ধারা প্রচলিত।কৃষ্ণবাদের উৎপত্তি ও বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন মাধ্যমে কৃষ্ণের বিগ্রহ নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম দারুবিগ্রহ। অবিভক্ত বাংলার নানা অঞ্চলে কৃষ্ণের বিভিন্ন দারুবিগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু বিগ্রহের বয়স আনুমানিক পাঁচশো বছর। শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনের মাধ্যমে এই দারুবিগ্রহ নির্মাণের ধারা আরও বৃদ্ধি পায়। বর্তমান গ্রন্থটিতে বাংলার নানা প্রান্তের কৃষ্ণের বিচিত্র দারুবিগ্রহ ও তার ইতিহাসকে এক ভিন্ন সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অনুসন্ধান করার চেষ্টা করা হয়েছে।
ফেলে আসা সময়ের কলকাতা নিয়ে নতুন করে আবার একটা বই, মানেই সেখানে নতুন তথ্য এসেছে, এমন নয়। বরং নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনাকে বিশ্লেষণ, বর্তমান সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা এই বই। চটজলদি যোগাড় করে পরিবেশন করা তথ্য নয়, পুরোনো সময়ে লেখার নতুন করে টিপ্পনি করাও নয়, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অতীতকে ফিরে দেখা, অল্প আলোচিত কিছু টুকরো ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার চেষ্টা এটি। ইতিহাস যে শুধু ফিসফিস করে কথা বলে না, বর্তমান সময়ের নিকটতম প্রতিচ্ছবি হয়ে বিরাজ করে, সেকথা প্রমাণের চেষ্টাও রয়েছে অবশ্য। কলমের গুণমান কিংবা মসৃণ পাঠের আগাম নিশ্চয়তা না থাকলেও, পাঠকের কৌতূহল বাড়ানোর গ্যারান্টি থাকছেই
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manas Bhandari
Weight – 0.2kg
Binding – Hard Bound
কলেজস্ট্রীট কফি হাউস
অনন্যা দাস বাংলা ভাষায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ পত্রপত্রিকার নিয়মিত লেখক। বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় সৃজনশীল রচনার সঙ্গে তিনটি। ভাষাতেই পারস্পরিক অনুবাদের কাজ করেন। বর্তমানে স্বামী ড. অরুণাংশু দাশ-এর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় বসবাস করেন এবং পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত ।
পটকথা
মনুষ্য সমাজ গঠনে নারী-পুরুষ সৃষ্টির কথায় মনু তাঁর সংহিতায় (১৩২) লিখেছেন—’স্রষ্টা নিজের দেহ দ্বিধা বিভক্ত করে অর্থভাগে পুরুষ হলেন, অপর অর্ধে নারী হলেন। প্রথম দিকে সন্তান জন্ম বিষয়ে – পুরুষ কার কী ভূমিকা তা মানুষ বুঝে উঠতে পারেনি। মানুষ গোষ্ঠীবদ্ধ হল। গোষ্ঠী বা কৌম ভেঙে যখন পরিবারের সূচনা হয় তখন নারীর উপর পুরুষের স্বত্বাধিকার সমাজ মেনে নেয়।
একটা সময় ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র এই বর্ণে বিভক্ত করা হয়। কর্মানুসারে। ‘ব্রাহ্মণদের জন্য অধ্যাপনা, অধ্যয়ন, যজন যাজন, দান ও প্রতিগ্রহ’ এবং ‘ক্ষত্রিয়ের কর্ম লোকরক্ষা, দান, যজ্ঞ, অধ্যয়ন’ ও “বৈশ্যের কর্ম পশুপালন, দান, যজ্ঞ, অধ্যয়ন, সুদে অর্থ বিনিয়োগ ও কৃষিকর্ম বলা হয়েছে। শূদ্রের কর্মের কথা বলা হয়েছে— তা হল এই সকল বর্ণের অসুয়াহীন সেবা করা’ (মনুসংহিতা ১/৮৮/১১)।
সমাজবন্ধনকে দৃঢ় রাখতে সামাজিক নিয়মে বলে দেওয়া হয়েছিল। “কোনো বর্ণের পুরুষ অন্য বর্ণের স্ত্রীকে বা এক বর্ণের স্ত্রী অন্য বর্ণের পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না।’ কিন্তু কাম এত প্রবল যে তা আইন করে রক্ষা করা যায়নি। মনু তাঁর সংহিতায় (২/২১৫) জানিয়ে রেখেছেন, ‘মা, বোন বা মেয়ের সঙ্গে শূন্য গৃহাদিতে পুরুষ থাকবে না। শক্তিশালী ইন্দ্রিয়সমূহ বিদ্বান লোককেও বশীভূত করে।’
এই সূত্রে মনে করা যেতে পারে ঋগ্বেদে (১০/৬১/৫, ৭) নাভানেদিষ্ট সূক্তের পিতা-কন্যার অবৈধ সম্পর্ক। ঋগ্বেদে (১০/১০) যম-যমী সংবাদ সূক্তের বিষয় ভাই-বোনের মধ্যে সম্পর্ক। পুরুষের নারীর খোলাখুলি যেমন ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে (ঋগ্বেদ ৭/৮০/২), তেমনি সূর্য ঊষার উপপত্তি ‘জারোন’ বারে বারে ব্যবহৃত অংশ থেকে প্রণয়ের চিত্র বহুবার পাওয়া গেছে। ঋগ্বেদে (৭/৫৫/৫-৮) নারী হরণের উল্লেখ রয়েছে, জনৈক পুরুষ প্রেমিকাকে সময় প্রার্থনা করে সমস্ত পরিবার ঘুমে ঘুমিয়ে পড়ে। কুকুরগুলো পর্যন্ত ঘুমিয়ে যাতে সে নির্বিঘ্নে প্রেমিকাকে নিয়ে পালাতে পারে।
বৈদিক পুরুষের অধিকার ছিল একাধিক পত্নী এবং অসংখ্য উপপত্নী রাখা এবং গণিকার কাছে যাবার, স্ত্রীর উপপত্তি রাখার অধিকার ছিল না। উপপতিকে ধ্বংস করার জন্য উপাচার ক্রিয়ার বিধান দেওয়া বৃহদারণ্যক উপনিষদে (৪/৪/১২)। সময় নারীকে রাখা যেত, কেনা যেত, করা যেত, হলেও তখন যৌতুক হিসেবে নারীকে দেওয়া আবার উপহার হিসেবে যেত। উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণদের সবরকম বিধবাবিবাহ ও বহুবিবাহ করার যে অধিকার পেয়েছিল তা পরে হারিয়েছে। আর্যেরা যখন কৃষিজীবী হয়ে পড়ে, তখন জীবন সম্বন্ধে তাদের একটা নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সৃষ্টি হয়। তাঁরা বললেন নারী হল ক্ষেত্র, আর
পুরুষ তার মধ্যে বীজ বপন করে। মনু যখন সংহিতা রচনা করেন
তখন তিনিও সেই কথাটিই বলেন এভাবে— ‘নারী ক্ষেত্রস্বরূপ, পুরুষ
বীজস্বরূপ। ক্ষেত্র ও বীজের মিলনে সকল দেহীর উৎপত্তি হয়’ (৯/৩৩)। নারীকে ক্ষেত্ররূপে বর্ণনা করে একই সঙ্গে ব্যভিচারের তথ্যকে জুড়ে দেন এভাবে— ‘এক বীজ যখন উপ্ত করা হয় তখন তাতে অন্য শস্য জন্মে না। যার বীজ উপ্ত হয়, তাই জন্মে’ (৯/৪০)। সুতরাং ‘প্রাজ্ঞ, শিক্ষিত, জ্ঞানবিজ্ঞানজ্ঞ, দীর্ঘায়ুকামী ব্যক্তি কর্তৃক পরস্ত্রীতে বীজ কখনও উপ্ত হওয়া উচিত নয়’ (৯/৪১)। ‘যারা ক্ষেত্রস্বামী নয়, বীজের মালিক, তারা পরের ক্ষেত্রে বীজবপন করলে উৎপন্ন শস্যের মালিক হয় না’ (৯/৪৯)। যেমন অন্যের গাভীতে একশো বাছুর উৎপাদন করলেও সেই বাছুরগুলি গাভীর মালিকেরই হয়। বৃষ স্বামীর নয়। বৃষের যে তা বৃষ স্বামীর পক্ষে নিষ্ফল’ (৯/৫০); ‘তেমনি স্ত্রীর স্বামী-ভিন্ন ব্যক্তি পরস্ত্রীতে বীজবপন করলে যার বীজ সে ফল লাভ করে না’ (৯/৫১); ‘জলের ঢেউ ও বায়ু দ্বারা চালিত বীজ যার ক্ষেত্রে অঙ্কুরিত হবে, সেই বীজ ক্ষেত্রস্বামীরই হবে, বপনকারী ফললাভ করে না’ (১/৫৪)।
ক্ষেত্র-নারী, ক্ষেত্রের ফসল অর্থাৎ অবৈধ সন্তানের মালিকানা ক্ষেত্রস্বামী হিসেবে নারীর। তাই ব্যভিচারের ক্ষেত্রবীজের ফসল দিয়েই পৃথিবীর আদিমতম নতুন সংসার তৈরি হয়ে ছিল—নাম বেশ্যালয়।
ঋগ্বেদ থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত যৌনতা ব্যভিচার নিয়ে তৈরি হয়েছে নানান শব্দ, সম্ভবত সেই সংখ্যা আজ পর্যন্ত একত্রে প্রকাশিত হয়নি, হয়তো বা সেভাবে উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। আমরা শুধুমাত্র বৈদিক-যৌনতা বিষয়ের (প্রাচীন সাহিত্যে যৌনাচার বিষয়ক কিছু শব্দ, বর্তমান সময়ের আনোনদোবাজারের অর্থাৎ যেখানে মানুষ আনন্দ করতে আসে, সেই নিষিদ্ধপল্লির কিছু শব্দ এবং সংসার জীবনের যৌনতাবিষয়ক শব্দ নিয়ে তৈরি এই শব্দকোষটি।
Bar Bar Mager Muluk
By Biswajit ray
Mandas
Klanto Uter Cholachol
Prithwi Basu
ক্লান্ত উটের চলাচল
Mandas
Bengali book