Bharatiyo Upamahadeshe Ouponibeshik Sanskritir Manchitro - ভারতীয় উপমহাদেশে ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির মানচিত্র
Dakghor Dakbibhager bibortoner itihas - ডাকঘর
Dharma, Rajniti Moulobad O Samprodayikota - ধর্ম, রাজনীতি মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা
Jahannamer Saudagar - জাহান্নামের সওদাগর
Aamaro Kichu Bolar Ache - আমারও কিছু বলার আছে
Tarunyer Uchchhas Silpokolay Notun Mukh - তারুণ্যের উচ্ছ্বাস শিল্পকলায় নতুন মুখ
Bharatiya Sanskritir Anusondhane Indochion Porbo - ভারতীয় সংস্কৃতির সন্ধানে (ইন্দোচীন পর্ব)
Noksal Barinama - নকশাল বাড়িনামা
Banglar Tantra - বাংলার তন্ত্র
Nirapod Durotyo Rekhe - নিরাপদ দূরত্ব রেখে
Narir Kon Desh Nei - নারীর কোন দেশ নেই
Jolangi - জলাঙ্গী
Jaal - জাল
Kishore Bharati - কিশোর ভারতী- কমিক্স সমগ্র ১
Sadhu Sanyasider Aloukik Lilasangame - সাধু সন্ন্যাসীদের অলৌকিক লীলাসঙ্গমে
Shankil Pathe Chakrabyuhe - শঙ্কিল পথে চক্রব্যূহে
Gonobishan - গণবিষাণ
SAURYAJATA ( MADHUMITA SENGUPTA ) - শৌর্যজাত
Kolkatar Tram Itihas O Oitijhyo -কলকাতার ট্রাম : ইতিহাস ও ঐতিহ্য
Bharatiyo Upamahadeshe Ouponibeshik Sanskritir Manchitro - ভারতীয় উপমহাদেশে ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির মানচিত্র
Dakghor Dakbibhager bibortoner itihas - ডাকঘর
Dharma, Rajniti Moulobad O Samprodayikota - ধর্ম, রাজনীতি মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা
Jahannamer Saudagar - জাহান্নামের সওদাগর
Aamaro Kichu Bolar Ache - আমারও কিছু বলার আছে
Tarunyer Uchchhas Silpokolay Notun Mukh - তারুণ্যের উচ্ছ্বাস শিল্পকলায় নতুন মুখ
Bharatiya Sanskritir Anusondhane Indochion Porbo - ভারতীয় সংস্কৃতির সন্ধানে (ইন্দোচীন পর্ব)
Noksal Barinama - নকশাল বাড়িনামা
Banglar Tantra - বাংলার তন্ত্র
Nirapod Durotyo Rekhe - নিরাপদ দূরত্ব রেখে
Narir Kon Desh Nei - নারীর কোন দেশ নেই
Jolangi - জলাঙ্গী
Jaal - জাল
Kishore Bharati - কিশোর ভারতী- কমিক্স সমগ্র ১
Sadhu Sanyasider Aloukik Lilasangame - সাধু সন্ন্যাসীদের অলৌকিক লীলাসঙ্গমে
Shankil Pathe Chakrabyuhe - শঙ্কিল পথে চক্রব্যূহে
Gonobishan - গণবিষাণ
SAURYAJATA ( MADHUMITA SENGUPTA ) - শৌর্যজাত
Kolkatar Tram Itihas O Oitijhyo -কলকাতার ট্রাম : ইতিহাস ও ঐতিহ্য
বিষয় – বাংলার বাণিজ্য
Pre booking last date – 09/09/2025
Published Date – 12/09/2025 to 15/09/2025
Pre Booking Last Date – 8/9/2025
বিষয়বস্তু —
বাংলার পশ্চিমভাগের জনজাতি অধ্যুষিত গ্রাম কুসুমবেড়িয়ার লৌমিতা কিশোরবেলায় ভালোবেসেছিল পাশের গ্রাম ফুলপাহাড়ীর নীলকান্তকে। স্কুলছুট বালক নীলকান্ত ঘর ছাড়ে কাজের খোঁজে, নানা জায়গায় ঘুরে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে স্থিতু হয় গুজরাতের ভুজে। শত বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে উচ্চশিক্ষিত হয়েও লৌমিতা ভালোবাসার টানে বিয়ে করে নীলকান্তকে। তাদের যখন সুখের সংসার, তখনই কর্মক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা নীলকান্তকে স্থবির করে দেয়; ধীরে ধীরে গভীর অবসাদ তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। টালমাটাল জীবন ও ভেঙে-পড়া সংসারকে বাঁচাতে লৌমিতা ঝাঁপায় কঠিন জীবন-যুদ্ধে। এই দুঃসময়ে শৈশবেরই অতি-আপন অনিমেষ কাকুর দেখা পেয়ে তারা তাকে আঁকড়ে ধরতে চায়। নিঃসন্তান অনিমেষও ভালোবেসে তাদের পাশে দাঁড়াতে চায় স্নেহময় পিতার মতো। কিন্তু শেষাবধি অনিমেষের মনোবাসনা কি চরিতার্থ হল? লৌমিতা কি পারল তার ভালোবাসা দিয়ে নীলকান্তকে জীবনের পথে ফেরাতে? প্রান্তিক মানুষদের তীক্ষ্ণ জীবন-সংগ্রাম, দুঃখ-বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষাকে উপজীব্য করে রচিত উপাখ্যান – বাসা ভালোবাসা তৃষা।
যজ্ঞের মৌলিক তাৎপর্য্য ত্যাগ। এই কথাটি স্মরণ রাখিলেই বেদপন্থীর শাস্ত্রে যজ্ঞের মহিমা বুঝিতে পারা যাইবে। জগতের সহিত জীবের সামঞ্জস্য সাধন যজ্ঞ দ্বারাই সম্পন্ন হয়। মানুষ সহজে ত্যাগ করিতে চায় না, ভোগ করিতে চায়। ঈশোপনিষৎ দেখাইয়াছেন, এই ধারণা ভ্রান্ত। ত্যাগের সহিত ভোগের বিরোধ থাকিতে পারে না।… জীব জগতের নিকট নানা ঋণে আবদ্ধ। বেদপন্থীর ধর্মশাস্ত্র এই ঋণের শ্রেণিবিভাগ করিয়াছেন-মনুষ্যের নিকট ঋণ, ভূতগণের নিকট ঋণ, পিতৃগণের নিকট ঋণ, দেবগণের নিকট ঋণ, এবং সর্বশেষে ঋষিগণের নিকট ঋণ; এই পঞ্চবিধ ঋণ লইয়া মনুষ্যকে জীবরূপে সংসার যাত্রা আরম্ভ করিতে হয়। এই পঞ্চ ঋণমোচনের জন্য গৃহস্থের পক্ষে নিত্য অনুষ্ঠেয় পঞ্চ মহাযজ্ঞের ব্যবস্থা আছে। গৃহস্থের দৈনন্দিন অনুষ্ঠানে এই পঞ্চ মহাযজ্ঞ তাহাকে জগতের নিকট আপনার ঋণের কথা স্মরণ করাইয়া দেয়।
রবীন্দ্রনাথ নিবেদিতাকে বলেছিলেন ‘লোকমাতা’, অরবিন্দ বলেছিলেন ‘শিখাময়ী’। নিবেদিতা নিজেকে বলতেন ‘রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের নিবেদিতা’। রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ-নিবেদিতা শাশ্বত ভারতাত্মারই চিৎশক্তির অবিচ্ছেদ তরঙ্গায়ণ।
ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতবর্ষের আত্মোন্মীলনের একটা সংক্রান্তিপর্ব। প্রতীচ্য-শক্তির শতবর্ষব্যাপী অভিঘাতের প্রত্যুত্তরে ভারত-চেতনায় জাগল এক বিরাট বিপ্লব। বাইরে সে-বিপ্লব প্রকাশ পেল ভারতের ক্ষাত্রশক্তির বিস্ফোরণে, তার রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষায়; অন্তরের বিপ্লব ফুটল তার ব্রাহ্মী-চেতনার সহস্রদল উন্মেষণে, তার আত্ম-আবিষ্কারের অতন্দ্র সাধনায়। দুটির মধ্যেই দেখেছি, ভারতবর্ষ চাইছে তার অখণ্ড বৃহৎ সত্তাকে স্পষ্ট দিবালোকে অনুভব করতে।
এই উপন্যাসটি “বিচিত্রা” নামক বিখ্যাত মাসিক পত্রের ১৩৪২ সালের ভাদ্র, আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হইয়াছিল। জনসাধারণের নিকট আদৃত হওয়ায় আমি এক্ষণে ইহা পুস্তকাকারে প্রকাশ করিতে সাহস করিলাম। ইহাতে প্রাচীনকালের এক আর্য্যনারীর মহান্ চরিত্র বর্ণিত হইয়াছে। বঙ্গীয় কথা-সাহিত্যের এই বিপ্লবের যুগে সমাজে পুরাতন আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করিবার একটি ক্ষীণ প্রয়াস করিয়াছি। আমার বিশ্বাস যে, এই গুণবতী নারীর আখ্যায়িকা স্ত্রীলোকদিগের পক্ষে পরম হিতকর বলিয়া গৃহীত হইবে। যদি এই পুস্তক পাঠে আধুনিক মনোবৃত্তি সামান্যমাত্রও সংযত হয়, তাহা হইলে আমার উদ্যম সফল বলিয়া বিবেচনা করিব।
ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতির উপর বৈদিক সংস্কৃতির ও বেদান্ত দর্শনের প্রভাব পড়েছে। তবে তুলনায় বাঙালি জীবনে বেদ-নির্ভর সংস্কৃতির প্রভাব খুব বেশি নেই বলে মনে করেছেন নৃতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব, ইতিহাস ও সাহিত্যের গবেষকগণ। তাঁদের অভিমত আর্যভাষাভাষী আদি-নর্ডিক গোষ্ঠীর রক্তপ্রবাহ ও সংস্কৃতি বাঙালির সমাজ জীবনে ও সমাজ সংগঠনে এত ক্ষীণ যে, বাংলা দেশের ব্রাহ্মণদের মধ্যে খুব সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ সত্ত্বেও সহসা ধরা পড়ে না। বরং আদি অস্ট্রেলয়েড গোষ্ঠী, অ্যালপাইন গোষ্ঠী এবং দ্রাবিড় সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে যথেষ্ট। ধর্ম-সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির সঙ্গে বৌদ্ধ, জৈন, ব্রাহ্মণ্য ধর্মনীতি ও দর্শনের সংমিশ্রণে বাঙালি জাতির মানসলোক গড়ে উঠেছে। যদিও সেন বর্মন আমল থেকে স্মার্ত পণ্ডিতদের নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত সমাজব্যবস্থা, ধর্মাচরণ বাঙালি হিন্দুধর্মের মানুষের সমাজজীবন ও সাহিত্যকে নিয়ন্ত্রিত করেছে। সমগ্র মধ্যযুগ জুড়ে সেই নিয়ন্ত্রণ কখনও দৃঢ় হয়েছে, আবার কখনও শিথিল হয়েছে। কিন্তু তারও আগে বৃহত্তর বঙ্গদেশে (অঙ্গ, বঙ্গ, পুণ্ড্র, সমতট, গৌড়) দীর্ঘকাল ধরে প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির প্রভাব যেমন পড়েছিল, তেমনি প্রায় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বৌদ্ধধর্ম ও বৌদ্ধ-সংস্কৃতির যথেষ্ট প্রভাব পড়েছিল বাঙালি জনমানসে। প্রাচীন-মধ্যযুগের বাংলার সমাজ ও সাহিত্য সেই প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেনি। সমাজে তো বটেই; সাহিত্যের গভীরেও রয়ে গেছে সেই প্রভাব।












