Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
Author : Anandanath Roy
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বারভুঁইয়া বা ষোড়শ শতাব্দীর বাংলার ইতিহাস
Author : Somobrata Sarkar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারতের প্রাচীন ধর্মীয় সম্প্রদায়
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
Publisher
Khori – খড়ি প্রকাশনী
Binding
Hardbound
Language
Bengali
Author : Asit Kumar Haldar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Pages :
Publisher : Khori
ভারতের শিল্পকথা : অসিত কুমার হালদার
Author
Rajat Pal
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
Type of Product
Physical
Publisher list
Khori Prakashani
Languages
Bengali
Binding
Hardbound
Publishing Year
2024
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Various Writers
Weight – 0.45kg
Binding – Hard Bound
হত্যান্বেষী
বিফলে মূল্য ফেরত
অমিতাভ গুপ্ত
প্রচ্ছদশিল্পী : রোকু
বিহেভিয়রাল ইকোনমিক্স নিয়ে অমিতাভ গুপ্তর নিবন্ধ সংকলন।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sujoy Ghosh
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
আলাপ চারিতায় সেকালের চিত্র তারকা
Author : Pinaki Biswas
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বাংলার ডাকাত কালি
ইতিহাসে মোড়া পাতিহাল
(সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১৩)
দীপক দাস
স্থানীয় সংস্কৃতির প্রসারণেই (কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে যাত্রা) একটি অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জীবনের লক্ষণগুলির মধ্যে কিছু সাধারণ সাদৃশ্যমূলক সমন্বয় সৃজিত হয়ে ওঠে। সেই সমন্বিত রূপটিই অঞ্চলটির সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যরূপে প্রতিভাত হয়। তাই সংস্কৃতির আঞ্চলিক চেহারাটি একটি দেশের একটি বিশেষ কালের অঙ্গমাত্র নয়- একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের ভিত্তিই হল আঞ্চলিক সংস্কৃতি, যা ‘লোকাল কালচারে’র সুরভিত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমবায়ে গড়ে ওঠে। এই অঙ্গ-প্রতাজের খোঁজেই সুপ্রকাশের অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালার পরিকল্পনা। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি হাওড়া জেলার জনপদ পাতিহালকে ঘিরে আবর্তিত।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sujoy Ghosh
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
একজন পরশপাথর
অশ্রু ধারাবতী
অঞ্জলি দাশ
ছবি – আকাশলীনা
মূল হয়তো নিজেদের অজান্তেই ছিঁড়েছিল সেই সাতচল্লিশে। যখন মাটি ভাগ হয়েছিল দ্বিজাতিতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে। জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে নতুন বাস্তুর খোঁজে সীমান্ত পেরিয়েছিলেন অগণিত। কাঁটাতারের বেড়া নির্বাক দেখেছিল তত্তাবৎ যন্ত্রনা আর অভিমান। সে যন্ত্রনা, যারা আরও আরও দীর্ঘসময় অদৃষ্য তারাই শুধু মর্মে নিয়েছেন সে দ্রোহিক আলাপ। আলগা মাটিতে কাতর শিকড়, যেন শূন্যের মাঝখানে ঘর, বারামখানা থেকেও যেন নেই। পেছন দিকে তাকাতে গিয়ে যত দূর স্বচ্ছ দৃষ্টি যায়, ঠিক তত দূরে, চোখে ধরা দেয় একটা অন্য ভূখণ্ডের মনোরম কোলাজ। অনেকগুলো খণ্ডচিত্রের বর্ণময় সবুজ। টুকরো টুকরো মুহূর্ত, ছোট ছোট সুখ-দুঃখ, উৎসব, পার্বণ, দুর্যোগ, এক সাধারণ পরিবারের ওপর শতাব্দী আলোড়িত এক রাষ্ট্রবিপ্লবের ছায়া। সবকিছু নিয়ে এই বিগর্হণচারণ। পঞ্চাশ দশকের শেষ দিকে জন্মানো একজন কবির মনের আনাচে কানাচে লেগে থাকা কিছু কথাচিত্র।
সাতাত্তরে ভারতে এলেও প্রতন হয়ে পড়েছিলেন একাত্তরে। নতুন জন্ম নেওয়া যে বাংলাদেশ, সে আর তাঁর দেশ হয়ে উঠতে পারেনি। ওই ছ-বছর একটা অদ্ভুত শূন্যতায় ভর দিয়ে কাটিয়েছেন এপিফাইটের মতো। মাটি ছুঁতে পারেননি। গৃহ বলতে যা তা পড়ে আছে তাগাড়ে। যারা মুছে দিয়েছে তারা পাকিস্তানি মিলিটারি নয়, তারা চেনা কোনও মানুষ, হয়তো বা কোনও ভয়াল-ভায়াদ-প্রতিবেশী। চারপাশ শর্মহীন শূন্য। পরবর্তী যাপন, পড়াশুনা, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, বন্ধু, বয়োঃসন্ধির উদযাপন… সবই যেন শূন্যে ভেসে। যেন শুধু প্রয়োজনের তাগিদ। সবকিছুই রসিত, স্পর্শে নয়, অনুভবে নয়। নিস্তষ লাল-বিন্দুটির লৌহিত্যে ঢাকা পড়ে গেছে চারপাশের স্মৃতির সবুজ।
লেখক সম্পর্কে :
জন্ম ২৭ মে, ১৯৫৭। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর। কৈশোর থেকে কবিতা রচনার শুরু। ১৯৯১-এ প্রথম কবিতার বই ‘পরীর জীবন’।
কবিতার লতাগুল্মময় ছোট কোটরে বাস করতেই ভালবাসেন।
অন্তর্লীন অবলোকন থেকেই কবিতার পাশাপাশি রচিত তাঁর গল্প ও উপন্যাস। ‘জেব্রা ক্রসিং’ (১৯৭৮-৮১) একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। কবিতার জন্যে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি (২০১৪) ও বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্মারক (২০১০) পুরস্কার।
ডুয়ার্স উত্তরবঙ্গ মানেই আমাদের কাছে ট্যুরিস্ট স্পট থেকে সারি সারি চা বাগান…
কিন্তু এই ডুয়ার্সের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য আন্দোলন…
ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের একটি বড় অংশ প্রায় উপেক্ষিত,যার অন্যতম একটি অংশ ডুয়ার্স জুড়ে…
কিভাবে এই আন্দোলন উত্তরবঙ্গে ঢেউ তুলেছিল??
এই আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা একাত্ম হয়েছিলেন তাঁদের পরিচয় থেকে সেই আন্দোলনে যুক্ত প্রায় উপেক্ষিত মানুষদের ইতিহাস খনন করে খুঁজে আনার চেষ্টা করেছেন মধুশ্রী বন্দোপাধ্যায় ও সুপ্রিয় বসু …
তেভাগা আন্দোলনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সেনানীদের বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে কথপোকথন এর মাধ্যমে ইতিহাসের আলোকে তেভাগা আন্দোলনের চিত্ৰ খুঁজে আনার একটি বিকল্প চেষ্টা করতে হয়েছে লেখকদের,সাহায্য নিতে হয়েছে উত্তরবঙ্গের অসংখ্য মানুষের,তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এই বইয়ের সম্পদ..
এক নতুন দৃষ্টিকোণ এ তেভাগা আন্দোলনের অজানা ইতিহাস খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন বইয়ের লেখকদ্বয়…
আজ থেকে ৪০০ বছর আগেও ইউরোপে রাজরাজড়ার ঘরে ছাড়া চিনির দেখা পাওয়া যেত না। কেক পেস্ট্রি পুডিং, কিচ্ছু ছিল না। কারণ, ইউরোপে চিনিই ছিল না।
৫০০ বছর আগে থেকে ইউরোপের কিছু কিছু দেশ তাদের দখল করা আমেরিকায় আফ্রিকা থেকে দাস এনে আখ চাষ ও চিনি প্রস্তুত শুরু করল। এই দাসদের রক্ত ঘাম অশ্রু দিয়ে তৈরি চিনি একদিকে কিছু ইউরোপীয় মালিকদের জন্য অশেষ মুনাফা এনে দিল, পাশাপাশি ইউরোপের খাবার টেবিলে পৌঁছে দিল মিষ্টি চা কফি চকলেট কেক ইত্যাদি নানা সুখাদ্য।
পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গেল চিনি আর মুনাফার তাগিদে।
‘চিনি কাহিনী’ এক তিক্ত ইতিহাস।
‘চল পানসি কলকাতা’ তিন হাজার পাঁচশো কিমি ব্যাপী এক ভ্রমণ-উপাখ্যান যেখানে অজন্তা, ইলোরা, বিবি কি মকবারার মতো গৌরবময় কিছু স্থাপত্য, ঘৃষ্ণেশ্বর, ওঙ্কাররেশ্বর, মহাকালেশ্বরের প্রাচীন মন্দির ও উজ্জয়িনী, ওয়ার্ধা, সেগাঁও-এর মতো ঐতিহাসিক নগরীর পাশাপাশি কয়েকটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও সেবা-আশ্রমের কাহিনি বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কাহিনির পটভূমিকার সঙ্গে বলা হয়েছে কিছু মানুষের গল্প, যারা সাধারণ হয়েও চরিত্রের গুণে হয়ে উঠেছেন অনন্য সাধারণ। চিকলধারা অভয়ারণ্য, মন্দারমণি সমূদ্রবেলা, এবং নেতাজির জন্মস্থান দর্শন এই অভিযানের বিশেষ দিক।
পাখির মতো হালকা মানুষ। ছোট্ট। বাবার কোলে চেপে বিকেলবেলা নৈহাটি ইস্টিশনের ওভারব্রিজ। পায়ের নীচে রেলগাড়ি। ভোঁ দেয় ব্রিজ কাঁপিয়ে।
“রেলগাড়ি কী বলছে বাবা?”
“আমাদের ডাক দিচ্ছে তো। বলছে, দূরদেশে চললাম। কে যাবি আয়…’”
“আমি যাবো।”
“যাবি বইকি। আর একটু বড়ো হ…”
বাবার কোলে পাঁচ বছুরের বিস্ময়ভরা চোখ চেয়ে দেখে সামনে দিগন্ত পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে সুদীর্ঘ রেলপথ। তারই পাশে পাশে এগিয়ে চলে পিচবাঁধানো নগরপথ। কোথায় যায় তারা? কে জানে? জানে রেলগাড়ি, জানে তার পেটে বোঝাই সৌভাগ্যবানেরা। জানে ওই পিচবাঁধানো সড়কপথে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলা মুসাফিরের দল।
পাঁচ বছুরে বালক, তার চোখে পথ সেই যে মায়া অঞ্জন মাখিয়ে দিল, আজও তার সে মোহ ঘুচল না। কদিন স্থির হয়ে বসলেই ফের ডাক আসে। পথের ডাক শুনে ফের এগিয়ে যাই… পায়ে পায়ে… কুড়িয়ে নিই যা মেলে পথের পাশে পাশে।
এ বই সেই কুড়িয়ে আনা কিছু স্মৃতিকণা, দেশ ও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াবার স্মৃতির ধুলোমুঠি, সোনামুঠি।
ইজরায়েলের বহুচর্চিত ‘মোসাদ’ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি হিসেবে পৃথিবীর অনেক দেশের কাছেই ত্রাসের কারণ। বিগত কয়েক দশক ধরে এই সংগঠন গুপ্তচরবৃত্তির দুনিয়ায় সেরার সেরা। পৃথিবীর একাধিক দেশে সংগঠিত তাদের সিক্রেট মিশনগুলোর জুড়ি মেলা ভার!
বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত এই সংস্থা সম্পর্কে সাধারণের কাছে খুব কম তথ্যই পৌঁছয়। পাবলিক ডোমেনে এই সংক্রান্ত তথ্যও সীমিত। মোসাদের উৎপত্তি, তাদের অকথিত রোমাঞ্চকর অভিযানের খুঁটিনাটি, ইহুদি বিদ্বেষের কলঙ্কিত ইতিহাস এবং বর্তমান জিওপলিটিক্সের একাধিক গোপন কাহিনী নিয়ে পাঠকের দরবারে এবার হাজির—মোসাদ: যা আর্কাইভে নেই।
Yuddha-Katha Abhinaba Roy, যুদ্ধ কথা। অভিনব রায়।, প্রাচীন যুদ্ধের কৌশল ও মানচিত্র, Shabdo Prokashon, YEAR OF PUBLICATION 2024
বৈদিক শ্লোকের মতন বয়ে যায় কাল। কালের দীর্ঘ যাত্রা পথে গড়ে ওঠা নগর, গ্রাম, শিল্প, নটনটীদের চলমান চিত্র কালের স্রোতে এক ছলাতে কোথায় মিলিয়ে যায়। তারপর বর্তমানের বাঁকে এসে যুগযুগান্ত ধরে বহমান সভ্যতার নদীখাত শুকিয়ে জীবাস্মে পরিণত অতীত রয়ে যায় প্রত্নতত্ত্বে। সেই অতীত এক অত্যন্ত উন্নত সভ্যতার ব্লু-প্রিন্ট রূপে ধরা দেয়, সেই উন্নত বিজ্ঞান এবং ইতিহাসের বীজের সন্ধান দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থের মাধ্যমে।
Author – Hrishikesh Sen
Publication – Khori
Weight 0.5kg
Specifications
Binding
Hard Board
Binding
Hard Cover
Publisher
Amar Bharati
Year of Publication
2023
রান্নাবান্না, খাওয়াদাওয়ার মধ্যে যতই আটপৌরে প্রাত্যহিকতা থাক, দৈনন্দিন নৈমিত্তিকতা থাক, এই দৈনন্দিন চর্যার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের মনন, কল্পনা, অভ্যাস, সংস্কার। খাওয়াদাওয়ার ইতিহাস আসলে সংযোগ আর আদানপ্রদানের ইতিহাস। তাই রান্না মানে নিছক রেসিপি নয়, তেল, নুন, হলুদ, লঙ্কার পরিমাণ নয়। রান্নার প্রকরণ, প্রণালীর হাত ধরে নির্দিষ্ট যাপনের স্বাদ নেওয়াই রন্ধন শিল্প। আর সে তো রূপকথার মতোই রঙিন, কখনো-বা অবিশ্বাস্য, অলীক। কামরাঙা স্নাত ওশেন ট্রাউট কিংবা বরফের স্তূপে শায়িত তীব্র লেবুগন্ধি লেমন জেলাতো আপনার সামনে হাজির হলে চেনা ছক কেমন যেন গুলিয়ে যাবে না? লবণ শয্যায় শায়িত অয়েস্টার প্লাম পিউরির নজরটিপ নিয়ে আপনার সামনে হাজির হলে বিশ্বাস অবিশ্বাসের জগাখিচুড়ি অবস্থা হতে বাধ্য। আবার ঘুঘু ডাকা দুপুরে ছেলেবেলার কাঁচা মিঠে আমের স্বাদের নতুন কল্পনায় রূপকথাও হার মানবে। এমন হাজারও গল্প ও রেসিপি নিয়ে ‘রূপকথার রান্না’।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debjyoti Bhattacharyya
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
নিউগেট ক্যালেন্ডার
Author : Surendranath Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
থিয়েটার নিয়ে অঞ্জন
অভিজিৎ বসু
মানুষ তাঁকে উজাড় করে ভালবেসেছে একজন নাগরিক গাইয়ে হিসেবে, কথক হিসেবে। ফিল্মের অভিনেতা হিসেবেও তাঁর ব্যক্তিত্ব দাগ রেখেছে আমাদের মনে। কিন্তু নাটক? অন্তত ১৯টি নাটক এই শহরে বসেই একজীবনে পরিচালনা করেছেন তিনি। অভিনয় করেছেন দাপিয়ে। তার মধ্যে ‘মারা সাদ’ যেমন আছে, ইবসেনের ‘ডলস্ হাউস’ যেমন আছে, তেমনই আছে ‘গ্যালিলিও’ কিংবা ‘আরও একটা লিয়ার’। তিনি অঞ্জন দত্ত, যতটা গাইরে ঠিক ততটাই নাটককার, থেসপিয়ান। নঞ্চে তাঁর চলাচল সম্পূর্ণ ভিন্নধারার, ব্রেখট থেকে রবীন্দ্রনাথ হয়ে বাদল সরকার, গ্রহণে-বর্জনে অঞ্জন নিজে হয়ে উঠেছেন সমান্তরাল এক নাট্যস্বর। কিন্তু আনাদের অবহেলায় হারিয়ে গিয়েছে অঞ্জনের স্মরণীয় নাট্যজীবনের বহু অধ্যায়। মুছে গিয়েছে শত শত সন্ধের ছবি। এই অসহায়তা তাড়িত করেছে অভিজিৎ বসুকে। তিনি এক জায়গায় করতে চেয়েছেন অঞ্জন দত্তর থিয়েটার জীবনটাকে, তাঁর বোঝাপড়াকে, মুনসিয়ানার বিশেষ জায়গাগুলিকে। দিনের পর দিন, অঞ্জনের সামনে বসে শুনেছেন তাঁর কথা। প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে অঞ্জন দত্তকে দিয়ে বলিয়ে নিয়েছেন থিয়েটার নিয়ে এমন কিছু কথা, যা হয়তো না বলাই থেকে যেত।
উনিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে ভারতের বিজ্ঞানাকাশে যে ক’জন ভারতীয় নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছিল, রামব্রহ্ম সান্যাল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দুঃখের বিষয় আজ সম্ভবত তিনি সবচেয়ে বিস্মৃত।
রামব্রহ্মের ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হওয়া, কিন্তু চোখের অসুখ তাঁর পড়া শেষ করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্ধত্বের দিকে পা বাড়ানো হতাশাগ্রস্ত রামব্রহ্মের দিকে তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরই এক প্রফেসর।
অতি সামান্য কর্মচারীরূপে রামব্রহ্মের চিড়িয়াখানাতে প্রথম চাকরী। পরে তাঁর আর এক ইংরেজ প্রফেসারের কাছে শিক্ষানবিশি করে তিনি নিজের কর্ম দক্ষতায় চিড়িয়াখানার কার্যনির্বাহক কমিটির আস্থাভাজন হন।
কমিটির সদস্যদের ইচ্ছে ছিল যে কোনও বিজ্ঞানমনস্ক নৈর মিলিয়ার ভার নিলে তারা চিড়িয়াখানাটিকে ঠিকভাবে গড়ে নিতে পারবেন। অনেক চেষ্টা করেও সেই রকম ইংরেজ বা ইংরেজি আদব কায়দা জানা মানুষ পাওয়া গেল না। তখন বাধ্য হয়েই রামব্রহ্মের ওপর চিড়িয়াখানার ভার দেওয়া হল। রামব্রহ্মাই হলেন চিড়িয়াখানার প্রথম ভারতীয় তত্ত্বাবধায়ক। অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি চিড়িয়াখানার এবং নিজের সুনাম বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৮৯২ খ্রীস্টাব্দে তাঁর লেখা বই ” A Handbook of the Management of Animals in Captivity in Lower Bengal” বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। লন্ডন জুলজিক্যাল সোসাইটি তাঁকে Corresponding Member হিসাবে সম্মান জানায়। ১৮৯৮ খ্রীস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে “রায় বাহাদুর” উপাধিতে ভূষিত করেন এবং এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল তাঁকে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার নির্বাচিত করেন।
একজন বাঙালীর পক্ষে সেই যুগে এত সব সম্মানের অধিকারী হওয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত।
নিমন্ত্রণ
মানস শেঠ
অতিথিপরায়ণ বাঙালির ‘নিমন্ত্রণ’-এর অন্দরে থাকা সামাজিক ইতিহাস, লোকাচার ও মানবিক সম্পর্কের ভাষ্য নির্মাণের প্রচেষ্টা এই বই।
শেকল ভাঙার গান
অলোক সান্যাল
নূর একটি বাঘছানা। খেলতে খেলতেই সে শিখছে জঙ্গলের নিয়ম-কখন চুপ করে থাকতে হয়, কখন দৌড়তে হয়, আর কখন খিদে নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এই জঙ্গলে মানুষও আছে। পুরন্দর নামের এক পাহারাদার, যে বাঘেদের চেনে, ভালোবাসে। কিন্তু সব মানুষ কি তেমন? জঙ্গলের নিয়ম কি সবাই মানে? ‘শেকল ভাঙার গান’ এক বাঘছানার বড় হয়ে ওঠার গল্প, আর সেই সঙ্গে জঙ্গল আর মানুষের সম্পর্কের গল্প-যেখানে সবকিছু এত সহজ নয়, যতটা দূর থেকে মনে হয়।
কলকাতার হৃদপিণ্ড লালবাজার, যেখানে প্রতিদিন জমা হয় অপরাধ, রহস্য আর অমীমাংসিত কেস ফাইল। শহরের ভিড়, আঁকাবাঁকা গলি আর রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে অগণিত অচেনা গল্প, যা সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। সেই অদৃশ্য রহস্যকে দৃশ্যমান করে তোলার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন লালবাজার স্পেশাল ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের নতুন অফিসার, স্বর্ণালী পাল চৌধুরী।
কঠোর শৃঙ্খলা, দৃঢ় মানসিকতা আর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ক্ষমতা নিয়ে স্বর্ণালী এগিয়ে চলেন একে একে পাঁচটি ভিন্ন কেসের পথে। কখনো হাওড়ার নদীপথে ভেসে ওঠা অঙ্গহীন দেহ, কখনো কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত খুন, আবার কখনো কলকাতার সঙ্গে জুড়ে যাওয়া পাহাড়ি শহরের নির্জন রাস্তায় চাপা পড়ে থাকা মৃত্যু। প্রতিটি রহস্য আলাদা, অথচ তাদের সুতো জুড়ে যায় অপরাধের অন্ধকার জগতে।
এই গল্পগুলো নিছক পুলিশের ডায়েরি নয়, এগুলো এক নারীর সাহসিকতা, তার মনের দ্বন্দ্ব আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার অবিরাম সংগ্রামের কথা। আর সেই সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্তকে শব্দে বন্দি করছেন তার সঙ্গী, স্বামী ও লেখক ভাস্কর পাল চৌধুরী।
কখনও ভেবে দেখেছেন বাঙালি আজও স্বামী বিবেকানন্দকে কতটা নিতে পেরেছে? উত্তর সম্ভবত কারো কাছেই নেই। একশ্রেণির বাঙালি একটা সময় প্রতিপদে স্বামী বিবেকানন্দকে অপমান করেছে, হেয় করেছে। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্যদের দেখে হাঁসের ডাক ডেকেছে। স্বামীজিকে কটাক্ষ করে বলেছে, “কায়েতের ছেলে হয়ে সন্ন্যাসী!” সেই বাঙালিদের একটা বৃহত্তরগোষ্ঠী আবার পরে স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে মাতামাতি করেছে। স্বামীজির ঘনিষ্ঠ ভক্ত-শিষ্য থেকে প্রতাপচন্দ্র মজুমদার, স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বহু দিক্পাল বাঙালিই বিবেকানন্দের বিরোধিতা করেছেন প্রকাশ্যে। সে-যুগে কেউ কেউ বই অবধি ছাপিয়ে বিলি করেছেন। বাঙালির এই বিবেকানন্দ-বিরোধিতা প্রায় শতবর্ষ ছাড়িয়েছে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের প্রায় পঞ্চাশজনের বিরোধিতা নিয়েই এই গ্রন্থের নির্মাণ।
