Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Klanto Uter Cholachol
Prithwi Basu
ক্লান্ত উটের চলাচল
Mandas
Bengali book
Bar Bar Mager Muluk
By Biswajit ray
Mandas
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manas Bhandari
Weight – 0.2kg
Binding – Hard Bound
কলেজস্ট্রীট কফি হাউস
Author : SriVijaychandra Majumder
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Bharatpathik Raja Rammohan Roy er ek mulyaban grantha…
Publisher
Khori – খড়ি প্রকাশনী
Binding
Paperback
Language
Bengali
Bhule Jawa Nadi ( ANANDAMOHAN KAR ) – ভুলে যাওয়া নদী
BINDING – HARDBOUND
YEAR – 2024
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Panchkari Dey
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
রঘু ডাকাত
/ নবরত্নের ‘এবং জলঘড়ি’ //
২০১৬ সালে নবরত্নের (ন’জন সম্পাদক) উদ্যোগে শুরু হয়েছিল চতুর্মাসিক বাংলা সাহিত্য পত্রিকা ‘জলঘড়ি’-র পথচলা। প্রকাশনার প্রথম সংখ্যা থেকেই সাহিত্যের নানা ক্ষেত্রের সাথে নির্দিষ্ট বিষয়কেন্দ্রীক ক্রোড়পত্র প্রকাশনাটিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। সম্ভবত নিবন্ধন সম্পর্কিত কারণেই ২০১৯ সালে ‘জলঘড়ি’ ‘এবং জলঘড়ি’তে রূপান্তরিত হলেও পত্রিকার প্রকৃতি এবং সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়ে যায়। কেবল বাড়তে থাকে বৈচিত্র্য আর আয়তন। এই পত্রিকার আর একটি বিশেষত্ব হল, নবরত্ন সম্পাদকমণ্ডলীর প্রত্যেক সদস্য এককভাবে অথবা যৌথভাবে চক্রবত প্রতিটি সংখ্যার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। স্বাগতা দাশ মুখোপাধ্যায় এবং মেঘ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত সপ্তম বর্ষ, প্রথম – দ্বিতীয় যুগ্ম সংখ্যা (ডিসেম্বর’২৪ – জুলাই’২৫)।
‘নিরামিষ’ হিন্দু ভারত : ‘আমিষ’ সেকুলার ভারত
ব্রাত্য বসু
ধর্মাচরণকারী নিরামিষ খাবে না আমিষ? এ তর্ক আবার উঠল এই রাজ্যে মন্দির উদ্বোধন এবং ভুয়ো খবরকে কেন্দ্র করে। কিন্তু আদতেই কি ধর্ম ধার্মিকের কাছে এসব জবাবদিহি চায়? সহিহিন্দুকে কি শ্রাবণমাসে নিরামিষ খেতেই হবে? মোদির নিদানকে সমর্থন করে বৈদিক ধর্মগ্রন্থ, স্মৃতিশাস্ত্র? খানাপিনাকে কী ভাবে দেখা হয়েছে নানা সাম্রাজ্যে?
এই মনোগ্রাফে ব্রাত্য বসু খুঁটিয়ে দেখেছেন তথ্য, আমাদের পৌঁছে দিয়েছেন তত্ত্বে।
ফের জ্বলছে কাশ্মীর। চারদিকে রক্তের গন্ধ। মৃত্যুর মিছিল ভূস্বর্গে। চিনারের বন পেরিয়ে যে হাওয়া সর্বাঙ্গ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় সে হাওয়ায় আজ তীব্র বারুদের গন্ধ। সে হাওয়া অন্য এক ভারতের তীক্ষ্ণ হাহাকার আর সর্বগ্রাসী ক্ষোভের কথকতা শুনিয়ে যায়! কাশ্মীর মানে, বিধ্বস্ত নিরাপত্তা, সম্মান। ভূমিপুত্রদের সকলের নাম একযোগে অঘোষিত জঙ্গি তালিকায় তুলে দেওয়া! রাস্তায় বেরোলেই পদে পদে তল্লাশি আর উর্দিধারীদের শরীর ও চোখের চাউনি থেকে ঝরে পড়া অপমান। জনজীবন বিপর্যন্ত হওয়াটা তো বাইরে থেকে চোখে পড়ে! গোটা মানবজমিন যে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, তা আমার ‘নিরাপদ’ আশ্রয়ে বসে টের পাই কই। এই ভূস্বর্গে দমবন্ধ হয়ে আসে!
সাক্ষাৎকার। তার আড়ালে গল্প। বিচিত্র, অভিনব, রকমারি। হলিউড অভিনেত্রী থেকে নোবেল লরিয়েট, আমস্টারডামের প্রাক্তন যৌনকর্মী থেকে প্যারিসের গ্রাফিক নভেল আর্টিস্ট- উঠে এসেছে তাঁদের কাহিনি। আছে দূরদেশে হারিয়ে যাওয়ার গল্প আবার ভিনদেশে বাংলা-বাঙালিকে খুঁজে পাওয়ার আখ্যান। ‘দূরের মানুষ দুই মলাটে’ আসলে এক জার্নি। দূরকে চেনার, হয়তো নিজেকে জানারও।
প্রত্নতত্ত্ববিদ ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বাসন্তী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত পরকীয়াবাদ বিষয়ক লেখাগুলি আমাদের বিস্মিত করে।
ভারতের প্রাচীন পরকীয়াবাদ থেকে আধুনিক সাহিত্যে পরকীয়ার প্রকাশ নিয়ে যেমন তিনি আলোচনা করেছেন, তেমনি বেশ্যা ও পরকীয়া, আধুনিক সতীত্ব নিয়েও মনোজ্ঞ আলোচনা করেছেন। এসেছে মৌর্য যুগের পরকীয়ার কথাও। বাৎসায়নের কামসূত্র এবং বৈষ্ণব পদাবলীর পরকীয়াবাদ বিষয়েও আলোকপাত করেছেন।
বিলুপ্তি উদ্ধারও এক ধরনের সৃষ্টি। বইটি সুচারু গ্রন্থনা করেছেন সৌমক পোদ্দার। অধ্যাপক কুন্তল মিত্রের মূল্যবান ভূমিকা বইটিকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
Author : DIPAK CHATTAPADHAYA
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Publication – Shabdo Prokashon
Author -SRI BIRENDRANATH GHOSH
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
বাংলার বাহুবল
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Biswajit Saha
Weight – 0.3kg
Binding – Hard Bound
সভ্যতার শরীর
সোভিয়েত সমাজে যখন সর্বব্যাপী ভাঙনের ঢল নেমেছিল, সেই সময়ের তিনটি কাহিনি নিয়ে এই বই। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা প্রগতি প্রকাশনের সদর দপ্তর ছিল মস্কোর ১৭ জুবোফস্কি বুলভারে। সেখানে অনুবাদকের কাজ করতেন বাংলাদেশের সৌমেন রায়, পশ্চিমবঙ্গের ননী ভৌমিক, অরুণ সোম এবং আ অনেকে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতি প্রকাশন বল হয়ে গেলে সেখানে যে গভীর বির্য নেমে এসেছিল, তারই গল্প জুবোফস্কি বৃচার। বাংলাদেশ থেকে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া এক তরুণ ছাত্রের চোখে দেখা সোভিয়েত সমাজের ভাঙনের কাহিনি হলো পানপর্ব। সোভিয়েত ভাঙনের কালে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে যাওয়া দুই ছাত্রের ঐতিহাসিক মোকাবিলা হচ্ছে পাকিস্তান, যেখানে ফিরে ফিরে আসে ১৯৪৭ সালের ভারতভাগ এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের খুঁটিনাটি।
কখনও ভেবে দেখেছেন বাঙালি আজও স্বামী বিবেকানন্দকে কতটা নিতে পেরেছে? উত্তর সম্ভবত কারো কাছেই নেই। একশ্রেণির বাঙালি একটা সময় প্রতিপদে স্বামী বিবেকানন্দকে অপমান করেছে, হেয় করেছে। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্যদের দেখে হাঁসের ডাক ডেকেছে। স্বামীজিকে কটাক্ষ করে বলেছে, “কায়েতের ছেলে হয়ে সন্ন্যাসী!” সেই বাঙালিদের একটা বৃহত্তরগোষ্ঠী আবার পরে স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে মাতামাতি করেছে। স্বামীজির ঘনিষ্ঠ ভক্ত-শিষ্য থেকে প্রতাপচন্দ্র মজুমদার, স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বহু দিক্পাল বাঙালিই বিবেকানন্দের বিরোধিতা করেছেন প্রকাশ্যে। সে-যুগে কেউ কেউ বই অবধি ছাপিয়ে বিলি করেছেন। বাঙালির এই বিবেকানন্দ-বিরোধিতা প্রায় শতবর্ষ ছাড়িয়েছে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের প্রায় পঞ্চাশজনের বিরোধিতা নিয়েই এই গ্রন্থের নির্মাণ।
কলকাতার হৃদপিণ্ড লালবাজার, যেখানে প্রতিদিন জমা হয় অপরাধ, রহস্য আর অমীমাংসিত কেস ফাইল। শহরের ভিড়, আঁকাবাঁকা গলি আর রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে অগণিত অচেনা গল্প, যা সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। সেই অদৃশ্য রহস্যকে দৃশ্যমান করে তোলার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন লালবাজার স্পেশাল ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের নতুন অফিসার, স্বর্ণালী পাল চৌধুরী।
কঠোর শৃঙ্খলা, দৃঢ় মানসিকতা আর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ক্ষমতা নিয়ে স্বর্ণালী এগিয়ে চলেন একে একে পাঁচটি ভিন্ন কেসের পথে। কখনো হাওড়ার নদীপথে ভেসে ওঠা অঙ্গহীন দেহ, কখনো কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত খুন, আবার কখনো কলকাতার সঙ্গে জুড়ে যাওয়া পাহাড়ি শহরের নির্জন রাস্তায় চাপা পড়ে থাকা মৃত্যু। প্রতিটি রহস্য আলাদা, অথচ তাদের সুতো জুড়ে যায় অপরাধের অন্ধকার জগতে।
এই গল্পগুলো নিছক পুলিশের ডায়েরি নয়, এগুলো এক নারীর সাহসিকতা, তার মনের দ্বন্দ্ব আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার অবিরাম সংগ্রামের কথা। আর সেই সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্তকে শব্দে বন্দি করছেন তার সঙ্গী, স্বামী ও লেখক ভাস্কর পাল চৌধুরী।
উনিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে ভারতের বিজ্ঞানাকাশে যে ক’জন ভারতীয় নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছিল, রামব্রহ্ম সান্যাল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দুঃখের বিষয় আজ সম্ভবত তিনি সবচেয়ে বিস্মৃত।
রামব্রহ্মের ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হওয়া, কিন্তু চোখের অসুখ তাঁর পড়া শেষ করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্ধত্বের দিকে পা বাড়ানো হতাশাগ্রস্ত রামব্রহ্মের দিকে তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরই এক প্রফেসর।
অতি সামান্য কর্মচারীরূপে রামব্রহ্মের চিড়িয়াখানাতে প্রথম চাকরী। পরে তাঁর আর এক ইংরেজ প্রফেসারের কাছে শিক্ষানবিশি করে তিনি নিজের কর্ম দক্ষতায় চিড়িয়াখানার কার্যনির্বাহক কমিটির আস্থাভাজন হন।
কমিটির সদস্যদের ইচ্ছে ছিল যে কোনও বিজ্ঞানমনস্ক নৈর মিলিয়ার ভার নিলে তারা চিড়িয়াখানাটিকে ঠিকভাবে গড়ে নিতে পারবেন। অনেক চেষ্টা করেও সেই রকম ইংরেজ বা ইংরেজি আদব কায়দা জানা মানুষ পাওয়া গেল না। তখন বাধ্য হয়েই রামব্রহ্মের ওপর চিড়িয়াখানার ভার দেওয়া হল। রামব্রহ্মাই হলেন চিড়িয়াখানার প্রথম ভারতীয় তত্ত্বাবধায়ক। অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি চিড়িয়াখানার এবং নিজের সুনাম বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৮৯২ খ্রীস্টাব্দে তাঁর লেখা বই ” A Handbook of the Management of Animals in Captivity in Lower Bengal” বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। লন্ডন জুলজিক্যাল সোসাইটি তাঁকে Corresponding Member হিসাবে সম্মান জানায়। ১৮৯৮ খ্রীস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে “রায় বাহাদুর” উপাধিতে ভূষিত করেন এবং এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল তাঁকে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার নির্বাচিত করেন।
একজন বাঙালীর পক্ষে সেই যুগে এত সব সম্মানের অধিকারী হওয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত।
থিয়েটার নিয়ে অঞ্জন
অভিজিৎ বসু
মানুষ তাঁকে উজাড় করে ভালবেসেছে একজন নাগরিক গাইয়ে হিসেবে, কথক হিসেবে। ফিল্মের অভিনেতা হিসেবেও তাঁর ব্যক্তিত্ব দাগ রেখেছে আমাদের মনে। কিন্তু নাটক? অন্তত ১৯টি নাটক এই শহরে বসেই একজীবনে পরিচালনা করেছেন তিনি। অভিনয় করেছেন দাপিয়ে। তার মধ্যে ‘মারা সাদ’ যেমন আছে, ইবসেনের ‘ডলস্ হাউস’ যেমন আছে, তেমনই আছে ‘গ্যালিলিও’ কিংবা ‘আরও একটা লিয়ার’। তিনি অঞ্জন দত্ত, যতটা গাইরে ঠিক ততটাই নাটককার, থেসপিয়ান। নঞ্চে তাঁর চলাচল সম্পূর্ণ ভিন্নধারার, ব্রেখট থেকে রবীন্দ্রনাথ হয়ে বাদল সরকার, গ্রহণে-বর্জনে অঞ্জন নিজে হয়ে উঠেছেন সমান্তরাল এক নাট্যস্বর। কিন্তু আনাদের অবহেলায় হারিয়ে গিয়েছে অঞ্জনের স্মরণীয় নাট্যজীবনের বহু অধ্যায়। মুছে গিয়েছে শত শত সন্ধের ছবি। এই অসহায়তা তাড়িত করেছে অভিজিৎ বসুকে। তিনি এক জায়গায় করতে চেয়েছেন অঞ্জন দত্তর থিয়েটার জীবনটাকে, তাঁর বোঝাপড়াকে, মুনসিয়ানার বিশেষ জায়গাগুলিকে। দিনের পর দিন, অঞ্জনের সামনে বসে শুনেছেন তাঁর কথা। প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে অঞ্জন দত্তকে দিয়ে বলিয়ে নিয়েছেন থিয়েটার নিয়ে এমন কিছু কথা, যা হয়তো না বলাই থেকে যেত।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Author : Surendranath Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debjyoti Bhattacharyya
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
নিউগেট ক্যালেন্ডার
রান্নাবান্না, খাওয়াদাওয়ার মধ্যে যতই আটপৌরে প্রাত্যহিকতা থাক, দৈনন্দিন নৈমিত্তিকতা থাক, এই দৈনন্দিন চর্যার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের মনন, কল্পনা, অভ্যাস, সংস্কার। খাওয়াদাওয়ার ইতিহাস আসলে সংযোগ আর আদানপ্রদানের ইতিহাস। তাই রান্না মানে নিছক রেসিপি নয়, তেল, নুন, হলুদ, লঙ্কার পরিমাণ নয়। রান্নার প্রকরণ, প্রণালীর হাত ধরে নির্দিষ্ট যাপনের স্বাদ নেওয়াই রন্ধন শিল্প। আর সে তো রূপকথার মতোই রঙিন, কখনো-বা অবিশ্বাস্য, অলীক। কামরাঙা স্নাত ওশেন ট্রাউট কিংবা বরফের স্তূপে শায়িত তীব্র লেবুগন্ধি লেমন জেলাতো আপনার সামনে হাজির হলে চেনা ছক কেমন যেন গুলিয়ে যাবে না? লবণ শয্যায় শায়িত অয়েস্টার প্লাম পিউরির নজরটিপ নিয়ে আপনার সামনে হাজির হলে বিশ্বাস অবিশ্বাসের জগাখিচুড়ি অবস্থা হতে বাধ্য। আবার ঘুঘু ডাকা দুপুরে ছেলেবেলার কাঁচা মিঠে আমের স্বাদের নতুন কল্পনায় রূপকথাও হার মানবে। এমন হাজারও গল্প ও রেসিপি নিয়ে ‘রূপকথার রান্না’।
Binding
Hard Cover
Publisher
Amar Bharati
Year of Publication
2023
Specifications
Binding
Hard Board
Author – Hrishikesh Sen
Publication – Khori
Weight 0.5kg
বৈদিক শ্লোকের মতন বয়ে যায় কাল। কালের দীর্ঘ যাত্রা পথে গড়ে ওঠা নগর, গ্রাম, শিল্প, নটনটীদের চলমান চিত্র কালের স্রোতে এক ছলাতে কোথায় মিলিয়ে যায়। তারপর বর্তমানের বাঁকে এসে যুগযুগান্ত ধরে বহমান সভ্যতার নদীখাত শুকিয়ে জীবাস্মে পরিণত অতীত রয়ে যায় প্রত্নতত্ত্বে। সেই অতীত এক অত্যন্ত উন্নত সভ্যতার ব্লু-প্রিন্ট রূপে ধরা দেয়, সেই উন্নত বিজ্ঞান এবং ইতিহাসের বীজের সন্ধান দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থের মাধ্যমে।
Yuddha-Katha Abhinaba Roy, যুদ্ধ কথা। অভিনব রায়।, প্রাচীন যুদ্ধের কৌশল ও মানচিত্র, Shabdo Prokashon, YEAR OF PUBLICATION 2024
ইজরায়েলের বহুচর্চিত ‘মোসাদ’ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি হিসেবে পৃথিবীর অনেক দেশের কাছেই ত্রাসের কারণ। বিগত কয়েক দশক ধরে এই সংগঠন গুপ্তচরবৃত্তির দুনিয়ায় সেরার সেরা। পৃথিবীর একাধিক দেশে সংগঠিত তাদের সিক্রেট মিশনগুলোর জুড়ি মেলা ভার!
বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত এই সংস্থা সম্পর্কে সাধারণের কাছে খুব কম তথ্যই পৌঁছয়। পাবলিক ডোমেনে এই সংক্রান্ত তথ্যও সীমিত। মোসাদের উৎপত্তি, তাদের অকথিত রোমাঞ্চকর অভিযানের খুঁটিনাটি, ইহুদি বিদ্বেষের কলঙ্কিত ইতিহাস এবং বর্তমান জিওপলিটিক্সের একাধিক গোপন কাহিনী নিয়ে পাঠকের দরবারে এবার হাজির—মোসাদ: যা আর্কাইভে নেই।
পাখির মতো হালকা মানুষ। ছোট্ট। বাবার কোলে চেপে বিকেলবেলা নৈহাটি ইস্টিশনের ওভারব্রিজ। পায়ের নীচে রেলগাড়ি। ভোঁ দেয় ব্রিজ কাঁপিয়ে।
“রেলগাড়ি কী বলছে বাবা?”
“আমাদের ডাক দিচ্ছে তো। বলছে, দূরদেশে চললাম। কে যাবি আয়…’”
“আমি যাবো।”
“যাবি বইকি। আর একটু বড়ো হ…”
বাবার কোলে পাঁচ বছুরের বিস্ময়ভরা চোখ চেয়ে দেখে সামনে দিগন্ত পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে সুদীর্ঘ রেলপথ। তারই পাশে পাশে এগিয়ে চলে পিচবাঁধানো নগরপথ। কোথায় যায় তারা? কে জানে? জানে রেলগাড়ি, জানে তার পেটে বোঝাই সৌভাগ্যবানেরা। জানে ওই পিচবাঁধানো সড়কপথে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলা মুসাফিরের দল।
পাঁচ বছুরে বালক, তার চোখে পথ সেই যে মায়া অঞ্জন মাখিয়ে দিল, আজও তার সে মোহ ঘুচল না। কদিন স্থির হয়ে বসলেই ফের ডাক আসে। পথের ডাক শুনে ফের এগিয়ে যাই… পায়ে পায়ে… কুড়িয়ে নিই যা মেলে পথের পাশে পাশে।
এ বই সেই কুড়িয়ে আনা কিছু স্মৃতিকণা, দেশ ও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াবার স্মৃতির ধুলোমুঠি, সোনামুঠি।
‘চল পানসি কলকাতা’ তিন হাজার পাঁচশো কিমি ব্যাপী এক ভ্রমণ-উপাখ্যান যেখানে অজন্তা, ইলোরা, বিবি কি মকবারার মতো গৌরবময় কিছু স্থাপত্য, ঘৃষ্ণেশ্বর, ওঙ্কাররেশ্বর, মহাকালেশ্বরের প্রাচীন মন্দির ও উজ্জয়িনী, ওয়ার্ধা, সেগাঁও-এর মতো ঐতিহাসিক নগরীর পাশাপাশি কয়েকটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও সেবা-আশ্রমের কাহিনি বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কাহিনির পটভূমিকার সঙ্গে বলা হয়েছে কিছু মানুষের গল্প, যারা সাধারণ হয়েও চরিত্রের গুণে হয়ে উঠেছেন অনন্য সাধারণ। চিকলধারা অভয়ারণ্য, মন্দারমণি সমূদ্রবেলা, এবং নেতাজির জন্মস্থান দর্শন এই অভিযানের বিশেষ দিক।
আজ থেকে ৪০০ বছর আগেও ইউরোপে রাজরাজড়ার ঘরে ছাড়া চিনির দেখা পাওয়া যেত না। কেক পেস্ট্রি পুডিং, কিচ্ছু ছিল না। কারণ, ইউরোপে চিনিই ছিল না।
৫০০ বছর আগে থেকে ইউরোপের কিছু কিছু দেশ তাদের দখল করা আমেরিকায় আফ্রিকা থেকে দাস এনে আখ চাষ ও চিনি প্রস্তুত শুরু করল। এই দাসদের রক্ত ঘাম অশ্রু দিয়ে তৈরি চিনি একদিকে কিছু ইউরোপীয় মালিকদের জন্য অশেষ মুনাফা এনে দিল, পাশাপাশি ইউরোপের খাবার টেবিলে পৌঁছে দিল মিষ্টি চা কফি চকলেট কেক ইত্যাদি নানা সুখাদ্য।
পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গেল চিনি আর মুনাফার তাগিদে।
‘চিনি কাহিনী’ এক তিক্ত ইতিহাস।

