Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Various Writers
Weight – 0.45kg
Binding – Hard Bound
হত্যান্বেষী
হেশোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি
কাহিনী — সুকুমার রায়
চিত্ররূপ — চার্বাক দীপ্ত
প্রফেসর হেশোরাম হুঁশিয়ারের গল্পের মধ্যে দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় এক অন্য সুকুমার রায়কে যিনি এই রচনায় খেয়াল রসের বাইরে গিয়ে অ্যাডভেঞ্চার ও অজানার প্রতি টানে ডুব দিয়েছিলেন। নানা আজগুবি জন্তু ও আশ্চর্য চরিত্রের সমারোহে এমন অভিযানের কাহিনি সেকালের বাংলা সাহিত্যে বিরল ছিল। এমনকী পরবর্তীকালে সুকুমারপুত্র সত্যজিৎ রায় তাঁর প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রের বীজ খুঁজে পেয়েছিলেন এই হেশোরাম হুঁশিয়ারের মধ্যেই। বন্দাকুশ পাহাড়ে সেই দুঃসাহসিক কালজয়ী অভিযানের কাহিনি এবার চার্বাক দীপ্তর তুলিতে জীবন্ত হয়ে নতুন রূপে কমিকসের আকারে এসে গেল।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
Specifications
Binding
Hard Board
Publishing Year
2025
Pages
320
ক্রোধ, ঘৃণা, প্রেম, প্রতিশোধ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং শক্তি— সবকিছুরই পরিণতি হিংস্রতা। হিংসা সত্যই কেবল আরও হিংসা ডেকে আনে।
এ হল এমন দুই মানুষের কাহিনী, যারা সম্পূর্ণ পৃথক প্রেক্ষাপট থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। কিন্তু দুজনেই যাত্রাপথ শেষ করে রাস্তায় হিংস্রতার সুদীর্ঘ চিহ্ন রেখে গিয়ে।
সর্বকালের সেরা যোদ্ধা হয়ে ওঠার উচ্চাকাঙ্ক্ষা এই দুই মানুষকে টেনে নিয়ে যায় নিষিদ্ধ অরণ্য— নিনগুয়ানি-তে। এই অরণ্য রহস্য আর কিংবদন্তিতে ঢাকা। শুধু প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে চলে এক আশ্চর্য কিংবদন্তি। এই অরণ্যই সর্বশ্রেষ্ঠ যোদ্ধা বেছে নেওয়ার জন্য নির্বাচিত ক্ষেত্র— যুদ্ধদেবতা।
তারা কি সফল হবে? কে হয়ে উঠবে যুদ্ধদেবতা, আর পাশাপাশি যুদ্ধ করে যাবে নিজেরই অতীত থেকে উঠে আসা দানবের সঙ্গে?
স্মৃতিরা আজীবনের। আর আজীবন মানুষ বেঁচে থাকে স্মৃতি জমাবে বলেই। কিন্তু কিছু মানুষেরা শুধু স্মৃতি জমাতেই পৃথিবীতে আসে না, স্মৃতির মায়ায় সরলতা গুলে মিশিয়ে দেয় মনকেমনের ঢেউ। হরিনারায়ণপুরের বছর দশেকের হিরুও তা-ই। ও গ্রামের ম্যাজিকাল মানুষগুলোকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে রেলগাড়ি করে এক অচেনা, অদেখা জীবনকে সহজভাবে খুঁজতে। খুঁজে ফেলে চুমু খেলে আঠা ছাড়াই দুটো ঠোঁট আটকে থাকে অনেকক্ষণ। ছায়া এমন এক জিনিস যা জলে পড়লে কোনো ঢেউ তৈরি করে না। আর কেউ-কেউ ফিরেও আসে সাইকেল হয়ে। ফিরে আসলে আবার চলেও যায়।
হিরুর জীবনেও এইসব ম্যাজিকাল মানুষরা আসে, থাকে, থেকেই যায় আবার চলেও যায়; হিরু খালি তাদের নিয়ে তাদের অজান্তেই বানিয়ে ফেলে নিজেই একটা আস্ত স্মৃতির রেলগাড়ি, যাতে থেকে যায় কিছুটা সত্যি, আর বাকিটা সত্যি হলেও গল্প…
গল্প কোথায় থাকে? চা-কফির আড্ডায়, ঘড়ির শাসানি এড়ানো বাজারের ফর্দে, রাতজাগা টেলিফোনে, দুপুরের হেঁশেল থেকে নৌকার ছাওয়ায়। শহরের সীমা থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে। গল্প থাকে মাটিতে। সে মাটি কোথাও দিগন্ত রচনা করে, কোথাও সিমেন্টের ফাঁক গলে এগিয়ে দেয় ঘাসফুলের রং। সেই সব খণ্ডমুহূর্তে মাটি বুক পেতে দেয়। এগিয়ে চলে হৃদয়পুর লোকাল। একে-একে সওয়ার হতে থাকে শহুরে মধ্যবিত্ত, মফস্বলের বোকাসোকা চাকুরে, ব্যর্থ সেলসম্যান, অনাবাসী ভারতীয়, সম্বলহীন স্মাগলার, মুখচোরা ডুবুরি, বৃদ্ধ কীর্তনীয়া, মাটির প্রদীপের কারিগর, সুন্দরবনের এক মাঝির পোষা বাঘিনী। সিংভাঙা পাঁঠাকে নিয়ে চড়ে বসে ময়ুরপঙ্খি দলের বাজনদারও। সময়ের বেড়া ডিঙিয়ে হাজির হয় উনিশ শতকের বাবু, মিশরের ফারাও। তাদের টুকরো কথা, হাসি, কান্না, চিৎকারের একফাঁকে ছিটকে আসে দীর্ঘশ্বাস। লাল-নীল-সবুজ-কালোয় রঙিন হয়ে এগিয়ে চলে সেই “হৃদয়পুর লোকাল, একটা তেত্রিশ” সে যাত্রা কামনা-বাসনা, রাগ, লোভ, হিংসা, হতাশা, পাগলামি নেশা ধরায়, না, মসৃণ আমেজ নয়, তারা দিশি, তাদের সর্বাঙ্গে ঝাঁঝ, গন্ধ, হয়তো বা বিষও…
হুমায়ূনের মেধাবী মনন
মুহাম্মদ জিকরাউল হক
প্রচ্ছদশিল্পী – রোকু
বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি লেখক হুমায়ূন আহমেদ। পাঠকমহলে তাঁর তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা। বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন শাস্ত্রের অধ্যাপক ছিলেন। শুধুমাত্র লেখালেখি ও সিনেমা পরিচালনা করবেন বলে চাকরি ছেড়ে দেন। লিখেছেন ৩২২টির মতো বই। তিনি বাংলা সাহিত্যে সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। তৎসঙ্গে আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির পথিকৃৎ। তাঁর লেখায় একদিকে রয়েছে অভিজাত শ্রেণির কথা, রয়েছে রিকশাচালকদের কথা, বাড়ির চাকরবাকরদের কথা, বেকারদের কথা। গ্রামের কথা যেমন ফুটে উঠেছে তাঁর লেখায়, তেমনি ফুটে উঠেছে শহরের কথাও। আর রয়েছে ধর্মীয়, আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নানান প্রসঙ্গ। শহুরে ভাষার পাশাপাশি স্থান পেয়েছে আঞ্চলিক ভাষা। মোটকথা, সমাজচিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি সচেতন দক্ষতায়।
হুমায়ূন আহমেদ অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে গোটা সমাজকে দেখেছেন। দেখেছেন সমাজের মানুষদের। হাজারো চরিত্র এসে ভিড় করে তাঁর গল্প-উপন্যাসে তাদের স্বতন্ত্রতা নিয়ে। লেখার মধ্যে অনায়াসে আসে রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র-সহ দেশি-বিদেশি বহু লেখকের প্রসঙ্গ। আর আসে বাংলা-ইংরেজি প্রবাদ, প্রবচন, ধাঁধা, মনীষীদের বাণী প্রভৃতি। কখনও বা কৌতুক এমনকি ছোটো ছোটো সরস গল্প পর্যন্ত। লেখার মাঝে বাংলা-ইংরেজি কবিতার লাইন উদ্ধৃত করেন সহজাত ভঙ্গিতে। তাঁর লেখালেখির নানান বিষয় নিয়ে একটি সার্বিক আলোচনা এই গ্রন্থ।
বইয়ের কথা
দেবাঞ্জন প্রথম ভূতবাংলোটার কথা শুনেছিল এক ঝড়বৃষ্টির সন্ধেবেলা। ট্রেনে টাটানগর যাওয়ার পথে একজন বয়স্ক লোকের মুখ থেকে। লোকটা কথায় কথায় বলেছিল গোরুমারা জঙ্গলের গভীবে একটা ভাঙা বাংলো আছে। লোকে বলে ওটা ‘হান্টারসাহেবে ভূতব্যাংলো’। শুনেই দেবাংও ঠিক করল অয়নকে নিয়ে যে ভূষ দেখতে যাবে ওই বাংলোটায়। লোকটার মুখ থেকে শুনল, ওই বাংলোয় এখনও হান্টারসাহেবের ভূতের দেখা পাওয়া যায়। খুঁজতে-খুঁজতে লাটাগুড়িতে গিয়ে ওরা দেখা পেয়ে গেল মতিমুকুন্দ খটুয়ার সঙ্গে। গরুমারা জঙ্গলটা তার নখদর্পণে। যে গোরুমারা জঙ্গলের অনেক অজানা খবরও জানে। অন্ধকার ঘনিয়ে আসা এক বিকেলে দেবাংশু আর অয়ন মতিমুকুন্দর সঙ্গে একটা টোটোয় চড়ে চলল গোকুমারা জঙ্গলে সেই বাংলোর খোঁজে। তখন জঙ্গলের মাথায় রূপরূপ করে অন্ধকার নামছে। গভীর জঙ্গলে হান্টারসাহেবের সাদা ঘোড়া বিরহীর সমাধিটা পেথেতেই মতিমুকুন্দ বম মেরে দাঁড়িয়ে পড়ল। তারপর হাত তুলে অ্যাসবেস্টসের বড়-বড় ভাঙা জানলাওলা একচালা বাড়িটা দেখিয়ে ঘড়ঘড়ে বলব, ‘ওই হান্টারসাহেবের ভূতবাংলো’ তারপর।
লেখক পরিচিতি
রতনতনু ঘাটীর জন্ম ১৮৯৫৩ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুন মেদিনীপুরে। বাবা স্বর্ণত সন্তোষকুমার, যা সুভদ্রা। স্নাতকোত্তর পড়াশোনা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে আনন্দবাজার পত্রিকায় চাকরি। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে ‘আনন্দমেলা’ পত্রিকার সহ-সম্পাদকের। পদ থেকে অবসর গ্রহণ। একালের জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক। সত্তরটিরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে পনেরোটি কিশোরদের বই। ইংরেজি ও ওড়িয়া ভাষায় লেখা অনূদিত হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর লেখা ভুতের গল্প-উপন্যাস পাঠকদের মন জয় করেছে। ‘কমিকস দ্বীপে টিনটিন’ বইটির জন্যে শিশুসাহিত্যে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পুরস্কার’। পেয়েছেন দ্য এশিয়াটিক সোসাইটি অফ কলকাতা এবং পারুল প্রকাশনীর যৌথ ‘শিশুসাহিত্য পুরস্কার’, হলদিয়া পৌরসভার নাগরিক সংবর্ধনা। পেয়েছেন ‘আন্তজার্তিক রূপসীবাংলা পুরস্কার’, ‘নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী স্মৃতি পুরস্কার’, ‘মেদিনীপুর রত্ন সম্মান’ ছাড়া আরও অনেক পুরস্কার। এ পর্যন্ত লন্ডন, প্যারিস, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, ভেনিস, ইতালি, রোম, মাউন্ট তিতলিস, সুইজারল্যান্ড, আমস্টারডাম, ব্রাসেলস, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন।
খুলনার কলাপোতা গ্রামের ইন্দুর বিয়ে হলো কলকাতায়। দোজবরে মাতাল এক পুরুষের সঙ্গে। তিন সন্তান নিয়ে অল্পকালেই বিধবা। তারপর পূর্ব পাকিস্তান যেদিন হলো বাংলাদেশ, সেদিনই ছেনু মিত্তির লেনে প্রথম আঁচ পড়লো ইন্দুবালা ভাতের হোটেলে। এই উপন্যাসে ছেনু মিত্তির লেনের ইন্দুবালা ভাতের হোটেল ছুঁয়ে থাকে এক টুকরো খুলনা আর আমাদের রান্নাঘরের ইতিহাস- মন কেমনের গল্প।
ইতিহাসে জনসংস্কৃতি : পরিসরে উনিশ-বিশ শতক
সম্পাদনা : অমিতাভ চট্টোপাধ্যায়
ইতিহাসে মোড়া পাতিহাল
(সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১৩)
দীপক দাস
স্থানীয় সংস্কৃতির প্রসারণেই (কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে যাত্রা) একটি অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জীবনের লক্ষণগুলির মধ্যে কিছু সাধারণ সাদৃশ্যমূলক সমন্বয় সৃজিত হয়ে ওঠে। সেই সমন্বিত রূপটিই অঞ্চলটির সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যরূপে প্রতিভাত হয়। তাই সংস্কৃতির আঞ্চলিক চেহারাটি একটি দেশের একটি বিশেষ কালের অঙ্গমাত্র নয়- একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের ভিত্তিই হল আঞ্চলিক সংস্কৃতি, যা ‘লোকাল কালচারে’র সুরভিত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমবায়ে গড়ে ওঠে। এই অঙ্গ-প্রতাজের খোঁজেই সুপ্রকাশের অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালার পরিকল্পনা। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি হাওড়া জেলার জনপদ পাতিহালকে ঘিরে আবর্তিত।
