Author
Sukumar Samajpati
Binding
Hard Cover
No. of Pages.
424
Publisher
Ekalavya
Year of Publication
2025
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
বাংলার ধর্ম-সংস্কৃতির ইতিহাস বারবার রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে চলেছে। যে রপান্তরী ঘটুক, তার লক্ষন মানুষ ও তার পরিশোধন। বর্তমান গ্রন্থে বাংলার প্রায় হাজার বছরের ইতিহাসে এর ধর্ম-সংস্কৃতির ধারা যে যে রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে আধুনিক মানবিক সাধনায় এসে মিশেছে তাকে পর্যায়ক্রমে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
Author
Sukumar Samajpati
Binding
Hard Cover
No. of Pages.
424
Publisher
Ekalavya
Year of Publication
2025
মহারাজ সাতকর্ণী সাতবাহন রাজ্যের সম্রাট। লোকে বলে তিনিই এই বংশের সবচেয়ে যোগ্য রাজা। রাজ্য চারিদিকে বেড়ে এখন পুরো মধ্য ভারতই তার আয়ত্তে এসে গেছে। কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্য জায়গায়। পুব থেকে লোকজন আসছে ভারতে বাণিজ্য করতে। তিনিও সেই বাণিজ্যে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু তার বন্দরগুলোতে ভিনদেশী জাহাজগুলো আসছে না। খা খা করছে তার বন্দরগুলো। এই সমস্যার সমাধান করতেই হবে। লক্ষ্মী বিদায় নিয়ে রাজা আর রাজ্য যে শ্রী হারিয়ে ফেলবে। নিজের মন্ত্রীর সাথে সেই পরিকল্পনাই করতে বসেছেন তিনি।
ঠিক সেই সময়ে যে রাজা ভারতে চুটিয়ে বাণিজ্য করছেন, তার নাম নাহাপনা। পশ্চিম শক রাজ্যের এই রাজা নিজের বাণিজ্য নিয়ে সন্তুষ্ট। তবে নিশ্চিন্ত থাকার উপায় নেই। তিনি জানেন, মধ্য ভারত অধিকার করে সাতবাহন রাজ্যের সীমা এখন তার রাজ্যের উপকণ্ঠে চলে এসেছে। আর তার এই ছোট কিন্তু অতুল সমৃদ্ধ রাজ্য অবশ্যই সাতকর্ণীর শকুন নজর এড়াবে না। তাই শত্রু আঘাত করার আগেই শত্রুকে পাকে ফেলতে হবে। নিজের মন্ত্রীর সাথে তিনিও ব্যস্ত সেই উপায় নির্ধারণে।
দক্ষিণ ভারত তিন রাজ্যে বিভক্ত। চেরা, চোলা আর পাণ্ড্য। তিন রাজ্যই একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে আসছে প্রাচীন কাল থেকে। তবে এখন চেরা রাজ্যের অবস্থা ভালো। তার বন্দর মুঝিরিস ব্যবসায় অনেক ভালো করছে। তারও ভয় মহারাজ সাতকর্ণীকে। চোলা রাজ্যে এসেছেন নতুন রাজা। তাকেও থাকতে হচ্ছে ভেতরের আর বাইরের শত্রুর ভয়ে। পাণ্ড্য রাজা বাণিজ্যিক চুক্তি করেছেন চেরাদের সাথে, তবে তিনিও চাচ্ছেন না অন্য কারো দয়ায় বেঁচে থাকতে।
এসব রাজ্যগত ঝামেলার ভেতরে নেই অসিত। সে এক সাধারণ কিশোর। নিজের খেলা দেখানোর বানর আর গ্রামের অন্য মানুষদের কখনো আদর আর কখনো শাসনে কেটে যাচ্ছে তার জীবন। বনের ধারে একটা কেবল কুটির, আর কিছু খেলা দেখানোর সামগ্রী, এই তার সম্বল। তারপর আচমকা একদিন নতুন এক সম্পত্তি হাতে চলে এলো তার। নতুন সম্পত্তির সাথে এলো নতুন সম্ভাবনা, আর সেই সাথে এলো নতুন বিপদও। জীবন বদলে গেলো তার।
এক অভিশপ্ত পুরুষ রাতের অন্ধকারে ঘুরে বেড়াচ্ছে নানা মন্দিরে। দিনে কখনোই সে ঘর থেকে বের হয় না। নিত্য আরাধনা করে চলেছে সে, কিন্তু কিছুতেই নিজের শাপের হাত থেকে মুক্ত হতে পারছে না। তবু চেষ্টা করে চলেছে, মহাকাল কি তাকে দয়া করবে? তার শাস্তির মেয়াদ কি শেষ হবে?
বিন্দুমাত্র সম্পর্কহীন বিন্দুগুলো এক সময় এসে মিলে গেলো এক বিন্দুতে। মহাকাল দেখাতে শুরু করলো নিজের খেলা।
শব্দের ব্যুৎপত্তি এক বিচিত্র বিষয়। কোথা থেকে এল জ্বালাতন শব্দটি, নাস্তানাবুদ শব্দেরই বা ব্যুৎপত্তি কোথায়? কী করে ব্যুৎপন্ন হল নেয়াপাতি, সমুদ্র বা অপারেশনের মতো শব্দ? শব্দের উৎসসন্ধান অনেক সময় হয়ে দাঁড়ায় এক সরস অভিযাত্রা, যেখানে পরতে পরতে নানা কৌতুককর ও কৌতূহলপ্রদ গল্প ছড়িয়ে থাকে এলোমেলো। শব্দ চলে নিজের তালে-সবসময় পদাঙ্ক রেখে যায় না। ফলে শব্দের পদরেখা ফিরে দেখার কাজটা কখনো কখনো জটিল অন্বেষণের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমান গ্রন্থে বাংলা শব্দের ব্যুৎপত্তির ক্রমাঙ্কটিকে খোঁজা হয়েছে নানাভাবে। তৎসম, তদ্ভব, আরবি-ফারসি, ইংরেজি- বিভিন্ন সূত্র থেকে বাংলায় আসা শব্দের শিকড়-সন্ধানী এই অভিধান পাঠকের বহু জিজ্ঞাসার অবসান ঘটাবে।
বাংলা থিয়েটারের পটভূমি প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ ১
ডঃ বৃন্দাবন কুণ্ডু
Pre Booking Last Date – 8/9/2025
বিষয়বস্তু —
বাংলার পশ্চিমভাগের জনজাতি অধ্যুষিত গ্রাম কুসুমবেড়িয়ার লৌমিতা কিশোরবেলায় ভালোবেসেছিল পাশের গ্রাম ফুলপাহাড়ীর নীলকান্তকে। স্কুলছুট বালক নীলকান্ত ঘর ছাড়ে কাজের খোঁজে, নানা জায়গায় ঘুরে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে স্থিতু হয় গুজরাতের ভুজে। শত বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে উচ্চশিক্ষিত হয়েও লৌমিতা ভালোবাসার টানে বিয়ে করে নীলকান্তকে। তাদের যখন সুখের সংসার, তখনই কর্মক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা নীলকান্তকে স্থবির করে দেয়; ধীরে ধীরে গভীর অবসাদ তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। টালমাটাল জীবন ও ভেঙে-পড়া সংসারকে বাঁচাতে লৌমিতা ঝাঁপায় কঠিন জীবন-যুদ্ধে। এই দুঃসময়ে শৈশবেরই অতি-আপন অনিমেষ কাকুর দেখা পেয়ে তারা তাকে আঁকড়ে ধরতে চায়। নিঃসন্তান অনিমেষও ভালোবেসে তাদের পাশে দাঁড়াতে চায় স্নেহময় পিতার মতো। কিন্তু শেষাবধি অনিমেষের মনোবাসনা কি চরিতার্থ হল? লৌমিতা কি পারল তার ভালোবাসা দিয়ে নীলকান্তকে জীবনের পথে ফেরাতে? প্রান্তিক মানুষদের তীক্ষ্ণ জীবন-সংগ্রাম, দুঃখ-বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষাকে উপজীব্য করে রচিত উপাখ্যান – বাসা ভালোবাসা তৃষা।
‘গান উজানের যাত্রী’, লেখক: কঙ্কণ ভট্টাচার্য
এই বইয়ে তিন ধরনের লেখা আছে। শৈশব থেকে বেড়ে ওঠা, সময় ও সামাজিক মানচিত্রে যৌবন এবং শেষ পর্যায়ে সারা জীবনের গানযাপন। এই পর্যায়ে আছে কয়েকজন পথপ্রদর্শক শিক্ষকের কথা ও বেশ কিছু নির্বাচিত গান। এই বই আত্মজীবনী নয়, একজন সৃষ্টিশীল সঙ্গীত কর্মীর গানযাপনের কাহিনী, যেখানে ধরা দিয়েছে পরিবর্তনশীল সময় ও মানুষ।
যেহেতু স্রোতের বিপরীতে সৃষ্ট গানবাজনা মূলস্রোতের মিউজিক মিডিয়াতে তেমন প্রচারিত হয়না, এই বই গানগুলিকে ধরে রাখারও একটা প্রয়াস। সেই কারণে গান হয়ত একটু বেশিই আছে। পাঠকের কাছে গানগুলি যাতে কেবলমাত্র বাণীতেই আবদ্ধ না থাকে তাই ইউটিউবে প্রকাশিত গানগুলির ক্ষেত্রে গানের #কিউ_আর_কোড (#QR_CODE) বাণীর পাশে দেওয়া হয়েছে। আগ্রহী পাঠক শ্রোতা স্মার্ট ফোনে ওই কোড স্ক্যান করলে গানটি বেজে উঠবে। এতে আশাকরি একটু সুবিধাই হবে।
বাঙলা তথা অবিভক্ত ভারতবর্ষের অন্যতম সেরা সাম্রাজ্য পাল সাম্রাজ্যের পত্তন গোপাল এর হাত ধরে। ধর্মপাল তা তুঙ্গে নিয়ে যান।
দেবপাল, মহীপালরা তার অন্যতম স্থপতি।
সুবিখ্যাত এই পাল সাম্রাজ্যের আরেক খ্যাতনামা সম্রাট বিগ্রহপাল(৩) ছিলেন সুবিখ্যাত গৌড়াধিপ নয়পালের ছেলে।
বিগ্রহপালের পুত্র মহীপাল (২) এর সময় থেকেই পাল সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়। অত্যাচারী প্রজাপীড়ক এই মহীপাল তার বৈমাত্রেয় ভাই শূরপাল ও রামপালকেও কারারুদ্ধ করে। যদিও তাঁরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
এদিকে সামন্ত দিব্যোক ও তার বীর ভ্রাতুষ্পুত্র ভীমের নেতৃত্বে প্রজারা বিদ্রোহ করে। যুদ্ধে মহীপাল নিহত হন এবং পাল সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। এটিই কৈবর্ত বিদ্রোহ নামে খ্যাত
এরপর দিব্যোক ও পরে ভীম সাম্রাজ্য শাসন করতে থাকেন।
অন্যদিকে রামপাল তাঁর মাতুল রাষ্ট্রকূট রাজ মথনদেব এর পরামর্শে সামন্ত চক্রের সহায়তায় সৈন্য সংগ্রহ করে ভীম এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। পরিশেষে হৃত পাল সাম্রাজ্যের পুনরুদ্ধার করেন।
এই সুবিশাল কাহিনিকে ভিত্তি করে খ্যাতনামা লেখিকা অনুরূপা দেবী রচনা করেন এক বিখ্যাত উপন্যাস “ত্রিবেণী”(১৩৩৫)। সেই দুষ্প্রাপ্য উপন্যাসের পুনর্মুদ্রণ ঘটাল বাঙলার মুখ প্রকাশন।
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-93-93833-06-8
Publishing Year
2022
Pages
384
Author : William Irvine
Translator : Biswendu Nanda
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : Khori
দ্য আর্মি অব দ্য ইন্ডিয়ান মুঘলস : উইলিয়াম আর্ভিন
অনুবাদক : বিশ্বেন্দু নন্দ
We will notify if any of your ordered book is out of print or price revised due to reprint or new edition.
নেতাজি অন্তর্ধান রহস্য সন্ধানে নতুন তখ্যের সন্ধান দিয়েছে এই গ্রন্থ। প্রথম প্রকাশিত লণ্ডনের মহাফেজখানা থেকে প্রাপ্ত তাইওয়ান সরকারের রিপোর্ট, হারিন শাহ রিপোর্ট ও নেতাজি রহস্য সংক্রান্ত অন্যান্য অনালোচিত অধ্যায়।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Suchetana Sen Kumar
Weight – 0.65kg
Binding – Hard Bound
নমঃ শিবায়
বাংলা সিনেমার চালচিত্র প্রথম খণ্ড
সংকলন, গ্রন্থনা, ভাষ্য : ঋদ্ধি রিত
প্রচ্ছদ ও সজ্জা : ঋদ্ধি রিত
মুদ্রিত মূল্য : ৬০০ টাকা
“গতানুগতিকতার বাইরে ভাবনার নামই মৃণাল সেন। তাঁর ফ্রেমে ধরা দিয়েছে শহরের প্রগতিশীল বাঙালির ইতিহাসের সাক্ষর। বাইরে থেকে দেখলে অধিকাংশ ছবির ঘটনাস্থল কলকাতা। কিন্তু ছবিতে উঠে আসা কলকাতা, ভারতবর্ষের একটি শহর; যে দেশে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী একশো জনের মধ্যে যাট জনই দারিদ্র্যরেখার নিচে বাস করেন। এই কলকাতা কেন্দ্রিক চলচ্চিত্রের আঙিনায় কলকাতা ট্রিলজির কথা উঠলে সত্যজিৎ রায়ের থেকেও আগে আসে মৃণাল সেনের নাম। তার কারণ তাঁরই একটি লেখা। যেখানে তিনি বলছেন, “এ দেশের যে শহরটা, শুনে থাকি, বারুদে ঠাসা—তার নাম কলকাতা… কলকাতায় বিক্ষোভ, ক্রোধ, ব্যারিকেড আর বোমা। কলকাতা বেপরোয়া, কলকাতা মারমুখী।” (মৃণাল সেন, ‘ভূত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ’, ১৯৭৭)।”
Pre Booking Special Discount
Prebooking Last Date – 07/04/2026
শুশুনিয়া: ঐতিহাসিক ও প্রাগৈতিহাসিক গুরুত্ব’ গ্রন্থে বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড়কে কেন্দ্র করে বঙ্গদেশের প্রাগৈতিহাসিক সময়ের রূপরেখা খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে— অনুসন্ধান প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের ভিত্তিতে রচিত হয়েছে। প্রত্ন-উপাদানের তাৎপর্য, পশ্চাদভূমি উদঘাটনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের সাধ্যমতো চেষ্টা করা হয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গিতে। বাংলায় অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান ছড়িয়ে আছে, খুঁজলে যা আজও পাওয়া যেতে পারে। মাঝে মধ্যে হঠাৎ কিছুর সন্ধান অতীতের ধারণাগুলি বিবর্তিত করে, এক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি বিশাল ভূমিকা নিয়েছে। বর্তমান প্রজন্ম যাতে এবিষয়ে অনুসন্ধিৎসু হয়, সেই লক্ষ্যে লেখকের আন্তরিক প্রয়াস। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে আগ্রহী হলে পশ্চিমবঙ্গবাসী আমরা উপকৃত হতে পারি।
বই ছাপানোর সঙ্গে বিপননের প্রশ্নটি ওতপ্রোতভাবেই জড়িয়ে, বিপনন প্রশ্নে সর্বপ্রথম কাজটিই হল গিয়ে বিজ্ঞাপন। পিডিএফ, ই-বুক, ফেসবুক, ব্লগ গ্রন্থবাণিজ্যকে অনলাইন বাজারের মুখে দাঁড় করিয়ে দিলেও ছাপা বইয়ের জন্য পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন এখনও বই বিপননের প্রধান ধারা। পুথি পরবর্তী ছাপখানা, ছাপার বিকল্প ই-বুক প্রযুক্তির গতিধারা মেখে তরতরিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলা বই। এও ঠিক। আর সবেতেই বিপননের প্রশ্নে অত্যন্ত পুরনো শব্দ বিজ্ঞাপন কথাটি জড়িয়ে। সময়ের পরত খুলে বিজ্ঞাপন তার ভাষা বদলেছে, পরিবর্তন ঘটে গেছে তার আঙ্গিকেরও। এই বইতে রয়েছে বাংলা বই ছাপার শুরুর কাল থেকে অদ্যাবধি বিপননী ঐতিহ্যের সেই ধারাবাহিকতা। বাংলা বইয়ের বিজ্ঞাপনের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রথিত হয়েছে এই বইতে।
নারীর কলমে নারী-পুরুষের কথা যখন উঠে আসে তার গভীরতা, ডিটেইল, সংলাপ, তীক্ষ্ণতা থাকে অনেক বেশি। বাংলা সাহিত্যে শতবর্ষ আগে অন্তরীণ নারীদের কলমেও ফুটে উঠেছে বহির্জগত। বিশেষত বাংলার বাইরে বাংলা সাহিত্যের পটভূমি প্রথম রচনা করেন নারীরাই।
#বইচিত্র
মূল্য ৬০০/-
ঋগ্বেদ রত্ন-মঞ্জুষা’- অধ্যাপক ননীগোপাল বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি আকর-গ্রন্থ। গ্রন্থটির প্রধান বিষয়বস্তু হল বৈদিক ঋষিদের পরিচয় এবং তাঁদের দৃষ্ট মন্ত্রাবলিতে ব্যবহৃত রূপক-প্রতীক-রহস্য-প্রহেলিকা প্রভৃতির বিস্তৃত বিবরণ ও বিশ্লেষণ।
ঋগ্বেদ সংহিতা ঋষিদের মন্ত্রবাণীর সংকলন। ঋষিরা তাঁদের জীবনসাধনা তথা অধ্যাত্মসাধনার গভীর অনুভূতি ও উপলব্ধির রহস্য প্রকাশ করেছেন সন্ধাভাষায়। তাঁদের সাধনার মর্মকথা হল দেবতার সঙ্গে সাযুজ্যবোধ-একাত্মতা। ভারতীয় দর্শনের মূল সূত্রই হল এই দেববাদ।
সমগ্র সংহিতায় রয়েছে সেই দেবতার কথা-তাঁদের রূপ-গুণ-বৈশিষ্ট্য এবং স্বরূপ-তত্ত্ব। যিনি বলেন সেই দেবতার কথা-তিনিই ঋষি-সত্যপথের অভিযাত্রী তিনি। অগ্র্যা বুদ্ধির শাণিত ফলকে আঁধার বিদীর্ণ করে চলেছেন-তাই তিনি ‘মন্ত্রদ্রষ্টা’। যাস্কের ভাষায়- ‘সাক্ষাৎ কৃতধর্মা।’
ঋষিরা মন্ত্রের দ্রষ্টা ‘ঋষির্দর্শনাৎ’। ইষ্টদেবতার অনুধ্যানে যে অধ্যাত্ম-উপলব্ধি গুঞ্জরিত হয়েছিল ঋষির হৃদয়-কন্দরে-তারই ছন্দোবদ্ধ বাণীরূপ হল ‘মন্ত্র’। তাই সংহিতার অন্তর্ভুক্ত সূত্রগুলির প্রারম্ভেই উল্লেখ করা হয়-ঋষি-নাম, উদ্দিষ্ট দেবতার নাম এবং ছন্দ-পরিচয়। তিনে মিলে একটি অখণ্ড পরিচয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিটি সূক্তে এইভাবে ঋষি-দেবতা-ছন্দ একাত্ম হয়ে একটি বিশিষ্ট রূপ লাভ করে।
ঋষিরা তাঁদের পরিচয় দিয়েছেন কখনো নামে, কখনো-বা মন্ত্রবাণীতে-নাম-গোত্র, নাম-রহস্য, দর্শন, বাণী, রচনাশৈলী-ছন্দ-অলঙ্কার ও শব্দচয়ন-এক কথায় জীবনের অভিজ্ঞতা-অনুভূতি ও উচ্চারণের নানা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত আত্মপরিচয়।




