Author
Fanindranath Dasgupta
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
Type of Product
Physical
Publisher list
Khori Prakashani
Languages
Bengali
Binding
Hardbound
Publishing Year
2024
Author
Fanindranath Dasgupta
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
বঙ্গদেশে যেসব ধান জন্মায়, সেসব ধানের আদ্যন্ত বিবরণ বা বর্ণনা, পরন্তু ধান-চালের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কযুক্ত আলোচনা এই গ্রন্থখানির মূল বিষয়। এককথায় ‘বঙ্গে চালতত্ত্ব’ গ্রন্থটিকে ধান এবং চাল কারবারের সহায়ক অমূল্য গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হয় না। ‘সংজ্ঞা ও পরিভাষা’-র মধ্যে ধান এবং চালের বিভিন্ন ভাষার নামও পাঠকদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে।
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, হাড়ের বাঁশি আর ভয়ের গদ্যমালা।
অর্ক চক্রবর্ত্তী-র লেখায় ভয় ধরা দিয়েছে কাব্যিক সৌন্দর্য নিয়ে। বুকের রক্ত কেঁপে ওঠা ভয় নয় বরং ওঁর লেখা জুড়ে আতঙ্ক, বীভৎসতা, ভয় ধরা দিয়েছে স্নিগ্ধ শীতল বাতাসের মত যাতে অনায়াসেই ভেসে যাবেন পাঠক। লেখার মাধুর্য এমনই যাতে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার পরেও এর রেশ থেকে যায় বহুদিন। সাধারণত ভয়ের বই একবার পড়ার জন্যই উপযুক্ত হয়। খুব কম ভয়ের বইই পাঠক বারবার পড়েন। ‘কৃষ্ণশর্বরী’ তেমনই বারবার পড়ার উপযুক্ত বিরল গোত্রের এক ভয়ের বই। দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এই বই পাঠ করার পর এর রেশ থেকে বেরোতে পাঠকের বহুদিন সময় লাগবে।
এই কাহিনীর একদিকে রয়েছে খুলনা উত্তরের ডন মোজাফফর রহমান আর অন্যদিকে দক্ষিণের আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়া জামশেদ মোল্লা। হঠাৎই শহরে আগমন ঘটে এক রহস্যময় ব্যক্তির, যাকে চেনে এবং সমীহ করে শহরের অন্ধকার জগৎ। দেখতে দেখতে খুলনা শহরের রঙ পাল্টে হয়ে যায় রক্তবর্ণ। পুলিশ অফিসার হাদী আলম ও তার সহকারী বাবুল নেমে পড়ে রহস্য উদঘাটন করতে। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসে জার্নালিস্ট সামিয়া। তারা কি শহরের এই হত্যালীলা থামাতে পারবে? শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় কে? সেই গল্পই বলে ‘চতুরঙ্গের অশ্বারোহী’।
অতি প্রাচীনকালে গিরিগুহা থেকে উপত্যকায় নেমে আসেন নারী। শস্যের বীজ মাটিতে বোনেন। সে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে সূচনা হল মানবসভ্যতার নতুন ইতিহাস। কৃষিকাজের উদ্ভাবক হিসেবে নারীর অবদান থাকলেও সমাজ-পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থানগত পরিবর্তন হতে থাকে।
দিনবদলের নানামুখী প্রেক্ষাপটে এক দীর্ঘ সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গৃহে ও কর্মক্ষেত্রে নারীর সরব উপস্থিতি এখন লক্ষ করা যায়। তবে নারীর অবস্থানের কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটলেও জীবনের মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। নারী-আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, এর সূচনা হয়েছিল ভোটাধিকার নিয়ে। সমাজে পশ্চাৎপদ মূল্যবোধ নারীর অধিকার সুদীর্ঘকাল যেমন খর্ব করেছে, তেমনি আজও করছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীবাদ তত্ত্ব হিসেবেও পরিশীলিত হচ্ছে। তবে এর মূল যে উদ্দেশ্য লিঙ্গ-সাম্যের পৃথিবী নির্মাণের, সেদিকে লক্ষ্য রাখা এখন জরুরি।
নারীমুক্তি আন্দোলন শুধু নারীর জন্য কিছু সুবিধা আদায় করা নয়, এর লক্ষ্য হল, সার্বিক মানবমুক্তি। সমতাভিত্তিক, মানবিক ও অধিক নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য চাই নারী-পুরুষের যুগ্ম পদযাত্রা। চাই মুক্তবুদ্ধির চর্চা। একুশ শতকের মেয়েদের চোখে আজ অনেক স্বপ্ন। তবে স্বপ্ন তো চিরদিন স্বপ্ন হয়ে থাকে না। এগিয়ে যাবে মানুষ। বিভাবরী সূর্য উঠবেই।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Various Writers
Weight – 0.45kg
Binding – Hard Bound
হত্যান্বেষী
শোণিত উপাখ্যান’ ট্রিলজির প্রথম ভাগে আপনারা পরিচিত হয়েছেন পুলিশ অফিসার কায়েস আর রহস্যমানব অবলালের সাথে। খুনের তদন্তের সূত্রে ভয়ংকর তান্ত্রিক শৈলেন ভট্টাচার্যের অতিপ্রাকৃত শক্তি ও তার পিশাচের দলবলের সাথে মুখোমুখি হয়েছে তারা দু’জন। সামনে ভয়াবহ কোনো ঘটনার আভাস ইতিমধ্যেই তারা পেয়েছে। কিন্তু এখনও যে অনেক প্রশ্নের উত্তর অধরা!
সেইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে ফিরে যেতে হবে সুদূর অতীতে। এখন আশু প্রয়োজন সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের পুনরুদ্ধার। কালের পর্দা সরিয়ে উকি দিতে হবে মহাপরাক্রমী হূণ নেতা চেঙ্গিস খান কিংবা দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডার বা মোগল সম্রাট বাবরের দরবারে; জানতে হবে যুগ যুগ ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে রাখা ‘শোণিত মন্দির’-এর পুরোহিতদের কথা। জানতে চান, পিশাচের গ্রামে রুমীর সাথে কী ঘটেছিল? জানতে চান, অবলালের ইতিহাস? জানতে চান, ক্যাপ্টেন অ্যান্ড্রিয়াসের সাথে সাদা হাতের বৈরীতার উৎস?
সব প্রশ্নের উত্তর আছে রক্তের মাঝে, ‘শোণিত উপাখ্যান’-এ!
ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব ফোকলোর আর পাশ্চাত্যের সুপারন্যাচারাল উপাদানের মিশেলে, আধুনিক ঢাকা শহরের ব্যাকড্রপে নির্মিত এই কাহিনি বাংলা ভাষায় ফ্যান্টাসি ঘরানার একটি স্বকীয় এবং শক্তিশালী উদাহরণ।
আজ আপনার জন্য কাহিনির দ্বিতীয় ভাগ -“শোণিত উপাখ্যান : অতীত’।
বইয়ের কথা:
রোলি আর তিন্নি কলেজ স্ট্রিটে খুঁজে পেল একটি ডায়েরি, যাতে লেখা রয়েছে রক্তচুনির কথা। শুভায়ন ওর দুই ভাই বোনকে নিয়ে পারি দিল হিমালয়ের উত্তরে এক পাহাড়ি গ্ৰামে। পাগলা মধু আহরণ করে এই কুলুং উপজাতি জীবিকা নির্বাহ করে, ওদের দেবী রাংকেমি মা রাংগুরা গুহায় থাকেন। সেই গুহায় লুকিয়ে আছে রহস্য। গুপ্তচক্র, যারা খুঁজছে এক বিশেষ প্রাচীন পুঁথি। সিকিমের এক বৌদ্ধ মঠে যা ছিল লুকানো। ওদিকে সিটংএর কমলা বাগান ছেয়ে গেছে এক বিশেষ প্রজাতির পোকায়, নষ্ট হচ্ছে ফলন। রোলি তিন্নি আর শুভায়ন ঘুরতে গিয়ে জড়িয়ে যায় এক অন্য রহস্য জালে। তারা কি খুঁজে পাবে সেই বিশেষ পুঁথি ? জঙ্গলে শুধু পশুরাই পাচার হয় না, পাচার হয় মানুষও। বিয়ে হয়ে লাটাগুড়ির জঙ্গলে এসেছে রিনি, আর জড়িয়ে গেছে এক অদ্ভুত রহস্যে। ঋজুর মেলে অদ্ভুত কিছু প্রাণীর ছবি দেখে রিনি অবাক হয়। ওদিকে রাতুল হারিয়ে গেছে কোথায়, মিতুল কি খুঁজে পাবে তার দাদাকে? এই তিন রহস্য ধরা পড়েছে এই বইয়ের দুই মলাটে।
লেখক পরিচিতি:
দেবদত্তা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ লেখিকার জন্ম উত্তরবঙ্গোর ছোট্ট জনপদ মালবাজারে। পাহাড় ঝরণা আর চা বাগানের মাঝে ডুয়ার্সে বড় হয়েছেন। লেখার শখ ছোট থেকেই, বিভিন্ন দেওয়াল পত্রিকা, লিটিল ম্যাগ থেকে আস্তে আস্তে শুকতারা, নবকল্লোল, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতীর পাতায় আত্মপ্রকাশ। বৈবাহিক সূত্রে বর্তমানে বৃহত্তর কলকাতার বাসিন্দা। দুই সন্তানের জননী। নেশায় এক নিরলস সাহিত্য কর্মী, লিখতে ভালোবাসেন সব রকম বিষয়ের উপর। ছোটদের জন্য রহস্য গোয়েন্দা বা ভৌতিক জরের পাশাপাশি প্রাপ্তমনস্কদের জন্য ঐতিহাসিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস লিখতেও পছন্দ করেন। বিষয় থেকে বিষয়াস্তরে যেতেই ভালোবাসেন। এই বইতে রয়েছে একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস ও চারটি বড় গল্প। প্রতিটি গল্প সত্যকে সামনে রেখে কিছুটা কল্পনার আশ্রয়ে গড়ে উঠেছে।
একটা দলের বিচ্যুতি আর অপ্রাসঙ্গিকতা থাকা সত্ত্বেও যে সব মানুষ এখনো মেরুদণ্ড সোজা করে থাকতে পারে, রেড বুক তাদের নিয়ে লেখা। প্রথম পর্ব শহরের কথা বললে দ্বিতীয় পর্ব গ্রামীণ রাজনীতির একটা অংশকে তুলে ধরে। রেডবুক একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উপন্যাসের বই।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sujoy Ghosh
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
আলাপ চারিতায় সেকালের চিত্র তারকা
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Mahua GHosh
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
মহাকুম্ভে চণ্ডাল
Author : Pinaki Biswas
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বাংলার ডাকাত কালি
তন্ত্র নির্ভর ভৌতিক গল্প ধারায় ননী কাপালিক চরিত্রটি অন্য মাত্রার দাবী রাখে। শুষ্ক মেদহীন শরীর। মুখ ভর্তি দাঁড়ি ও মাথা ভর্তি জট, যা কোমর অব্দি বিস্তৃত। পরনে কেবল কৌপিন। সম্বল বলতে সব সময়ের সঙ্গী একটি করোটি। সর্বাঙ্গে চিতাভস্ম । কপালে মেটে সিঁদুরের লেপন। দুচোখে ভূত- ভবিষ্যতের জ্ঞানশিখা সর্বদা প্রজ্বলিত। জগৎ সংসারে উপস্থিত তন্ত্রের সকল মার্গ তাঁর অধীন। দেখে যেন মনে হয় অনন্ত কাল ধরে তিনি এই জগৎ সংসারের অশুভ শক্তিকে বিনাশ করার লক্ষ্যে ভ্রমণ করে বেড়াচ্ছেন। শ্মশানচারী, তন্ত্রজ্ঞানী, পিশাচ সিদ্ধ, দশমহাবিদ্যায় পারদর্শী, নির্ভীক, ননী কাপালিক সমস্ত রকম অপশক্তির মায়াজাল ছিন্ন করতে সর্বদা প্রস্তুত। অসীম অলৌকিক শক্তির অধিকারী হয়েও ব্যক্তি স্বার্থে তিনি তা প্রয়োগ করেন না। তাঁর শরণাপন্ন হয়ে আজ অব্দি কেউ শূন্য হাতে ফিরে যায়নি। তাঁর প্রিয় খাদ্য বস্তু ননী।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Ashish Chakraborty
Binding
Hardcover
Language
Bengali
Publisher
Patrapath
Publishing Year
2024
খুলনার কলাপোতা গ্রামের ইন্দুর বিয়ে হলো কলকাতায়। দোজবরে মাতাল এক পুরুষের সঙ্গে। তিন সন্তান নিয়ে অল্পকালেই বিধবা। তারপর পূর্ব পাকিস্তান যেদিন হলো বাংলাদেশ, সেদিনই ছেনু মিত্তির লেনে প্রথম আঁচ পড়লো ইন্দুবালা ভাতের হোটেলে। এই উপন্যাসে ছেনু মিত্তির লেনের ইন্দুবালা ভাতের হোটেল ছুঁয়ে থাকে এক টুকরো খুলনা আর আমাদের রান্নাঘরের ইতিহাস- মন কেমনের গল্প।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sujoy Ghosh
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
একজন পরশপাথর
ডুয়ার্স উত্তরবঙ্গ মানেই আমাদের কাছে ট্যুরিস্ট স্পট থেকে সারি সারি চা বাগান…
কিন্তু এই ডুয়ার্সের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য আন্দোলন…
ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের একটি বড় অংশ প্রায় উপেক্ষিত,যার অন্যতম একটি অংশ ডুয়ার্স জুড়ে…
কিভাবে এই আন্দোলন উত্তরবঙ্গে ঢেউ তুলেছিল??
এই আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা একাত্ম হয়েছিলেন তাঁদের পরিচয় থেকে সেই আন্দোলনে যুক্ত প্রায় উপেক্ষিত মানুষদের ইতিহাস খনন করে খুঁজে আনার চেষ্টা করেছেন মধুশ্রী বন্দোপাধ্যায় ও সুপ্রিয় বসু …
তেভাগা আন্দোলনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সেনানীদের বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে কথপোকথন এর মাধ্যমে ইতিহাসের আলোকে তেভাগা আন্দোলনের চিত্ৰ খুঁজে আনার একটি বিকল্প চেষ্টা করতে হয়েছে লেখকদের,সাহায্য নিতে হয়েছে উত্তরবঙ্গের অসংখ্য মানুষের,তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এই বইয়ের সম্পদ..
এক নতুন দৃষ্টিকোণ এ তেভাগা আন্দোলনের অজানা ইতিহাস খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন বইয়ের লেখকদ্বয়…
আজ থেকে ৪০০ বছর আগেও ইউরোপে রাজরাজড়ার ঘরে ছাড়া চিনির দেখা পাওয়া যেত না। কেক পেস্ট্রি পুডিং, কিচ্ছু ছিল না। কারণ, ইউরোপে চিনিই ছিল না।
৫০০ বছর আগে থেকে ইউরোপের কিছু কিছু দেশ তাদের দখল করা আমেরিকায় আফ্রিকা থেকে দাস এনে আখ চাষ ও চিনি প্রস্তুত শুরু করল। এই দাসদের রক্ত ঘাম অশ্রু দিয়ে তৈরি চিনি একদিকে কিছু ইউরোপীয় মালিকদের জন্য অশেষ মুনাফা এনে দিল, পাশাপাশি ইউরোপের খাবার টেবিলে পৌঁছে দিল মিষ্টি চা কফি চকলেট কেক ইত্যাদি নানা সুখাদ্য।
পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গেল চিনি আর মুনাফার তাগিদে।
‘চিনি কাহিনী’ এক তিক্ত ইতিহাস।
টিনটিন ও ছোটকার রহস্য অ্যাডভেঞ্চার : প্রথম তিন
তপোব্রত বসু
কিশোর রহস্য অ্যাডভেঞ্চার সিরিজ
প্রচ্ছদ : অমিত মুখোপাধ্যায়
অলঙ্করণ : সুদীপ্ত মণ্ডল
গ্রে হেরণের রহস্যময় অতিথি টি কে?
দিল্লি হয়ে কালো আইবিসের ডিম চালান যায় কায়রোর বাজারে। সেখানে এক একটি ডিম পঁচিশ হাজার ইজিপিসিয়ান পাউন্ডে হাত বদল হয়, ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য লাখ টাকারও বেশী। কিন্তু কেন চুরি যাচ্ছে শুধু গ্লসি আইবিসের ডিম?
কী ভাবেই বা হচ্ছে চুরি? মংলাজোড়ির ওপর থেকে রহস্যের কালো কুয়াশা কি কাটবে?
চার লাইনের কবিতায় এত বানান ভুল অচ্যুত গোস্বামীর মত একজন পণ্ডিত কেন করলেন? নবনারীকুঞ্জর আসলে কী? ফরাসী রত্নব্যবসায়ী তাভারনিয়ের কী দিয়েছিলেন বন্ধুকে?
দশরথের পুত্র শ্রী রামচন্দ্র ‘দাশরথী’ না কি ‘দাশরথি’? গোস্বামী নিবাসের তিনশ বছরের রহস্যের সমাধান কি করতে পারল টিনটিন আর ছোটকা?
ইন্ডিয়ান আর্মি আর ‘র’-এর নজর এড়িয়ে সফল হবে পাকিস্তানের ‘অপারেশন-৭৪৮’ ? অজয়দা আসলে কে? প্রোজেক্ট কৌটিল্য কী?
মুম্বাইতে আইএসআইয়ের স্লিপিং সেল হঠাৎ যেন ঘুম থেকে জেগে ঊঠেছে, কেন? কুকুর কখনো বোবা হয়?
নিখোঁজ টিনটিন কি আর ফিরবে?
ডিসি কমিক্সের জন কনস্টানটাইনকে মনে আছে? বা ছোটবেলায় দেখা ভ্যান হেলসিং মুভির দৃশ্যগুলো একবার মনে করার চেষ্টা করুন দেখি! বাদ দিন, ঠাকুমা-দিদিমার মুখে শোনা যক্ষ, রাক্ষস, পক্ষীরাজ, সোনার কাঠি রুপোর কাঠির কথা আশা করি ভোলেননি। তার সাথে ভ্যাম্পায়ার, ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, ওয়্যারউলফ, জাদুকর, মনস্টার-হান্টার, পিশাচ, ডাকিনী, অকালটিস্ট -কি, কিছু মনে পড়ছে ?
এবার এই চরিত্রগুলোই যদি নেমে আসে আপনার চেনা গণ্ডীর মাঝে… এই একুশ শতকে? ধরুন আপনি লাস্ট মেট্রোয় বাড়ি ফিরছেন আর হঠাৎই উলটোদিকের সীটে বসে থাকা মেয়েটির দিকে তাকাতেই আপনার শিরদাঁড়া দিয়ে ঠাণ্ডা স্রোত নেমে গেল, তার ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে উকি দিচ্ছে ঝকঝকে সাদা শ্বদন্তজোড়া!
কিংবা আপনি শ্যামবাজারের পাঁচমাথার মোড়ে দাঁড়িয়ে আছেন; হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই, দুম করে গোটা আকাশটা কালো হয়ে এলো, আর এক ঝলকের জন্যে আপনার মনে হল যেন একটা বিশাল ড্রাগন ঠিক আপনার মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেল!
সত্যি সত্যি এরকম হলে কী করবেন, সে আপনার ব্যাপার! কিন্তু বইয়ের পাতায় এরকম হলে এক ধরনের রোমাঞ্চ তো হবেই, তাই না? তার ওপর এর সাথে যদি যোগ করা হয় গতি, রহস্য, মার্ডার মিস্ট্রি, ইতিহাস,
মিথোলজি, দুর্দান্ত সব চরিত্র আর একটা দারুণ প্লট, তাহলে ব্যাপারটা কী রকম দাঁড়ায়? এতক্ষণ যা যা পড়লেন, তা সব আছে ‘শোণিত উপাখ্যান ট্রিলজি’-তে ! ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব ফোকলোর এবং পাশ্চাত্যের
সুপারন্যাচারাল উপাদানের মিশেলে, আধুনিক ঢাকা শহরের ব্যাকড্রপে নির্মিত এই কাহিনি বাংলা ভাষায় ফ্যান্টাসি ঘরানার একটি স্বকীয় এবং শক্তিশালী উদাহরণ!
আজ আপনার জন্য কাহিনির প্রথম ভাগ- “শোণিত উপাখ্যান : বর্তমান’।
‘চল পানসি কলকাতা’ তিন হাজার পাঁচশো কিমি ব্যাপী এক ভ্রমণ-উপাখ্যান যেখানে অজন্তা, ইলোরা, বিবি কি মকবারার মতো গৌরবময় কিছু স্থাপত্য, ঘৃষ্ণেশ্বর, ওঙ্কাররেশ্বর, মহাকালেশ্বরের প্রাচীন মন্দির ও উজ্জয়িনী, ওয়ার্ধা, সেগাঁও-এর মতো ঐতিহাসিক নগরীর পাশাপাশি কয়েকটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও সেবা-আশ্রমের কাহিনি বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কাহিনির পটভূমিকার সঙ্গে বলা হয়েছে কিছু মানুষের গল্প, যারা সাধারণ হয়েও চরিত্রের গুণে হয়ে উঠেছেন অনন্য সাধারণ। চিকলধারা অভয়ারণ্য, মন্দারমণি সমূদ্রবেলা, এবং নেতাজির জন্মস্থান দর্শন এই অভিযানের বিশেষ দিক।
জমাট বাঁধা অন্ধকার। তামসিক সকাল। মধ্যদিন। দুপুর। বিকেল-সন্ধ্যা-মধ্যরাতের জমে থাকা শব্দের গুচ্ছকথা মানুষের মরমের প্রতিধ্বনিত কান্না। বেশ কিছু দিন আগে স্ট্যানফোর্ড, প্রিন্সটন এবং বার্কেলের বিজ্ঞনীরা বিবৃতি দিয়েছেন, ‘ষষ্ঠ মহাবিলুপ্তি পর্ব আসন্ন। বিপুল সংখ্যক জীব পৃথিবী থেকে মুছে যেতে চলেছে, হয়তো মনুষ্য প্রজাতিও।’ করোনা অতিমারি সেই ভবিষ্যৎ-বাণী সত্য প্রমাণ করতে চইছে মানুষ।
বোমার যুগের কাহিনী : বিজলী পত্রিকায় প্রকাশিত
(বিপ্লবী গ্রন্থমালা)
বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
সংকলক : জয়ন্তী মুখোপাধ্যায়
