Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
রবীন্দ্রনাথ নিবেদিতাকে বলেছিলেন ‘লোকমাতা’, অরবিন্দ বলেছিলেন ‘শিখাময়ী’। নিবেদিতা নিজেকে বলতেন ‘রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের নিবেদিতা’। রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ-নিবেদিতা শাশ্বত ভারতাত্মারই চিৎশক্তির অবিচ্ছেদ তরঙ্গায়ণ।
ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতবর্ষের আত্মোন্মীলনের একটা সংক্রান্তিপর্ব। প্রতীচ্য-শক্তির শতবর্ষব্যাপী অভিঘাতের প্রত্যুত্তরে ভারত-চেতনায় জাগল এক বিরাট বিপ্লব। বাইরে সে-বিপ্লব প্রকাশ পেল ভারতের ক্ষাত্রশক্তির বিস্ফোরণে, তার রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষায়; অন্তরের বিপ্লব ফুটল তার ব্রাহ্মী-চেতনার সহস্রদল উন্মেষণে, তার আত্ম-আবিষ্কারের অতন্দ্র সাধনায়। দুটির মধ্যেই দেখেছি, ভারতবর্ষ চাইছে তার অখণ্ড বৃহৎ সত্তাকে স্পষ্ট দিবালোকে অনুভব করতে।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manish Mukharjee
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
ভৈরবী ও অন্যান্য
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-81-948715-0-7
Publishing Year
January, 2021
Pages
151
শিল্পকলার ইতিহাসের চর্চায় গুরুদাস সরকারের অবদান নিয়ে বলা নিষ্প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও মন্দিরের কথার ভূমিকার রচয়িতার নামটি একবার উল্লেখ
করতেই হয়। কারণ, সেই নামটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘কোনারকের কথা’ এবং ‘ভুবনেশ্বরের কথা’ আলাদা বই রূপে প্রকাশিত হওয়ায় দু’টি বইতেই সেই ভূমিকা এবং ‘মন্দিরের কথা’-র উপক্রমণিকা অংশটি সংযুক্ত করেছেন প্রকাশক। বর্তমান সংস্করণগুলির জন্য আলাদা করে নতুন ভূমিকাও যোগ করা হয়েছে .
বইয়ের কথাঃ
শিহরন জাগানো রহস্য, রোমাঞ্চ ও ভয়ের গল্প কে না পছন্দ করে! তবে শিশু- কিশোরদের মন তাতে বেশি আন্দোলিত হয়। তাদের কোমল আবেগ এবং স্বপ্নভারাতুর জগৎ কৃত্রিম ভয়ের আনন্দে রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে। তাই শিশু-কিশোদের জন্যে লেখা কাহিনি হতে হয় সরল ও সরস। লীলা মজুমদার ‘অবনীন্দ্রনাথ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘শিশুদের জন্য লিখতে গেলে আরও কতকগুলো অলিখিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। ভাষা হওয়া চাই সহজ, সরল, কথার মানেটা যদিবা যুক্তির জগতে অগ্রাহ্য, রূপের জগতে, শব্দের জগতে কথাকে আগে বসতে হবে আসর জমিয়ে, ছোটো ছেলেমেয়েরা যাতে কথাগুলো পড়বামাত্র তার চোখের সামনে রূপের, রঙের শোভাযাত্রা শুরু হয়ে যায়। কানে বাজে মৃদঙ্গ, ঢোল, করতাল, জগঝম্প, শিঙা, অর্থাৎ প্রাণভরপুর ভাষা চাই, যা শুনলেই শিশুর মন চনমনিয়ে উঠবে।’ এই সঙ্কলনের গল্পগুলো তেমনই, ভাষার সরলতায় সজীব। ভিন্ন স্বাদের দশটি গল্প রয়েছে বইটিতে। রহস্য, রোমাঞ্চ, গা ছমছমে ভয় এবং একই সঙ্গে কৌতুকের মিশেল রয়েছে কাহিনিগুলোর পরতে- পরতে। আবার কোনও-কোনও গল্পের মানবিক আবেদন পাঠকের মনকে সহজেই আর্দ্র করে তুলতে পারে।
লেখক পরিচিতিঃ
ইমদাদুল হক মিলনের জন্ম বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ সেপ্টেম্বর। পিতার নাম গিয়াস উদ্দিন খান, মাতা আনোয়ারা বেগম। ঢাকার গেন্ডারিয়া হাই স্কুল থেকে এস এস সি পাশ করেন। এর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে সাম্মানিক স্নাতক তাঁর প্রথম প্রকাশিত কিশোর গল্প ‘বন্ধু’, ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ পত্রিকায়। প্রথম উপন্যাসের নাম ‘যাবজ্জীবন’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমির ‘উত্তরাধিকার’ সাহিত্য পত্রিকায়। তিন পর্বে তাঁর দীর্ঘ ‘নূরজাহান’ উপন্যাসটি কালজয়ী সাহিত্য হিসেবে গণ্য। ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে দেশবিদেশের নানা পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে তাঁর ‘নূরজাহান’ উপন্যাসের জন্যে পেয়েছেন ভারতের আই আই পি এম সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার। কাজী মাহবুবউল্লাহ পুরস্কার ২০১৮, আই এফ আই সি ব্যাঙ্ক সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ এবং ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে পেয়েছেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘একুশে পদক’। ২০১১ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময় থেকে ২০২১ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক কালের কণ্ঠ’-এর সম্পাদক ছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় তিনশোটি। তিনি ভারতসহ জার্মানি, ইংল্যান্ড, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, নেপাল, সিঙ্গাপুর ও তাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছেন।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debasree Chakraborty
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
বিশ্বম্ভর নিমাঞ্জির অন্তর্ধান
বোমার যুগের কাহিনী : বিজলী পত্রিকায় প্রকাশিত
(বিপ্লবী গ্রন্থমালা)
বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
সংকলক : জয়ন্তী মুখোপাধ্যায়
বঙ্গদেশে যেসব ধান জন্মায়, সেসব ধানের আদ্যন্ত বিবরণ বা বর্ণনা, পরন্তু ধান-চালের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কযুক্ত আলোচনা এই গ্রন্থখানির মূল বিষয়। এককথায় ‘বঙ্গে চালতত্ত্ব’ গ্রন্থটিকে ধান এবং চাল কারবারের সহায়ক অমূল্য গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হয় না। ‘সংজ্ঞা ও পরিভাষা’-র মধ্যে ধান এবং চালের বিভিন্ন ভাষার নামও পাঠকদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে।
দোকানের পণ্য পসরার বিজ্ঞাপন সংবলিত পুস্তিকা প্রকাশিত হত সে-সময়। তা ছাড়াও পঞ্জিকার পাতায় পাতায় থাকত বিজ্ঞাপন। তা-ই এই বইয়ের মূল উপাদান। আলোচ্য দোকানদারি ‘ঔষধ-আতর-তৈলাদি’।”
বইয়ে এই প্রসঙ্গেই তখনকার সমাজ, স্বাস্থ্য, যৌনতা, লেখাপড়া, শ্রীলতা-অশ্লীলতা এবং স্বামী-স্ত্রী’র সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ের নিরিখে বিজ্ঞাপন এবং পণ্য পসরাকে দেখা হয়েছে।
সামাজিক অবস্থা এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ঔষধ-আতর-তৈলাদি’র কারবার চলেছে, তারই এক কৌতুকপ্রদ বিবরণ রয়েছে এই বইয়ে।
বিচার-বিশ্লেষণ ও প্রতিপাদ্যের ক্ষেত্রে অহেতুক গাম্ভীর্য কিংবা অকারণ লঘুতার আশ্রয় নেওয়া হয়নি। বলার কথা আরও এই যে, কোনও ধরনের মরালিটি নজু কেবল রিয়েলিটির প্রেক্ষিতেই বিষয়গুলিকে দেখা হয়েছে।
Author : DIPANKAR PARUI
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বৌদ্ধ ধর্মের ইতিবৃত্ত
ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতির উপর বৈদিক সংস্কৃতির ও বেদান্ত দর্শনের প্রভাব পড়েছে। তবে তুলনায় বাঙালি জীবনে বেদ-নির্ভর সংস্কৃতির প্রভাব খুব বেশি নেই বলে মনে করেছেন নৃতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব, ইতিহাস ও সাহিত্যের গবেষকগণ। তাঁদের অভিমত আর্যভাষাভাষী আদি-নর্ডিক গোষ্ঠীর রক্তপ্রবাহ ও সংস্কৃতি বাঙালির সমাজ জীবনে ও সমাজ সংগঠনে এত ক্ষীণ যে, বাংলা দেশের ব্রাহ্মণদের মধ্যে খুব সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ সত্ত্বেও সহসা ধরা পড়ে না। বরং আদি অস্ট্রেলয়েড গোষ্ঠী, অ্যালপাইন গোষ্ঠী এবং দ্রাবিড় সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে যথেষ্ট। ধর্ম-সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির সঙ্গে বৌদ্ধ, জৈন, ব্রাহ্মণ্য ধর্মনীতি ও দর্শনের সংমিশ্রণে বাঙালি জাতির মানসলোক গড়ে উঠেছে। যদিও সেন বর্মন আমল থেকে স্মার্ত পণ্ডিতদের নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত সমাজব্যবস্থা, ধর্মাচরণ বাঙালি হিন্দুধর্মের মানুষের সমাজজীবন ও সাহিত্যকে নিয়ন্ত্রিত করেছে। সমগ্র মধ্যযুগ জুড়ে সেই নিয়ন্ত্রণ কখনও দৃঢ় হয়েছে, আবার কখনও শিথিল হয়েছে। কিন্তু তারও আগে বৃহত্তর বঙ্গদেশে (অঙ্গ, বঙ্গ, পুণ্ড্র, সমতট, গৌড়) দীর্ঘকাল ধরে প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির প্রভাব যেমন পড়েছিল, তেমনি প্রায় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বৌদ্ধধর্ম ও বৌদ্ধ-সংস্কৃতির যথেষ্ট প্রভাব পড়েছিল বাঙালি জনমানসে। প্রাচীন-মধ্যযুগের বাংলার সমাজ ও সাহিত্য সেই প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেনি। সমাজে তো বটেই; সাহিত্যের গভীরেও রয়ে গেছে সেই প্রভাব।
সম্রাট নেপোলিয়ার বাহিনীর প্রাত্তন যোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেরার, জীবনের সায়াহ্নে সান্ধ্য আসরে বসে শোনান তাঁর বীরত্বগাথা। আত্মগৌরবে পূর্ণ এসব কাহিনিতে ফুটে ওঠে একসময়ের উত্তপ্ত রক্তের উদ্দীপনা এবং তাঁর রমণীমোহন ব্যক্তিত্বে আকৃষ্ট অসংখ্য তৃষিত হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা। এই মোহনীয়তা ও বীরত্বে তিনি সম্পন্ন করেছিলেন বহু দুঃসাধ্য কর্ম। সম্রাট নেপোলিয় স্বয়ং তাঁর কর্মগুণে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ওয়াটারলু অভিযান এবং সেন্ট হেলেনা থেকে উদ্ধারের মতো বিপজ্জনক অভিযানে প্রেরণ করেন।
স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের সৃষ্ট এই চরিত্র সম্পর্কে ডয়েল-বিশেষজ্ঞ আওয়েন এডওয়ার্ডস বলেছিলেন, “এত সমৃদ্ধ ইতিহাসভিত্তিক ছোটোগল্প আর কখনও লেখা হয়নি।”
দক্ষ অথচ সরলমনা এই দেশপ্রেমিককে ঘিরে রচিত গল্প ও নাটক প্রথমবার একত্রিত হয়েছে, যেখানে রয়েছে প্রয়োজনীয় টীকা, দুষ্প্রাপ্য অলংকরণ এবং অসংখ্য ছবি।
বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত : ইতিহাস কিংবদন্তী স্থাপত্য
শ্যামল কুমার মুখোপাধ্যায়
বীরভূমি বুন্দেলখন্ড। লোককথা, হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস অনুপম নৈসর্গের পটভূমিতে রচিত প্রাচীন দুর্গ, প্রাসাদ, দেবদেউলের অপরূপ শিল্প সম্ভার সব মিলিয়ে বুন্দেলখন্ডের আকর্ষণ অমোঘ, অপ্রতিরোধ্য। একদিকে এই ভূখণ্ডের রণনিপুণ রণনায়কদের রণক্ষেত্রে রক্তের অক্ষরে রচিত জীবনগাথা, অন্যদিকে আবার তাদেরই পাথরের বুকে রেখে যাওয়া ঈশ্বরদত্ত শিল্পচেতনার উত্তরাধিকার আর এই সবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নানা লোকগাথা সব নিয়েই এই বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত।
সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীর সহিত আমার প্রথম পরিচয় হইয়াছিল সন তেরশ’ একত্রিশ সালে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলি শেষ করিয়া সবেমাত্র বাহির হইয়াছি। পয়সার বিশেষ টানাটানি ছিল না, পিতৃদেব ব্যাঙ্কে যে টাকা রাখিয়া গিয়াছিলেন, তাহার সুদে আমার একক জীবনের খরচা কলিকাতার মেসে থাকিয়া বেশ ভদ্রভাবেই চলিয়া যাইত। তাই স্থির করিয়াছিলাম, কৌমার্য রত অবলম্বন করিয়া সাহিত্যচর্চায় জীবন অতিবাহিত করিব। প্রথম যৌবনের উদ্দীপনায় মনে হইয়াছিল, একান্তভাবে বাগ্দেবীর আরাধনা করিয়া বঙ্গ-সাহিত্যে অচিরাৎ যুগান্তর আনিয়া ফেলিব। এই সময়টাতে বাঙালীর সন্তান অনেক ভাল স্বপ্ন দেখে, যদিও সে-স্বপ্ন ভাঙিতেও বেশি বিলম্ব হয় না।
কিন্তু ও কথা যাক। ব্যোমকেশের সহিত কি করিয়া পরিচয় হইল এখন তাহাই বলি।
যাঁহারা কলিকাতা শহরের সহিত ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত, তাঁহাদের মধ্যেও অনেকে হয়তো জানেন না যে এই শহরের কেন্দ্রস্থলে এমন একটি পল্লী আছে, যাহার এক দিকে দুঃস্থ ভাটিয়া-মাড়োয়ারী সম্প্রদায়ের বাস, অন্য দিকে খোলার বস্তি এবং তৃতীয় দিকে তির্যকচক্ষু পীতবর্ণ চীনাদের উপনিবেশ।
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্য সাহিত্যের বৈশিষ্ট্যগুলির একটি হল কাহিনির প্রতি স্তরে আর ভাঁজে সুক্ষ্ম রসবোধের ছোঁয়া দিয়ে রাখা। ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে লেখা গল্প-উপন্যাসের সেই বিষয়টির খোঁজ করা হয়েছে এই বইতে। একই সঙ্গে ব্যোমকেশ এবং অজিতের চরিত্রেও শরদিন্দু আরোপ করেছেন আশ্চর্য মূল্যবোধ এবং জীবনরস সন্ধান আর আস্বাদনের মানসিকতা। এই বইতে আলোচিত হয়েছে সেই বিষয়টিও।
জীবনরসিক ব্যোমকেশ বক্সীর মানবিক মূল্যবোধ আর কাহিনিতে প্রচ্ছন্ন ও প্রকট হয়ে থাকা হাস্যরসের সন্ধানে এই বইয়ের আলোচনাও এক ধরনের সত্যান্বেষণ।
রোম মানে কেবল জুলিয়াস সিজার নয়, ব্রুটাস বা মার্ক অ্যান্টনি নয়। নয় মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার শাসন-কাহিনি। নয় আবার নিরো বা ক্যালিগুলা। আবার এদের বাদ দিয়েও হয় না রোমের ইতিহাস। সঙ্গে যুক্ত হবে প্রথম রাজতন্ত্রের যুগের মিথ-মিশ্রিত নানান কাহিনি।
কীভাবে তিলে-তিলে রাজতন্ত্র পরিণত হল প্রজাতন্ত্রে এবং পাঁচশো বছর বাদে আবার প্রজাতন্ত্র নষ্ট হয়ে ফিরে এল সম্রাটদের শাসন— চমকপ্রদ এই ইতিহাসের অধ্যায় নিয়ে আমাদের যাত্রা।…
পেশায় সাংবাদিক হলেও কলকাতার ইতিহাস নিয়ে লেখকের চর্চা দীর্ঘদিনের। সংবাদপত্র ছাড়াও বিভিন্ন সাময়িকপত্র ও বৈদ্যুতিন মাধ্যমে লেখকের কলকাতা সম্পর্কিত যে সমস্ত রচনা প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোর থেকে বাছাই করা কিছু নিবন্ধ নিয়ে এই বই।
কলকাতার আদি ইতিহাস থেকে আরম্ভ করে, এই শহরের নামকরণ, উল্লেখযোগ্য কিছু রাস্তার নামের ইতিহাস, রাইটার্স বিল্ডিংস, টাউন হল, নদীয়া হাউস, কলকাতার ব্যাপটিস্ট মিশন প্রেস-সহ শহরের স্বনামধন্য বেশ কিছু বাড়ির কথা ছাড়াও রয়েছে কলকাতা শহর গড়ে ওঠবার সময়কালের বিচিত্র সব কাহিনি। শুধু রাস্তা আর বাড়ির কথাই নয়, এই বইতে রয়েছে স্বদেশি আন্দোলনের প্রেক্ষিতে লেখা একাধিক নিবন্ধও। আশা করা যায়, কলকাতা শহরের ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী পাঠকদের অনেক কৌতূহল মেটাতে পারবে এই বই।
বুড়ি কলকাতার তন্বী রূপের প্রেমে পড়েছি কবে‚ আজ আর তা মনে পড়ে না‚ শুধু জানি এই শহর এক স্বভাব জাদুকরী,কারণ‚ এই তিনশো বছরের শহরের অলি গলি রাস্তাঘাট দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কখন যেন চোখের সামনে ঝলসে ওঠে এক ক্যালাইডোস্কোপ‚ যেখানে একদিকে মাথা তোলে নন্দরামের মন্দির‚আর একদিকে বাংলার গ্যারিক‚ ওই ভেসে আসে নবাব ওয়াজেদের লখনৌ বিরিয়ানির খুশবু‚ আর তার সাথেই চিৎপুরের আতরওয়ালাদের আতরের অলৌকিক সুগন্ধ। উত্তরের এঁদোগলিতে শুনতে পাই গান বাঁধছেন সলিল চৌধুরী‚ আবার দক্ষিণে সারারাত দরজা খুলে বসে থাকে এক ওষুধ-দোকান‚ নাম‚ বাথগেট। ময়দানের সন্ধ্যায় গোলের চিৎকার মিলিয়ে যেতে যেতে ছলকে ওঠে চিকেন স্ট্যু আর মধ্যরাতের পার্ক স্ট্রিটের মায়া-সরণিতে জেগে ওঠেন পাম ক্রেইন আর উষা আইয়ার। আমরা হাঁটতে থাকি‚ আমাদের সঙ্গে হাঁটেন রবীন্দ্রনাথ‚ জীবনানন্দ‚ শক্তি, সুনীল‚ সত্যজিৎ। দক্ষিণের দেব বর্মনদের গানবাড়ির সঙ্গে উত্তরে পাথুরেঘাটার জ্ঞান গোঁসাই মিয়াঁ-কি-মলহারে সুর তোলেন‚ আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি এই শহরের অলি গলি পাকস্থলিতে‚ যে শহরের নাম ছিল ক্যালকাটা।
খুনি যেখানে নিজে থেকে এসে আত্মসমর্পন করল, সেখানে কেন একটাও সাক্ষ্য-প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেল না? আর কেনই বা বারবার ঘুরে ফিরে আসতে লাগল অতীতের এক ভয়াবহ ঘটনার উল্লেখ। সে কি পাগল? পাগল হলে এত হিমশীতল মস্তিষ্কের অধিকারী সে হয় কী করে? সে যেন আগে থেকেই জানে একটু বাদে কী ঘটতে চলেছে। ঠিক যেন দাবার বোর্ড সাজিয়ে বসেছে সে। একটা চাল এদিক ওদিক হলেই কিস্তিমাত…
‘ক্যারাভান’ নামক জনপ্রিয় গ্রাফিক নভেলের ঘটনার ঠিক পরেই শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায় ‘ক্যারাভান: প্রতিশোধ’। প্রতিশোধ ও পরিত্রাণের এক রুদ্ধশ্বাস গাথা বলবে এই কাহিনি। আসিফ ও দুর্গা রক্তলোলুপ ভ্যাম্পায়ারদের ভয়ঙ্কর আক্রমণ থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা বুঝতে পারে— সব বিপদের কারণ অতিপ্রাকৃত নয়, কিছু ভয়ের উৎস আসলে মানুষই। ‘ক্যারাভান প্রতিশোধ’ হল ক্যারাভান মহাগাথার শেষ অধ্যায়— পরিণতির আখ্যান।
হারিয়ে যাওয়া আশি-নব্বই দশক, হারিয়ে যাওয়া যৌথ যাপন, হারিয়ে যাওয়া নির্মল শৈশব ফিরে পাওয়ার জন্য যে সূচিমুখ বেদনা ত্রিশোর্ধ্ব বাঙালির বুকে বসত করে তার তুলনা নেই।
অন্তরীপ সময়ের কাঁটাকে ঘুরিয়ে দিতে চেষ্টা করেছে তীব্র আবেগে। স্কুলব্যাগে লুকিয়ে আনা ছোটো ছোটো কমিক্সের বইগুলো, পড়ার বইয়ের ফাঁকে লুকিয়ে রাখা হিরে মানিকগুলো, ম্যাগাজিনের দোকানে হৃদয় উদ্বেল করে সাজিয়ে রাখা প্রাণ সাহেবের চাচা চৌধুরীর কমিক্সগুলো আবার এনেছে অন্তরীপ কমিক্স।
এই অমনিবাস এডিশন-এ ধরা রইল সকলের প্রিয় সেই প্রথমযুগের প্রাণ অঙ্কিত শিল্পকর্মগুলি।
অন্তরীপ কমিক্স ও প্রাণ-এর যৌথ উদ্যোগে বাংলার পাঠকের সামনে হাজির হয়েছে এক সময়যান। অতীতের নির্মল যাপনে ফিরে যাওয়ার এক জাদুকাঠি। আজকে যাঁরা সেইসব দিন, সেইসব যাপন, সেইসব কমিক্সের অভাববোধ করেন তাঁরা হাতে তুলে নিন এই জাদুকাঠি। চড়ে বসুন এই সময়যানে। সঙ্গে নিন আজকে যাঁরা শৈশবে— তাদেরও। চাচা চৌধুরীর কম্পিউটারের থেকেও প্রখর মস্তিষ্কের কিস্সাকাহিনি প্রবাহিত হোক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।
‘চল পানসি কলকাতা’ তিন হাজার পাঁচশো কিমি ব্যাপী এক ভ্রমণ-উপাখ্যান যেখানে অজন্তা, ইলোরা, বিবি কি মকবারার মতো গৌরবময় কিছু স্থাপত্য, ঘৃষ্ণেশ্বর, ওঙ্কাররেশ্বর, মহাকালেশ্বরের প্রাচীন মন্দির ও উজ্জয়িনী, ওয়ার্ধা, সেগাঁও-এর মতো ঐতিহাসিক নগরীর পাশাপাশি কয়েকটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও সেবা-আশ্রমের কাহিনি বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কাহিনির পটভূমিকার সঙ্গে বলা হয়েছে কিছু মানুষের গল্প, যারা সাধারণ হয়েও চরিত্রের গুণে হয়ে উঠেছেন অনন্য সাধারণ। চিকলধারা অভয়ারণ্য, মন্দারমণি সমূদ্রবেলা, এবং নেতাজির জন্মস্থান দর্শন এই অভিযানের বিশেষ দিক।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Mahua GHosh
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
চণ্ডাল
বিষয় – বাংলার বাণিজ্য
Pre booking last date – 09/09/2025
Published Date – 12/09/2025 to 15/09/2025
এই কাহিনীর একদিকে রয়েছে খুলনা উত্তরের ডন মোজাফফর রহমান আর অন্যদিকে দক্ষিণের আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়া জামশেদ মোল্লা। হঠাৎই শহরে আগমন ঘটে এক রহস্যময় ব্যক্তির, যাকে চেনে এবং সমীহ করে শহরের অন্ধকার জগৎ। দেখতে দেখতে খুলনা শহরের রঙ পাল্টে হয়ে যায় রক্তবর্ণ। পুলিশ অফিসার হাদী আলম ও তার সহকারী বাবুল নেমে পড়ে রহস্য উদঘাটন করতে। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসে জার্নালিস্ট সামিয়া। তারা কি শহরের এই হত্যালীলা থামাতে পারবে? শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় কে? সেই গল্পই বলে ‘চতুরঙ্গের অশ্বারোহী’।
আজ থেকে ৪০০ বছর আগেও ইউরোপে রাজরাজড়ার ঘরে ছাড়া চিনির দেখা পাওয়া যেত না। কেক পেস্ট্রি পুডিং, কিচ্ছু ছিল না। কারণ, ইউরোপে চিনিই ছিল না।
৫০০ বছর আগে থেকে ইউরোপের কিছু কিছু দেশ তাদের দখল করা আমেরিকায় আফ্রিকা থেকে দাস এনে আখ চাষ ও চিনি প্রস্তুত শুরু করল। এই দাসদের রক্ত ঘাম অশ্রু দিয়ে তৈরি চিনি একদিকে কিছু ইউরোপীয় মালিকদের জন্য অশেষ মুনাফা এনে দিল, পাশাপাশি ইউরোপের খাবার টেবিলে পৌঁছে দিল মিষ্টি চা কফি চকলেট কেক ইত্যাদি নানা সুখাদ্য।
পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গেল চিনি আর মুনাফার তাগিদে।
‘চিনি কাহিনী’ এক তিক্ত ইতিহাস।
প্রণবেশ রায়, ওরফে পানু তাচ্ছিল্যে পেনো, চাপরাশি হয়ে পত্রিকার অফিসে ঢুকেছিল। পত্রিকার তৎকালীন কর্ণধারের দাক্ষিণ্যে সে সাংবাদিক বনে। পানু রিপোর্টার। কিন্তু স্নেহপরায়ণ মালিকের পুত্রের আমলে সে আর তেমন কল্কে পায় না। বর্তমান মালিক হাঁদু চক্কোত্তি তাকে একরকম বলেই দিয়েছে, যে ভাবেই হোক পত্রিকায় রকমারি ছন্দের কবিতা দিয়ে সে যদি তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পত্রিকাটিকে পরাস্ত না করে তাহলে তাকে এই সাধের চাকরিটির মায়া কাটাতে হবে।
হাঁদু চক্কোত্তি আবার ছন্দরসিক। কোত্থেকে একটা পুরনো বাংলা পুঁথি যোগাড় করেছে। তাতে আছে অজ্ঞাত কবিদের লেখা নানান ছন্দের কবিতা। পানুর ওপর ভার পড়ে সেই সব প্রাচীন কবিদের কুলুজী খুঁজে বার করার।
সেই কাজেই পানুর সঙ্গে দেখা হয়ে যায় এক মাথা পাগলা কিন্তু মস্ত গুণী কবির। চরিত্রটি সরাসরি যেন উঠে এসেছে হ-য-ব-র-ল থেকে। তাই সে কখন পেটুক রামু, কখনও ছাপোষা কেরানি, কখনও বা বার্নার্ড পঞ্চাশ, অসিতবরণ, ভোলা নর্তক কিংবা বীরপুরুষ সাহা। অন্তিম অবতারে সে নিত্য গোঁসাই। একই অঙ্গে এতো রূপ! তুখোড় ছান্দসিক ও ছড়াকার।
আসলে কে সে? সেটাই রহস্য। সেটাই ইতিহাস। সেই নিয়েই গল্প। পঞ্চাননমঙ্গলের মতো রুদ্ধশ্বাস না হলেও কাহিনীতে মজা আছে। সম্যক জানতে হলে বইটা পড়া দরকার।
শেষে যা হয় হোক, এই উপন্যাসে প্রাপ্তি শুধু সেটাই নয়। কাহিনী ছাড়াও পুরো আখ্যান জুড়ে এর ছড়িয়ে আছে অজস্র ছড়া। অসম্ভব নিপুণতায় ছড়াগুলো নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ছন্দে। ছন্দের দৃষ্টান্তরূপে গদ্যের মাঝে এলেও ছড়াগুলো কোথাও আরোপিত লাগে না। আর এগুলোকে মূলত ছড়া বললেও তার মাঝেই লেখক রেখে দিয়েছেন রামায়ণ, গীতগোবিন্দ, মেঘনাদবধ কাব্যের কিছু কিছু বাংলা ছন্দরূপ! যা অন্যান্য ছড়াগুলোর লঘুতা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আছে দৃষ্টান্ত দিয়ে ছন্দের প্রকরণ বোঝানো। অবশ্যই গল্পের মধ্যে, অ্যাকাডেমিক ক্লিষ্টটা নেই তাতে। অথচ গঠন দেখে বোঝা যায় তার পিছনে রয়েছে বিস্তর অধ্যয়ন। পণ্ডিত লোক পাঠ করলে নিশ্চয়ই বুঝবেন। ভুলভ্রান্তি আছে কিনা তাঁরাই বলতে পারবেন।
ভালোবাসা। চার অক্ষরের এই দেবতাটির কাছে নতজানু হতে হয় সকলকেই। কলেজকালের জাদুবয়েসিরা তার দোরে হাত পাতে। তার উপাসনায় তিন দশকের বেশি দাম্পত্য কাটানো জুটি ঘর পালিয়ে তিস্তাপাড়ে। তারই নেশায় নদীটি নারীরূপ ধরে দয়িতকে গ্রাস করে… অথবা কিন্নরী মানুষের ঘরে এসে মরজগতে আশ্রয় নেয়। গত এক দশক ধরে প্রকাশিত হয়ে চলা তেমনই কিছু ভালোবাসার কাহিনি।
অমরেন্দ্র কুমার রায় তাঁর ‘শরৎপ্রসঙ্গ’ বইতে লিখেছেন- “অনেকের ধারণা শরৎচন্দ্র বেশ্যাসক্ত ছিলেন।” ‘শরৎচন্দ্রের রেঙ্গুনের বন্ধু গিরীন্দ্রনাথ সরকার তার ‘ব্রহ্মদেশে ‘শরৎচন্দ্র’ গ্রন্থে শরৎচন্দ্রকে “সমাজ বিরোধী, উচ্ছৃঙ্খল যুবক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও লিখেছেন-
“তিনি একদিক দিয়ে ছিলেন এক উচ্ছৃঙ্খল যুবক, দিনরাত মদের নেশায় চূড় হয়ে থাকতেন। মদ না পেলে আফিমের নেশাতেও ভূত হয়ে থাকতেন আর অধিকাংশ সময় কাটাতেন রেঙ্গুন শহরের -নিষিদ্ধ পল্লীতে।” শরৎচন্দ্রের জীবনীকার গোপালচন্দ্র রায় লিখেছেন- “শরৎচন্দ্র একবার তাঁর বন্ধুর সঙ্গে পতিতার কাছে গিয়েছিলেন। মেয়েটি নাচ গান জানতো। নাচ গান চলতে লাগল। এদিকে দু-বন্ধু মিলে একটু একটু করে মদ্যপানের মাত্রাও বাড়াতে লাগলেন। এক সময় উভয়েই নেশায় বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। এমনকি তাদের কোমরের কাপড়ও ঠিক রইল না।” কিন্তু কেন শরৎচন্দ্রের এই ছন্নছাড়া জীবন। কেন শরৎচন্দ্রকে প্রায় সারা জীবন তথাকথিত ভদ্র এলিট সমাজের কাছে অপাংক্তেয় হয়ে থাকতে হয়েছিল?-
এর উত্তর বাঁধা ছিল বাংলা সাহিত্যের এক বিখ্যাত লেখিকা নিরুপমাদেবীর আঁচলে। তিনি নরেন্দ্র দেব ও রাধারাণীদেবীর কাছে স্বীকার করেছিলেন- “শরৎদার যে বাউন্ডুলে দশা হয়েছিল, সে শুধু আমারই জন্য।” এই বইতে সেই মাতাল বাউন্ডুলে পতিতালয়গামী উচ্ছৃঙ্খল শরৎচন্দ্রের কথা।
চৌথুপী সাঙ্ঘারামে মরণভয় ছড়িয়ে পড়েছে। অন্ধকারে সাঙ্ঘারামের শূন্য প্রাঙ্গণে পদচারণা করছেন মহাস্থবির। দুশ্চিন্তায় তার চোখে ঘুম নেই। একদিকে সাঙ্ঘারামের আবাসিকদের সুরক্ষার গুরুদায়িত্ব, অন্যদিকে চৌথুপীর গ্রন্থাগারের অমূল্য পুঁথিগুলির অনিশ্চিত ভবষ্যতের দুশ্চিন্ত। দূরে গ্রন্থাগারের গবাক্ষের ভিতর দিয়ে ক্ষীণ আলোকরশ্মি দেখা গেল। এত রাতে গাঁথাঘরে আলো? কৌতুহলে পায়ে পায়ে এগিয়ে মহাস্থবির গ্রন্থাগারের বিশাল দরজার সামনে এসে থমকে দাঁড়ালেন – গাঁথাঘরের মুখ্য দ্বার খোলা!
চৌথুপীর চর্যাপদ” কি শুধুই থ্রিলার ? নাকি থ্রিলারের মোড়কে বন্দি এক গভীর গবেষণার প্রকাশ? বাঙালির আসল পরিচয় অন্বেষণ করে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন প্রীতম বসু। বাঙালির সম্বন্ধে প্রকাশিত ইতিহাস যে অসম্পূর্ণ এবং এই ইতিহাস আবিষ্কারের জন্য ভাবী প্রজন্মের বাঙালির রোড ম্যাপ কী তাও কলমের আঁচড়ে বন্দি করেছেন লেখক। পাতায় পাতায় বিস্ময় আর শিহরণের আনন্দ !পডুন এ কালের থ্রিলার লেখকদের মধ্যে অন্যতম প্রীতম বসুর আশ্চর্য উপন্যাস “চৌথুপীর চর্যাপদ” আর চিনুন নিজের প্রাচীন গৌরবের উজ্জ্বল অক্ষরকে।
চলচ্চিত্র পোস্টারের জন্ম চলচ্চিত্র জন্মের প্রায় একই সময়ে। নানা সময়ে নানা দেশে এই চলচ্চিত্র পোস্টারের নানা বিবর্তন, পরিবর্তন ঘটেছে- বিষয়ে, আঙ্গিকে, প্রয়োগ-কল্পনা ও শৈল্পিক-চিন্তায়। কখনও পৃথিবীবিখ্যাত শিল্পীরা চলচ্চিত্রের জন্যে পোস্টার এঁকেছেন। চলচ্চিত্রের সামজিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসে চলচ্চিত্র পোস্টার এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেই পোস্টারের আদি, অতীত, বর্তমান নিয়েই এই সচিত্র গ্রন্থ, যাতে রয়েছে বিশ্ব চলচ্চিত্রের পোস্টারের বিবর্তনের ইতিহাস, সঙ্গে শতাধিক দুষ্প্রাপ্য মূল পোস্টারের প্রতিলিপি।
সিনেমাপাড়া দিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড একত্রে
তরুণ মজুমদার
ছায়াছবি মানেই আলোছায়ার খেলা। আবার ছায়াছবির জগতে যাঁরা ঘুরে বেড়ান তাঁদের জীবনেও আলোছায়ার খেলা কম নেই। তারই কিছুটা পরিচয় দেবার জন্যে এই লেখা। সাহিত্য নয়, কথকতা।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manas Bhandari
Weight – 0.2kg
Binding – Hard Bound
কলেজস্ট্রীট কফি হাউস

