Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
ভারতবর্ষের সভ্যতা কত কাল অব্যাহত, তাহার ইয়ত্তা হয় না। ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ-জীবনের বিষয় চিন্তা করিলেও বিস্মিত হইতে হয়। উন্নতির উচ্চ-চূড়ায় আরোহণ করিয়া, ভারতবর্ষ কত জাতির কতরূপ উত্থান-পতন দর্শন করিল; তাহার চক্ষের সমক্ষে কত নূতন জাতির নূতন সাম্রাজ্যের অভ্যুদয় ও অবসান হইল; জলবুদ্বুদের ন্যায় কত জাতি কত সাম্রাজ্য উদ্ভূত হইয়াই আবার কালসাগরে বিলীন হইল; কিন্তু ভারতবর্ষের আর্য্য-হিন্দুজাতির কখনই ক্রমভঙ্গ হয় নাই; তাহাদের ধর্ম, সমাজ ও সভ্যতার মৌলিকত্ব চিরদিন অটুট রহিয়াছে। সেই প্রণব-ধ্বনি-আজিও আর্য্য-হিন্দুর প্রাণে প্রতিধ্বনিত।
Author : Somobrata Sarkar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারতের প্রাচীন ধর্মীয় সম্প্রদায়
Author – Surendranath Dasgupta
Publication – Khori
Weight – 0.5kg
Author : Surendranath Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
রবীন্দ্রনাথ নিবেদিতাকে বলেছিলেন ‘লোকমাতা’, অরবিন্দ বলেছিলেন ‘শিখাময়ী’। নিবেদিতা নিজেকে বলতেন ‘রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের নিবেদিতা’। রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ-নিবেদিতা শাশ্বত ভারতাত্মারই চিৎশক্তির অবিচ্ছেদ তরঙ্গায়ণ।
ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ভারতবর্ষের আত্মোন্মীলনের একটা সংক্রান্তিপর্ব। প্রতীচ্য-শক্তির শতবর্ষব্যাপী অভিঘাতের প্রত্যুত্তরে ভারত-চেতনায় জাগল এক বিরাট বিপ্লব। বাইরে সে-বিপ্লব প্রকাশ পেল ভারতের ক্ষাত্রশক্তির বিস্ফোরণে, তার রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষায়; অন্তরের বিপ্লব ফুটল তার ব্রাহ্মী-চেতনার সহস্রদল উন্মেষণে, তার আত্ম-আবিষ্কারের অতন্দ্র সাধনায়। দুটির মধ্যেই দেখেছি, ভারতবর্ষ চাইছে তার অখণ্ড বৃহৎ সত্তাকে স্পষ্ট দিবালোকে অনুভব করতে।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manish Mukharjee
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
ভৈরবী ও অন্যান্য
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-81-948715-0-7
Publishing Year
January, 2021
Pages
151
ভূত মানেই কি শুধু ভয়, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে লোকসংস্কৃতি ও মনস্তত্ত্বের গভীর রহস্য? লেখক অভিষেক মিত্রের ‘ভূতকোষ’ বইটি প্রচলিত ভূতের গল্পের ছক ভেঙে পাঠকদের নিয়ে যায় এক অচেনা অলৌকিক জগতে। এই নন-ফিকশন বইটিতে বাংলা-সহ লাদাখ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও সিকিম-এর মতো ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় একশোটিরও বেশি আঞ্চলিক ভৌতিক চরিত্রের শিহরণ জাগানো বিবরণ স্থান পেয়েছে। ‘নাওয়াং চুরেল’, ‘পিছলাগ’ কিংবা ‘রেং ভূত’-এর মতো অজানা সত্তারা কীভাবে সমাজের বঞ্চনা ও প্রকৃতির প্রতি অবিচারের প্রতীক হয়ে উঠেছে, তা এখানে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ভারতের বৈচিত্র্যময় ভৌতিক লোককথা জানতে এটি একটি অবশ্যপাঠ্য আকর-গ্রন্থ।
শিল্পকলার ইতিহাসের চর্চায় গুরুদাস সরকারের অবদান নিয়ে বলা নিষ্প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও মন্দিরের কথার ভূমিকার রচয়িতার নামটি একবার উল্লেখ
করতেই হয়। কারণ, সেই নামটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘কোনারকের কথা’ এবং ‘ভুবনেশ্বরের কথা’ আলাদা বই রূপে প্রকাশিত হওয়ায় দু’টি বইতেই সেই ভূমিকা এবং ‘মন্দিরের কথা’-র উপক্রমণিকা অংশটি সংযুক্ত করেছেন প্রকাশক। বর্তমান সংস্করণগুলির জন্য আলাদা করে নতুন ভূমিকাও যোগ করা হয়েছে .
বইয়ের কথাঃ
শিহরন জাগানো রহস্য, রোমাঞ্চ ও ভয়ের গল্প কে না পছন্দ করে! তবে শিশু- কিশোরদের মন তাতে বেশি আন্দোলিত হয়। তাদের কোমল আবেগ এবং স্বপ্নভারাতুর জগৎ কৃত্রিম ভয়ের আনন্দে রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে। তাই শিশু-কিশোদের জন্যে লেখা কাহিনি হতে হয় সরল ও সরস। লীলা মজুমদার ‘অবনীন্দ্রনাথ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘শিশুদের জন্য লিখতে গেলে আরও কতকগুলো অলিখিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। ভাষা হওয়া চাই সহজ, সরল, কথার মানেটা যদিবা যুক্তির জগতে অগ্রাহ্য, রূপের জগতে, শব্দের জগতে কথাকে আগে বসতে হবে আসর জমিয়ে, ছোটো ছেলেমেয়েরা যাতে কথাগুলো পড়বামাত্র তার চোখের সামনে রূপের, রঙের শোভাযাত্রা শুরু হয়ে যায়। কানে বাজে মৃদঙ্গ, ঢোল, করতাল, জগঝম্প, শিঙা, অর্থাৎ প্রাণভরপুর ভাষা চাই, যা শুনলেই শিশুর মন চনমনিয়ে উঠবে।’ এই সঙ্কলনের গল্পগুলো তেমনই, ভাষার সরলতায় সজীব। ভিন্ন স্বাদের দশটি গল্প রয়েছে বইটিতে। রহস্য, রোমাঞ্চ, গা ছমছমে ভয় এবং একই সঙ্গে কৌতুকের মিশেল রয়েছে কাহিনিগুলোর পরতে- পরতে। আবার কোনও-কোনও গল্পের মানবিক আবেদন পাঠকের মনকে সহজেই আর্দ্র করে তুলতে পারে।
লেখক পরিচিতিঃ
ইমদাদুল হক মিলনের জন্ম বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ সেপ্টেম্বর। পিতার নাম গিয়াস উদ্দিন খান, মাতা আনোয়ারা বেগম। ঢাকার গেন্ডারিয়া হাই স্কুল থেকে এস এস সি পাশ করেন। এর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে সাম্মানিক স্নাতক তাঁর প্রথম প্রকাশিত কিশোর গল্প ‘বন্ধু’, ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ পত্রিকায়। প্রথম উপন্যাসের নাম ‘যাবজ্জীবন’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমির ‘উত্তরাধিকার’ সাহিত্য পত্রিকায়। তিন পর্বে তাঁর দীর্ঘ ‘নূরজাহান’ উপন্যাসটি কালজয়ী সাহিত্য হিসেবে গণ্য। ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে দেশবিদেশের নানা পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে তাঁর ‘নূরজাহান’ উপন্যাসের জন্যে পেয়েছেন ভারতের আই আই পি এম সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার। কাজী মাহবুবউল্লাহ পুরস্কার ২০১৮, আই এফ আই সি ব্যাঙ্ক সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ এবং ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে পেয়েছেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘একুশে পদক’। ২০১১ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময় থেকে ২০২১ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক কালের কণ্ঠ’-এর সম্পাদক ছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় তিনশোটি। তিনি ভারতসহ জার্মানি, ইংল্যান্ড, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, নেপাল, সিঙ্গাপুর ও তাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছেন।
বিফলে মূল্য ফেরত
অমিতাভ গুপ্ত
প্রচ্ছদশিল্পী : রোকু
বিহেভিয়রাল ইকোনমিক্স নিয়ে অমিতাভ গুপ্তর নিবন্ধ সংকলন।
বিষয় কার্টুন : কার্টুনিস্ট কুট্টি সংখ্যা
প্রচ্ছদ : কামিল দাস
‘বিষয় কার্টুন’ পত্রিকার পয়লা সংখ্যা কার্টুনিস্ট কুট্টিকে নিয়ে ২০০৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সংখ্যাটি কার্টুনপ্রেমী পাঠকদের কাছে প্রসংশিত হয়েছিল। দীর্ঘ বছর হারিয়ে যাওয়া সেই সংখ্যাটি বই আকারে ফিরিয়ে নিয়ে এল ‘বুক ফার্ম’।
১৯৬০-৮০-র সময়কালে কুট্টির কার্টুনের সঙ্গে ঐকান্তিক সম্পর্ক ছিল ‘আনন্দবাজার’ ও ‘আজকাল’ সংবাদপত্রের পাঠকদের। সেই কার্টুনের নির্বাচিত নিদর্শন সহ এই বইতে রয়েছে তঁার জীবনের বিচিত্রকথা ‘কুট্টি কাহিনি’, কুট্টির দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর লেখা, শিল্পী দেবব্রত ঘোষ, লেখক অনুক্ত বর্মণ, প্রদীপ পারেখ ও সম্পাদক বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায়ের মূল্যায়ণ। কুট্টির কার্টুনের সঙ্গে নানাস্বাদের এই লেখাগুলিও পাঠকদের মনোরঞ্জন করবে নিশ্চিত ভাবেই।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debasree Chakraborty
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
বিশ্বম্ভর নিমাঞ্জির অন্তর্ধান
বিশ্বসাহিত্য কমিকস খন্ড ৩
গৌতম কর্মকারের চিত্রনাট্য ও ছবিতে
‘বিশ্বসাহিত্য কমিকস ৩’ ছয়টি সুবিখ্যাত গল্প উপন্যাসের চিত্রসম্ভার। বিষয়বৈচিত্র্যে এবারের সংকলনটি অনন্য। গহন অরণ্যে হস্তিযূথের তাণ্ডব, উল্কার পিঠে মহাজাগতিক অভিযান, প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে নির্জন দ্বীপে বেঁচে থাকার লড়াই, সঙ্গে ভবিষ্যত পৃথিবীর দুঃস্বপ্নময় চালচিত্র। আছে বাস্তবের আগুনে দগ্ধ এক অখ্যাত কর্মীর করুণ জীবনকথা। দুই মলাটের অভ্যন্তরে তুলির ছন্দে সেজে উঠেছে বিশ্ববরেণ্য সাহিত্য কীর্তিগুলি। দুই যুগ ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত গৌতম কর্মকারের হারিয়ে যাওয়া সৃষ্টিগুলি নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে পেরে আমারা খুশি।
বর্ষীয়ান শিল্পী গৌতম কর্মকার পেশায় চিকিৎসক, দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর কমিক্স নিয়ে কাজ করে চলেছেন। তাঁর অসংখ্য কাজ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
বর্তমান গ্ৰন্থে বিশ্বসাহিত্যের পাঁচটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের এবং একটি চার পাতার কমিক্স দেওয়া হল।
সূচিপত্র :
১. হৈটি টৈটি (আলেকজান্দর বেলায়েভ)
২. ধূমকেতুর সওয়ার (জুল ভের্ন)
৩. ব্ল্যাক ডায়মন্ডস (জুল ভের্ন)
৪. ঘুম যখন ভাঙলো (এইচ জি ওয়েলস)
৫. ওভারকোট (নিকোলাই গোগোল)
৬. প্রবাল দ্বীপ (আর এম ব্যালেনটাইন)
Weight
0.7 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Language
Bengali
Publisher
Biva Publication
Publishing Year
2026
Binding
Paperback
বই চিত্রে গণেশ পাইন
গণেশ পাইনের অলংকরণ
সমীর ঘোষ
প্রচ্ছদ – অরিন্দম নন্দী
শিল্পী গণেশ পাইনের ছবির প্রধান আকর্ষণ দৃশ্যগ্রাহ্য বাস্তবতার সঙ্গে অপার রহস্য ও ইঙ্গিতময়তা। রঙের স্তরে স্তরে আলো-আঁধারি মায়া, সূক্ষ্ম রেখার বুনোট বিস্তার- তারই সঙ্গে বিস্ময়কর অন্তঃপ্রবাহী ব্যঞ্জনা।
যে ছবির জন্য গণেশ পাইনের শিল্পী-স্বীকৃতি- তার পাশে ধারাবাহিক গ্রন্থচিত্রণ, বিচিত্র শৈলী প্রয়োগে বিশিষ্ট। বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কখনো স্বপ্নমেদুর রূপকল্প নির্মাণ, কখনো প্রাচীন ভারতীয় ভাস্কর্যের শৈলীর নিপুণ প্রয়োগ, আবার তথ্য অনুসারী অলংকরণে মিশে আছে গণেশ পাইনের শ্রমসাধ্য নিরীক্ষা, প্রগাঢ় প্রজ্ঞা এবং আন্তরিকতার চিহ্ন।
গণেশ পাইনের স্বীকৃত ছবির পাশে গ্রন্থচিত্রণ অনেকাংশেই উপেক্ষিত। আলোচনায় কিংবা শিল্পের মূল্যায়নে অলংকরণ তেমন গুরুত্ব পায় না।
এই প্রথম গণেশ পাইনের গ্রন্থচিত্রণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সঙ্গে বহু সংখ্যক দুর্লভ অলংকরণের নমুনা নিয়ে গ্রন্থপকাশ- বলা যায় ব্যতিক্রমী প্রয়াস।
বোমার যুগের কাহিনী : বিজলী পত্রিকায় প্রকাশিত
(বিপ্লবী গ্রন্থমালা)
বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
সংকলক : জয়ন্তী মুখোপাধ্যায়
বঙ্গদেশে যেসব ধান জন্মায়, সেসব ধানের আদ্যন্ত বিবরণ বা বর্ণনা, পরন্তু ধান-চালের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কযুক্ত আলোচনা এই গ্রন্থখানির মূল বিষয়। এককথায় ‘বঙ্গে চালতত্ত্ব’ গ্রন্থটিকে ধান এবং চাল কারবারের সহায়ক অমূল্য গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হয় না। ‘সংজ্ঞা ও পরিভাষা’-র মধ্যে ধান এবং চালের বিভিন্ন ভাষার নামও পাঠকদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে।
সুন্দরবনের প্রতিদিনের লড়াই,বিশ্বাস আর স্বপ্নপূরণের রূপকথা নিয়ে বনবিবির পালা মানুষের রক্ত-ক্লেদময় লড়াকু জীবনযাপনের প্রতীক।
দোকানের পণ্য পসরার বিজ্ঞাপন সংবলিত পুস্তিকা প্রকাশিত হত সে-সময়। তা ছাড়াও পঞ্জিকার পাতায় পাতায় থাকত বিজ্ঞাপন। তা-ই এই বইয়ের মূল উপাদান। আলোচ্য দোকানদারি ‘ঔষধ-আতর-তৈলাদি’।”
বইয়ে এই প্রসঙ্গেই তখনকার সমাজ, স্বাস্থ্য, যৌনতা, লেখাপড়া, শ্রীলতা-অশ্লীলতা এবং স্বামী-স্ত্রী’র সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ের নিরিখে বিজ্ঞাপন এবং পণ্য পসরাকে দেখা হয়েছে।
সামাজিক অবস্থা এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ঔষধ-আতর-তৈলাদি’র কারবার চলেছে, তারই এক কৌতুকপ্রদ বিবরণ রয়েছে এই বইয়ে।
বিচার-বিশ্লেষণ ও প্রতিপাদ্যের ক্ষেত্রে অহেতুক গাম্ভীর্য কিংবা অকারণ লঘুতার আশ্রয় নেওয়া হয়নি। বলার কথা আরও এই যে, কোনও ধরনের মরালিটি নজু কেবল রিয়েলিটির প্রেক্ষিতেই বিষয়গুলিকে দেখা হয়েছে।
Author : DIPANKAR PARUI
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বৌদ্ধ ধর্মের ইতিবৃত্ত
ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতির উপর বৈদিক সংস্কৃতির ও বেদান্ত দর্শনের প্রভাব পড়েছে। তবে তুলনায় বাঙালি জীবনে বেদ-নির্ভর সংস্কৃতির প্রভাব খুব বেশি নেই বলে মনে করেছেন নৃতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব, ইতিহাস ও সাহিত্যের গবেষকগণ। তাঁদের অভিমত আর্যভাষাভাষী আদি-নর্ডিক গোষ্ঠীর রক্তপ্রবাহ ও সংস্কৃতি বাঙালির সমাজ জীবনে ও সমাজ সংগঠনে এত ক্ষীণ যে, বাংলা দেশের ব্রাহ্মণদের মধ্যে খুব সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ সত্ত্বেও সহসা ধরা পড়ে না। বরং আদি অস্ট্রেলয়েড গোষ্ঠী, অ্যালপাইন গোষ্ঠী এবং দ্রাবিড় সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে যথেষ্ট। ধর্ম-সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির সঙ্গে বৌদ্ধ, জৈন, ব্রাহ্মণ্য ধর্মনীতি ও দর্শনের সংমিশ্রণে বাঙালি জাতির মানসলোক গড়ে উঠেছে। যদিও সেন বর্মন আমল থেকে স্মার্ত পণ্ডিতদের নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত সমাজব্যবস্থা, ধর্মাচরণ বাঙালি হিন্দুধর্মের মানুষের সমাজজীবন ও সাহিত্যকে নিয়ন্ত্রিত করেছে। সমগ্র মধ্যযুগ জুড়ে সেই নিয়ন্ত্রণ কখনও দৃঢ় হয়েছে, আবার কখনও শিথিল হয়েছে। কিন্তু তারও আগে বৃহত্তর বঙ্গদেশে (অঙ্গ, বঙ্গ, পুণ্ড্র, সমতট, গৌড়) দীর্ঘকাল ধরে প্রবহমান পুরাতন সংস্কৃতির প্রভাব যেমন পড়েছিল, তেমনি প্রায় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বৌদ্ধধর্ম ও বৌদ্ধ-সংস্কৃতির যথেষ্ট প্রভাব পড়েছিল বাঙালি জনমানসে। প্রাচীন-মধ্যযুগের বাংলার সমাজ ও সাহিত্য সেই প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেনি। সমাজে তো বটেই; সাহিত্যের গভীরেও রয়ে গেছে সেই প্রভাব।
সম্রাট নেপোলিয়ার বাহিনীর প্রাত্তন যোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেরার, জীবনের সায়াহ্নে সান্ধ্য আসরে বসে শোনান তাঁর বীরত্বগাথা। আত্মগৌরবে পূর্ণ এসব কাহিনিতে ফুটে ওঠে একসময়ের উত্তপ্ত রক্তের উদ্দীপনা এবং তাঁর রমণীমোহন ব্যক্তিত্বে আকৃষ্ট অসংখ্য তৃষিত হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা। এই মোহনীয়তা ও বীরত্বে তিনি সম্পন্ন করেছিলেন বহু দুঃসাধ্য কর্ম। সম্রাট নেপোলিয় স্বয়ং তাঁর কর্মগুণে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ওয়াটারলু অভিযান এবং সেন্ট হেলেনা থেকে উদ্ধারের মতো বিপজ্জনক অভিযানে প্রেরণ করেন।
স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের সৃষ্ট এই চরিত্র সম্পর্কে ডয়েল-বিশেষজ্ঞ আওয়েন এডওয়ার্ডস বলেছিলেন, “এত সমৃদ্ধ ইতিহাসভিত্তিক ছোটোগল্প আর কখনও লেখা হয়নি।”
দক্ষ অথচ সরলমনা এই দেশপ্রেমিককে ঘিরে রচিত গল্প ও নাটক প্রথমবার একত্রিত হয়েছে, যেখানে রয়েছে প্রয়োজনীয় টীকা, দুষ্প্রাপ্য অলংকরণ এবং অসংখ্য ছবি।
বৃক্ষমানুষের ছায়া
দুর্লভ সূত্রধর
অলংকরণ : অদ্বয় দত্ত
প্রচ্ছদ : সৌজন্য চক্রবর্তী
বাজারে আগুন— আগুন মানুষের জীবনেও। শূন্য খেলার মাঠ, সারাদিন ভারী ব্যাগ পিঠে টিউশনে টিউশনে ছেলেমেয়েদের দৌড়াদৌড়ি, অনবরত প্যাঁচ-পয়জার ও রিপুল্লাসে স্বজন-বন্ধুকে পরিঘাত, গা-জোয়ারি মাৎস্যন্যায় গ্রাসিত হাটবাজার, প্রান্তজনের প্রাত্যহিক শোচনীয় আত্মঘাত, একটি জনপদের ভুলে যাওয়া উত্তরাধিকার আর গৌরবের ব্যর্থ ইতিহাস— গৌর আর সুনন্দর মতো মানুষের অন্তর্গত পরিশীলনকে বিচলিত করে। জনপদে হঠাৎ গজিয়ে ওঠে মেঘভেদী মন্দির, ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলা আচার-বিচারের অতিলৌকিক কোলাহল ঘনিয়ে তোলে বিষণ্ণতার মেঘ।
উত্তরণের উপায় কি লেখা আছে আমাদের বিস্মৃতপ্রায় প্রতিরোধ ও প্রগতির তামাদি ইতিহাসে? সৌহার্দ্যের সুবাতাসে এখনও কি জন্ম হতে পারে রূপকথার?
বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত : ইতিহাস কিংবদন্তী স্থাপত্য
শ্যামল কুমার মুখোপাধ্যায়
বীরভূমি বুন্দেলখন্ড। লোককথা, হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস অনুপম নৈসর্গের পটভূমিতে রচিত প্রাচীন দুর্গ, প্রাসাদ, দেবদেউলের অপরূপ শিল্প সম্ভার সব মিলিয়ে বুন্দেলখন্ডের আকর্ষণ অমোঘ, অপ্রতিরোধ্য। একদিকে এই ভূখণ্ডের রণনিপুণ রণনায়কদের রণক্ষেত্রে রক্তের অক্ষরে রচিত জীবনগাথা, অন্যদিকে আবার তাদেরই পাথরের বুকে রেখে যাওয়া ঈশ্বরদত্ত শিল্পচেতনার উত্তরাধিকার আর এই সবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নানা লোকগাথা সব নিয়েই এই বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত।
সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীর সহিত আমার প্রথম পরিচয় হইয়াছিল সন তেরশ’ একত্রিশ সালে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলি শেষ করিয়া সবেমাত্র বাহির হইয়াছি। পয়সার বিশেষ টানাটানি ছিল না, পিতৃদেব ব্যাঙ্কে যে টাকা রাখিয়া গিয়াছিলেন, তাহার সুদে আমার একক জীবনের খরচা কলিকাতার মেসে থাকিয়া বেশ ভদ্রভাবেই চলিয়া যাইত। তাই স্থির করিয়াছিলাম, কৌমার্য রত অবলম্বন করিয়া সাহিত্যচর্চায় জীবন অতিবাহিত করিব। প্রথম যৌবনের উদ্দীপনায় মনে হইয়াছিল, একান্তভাবে বাগ্দেবীর আরাধনা করিয়া বঙ্গ-সাহিত্যে অচিরাৎ যুগান্তর আনিয়া ফেলিব। এই সময়টাতে বাঙালীর সন্তান অনেক ভাল স্বপ্ন দেখে, যদিও সে-স্বপ্ন ভাঙিতেও বেশি বিলম্ব হয় না।
কিন্তু ও কথা যাক। ব্যোমকেশের সহিত কি করিয়া পরিচয় হইল এখন তাহাই বলি।
যাঁহারা কলিকাতা শহরের সহিত ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত, তাঁহাদের মধ্যেও অনেকে হয়তো জানেন না যে এই শহরের কেন্দ্রস্থলে এমন একটি পল্লী আছে, যাহার এক দিকে দুঃস্থ ভাটিয়া-মাড়োয়ারী সম্প্রদায়ের বাস, অন্য দিকে খোলার বস্তি এবং তৃতীয় দিকে তির্যকচক্ষু পীতবর্ণ চীনাদের উপনিবেশ।
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্য সাহিত্যের বৈশিষ্ট্যগুলির একটি হল কাহিনির প্রতি স্তরে আর ভাঁজে সুক্ষ্ম রসবোধের ছোঁয়া দিয়ে রাখা। ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে লেখা গল্প-উপন্যাসের সেই বিষয়টির খোঁজ করা হয়েছে এই বইতে। একই সঙ্গে ব্যোমকেশ এবং অজিতের চরিত্রেও শরদিন্দু আরোপ করেছেন আশ্চর্য মূল্যবোধ এবং জীবনরস সন্ধান আর আস্বাদনের মানসিকতা। এই বইতে আলোচিত হয়েছে সেই বিষয়টিও।
জীবনরসিক ব্যোমকেশ বক্সীর মানবিক মূল্যবোধ আর কাহিনিতে প্রচ্ছন্ন ও প্রকট হয়ে থাকা হাস্যরসের সন্ধানে এই বইয়ের আলোচনাও এক ধরনের সত্যান্বেষণ।
রোম মানে কেবল জুলিয়াস সিজার নয়, ব্রুটাস বা মার্ক অ্যান্টনি নয়। নয় মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার শাসন-কাহিনি। নয় আবার নিরো বা ক্যালিগুলা। আবার এদের বাদ দিয়েও হয় না রোমের ইতিহাস। সঙ্গে যুক্ত হবে প্রথম রাজতন্ত্রের যুগের মিথ-মিশ্রিত নানান কাহিনি।
কীভাবে তিলে-তিলে রাজতন্ত্র পরিণত হল প্রজাতন্ত্রে এবং পাঁচশো বছর বাদে আবার প্রজাতন্ত্র নষ্ট হয়ে ফিরে এল সম্রাটদের শাসন— চমকপ্রদ এই ইতিহাসের অধ্যায় নিয়ে আমাদের যাত্রা।…
পেশায় সাংবাদিক হলেও কলকাতার ইতিহাস নিয়ে লেখকের চর্চা দীর্ঘদিনের। সংবাদপত্র ছাড়াও বিভিন্ন সাময়িকপত্র ও বৈদ্যুতিন মাধ্যমে লেখকের কলকাতা সম্পর্কিত যে সমস্ত রচনা প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোর থেকে বাছাই করা কিছু নিবন্ধ নিয়ে এই বই।
কলকাতার আদি ইতিহাস থেকে আরম্ভ করে, এই শহরের নামকরণ, উল্লেখযোগ্য কিছু রাস্তার নামের ইতিহাস, রাইটার্স বিল্ডিংস, টাউন হল, নদীয়া হাউস, কলকাতার ব্যাপটিস্ট মিশন প্রেস-সহ শহরের স্বনামধন্য বেশ কিছু বাড়ির কথা ছাড়াও রয়েছে কলকাতা শহর গড়ে ওঠবার সময়কালের বিচিত্র সব কাহিনি। শুধু রাস্তা আর বাড়ির কথাই নয়, এই বইতে রয়েছে স্বদেশি আন্দোলনের প্রেক্ষিতে লেখা একাধিক নিবন্ধও। আশা করা যায়, কলকাতা শহরের ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী পাঠকদের অনেক কৌতূহল মেটাতে পারবে এই বই।
বুড়ি কলকাতার তন্বী রূপের প্রেমে পড়েছি কবে‚ আজ আর তা মনে পড়ে না‚ শুধু জানি এই শহর এক স্বভাব জাদুকরী,কারণ‚ এই তিনশো বছরের শহরের অলি গলি রাস্তাঘাট দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কখন যেন চোখের সামনে ঝলসে ওঠে এক ক্যালাইডোস্কোপ‚ যেখানে একদিকে মাথা তোলে নন্দরামের মন্দির‚আর একদিকে বাংলার গ্যারিক‚ ওই ভেসে আসে নবাব ওয়াজেদের লখনৌ বিরিয়ানির খুশবু‚ আর তার সাথেই চিৎপুরের আতরওয়ালাদের আতরের অলৌকিক সুগন্ধ। উত্তরের এঁদোগলিতে শুনতে পাই গান বাঁধছেন সলিল চৌধুরী‚ আবার দক্ষিণে সারারাত দরজা খুলে বসে থাকে এক ওষুধ-দোকান‚ নাম‚ বাথগেট। ময়দানের সন্ধ্যায় গোলের চিৎকার মিলিয়ে যেতে যেতে ছলকে ওঠে চিকেন স্ট্যু আর মধ্যরাতের পার্ক স্ট্রিটের মায়া-সরণিতে জেগে ওঠেন পাম ক্রেইন আর উষা আইয়ার। আমরা হাঁটতে থাকি‚ আমাদের সঙ্গে হাঁটেন রবীন্দ্রনাথ‚ জীবনানন্দ‚ শক্তি, সুনীল‚ সত্যজিৎ। দক্ষিণের দেব বর্মনদের গানবাড়ির সঙ্গে উত্তরে পাথুরেঘাটার জ্ঞান গোঁসাই মিয়াঁ-কি-মলহারে সুর তোলেন‚ আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি এই শহরের অলি গলি পাকস্থলিতে‚ যে শহরের নাম ছিল ক্যালকাটা।
খুনি যেখানে নিজে থেকে এসে আত্মসমর্পন করল, সেখানে কেন একটাও সাক্ষ্য-প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেল না? আর কেনই বা বারবার ঘুরে ফিরে আসতে লাগল অতীতের এক ভয়াবহ ঘটনার উল্লেখ। সে কি পাগল? পাগল হলে এত হিমশীতল মস্তিষ্কের অধিকারী সে হয় কী করে? সে যেন আগে থেকেই জানে একটু বাদে কী ঘটতে চলেছে। ঠিক যেন দাবার বোর্ড সাজিয়ে বসেছে সে। একটা চাল এদিক ওদিক হলেই কিস্তিমাত…
‘ক্যারাভান’ নামক জনপ্রিয় গ্রাফিক নভেলের ঘটনার ঠিক পরেই শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায় ‘ক্যারাভান: প্রতিশোধ’। প্রতিশোধ ও পরিত্রাণের এক রুদ্ধশ্বাস গাথা বলবে এই কাহিনি। আসিফ ও দুর্গা রক্তলোলুপ ভ্যাম্পায়ারদের ভয়ঙ্কর আক্রমণ থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা বুঝতে পারে— সব বিপদের কারণ অতিপ্রাকৃত নয়, কিছু ভয়ের উৎস আসলে মানুষই। ‘ক্যারাভান প্রতিশোধ’ হল ক্যারাভান মহাগাথার শেষ অধ্যায়— পরিণতির আখ্যান।
ছবিওয়ালার গল্প
অশোক মজুমদার
‘দেখতে হয় নইলে চোখ বন্ধ করে থাকতে হয়’।
এই ট্যাগলাইন যে বাঙালি চিত্রসাংবাদিকের জন্য একমাত্র প্রযোজ্য, তিনি অশোক মজুমদার । বর্ষীয়ান, জনপ্রিয় ও তুমুল প্রতিভাবান এই শিল্পীর লেন্সে ধরা দিয়েছেন ইন্দিরা গান্ধী থেকে বারাক ওবামা; অমর্ত্য সেন থেকে স্টিভেন স্পিলবার্গ; পাশাপাশি ধরা পড়েছে রোজকার মানুষের দৈনন্দিন ওঠাপড়া ও বঙ্গজীবনের সামগ্রিক চালচিত্র । চল্লিশ বছরেরও বেশি সময়জুড়ে তোলা ১০১ টি বাছাই ব্যক্তি ও ঘটনার ছবি ও সেই ছবি তোলার গল্প ও অভিজ্ঞতা একত্রিত করে প্রকাশ পাচ্ছে ছবিওয়ালার গল্প । সম্পূর্ণ রঙিন, বিদেশি আর্ট পেপারে ছাপা প্রায় ৫০০ পাতার এই অদ্বিতীয় সংকলন বঙ্গজীবনের সাম্প্রতিক ইতিহাসের জীবন্ত দলিল।