Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
Klanto Uter Cholachol
Prithwi Basu
ক্লান্ত উটের চলাচল
Mandas
Bengali book
Bar Bar Mager Muluk
By Biswajit ray
Mandas
পটকথা
মনুষ্য সমাজ গঠনে নারী-পুরুষ সৃষ্টির কথায় মনু তাঁর সংহিতায় (১৩২) লিখেছেন—’স্রষ্টা নিজের দেহ দ্বিধা বিভক্ত করে অর্থভাগে পুরুষ হলেন, অপর অর্ধে নারী হলেন। প্রথম দিকে সন্তান জন্ম বিষয়ে – পুরুষ কার কী ভূমিকা তা মানুষ বুঝে উঠতে পারেনি। মানুষ গোষ্ঠীবদ্ধ হল। গোষ্ঠী বা কৌম ভেঙে যখন পরিবারের সূচনা হয় তখন নারীর উপর পুরুষের স্বত্বাধিকার সমাজ মেনে নেয়।
একটা সময় ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র এই বর্ণে বিভক্ত করা হয়। কর্মানুসারে। ‘ব্রাহ্মণদের জন্য অধ্যাপনা, অধ্যয়ন, যজন যাজন, দান ও প্রতিগ্রহ’ এবং ‘ক্ষত্রিয়ের কর্ম লোকরক্ষা, দান, যজ্ঞ, অধ্যয়ন’ ও “বৈশ্যের কর্ম পশুপালন, দান, যজ্ঞ, অধ্যয়ন, সুদে অর্থ বিনিয়োগ ও কৃষিকর্ম বলা হয়েছে। শূদ্রের কর্মের কথা বলা হয়েছে— তা হল এই সকল বর্ণের অসুয়াহীন সেবা করা’ (মনুসংহিতা ১/৮৮/১১)।
সমাজবন্ধনকে দৃঢ় রাখতে সামাজিক নিয়মে বলে দেওয়া হয়েছিল। “কোনো বর্ণের পুরুষ অন্য বর্ণের স্ত্রীকে বা এক বর্ণের স্ত্রী অন্য বর্ণের পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না।’ কিন্তু কাম এত প্রবল যে তা আইন করে রক্ষা করা যায়নি। মনু তাঁর সংহিতায় (২/২১৫) জানিয়ে রেখেছেন, ‘মা, বোন বা মেয়ের সঙ্গে শূন্য গৃহাদিতে পুরুষ থাকবে না। শক্তিশালী ইন্দ্রিয়সমূহ বিদ্বান লোককেও বশীভূত করে।’
এই সূত্রে মনে করা যেতে পারে ঋগ্বেদে (১০/৬১/৫, ৭) নাভানেদিষ্ট সূক্তের পিতা-কন্যার অবৈধ সম্পর্ক। ঋগ্বেদে (১০/১০) যম-যমী সংবাদ সূক্তের বিষয় ভাই-বোনের মধ্যে সম্পর্ক। পুরুষের নারীর খোলাখুলি যেমন ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে (ঋগ্বেদ ৭/৮০/২), তেমনি সূর্য ঊষার উপপত্তি ‘জারোন’ বারে বারে ব্যবহৃত অংশ থেকে প্রণয়ের চিত্র বহুবার পাওয়া গেছে। ঋগ্বেদে (৭/৫৫/৫-৮) নারী হরণের উল্লেখ রয়েছে, জনৈক পুরুষ প্রেমিকাকে সময় প্রার্থনা করে সমস্ত পরিবার ঘুমে ঘুমিয়ে পড়ে। কুকুরগুলো পর্যন্ত ঘুমিয়ে যাতে সে নির্বিঘ্নে প্রেমিকাকে নিয়ে পালাতে পারে।
বৈদিক পুরুষের অধিকার ছিল একাধিক পত্নী এবং অসংখ্য উপপত্নী রাখা এবং গণিকার কাছে যাবার, স্ত্রীর উপপত্তি রাখার অধিকার ছিল না। উপপতিকে ধ্বংস করার জন্য উপাচার ক্রিয়ার বিধান দেওয়া বৃহদারণ্যক উপনিষদে (৪/৪/১২)। সময় নারীকে রাখা যেত, কেনা যেত, করা যেত, হলেও তখন যৌতুক হিসেবে নারীকে দেওয়া আবার উপহার হিসেবে যেত। উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণদের সবরকম বিধবাবিবাহ ও বহুবিবাহ করার যে অধিকার পেয়েছিল তা পরে হারিয়েছে। আর্যেরা যখন কৃষিজীবী হয়ে পড়ে, তখন জীবন সম্বন্ধে তাদের একটা নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সৃষ্টি হয়। তাঁরা বললেন নারী হল ক্ষেত্র, আর
পুরুষ তার মধ্যে বীজ বপন করে। মনু যখন সংহিতা রচনা করেন
তখন তিনিও সেই কথাটিই বলেন এভাবে— ‘নারী ক্ষেত্রস্বরূপ, পুরুষ
বীজস্বরূপ। ক্ষেত্র ও বীজের মিলনে সকল দেহীর উৎপত্তি হয়’ (৯/৩৩)। নারীকে ক্ষেত্ররূপে বর্ণনা করে একই সঙ্গে ব্যভিচারের তথ্যকে জুড়ে দেন এভাবে— ‘এক বীজ যখন উপ্ত করা হয় তখন তাতে অন্য শস্য জন্মে না। যার বীজ উপ্ত হয়, তাই জন্মে’ (৯/৪০)। সুতরাং ‘প্রাজ্ঞ, শিক্ষিত, জ্ঞানবিজ্ঞানজ্ঞ, দীর্ঘায়ুকামী ব্যক্তি কর্তৃক পরস্ত্রীতে বীজ কখনও উপ্ত হওয়া উচিত নয়’ (৯/৪১)। ‘যারা ক্ষেত্রস্বামী নয়, বীজের মালিক, তারা পরের ক্ষেত্রে বীজবপন করলে উৎপন্ন শস্যের মালিক হয় না’ (৯/৪৯)। যেমন অন্যের গাভীতে একশো বাছুর উৎপাদন করলেও সেই বাছুরগুলি গাভীর মালিকেরই হয়। বৃষ স্বামীর নয়। বৃষের যে তা বৃষ স্বামীর পক্ষে নিষ্ফল’ (৯/৫০); ‘তেমনি স্ত্রীর স্বামী-ভিন্ন ব্যক্তি পরস্ত্রীতে বীজবপন করলে যার বীজ সে ফল লাভ করে না’ (৯/৫১); ‘জলের ঢেউ ও বায়ু দ্বারা চালিত বীজ যার ক্ষেত্রে অঙ্কুরিত হবে, সেই বীজ ক্ষেত্রস্বামীরই হবে, বপনকারী ফললাভ করে না’ (১/৫৪)।
ক্ষেত্র-নারী, ক্ষেত্রের ফসল অর্থাৎ অবৈধ সন্তানের মালিকানা ক্ষেত্রস্বামী হিসেবে নারীর। তাই ব্যভিচারের ক্ষেত্রবীজের ফসল দিয়েই পৃথিবীর আদিমতম নতুন সংসার তৈরি হয়ে ছিল—নাম বেশ্যালয়।
ঋগ্বেদ থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত যৌনতা ব্যভিচার নিয়ে তৈরি হয়েছে নানান শব্দ, সম্ভবত সেই সংখ্যা আজ পর্যন্ত একত্রে প্রকাশিত হয়নি, হয়তো বা সেভাবে উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। আমরা শুধুমাত্র বৈদিক-যৌনতা বিষয়ের (প্রাচীন সাহিত্যে যৌনাচার বিষয়ক কিছু শব্দ, বর্তমান সময়ের আনোনদোবাজারের অর্থাৎ যেখানে মানুষ আনন্দ করতে আসে, সেই নিষিদ্ধপল্লির কিছু শব্দ এবং সংসার জীবনের যৌনতাবিষয়ক শব্দ নিয়ে তৈরি এই শব্দকোষটি।
অনন্যা দাস বাংলা ভাষায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ পত্রপত্রিকার নিয়মিত লেখক। বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় সৃজনশীল রচনার সঙ্গে তিনটি। ভাষাতেই পারস্পরিক অনুবাদের কাজ করেন। বর্তমানে স্বামী ড. অরুণাংশু দাশ-এর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় বসবাস করেন এবং পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত ।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manas Bhandari
Weight – 0.2kg
Binding – Hard Bound
কলেজস্ট্রীট কফি হাউস
ফেলে আসা সময়ের কলকাতা নিয়ে নতুন করে আবার একটা বই, মানেই সেখানে নতুন তথ্য এসেছে, এমন নয়। বরং নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনাকে বিশ্লেষণ, বর্তমান সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা এই বই। চটজলদি যোগাড় করে পরিবেশন করা তথ্য নয়, পুরোনো সময়ে লেখার নতুন করে টিপ্পনি করাও নয়, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অতীতকে ফিরে দেখা, অল্প আলোচিত কিছু টুকরো ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার চেষ্টা এটি। ইতিহাস যে শুধু ফিসফিস করে কথা বলে না, বর্তমান সময়ের নিকটতম প্রতিচ্ছবি হয়ে বিরাজ করে, সেকথা প্রমাণের চেষ্টাও রয়েছে অবশ্য। কলমের গুণমান কিংবা মসৃণ পাঠের আগাম নিশ্চয়তা না থাকলেও, পাঠকের কৌতূহল বাড়ানোর গ্যারান্টি থাকছেই
সুপ্রাচীন কাল থেকেই ভারতবর্ষে কৃষ্ণ উপাসনার ধারা প্রচলিত।কৃষ্ণবাদের উৎপত্তি ও বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন মাধ্যমে কৃষ্ণের বিগ্রহ নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম দারুবিগ্রহ। অবিভক্ত বাংলার নানা অঞ্চলে কৃষ্ণের বিভিন্ন দারুবিগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু বিগ্রহের বয়স আনুমানিক পাঁচশো বছর। শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনের মাধ্যমে এই দারুবিগ্রহ নির্মাণের ধারা আরও বৃদ্ধি পায়। বর্তমান গ্রন্থটিতে বাংলার নানা প্রান্তের কৃষ্ণের বিচিত্র দারুবিগ্রহ ও তার ইতিহাসকে এক ভিন্ন সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অনুসন্ধান করার চেষ্টা করা হয়েছে।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Language
Bengali
Binding
Hardcover
Pages
367
Publisher
Tuli Kalam
Publishing Year
2025
Author : SriVijaychandra Majumder
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Author – Kanan Debi
Binding: Hard Board
ISBN: 978-81-93435-11-3
Pages: 67
কবি’র লোকসাধারণের কবিতার নতুন সংযোজন ‘আমরি বাংলা ভাষা’। এই সংকলনে উঠে এসেছে লোক সাধারণের বহুমাত্রিক জীবনের বহুবর্ণরঞ্জিত কথকতা। সংকলনে জায়গা পেয়েছে ২৩টি কবিতা। এর মধ্যে কবি’র জননন্দিত কবিতা ‘মৃণালের পত্র’ কে নিয়ে রয়েছে একটি শ্রুতিনাটক। কবি’র কলমে এই প্রথম কোনো কবিতা সংকলনে প্রকাশিত হল শ্রুতিনাটক। কবি এই প্রত্যয়ে গভীরভাবে বিশ্বাসী যে লোকসাধারণের কবিতা’কে কোনো দেশ কালের সংকীর্ণ গণ্ডীর মধ্যে আবদ্ধ করা যায় না। এর ব্যাপ্তি সর্বজনীন। তাই এই সংকলনে বাংলার লোকসাধারণের সঙ্গে রয়েছে সুদূর আমাজনের বৃষ্টি অরণ্যের পরিবেশ সংরক্ষণের আদিবাসী আন্দোলনের নেত্রী নেমস্তে নেঙ্কিমোর কথা, আছে এই উপমহাদেশের মরুপাহাড়ের মৃত্যুঞ্জয়ী কবি তরুণী নাদিয়ার কথা, আছে তৃতীয় বিশ্বের শিশুমুক্তির অধিনায়ক ইবাবুল মাসিন’কে নিয়ে লেখা ‘এক শ্রমিক শিশুর জবানবন্দি’। এই সংকলনে লোকসাধারণের বাঁচন লড়াইয়ের পাশাপাশি তাদের ভালোবাসাকেও অন্য এক মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন কবি। তাই ‘ছাড়বাড়’ কবিতায় কি অবলীলায় মেয়েটি বলছে, ‘আমার কাঠকুড়াতে বেলা গেল / ভাতখাওকী বেলা / আমার ভাত রাঁধতে বেলা গেল / ঘুঘু ডাকা বেলা / ও সোঁদাল ভোমারা রে….. আমার মাথার। কিরা বলি তোকে / …. তুই দেখা হলে বলে দিবি উহাকে / আমি শালবনে দড়ি লিব | তবু নাই দেখব সতীনকে / আমার ভালোবাসায় গড়া ঘরে। / আমি নাই দেখব সতীনকে।’
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
Brun sen
ISBN
9789392216930
Language
Bengali
Publisher
Mousumi
Publishing Year
2025
Bharatpathik Raja Rammohan Roy er ek mulyaban grantha…
আমাদের পূজা -পার্বণ অসংখ্য। স্থান বা অঞ্চলভেদে পার্বণের ভেদও রয়েছে। পূজা -পার্বণের উৎপত্তি ও প্রকৃতি না জানলে সঠিক ইতিহাস অজ্ঞাত থেকে যায়। লেখক এই গ্রন্থে সাবলীল ভাষায় কতকগুলি প্রসিদ্ধ পূজা -পার্বণের উৎপত্তি ও প্রকৃতি বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনা থেকে পূজা -পার্বণের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা সঠিকভাবে প্রতীয়মান হয়। স্মৃতি ও পুরাণের মাধ্যমে কি অপূর্ব কৌশলে আমাদের ইতিহাস জনসাধারণের মধ্যে প্রচারিত হয়ে চলেছে তা পাঠক এই গ্রন্থ পাঠে অবগত হবেন।
লোকায়ত উৎসবে – গাজনে – চড়কে -ষষ্টীতলায়- কাবায় শাক্ত পীঠস্থানে পাথরের অশেষ ভুমিকার কথা সর্বজন বিদিত। গীতা -চন্ডী- ভাগবত – উপনিষদ -রামায়ণ – মহাভারতের আলোকে অজস্র ছবির সঙ্গে দেবাত্মা পাথরের মধ্যে মানবত্ব বিশ্লেষণ।
বইয়ের কথা
দেবাঞ্জন প্রথম ভূতবাংলোটার কথা শুনেছিল এক ঝড়বৃষ্টির সন্ধেবেলা। ট্রেনে টাটানগর যাওয়ার পথে একজন বয়স্ক লোকের মুখ থেকে। লোকটা কথায় কথায় বলেছিল গোরুমারা জঙ্গলের গভীবে একটা ভাঙা বাংলো আছে। লোকে বলে ওটা ‘হান্টারসাহেবে ভূতব্যাংলো’। শুনেই দেবাংও ঠিক করল অয়নকে নিয়ে যে ভূষ দেখতে যাবে ওই বাংলোটায়। লোকটার মুখ থেকে শুনল, ওই বাংলোয় এখনও হান্টারসাহেবের ভূতের দেখা পাওয়া যায়। খুঁজতে-খুঁজতে লাটাগুড়িতে গিয়ে ওরা দেখা পেয়ে গেল মতিমুকুন্দ খটুয়ার সঙ্গে। গরুমারা জঙ্গলটা তার নখদর্পণে। যে গোরুমারা জঙ্গলের অনেক অজানা খবরও জানে। অন্ধকার ঘনিয়ে আসা এক বিকেলে দেবাংশু আর অয়ন মতিমুকুন্দর সঙ্গে একটা টোটোয় চড়ে চলল গোকুমারা জঙ্গলে সেই বাংলোর খোঁজে। তখন জঙ্গলের মাথায় রূপরূপ করে অন্ধকার নামছে। গভীর জঙ্গলে হান্টারসাহেবের সাদা ঘোড়া বিরহীর সমাধিটা পেথেতেই মতিমুকুন্দ বম মেরে দাঁড়িয়ে পড়ল। তারপর হাত তুলে অ্যাসবেস্টসের বড়-বড় ভাঙা জানলাওলা একচালা বাড়িটা দেখিয়ে ঘড়ঘড়ে বলব, ‘ওই হান্টারসাহেবের ভূতবাংলো’ তারপর।
লেখক পরিচিতি
রতনতনু ঘাটীর জন্ম ১৮৯৫৩ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুন মেদিনীপুরে। বাবা স্বর্ণত সন্তোষকুমার, যা সুভদ্রা। স্নাতকোত্তর পড়াশোনা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে আনন্দবাজার পত্রিকায় চাকরি। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে ‘আনন্দমেলা’ পত্রিকার সহ-সম্পাদকের। পদ থেকে অবসর গ্রহণ। একালের জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক। সত্তরটিরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে পনেরোটি কিশোরদের বই। ইংরেজি ও ওড়িয়া ভাষায় লেখা অনূদিত হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর লেখা ভুতের গল্প-উপন্যাস পাঠকদের মন জয় করেছে। ‘কমিকস দ্বীপে টিনটিন’ বইটির জন্যে শিশুসাহিত্যে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পুরস্কার’। পেয়েছেন দ্য এশিয়াটিক সোসাইটি অফ কলকাতা এবং পারুল প্রকাশনীর যৌথ ‘শিশুসাহিত্য পুরস্কার’, হলদিয়া পৌরসভার নাগরিক সংবর্ধনা। পেয়েছেন ‘আন্তজার্তিক রূপসীবাংলা পুরস্কার’, ‘নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী স্মৃতি পুরস্কার’, ‘মেদিনীপুর রত্ন সম্মান’ ছাড়া আরও অনেক পুরস্কার। এ পর্যন্ত লন্ডন, প্যারিস, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, ভেনিস, ইতালি, রোম, মাউন্ট তিতলিস, সুইজারল্যান্ড, আমস্টারডাম, ব্রাসেলস, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন।
‘টাপুর টুপুর’ শারদীয়া ১৪৩২। সম্পাদক, শ্রী মধুসূদন ঘাটী। দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদটি এঁকেছেন শিল্পী সুব্রত মাজি। থাকছে আমার গল্প : মিথ্যা বলার খেসারত…
এক সময় একদল আফগান এবং পাকিস্তানি শিখ পরিবার নিরাপত্তার খাতিরে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তারা ভেবেছিলেন এই দেশে নিরাপদের তারা বসবাস করতে পারবেন। কিন্তু ১৯৮৪ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয় ভারতবর্ষের ইতিহাসের এক লজ্জাজনক অধ্যায়। আজ ১৯৮৪ সর্দার গদ্দার হে এর এই পর্বে তুলে ধরেছি এরকমই এক শিখ পরিবারের কাহিনী।যারা ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান থেকে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কি হয়েছিল সেদিন?
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Panchkari Dey
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
রঘু ডাকাত
Publication -Shabdo Prokashon
Author – Tamoghna Naskar
Weight – 0.25kg
Binding – Hard Bound
ট্রু ক্রাইম
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Riju Ganguly
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
রহস্যময় দশ
অফিস ট্যুরে গিয়ে অনন্যর পরিচয় হল ঐশানীর সঙ্গে। ভীষণ মুডি আর অনেকখানি রহস্যে ঢাকা এক মেয়ে। অনন্য দূরে থাকতে চেয়ে গেছে প্রতিনিয়ত। ঐশানীকে বুঝতে চেষ্টা করে গেছে। তাকে বোঝা কি খুবই কঠিন? কলকাতা ফিরেই বা দুজনের কী হবে? মেঘছায়ে খুব কম একটা সময়ের গল্প। ওই কম সময়টুকুই অবশ্য মানবজীবনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সময়। দেখা যাক শেষ অবধি দুজনের কী হয়..
প্রেমিক একটা আদ্যন্ত হিন্দু – মুসলমান মানব মানবীর প্রেমের গল্প হতে পারতো। অথবা প্রেমিক একটা প্রেমের গল্পই।
করোনাকালের প্রেম। যে সময় সমস্ত দ্বন্দ্বের উপরে মনুষ্যত্বকে ঠাঁই দেওয়ার সময় এল, প্রেমিক সেই সময়ের গল্প। নাসিম একজন রেড ভলান্টিয়ার। করোনার সময় যখন প্রতিটা মানুষ, প্রত্যেকের থেকে দূরে চলে যাচ্ছে, নাসিমরা সেই সময় এগিয়ে এসে মানুষের পাশে দাঁড়ালো। কাউকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া, কাউকে অক্সিজেন দেওয়া, সেই সময়ে তারা কী করেনি?
রাত্রি বা নাসিমের কাহিনি কোভিডের কঠিনতম সময়ের কাহিনি। ওই সময়টাকে ধরার প্রয়াস রইল প্রেমিক উপন্যাসে।
অন্যায়ভাবে হত্যা করা হলো সোলায়মান খাঁ’কে। সুদূর তুরানে বিক্রি হয়ে গেল দুই নাবালক পুত্র। শস্যশ্যামলা বাংলা মায়ের কোল থেকে গিয়ে পড়ল তারা রুক্ষ পাহাড়ের মাঝে ঊষর প্রান্তরে। বালক থেকে কিশোর অবস্থা কাটিয়ে দাসজীবন গড়িয়ে চলে যৌবনের পথে। কে তাদের ফিরিয়ে এনেছিল? কীসের বিনিময়ে দাসজীবন থেকে মুক্তি পান তাঁরা? একজন বাংলার সেরা বীর হয়ে ওঠেন। মুঘল সাম্রাজ্যের সেরা সম্রাটের সাথে প্রথমে হয় শত্রুতার সম্পর্ক। ওদিকে পর্তুগিজদের আধিপত্য। তাদের শত্রু হবেন না বন্ধু হবেন ঈসা? সমসাময়িক ভূঁইয়ারা একজোট হতে পারলেন না কেন? কেদার রায় চাঁদ রায়ের সাথে জোট নষ্ট করার আড়ালে ছিল কোন নারী? সব ঘটনা, কল্পনার মিশ্রণে এগিয়ে গেছে এক কাহিনি। বহু মানুষের সংগ্রামের কাহিনি…
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Sankar Chaterjee
Weight – 0.16kg
Binding – Hard Bound
রহস্যময় মনেস্ট্রি
প্রণবেশ রায়, ওরফে পানু তাচ্ছিল্যে পেনো, চাপরাশি হয়ে পত্রিকার অফিসে ঢুকেছিল। পত্রিকার তৎকালীন কর্ণধারের দাক্ষিণ্যে সে সাংবাদিক বনে। পানু রিপোর্টার। কিন্তু স্নেহপরায়ণ মালিকের পুত্রের আমলে সে আর তেমন কল্কে পায় না। বর্তমান মালিক হাঁদু চক্কোত্তি তাকে একরকম বলেই দিয়েছে, যে ভাবেই হোক পত্রিকায় রকমারি ছন্দের কবিতা দিয়ে সে যদি তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পত্রিকাটিকে পরাস্ত না করে তাহলে তাকে এই সাধের চাকরিটির মায়া কাটাতে হবে।
হাঁদু চক্কোত্তি আবার ছন্দরসিক। কোত্থেকে একটা পুরনো বাংলা পুঁথি যোগাড় করেছে। তাতে আছে অজ্ঞাত কবিদের লেখা নানান ছন্দের কবিতা। পানুর ওপর ভার পড়ে সেই সব প্রাচীন কবিদের কুলুজী খুঁজে বার করার।
সেই কাজেই পানুর সঙ্গে দেখা হয়ে যায় এক মাথা পাগলা কিন্তু মস্ত গুণী কবির। চরিত্রটি সরাসরি যেন উঠে এসেছে হ-য-ব-র-ল থেকে। তাই সে কখন পেটুক রামু, কখনও ছাপোষা কেরানি, কখনও বা বার্নার্ড পঞ্চাশ, অসিতবরণ, ভোলা নর্তক কিংবা বীরপুরুষ সাহা। অন্তিম অবতারে সে নিত্য গোঁসাই। একই অঙ্গে এতো রূপ! তুখোড় ছান্দসিক ও ছড়াকার।
আসলে কে সে? সেটাই রহস্য। সেটাই ইতিহাস। সেই নিয়েই গল্প। পঞ্চাননমঙ্গলের মতো রুদ্ধশ্বাস না হলেও কাহিনীতে মজা আছে। সম্যক জানতে হলে বইটা পড়া দরকার।
শেষে যা হয় হোক, এই উপন্যাসে প্রাপ্তি শুধু সেটাই নয়। কাহিনী ছাড়াও পুরো আখ্যান জুড়ে এর ছড়িয়ে আছে অজস্র ছড়া। অসম্ভব নিপুণতায় ছড়াগুলো নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ছন্দে। ছন্দের দৃষ্টান্তরূপে গদ্যের মাঝে এলেও ছড়াগুলো কোথাও আরোপিত লাগে না। আর এগুলোকে মূলত ছড়া বললেও তার মাঝেই লেখক রেখে দিয়েছেন রামায়ণ, গীতগোবিন্দ, মেঘনাদবধ কাব্যের কিছু কিছু বাংলা ছন্দরূপ! যা অন্যান্য ছড়াগুলোর লঘুতা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আছে দৃষ্টান্ত দিয়ে ছন্দের প্রকরণ বোঝানো। অবশ্যই গল্পের মধ্যে, অ্যাকাডেমিক ক্লিষ্টটা নেই তাতে। অথচ গঠন দেখে বোঝা যায় তার পিছনে রয়েছে বিস্তর অধ্যয়ন। পণ্ডিত লোক পাঠ করলে নিশ্চয়ই বুঝবেন। ভুলভ্রান্তি আছে কিনা তাঁরাই বলতে পারবেন।
নিজের বাড়িতে হঠাৎ আত্মহত্যা করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি শুভময়।… ছুটি কাটাতে গিয়ে এক অদ্ভুত মানুষের মুখোমুখি হন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এক বড়োকর্তা।… অথর্ব হয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা এক বিস্মৃতপ্রায় তদন্তকারী হঠাৎই উধাও হয়ে গেলেন রাতারাতি।… কুলডিহার ঘন জঙ্গলে ঘটে চলেছে সন্দেহজনক কীর্তিকলাপ।… কীসের সংকেত দিচ্ছে আপাতদৃষ্টিতে কোনো যোগাযোগ না থাকা ঘটনাগুলো? এই বইয়ে কি এই ধাঁধার সমাধান সম্ভব?
/ নবরত্নের ‘এবং জলঘড়ি’ //
২০১৬ সালে নবরত্নের (ন’জন সম্পাদক) উদ্যোগে শুরু হয়েছিল চতুর্মাসিক বাংলা সাহিত্য পত্রিকা ‘জলঘড়ি’-র পথচলা। প্রকাশনার প্রথম সংখ্যা থেকেই সাহিত্যের নানা ক্ষেত্রের সাথে নির্দিষ্ট বিষয়কেন্দ্রীক ক্রোড়পত্র প্রকাশনাটিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। সম্ভবত নিবন্ধন সম্পর্কিত কারণেই ২০১৯ সালে ‘জলঘড়ি’ ‘এবং জলঘড়ি’তে রূপান্তরিত হলেও পত্রিকার প্রকৃতি এবং সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়ে যায়। কেবল বাড়তে থাকে বৈচিত্র্য আর আয়তন। এই পত্রিকার আর একটি বিশেষত্ব হল, নবরত্ন সম্পাদকমণ্ডলীর প্রত্যেক সদস্য এককভাবে অথবা যৌথভাবে চক্রবত প্রতিটি সংখ্যার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। স্বাগতা দাশ মুখোপাধ্যায় এবং মেঘ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত সপ্তম বর্ষ, প্রথম – দ্বিতীয় যুগ্ম সংখ্যা (ডিসেম্বর’২৪ – জুলাই’২৫)।
এই সংকলনে মনোরথ শর্মার বাছাই করা অনেকগুলি গল্প স্থান পেয়েছে। বেশির ভাগ গল্পে আছে ইতিহাসের ছোঁয়া। তবুও সেগুলি ঐতিহাসিক গল্প নয়। পাত্রপাত্রী স্থানকাল এসব আধুনিক। কাহিনির খাতিরে অনেকসময় গল্পের চরিত্রেরা ফিরে গেছে সুদূর অতীতে। তাদের কাছে লুপ্ত হয়ে গেছে স্থানকালের বিভেদরেখা।
তাতেই জমে উঠেছে গল্প। বাস্তব, অলীক, বিশ্বাস্য অবিশ্বাস্য ইত্যাদি নানান প্রেক্ষিতে বোনা হয়েছে কাহিনি। তাঁর বহু গল্পে আছে একধরনের মায়াবী জাদু-বাস্তবতা। বালক বালিকা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবার কাছেই তা আদরণীয় হয়ে ওঠে।
দামাস্কাসের ছুরির গল্পগুলি সববয়সের পাঠক পাঠিকার জন্য। মামুলী অলৌকিক গল্পের সঙ্গে তুলনা করলে এই গল্পগুলিতে পাঠকের আর একটি বাড়তি পাওনা আছে। সেটি হল গল্পের নিখুঁত পটভূমি নির্মাণের জন্য সমাজ, ইতিহাস, ভূগোল, পুরাতত্ব এমনকি তন্ত্রেরও আলোচনা। অবশ্যই কাহিনির খাতিরে। এই বৈচিত্র্য ও অভিনবত্বের জন্যই মনোরথ শর্মার বিশেষ পরিচিতি।
গিলগামেশ বিস্মৃত এক যুগের মহাকাব্য; সম্ভবত বিশ্বের প্রথম লিখিত মহাকাব্য যা লেখা হয়েছিল কাদার ট্যাবলেটে একপ্রাচীন লিপি কিউনিফর্মে। পাঁচ হাজার বছর আগে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলের এক নগর উরুকের রাজা ছিলেন গিলগামেশ। তাঁর জীবন ও অমৃতের সন্ধানে তাঁর যাত্রার কাহিনি হল এই মহাকাব্য। এই গ্রন্থে রয়েছে মহাকাব্যের একটি গদ্যরূপ এবং ভূমিকায় বর্ণিত হয়েছে গিলগামেশ মহাকাব্য আবিষ্কার ও তার লিপির পাঠোদ্ধারের চাঞ্চল্যকর বিবরণ।
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্য সাহিত্যের বৈশিষ্ট্যগুলির একটি হল কাহিনির প্রতি স্তরে আর ভাঁজে সুক্ষ্ম রসবোধের ছোঁয়া দিয়ে রাখা। ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে লেখা গল্প-উপন্যাসের সেই বিষয়টির খোঁজ করা হয়েছে এই বইতে। একই সঙ্গে ব্যোমকেশ এবং অজিতের চরিত্রেও শরদিন্দু আরোপ করেছেন আশ্চর্য মূল্যবোধ এবং জীবনরস সন্ধান আর আস্বাদনের মানসিকতা। এই বইতে আলোচিত হয়েছে সেই বিষয়টিও।
জীবনরসিক ব্যোমকেশ বক্সীর মানবিক মূল্যবোধ আর কাহিনিতে প্রচ্ছন্ন ও প্রকট হয়ে থাকা হাস্যরসের সন্ধানে এই বইয়ের আলোচনাও এক ধরনের সত্যান্বেষণ।
‘নিরামিষ’ হিন্দু ভারত : ‘আমিষ’ সেকুলার ভারত
ব্রাত্য বসু
ধর্মাচরণকারী নিরামিষ খাবে না আমিষ? এ তর্ক আবার উঠল এই রাজ্যে মন্দির উদ্বোধন এবং ভুয়ো খবরকে কেন্দ্র করে। কিন্তু আদতেই কি ধর্ম ধার্মিকের কাছে এসব জবাবদিহি চায়? সহিহিন্দুকে কি শ্রাবণমাসে নিরামিষ খেতেই হবে? মোদির নিদানকে সমর্থন করে বৈদিক ধর্মগ্রন্থ, স্মৃতিশাস্ত্র? খানাপিনাকে কী ভাবে দেখা হয়েছে নানা সাম্রাজ্যে?
এই মনোগ্রাফে ব্রাত্য বসু খুঁটিয়ে দেখেছেন তথ্য, আমাদের পৌঁছে দিয়েছেন তত্ত্বে।
বইয়ের কথা:
নবীন পাঠকদের জন্যে লেখা রতনতনু ঘাটীর গল্পের সহজ-সরল ভাষার জাদু ছোটদের মুগ্ধ করে রাখে। তাই তিনি এত জনপ্রিয়। তিনি খুব ছোটোদের জন্যে যেসব গল্প লেখেন, তা তাদের রঙিন ইচ্ছেপুর থেকে কুড়িয়ে পাওয়া। তাই তাঁর কাহিনীতে কল্পনার ঘনঘটা যেমন আছে, তেমনই আছে মন-কাড়া বর্ণনার সমারোহ। তাঁর গল্প পড়তে- পড়তে ছোটদের মনে হয়, তিনি যেন তাদের পাশে বসে গল্প শোনাচ্ছেন। গল্পের বিষয়গুলোও যেন একেবারে নতুন কাহিনীর মোড়কে ভরে খুদে পাঠকদের জন্যে তুলে দেওয়া উপহার। তাই ছোটোরা বড় হয়ে ওঠার পরেও এই গল্পগুলোর মূল্যবোধ, মানুষ হয়ে ওঠার বার্তা তাদের মন থেকে কখনও হারিয়ে যায় না।
লেখক পরিচিতি:
রতনতনু ঘাটীর জন্ম ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুন মেদিনীপুরে। বাবা ও মা স্বর্গত সন্তোষকুমার এবং সুভদ্রা। স্নাতকোত্তর পড়াশোনা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে আনন্দবাজার পত্রিকায় চাকরি। ‘আনন্দমেলা’ পত্রিকার সহ-সম্পাদকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে। এ কালের জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক। পঁচাশিটিরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। ইংরেজি ও ওড়িয়া ভাষায় তাঁর লেখা অনূদিতও হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে পনেরোটি শিশু-কিশোর বই। ‘কমিকস দ্বীপে টিনটিন’ বইটির জন্যে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পুরস্কার’। দ্য এশিয়াটিক সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া- কলকাতা এবং পারুল প্রকাশনীর যৌথ শিশুসাহিত্য পুরস্কার, হলদিয়া পৌরসভার নাগরিক সংবর্ধনা ছাড়াও পেয়েছেন আরও অনেক পুরস্কার। বেড়াতে ভালোবাসেন। এ পর্যন্ত লন্ডন, প্যারিস, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, ভেনিস, ইতালি, রোম, মাউন্ট তিতলিস, সুইজারল্যান্ড, আমস্টারডাম, ব্রাসেলস, ভাটিকান সিটি এবং বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নানা দেশে বেড়াতে গেছেন।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – MAHUA GHOSH
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
মৃত্যুপুরীর দূত
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Manish Mukharjee
Weight – 0.3kg
Binding – Hard Bound
দেবদূতের বুলেট
ভারতবর্ষের প্রাচীনতম ধর্মের মধ্যে অন্যতম একটি হল জৈনধর্ম। আলোচ্য ‘ভগবান মহাবীরের সিদ্ধভূমি ও জৈন কালচক্র’ গ্রন্থটি ওই সুপ্রাচীন ধর্ম ও তার প্রবর্তকদের নানান বিষয় নিয়ে রচিত প্রবন্ধাবলির এক মূল্যবান সংস্করণ। বর্তমানে লুপ্ত জৈনশাস্ত্রে সুপণ্ডিত খ্যাতনামা গণেশ লালওয়ানি সম্পাদিত ‘শ্রমণ’ পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ে এই প্রবন্ধগুলি প্রকাশিত হয়েছিল। আলোচ্য প্রবন্ধকারদ্বয় সম্পর্কসূত্রে আমার পিতামহ ও পিতা। তাঁদের লেখা প্রচীন ভারতীয় সভ্যতা, সংস্কৃতি সম্বন্ধীয় নানান লেখা এখনও গ্রন্থবদ্ধ হয়নি। চেষ্টা চালাচ্ছি সেইসব সারগর্ভ প্রবন্ধাবলি গুণী পাঠকদের দরবারে হাজির করার; তারই প্রথম পদক্ষেপ এই গ্রন্থ। এখানে জৈনধর্ম বিষয়ক ৯টি প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে।
সততায়, ঋজুতায়, আপসহীনতায়, অকপটতায়, সাহসিকতায় বিদ্যাসাগর অনন্য, দুর্লভ। উনিশ, বিশ, একুশ শতকেও। সেই বিদ্যাসাগর যদি এখন নবজন্ম লাভ করতেন, তাহলে কি তাঁর চরিত্র বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে পারতেন? এই বইতে তারই কল্পনা করা হয়েছে।
কথায় বলে, ‘লক্ষ্মী-শ্রী’ -কী বোঝায়, একথা দিয়ে?
বস্তুত, ‘লক্ষ্মী’ আর্থে অতুল ধন-সম্পদ-ঐশ্বর্য; আর ‘শ্রী’ অর্থে অনির্বচনীয় লাবণ্য-সৌন্দর্য ও ধীর-স্থির অচলভাব। উভয় মিলে ‘লক্ষ্মী-শ্রী’।
ভারতবর্ষে, স্মরণাতীত কাল ধরে এই ‘লক্ষ্মী-শ্রী’ ভাবনার রেশ চলেছে নানাভাবে, নানান বিভঙ্গে।।
হিন্দু-বৌদ্ধ-জৈন, ভারতবর্ষের এই তিনটি প্রধানতম ও প্রাচীনতম ধর্মধারায় বাক্যপথাতীত রূপও লাবণ্য, অপরিসীম ধন ও ঐশ্বর্য এবং প্রাণময় ও প্রাণপ্রদ অন্ন-এ সকলের প্রতিভূ ও প্রতীকরূপে গণ্য হয়েছেন ‘শ্রী-লক্ষ্মী’ তথা দেবী লক্ষ্মী।
হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে, ভারতবর্ষে, মার্গ ধর্ম ও লোকধর্ম, মার্গ-সংস্কৃতি ও চিরায়ত লোকসংস্কৃতি, এবং ইতিহাসের অঙ্গনে, দেবী লক্ষ্মী অবিরামভাবে পদচারণা করে চলেছেন। ‘লক্ষ্মীর পা-চালি’ গ্রন্থে তারই চমকপ্রদ ও আকর্ষণীয় বিবরণ।
বাঙলার লোকমানসে ও লোকসাংস্কৃতিক জগতে, বাঙালির গৃহাঙ্গনে ‘লক্ষ্মীর পা-চালি’ সম্পর্কে ইতিপূর্বে কোনো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। মধ্যযুগীয় বাঙলা কাব্যাদিতে ধান-চাল-অন্নের, কবিগণ প্রদত্ত বিচিত্র বিবরণ, এ যাবৎ সম্পূর্ণ অজ্ঞাতই আছে বলা চলে। এসবের বিস্তৃত বিবরণ দানের পাশাপাশি রয়েছে বাঙলার কৃষি-অর্থনীতিতে এবং প্রবাদ-প্রবচন তথা সমাজজীবনে ধান-চালের ভূমিকার কথা।
ফের জ্বলছে কাশ্মীর। চারদিকে রক্তের গন্ধ। মৃত্যুর মিছিল ভূস্বর্গে। চিনারের বন পেরিয়ে যে হাওয়া সর্বাঙ্গ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় সে হাওয়ায় আজ তীব্র বারুদের গন্ধ। সে হাওয়া অন্য এক ভারতের তীক্ষ্ণ হাহাকার আর সর্বগ্রাসী ক্ষোভের কথকতা শুনিয়ে যায়! কাশ্মীর মানে, বিধ্বস্ত নিরাপত্তা, সম্মান। ভূমিপুত্রদের সকলের নাম একযোগে অঘোষিত জঙ্গি তালিকায় তুলে দেওয়া! রাস্তায় বেরোলেই পদে পদে তল্লাশি আর উর্দিধারীদের শরীর ও চোখের চাউনি থেকে ঝরে পড়া অপমান। জনজীবন বিপর্যন্ত হওয়াটা তো বাইরে থেকে চোখে পড়ে! গোটা মানবজমিন যে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, তা আমার ‘নিরাপদ’ আশ্রয়ে বসে টের পাই কই। এই ভূস্বর্গে দমবন্ধ হয়ে আসে!
অনন্যা দাস বাংলা ভাষায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ পত্রপত্রিকার নিয়মিত লেখক। বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় সৃজনশীল রচনার সঙ্গে তিনটি। ভাষাতেই পারস্পরিক অনুবাদের কাজ করেন। বর্তমানে স্বামী ড. অরুণাংশু দাশ-এর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় বসবাস করেন এবং পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত ।
বাঙালী জাতি পরিচয়ের মধ্যে সংরক্ষণবাদী, প্রতিবাদী, স্ব – বিরোধী নানা বিন্যাসের সঙ্গে রয়েছে অসংগতি ও স্বধর্মচ্যূত হওয়ার অনেক নমুনা। এই গ্রন্থে প্রায় দু’হাজার বছর ব্যাপী বিস্তৃত বাঙালী জাতির বৌদ্ধিক ও জাগতিক জীবনধারার প্রগতি ও প্রতিক্রিয়ার দ্বন্দ্বটিকে লেখক দৃঢ়ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। বাঙালীর উৎস ও উত্তরাধিকার অনুসন্ধানে আলোচ্য গ্রন্থটি বিষয় – ভাবনার স্বকীয়তায় কৌতুহলোদ্দীপক।
আমরা প্রত্যেকেই দু’টি জগতের সঙ্গে পরিচিত— বাস্তব জগৎ অর্থাৎ যা হয়; আর কল্পনার অলীক জগৎ, অর্থাৎ যা হলে ভালো হত। কিন্তু এই দুইয়ের মাঝামাঝি যদি থাকে এক তৃতীয় ধূসর জগৎ? ধরা যাক, স্বপ্নের ভেতর আপনি সত্যিই পৌঁছে গেলেন এক কাঙ্ক্ষিত, কিন্তু অস্তিত্বহীন জায়গায়। কিংবা ঘুমের মধ্যে এমন এক ঘটনা প্রত্যক্ষ করলেন, যা ঘটেছিল সুদূর অজানা অতীতে, অন্য কারওর জীবনে। সন্তানের হোমটাস্ক-এ লেখা রূপকথায় হঠাৎ সচমকে আবিষ্কার করলেন নিজের ফেলে আসা জীবনের বৃত্তান্ত। তা হলে?… সেই আকর্ষনীয় অথচ অস্বস্তিকর অচেনা জগতের প্রেক্ষিতে লেখা সাতটি আখ্যান একত্র করেই এই সংকলন— ধূসর জগৎ।
মদের চাট জোগাতে আলস্য করায়, বিশ্বম্ভরের তাড়া খেয়ে পিছলে পড়ে মারা যায় তাঁর গর্ভিনী স্ত্রী হিরণ। মৃত্যুকালে সে প্রসব করে তাঁদের কন্যা সন্তান টুকী-কে। অনাদরে অবহেলায় বড়ো হচ্ছিল টুকী। ভগ্নীপতী লালমোহনের বাড়ি যাওয়ার পথে নৌকায় বিশ্বম্ভর উত্তম নাম্নী বেশ্যাকে দেখতে পেয়ে মুগ্ধ হয়ে পড়ে। তাঁকে বিয়ে করে ঘরে তোলে। পাড়া-পড়শীর নজর আর বক্রোক্তি পেল উত্তম। আর টুকী পেল মা। সময় গড়িয়ে চলল…
এক বেশ্যার জীবনকাহিনি নির্ভর, মানব মনের এক গহীন, জটিল, অদ্ভুত, মনস্তাত্ত্বিক এই উপন্যাস।
সাক্ষাৎকার। তার আড়ালে গল্প। বিচিত্র, অভিনব, রকমারি। হলিউড অভিনেত্রী থেকে নোবেল লরিয়েট, আমস্টারডামের প্রাক্তন যৌনকর্মী থেকে প্যারিসের গ্রাফিক নভেল আর্টিস্ট- উঠে এসেছে তাঁদের কাহিনি। আছে দূরদেশে হারিয়ে যাওয়ার গল্প আবার ভিনদেশে বাংলা-বাঙালিকে খুঁজে পাওয়ার আখ্যান। ‘দূরের মানুষ দুই মলাটে’ আসলে এক জার্নি। দূরকে চেনার, হয়তো নিজেকে জানারও।
লেখক পরিচিতি:
এই সময়ের কমিকস্-রচয়িতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একজন শিল্পী। তার সৃষ্ট ‘রাপ্পা রায়’ চরিত্রটি ইতিমধ্যেই ভীষণই জনপ্রিয়। এছাড়া অন্যান্য মজার গল্প নিয়েও তার অসামান্য সমস্ত কাজ রয়েছে।
Pre Booking Last Date – 21/09/2025
১৯২০ দশকের ব্রিটেন। চতুর্দিকে সব কুখ্যাত অপরাধী আর তাদের অপরাধের জাল বিস্তৃত। তাদের ধরতে নাস্তানাবুদ হয় গোটা পুলিশ বিভাগ ও গোয়েন্দা দপ্তর। এমনই এক কুখ্যাত অপরাধী সুচতুর কৌশলে গোটা ইংল্যান্ড জুড়ে জাল নোটের চোরাকারবার শুরু করেছে। বড়ো বড়ো গোয়েন্দা প্রধান ঘোল খেয়ে যাচ্ছেন সেই জাল নোটের পাণ্ডাকে ধরতে। গল্পের মূল চরিত্র, জেলফেরত জনি ভালোবাসে একদা কুখ্যাত অপরাধী পিটার কেনের মেয়ে মার্নিকে। পিটার চান ভদ্র ঘরে মেয়ের বিয়ে দিতে। পিটারের একসময়ের পার্টনার ইমানুয়েল বহু বছর পুরনো হিসেব-নিকেশ বুঝে নিতে ফিরে আসেন। মার্নির সঙ্গে বিয়ে হয় মেজর ফ্লয়েডের কিন্তু এরা প্রত্যেকেই কোন না কোন ভাবে সেই জাল নোট পাচার চক্র এবং এক বিশেষ কুখ্যাত ক্লাবের ১৩ নম্বর ঘরের সাথে জড়িয়ে পড়ে। এই সব রহস্যের সমাধান করতে ময়দানে উপনীত হন বিখ্যাত সত্যান্বেষী জে.জি.রিডার। কে এই রিডার? তিনি কি পারবেন এই রহস্যের জাল ছিন্ন করতে? নাকি পূর্বসূরীদের মত তিনিও নাস্তানাবুদ হবেন? প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, অপরাধী ও অপরাধ, খুন, জখম, চোরাকারবার… সব মিলিয়ে ধুন্ধুমার ‘রুম নম্বর ১৩’
গুরু, তন্ত্র, মন্ত্র, যোগ ও নিজের সঙ্গে একত্বজ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতের তন্ত্রসাধকেরা গিরি গুহায়, ডেরায়, শ্মশানে লোকচক্ষুর আড়াল নিয়ে করে চলেছেন তন্ত্রবিদ্যার নিগূঢ় চর্চা। বহমান তান্ত্রিক সাধনা প্রাচীনকাল থেকে মধ্যযুগ এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত নানারকমভাবে ভারতের সাংস্কৃতিক ধারাকে বাহ্য ও অন্তর্গঢ় ভাবধারা দিয়ে পুষ্ট করেছে। এর এক সাধনক্রম আছে। বইতে তারই প্রকাশ ঘটেছে।
তিন ভুবন। জীবনযুদ্ধের সব চেনা চরিত্র। বেঁচে থাকা, এগিয়ে চলার জীবন। চলার পথে ঘাত-প্রতিঘাত, সংকট, সংশয়, যন্ত্রণা, অপমান, দুঃখ-কষ্ট এবং দ্বন্দ এখানে প্রকট। দেশ ও কালের সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ক।
বইয়ের কথা:
সাত রকম অভিজ্ঞতার সতেরো রকম রঙে সাজানো শাশ্বতীর গল্প ভূবন। ‘হালুম’তার ব্যতিক্রম নয়। আলোর কথা আছে এখানে। আছে ভালোর কথা। তাই বলে কি মন্দ নেই, কালো নেই বা অন্ধকার নেই? আছে। জীবনের নিয়ম মেনেই আছে। তবে এক সময় তারা পিছু হঠেছে। মুখ লুকিয়েছে লজ্জায়। অন্ধকারকে ছিড়েখুঁড়ে মুখ দেখিয়েছে আলো। জীবন কীরকম, তা শুধু নয়। জীবন কী হলে ভালো হত তারই কথা বলে এই গল্পগুলো। এখানে চরিত্র বহুবিধ। বাঘ, কুমির, বানরছানা, ব্যাঙ, সাপ, কচ্ছপ, গাছ ইত্যাদিরা যেমন আছে তেমনি আছে রাজা, রাজকন্যা, চাষীর মেয়ে, পাঠশালার পোড়ো। সবাই মিলেই গড়ে তুলেছে আনন্দের সংসার।
লেখক পরিচিতি:
শাশ্বতী চন্দের জন্ম শিলিগুড়িতে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজিতে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। লেখালেখির জগতে প্রবেশ ছাত্রজীবনে ‘শুকতারা’-এ প্রকাশিত গল্পের মাধ্যমে। অদ্যাবধি অসংখ্য গল্প প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। শিশু কিশোর সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক সাহিত্যেও সমান স্বচ্ছন্দ। প্রকাশিত গ্রন্থ ‘পদ্মপাতায় জল’, ‘এবং আগামীকাল’ ও ‘টুপুরের পুষ্যিরা’। প্রিয় নেশা বই পড়া ও বেড়ানো।
বইয়ের কথা:
দুটো রামগাট্টা আর তাতে টপ করে মরে গেল লোকটা। তারপরেই তার বাঁধা চাকরি। সে এখন যমরাজের এস্টাফ! যমদূত! শিংওয়ালা যমদূত। সে-ই এসে দাঁড়িয়ে আছে জজসাহেবের বাড়ির সামনে। এবার যাকে নিতে এসেছে, তার ফ্রিজ খুলে রসগোল্লা খাচ্ছে জমিয়ে। উনিও যমরাজের এস্টাফ! যমদূত! ওদিকে লঞ্চে হটুগঞ্জের রামকিশোর দারোগা তড়পাচ্ছেন, ঘুরছে পুলিসস্যাররা। সেই লঞ্চেই প্রখ্যাত আর বিখ্যাত চোর মক্কেল হালদার অ্যান্ড মাতব্বার রুইদাস। তারা চোর পুলিস খেলছে। এবার চোর-ডাকাত-দারোগা- পুলিস-সাধু-ভূত এবং ঠাকুমার গল্প নিয়ে ‘শিংওয়ালা যমদূত’।
লেখক পরিচিতি:
আমি জয়ন্ত। তোমার আমাকে জয়ন্তকাকু বলতে পার। আবার শুধু জয়ন্তও বললেও রাগ করব না। আমি তোমাদের থেকে খুব বড় নই। কিন্তু বড়দের জন্যই বেশি বেশি লিখি। তবে সুযোগ পেলেই তোমাদের জন্য লিখি। সেই লেখাগুলো থেকে গোছগাছ করে বইও হয়। যেমন বই হয়েছে ‘অদৃশ্য অস্ত্রের আঘাত’, ‘নিশিকান্তের খোকা ভূত’, ‘গুলবাজ নিশিকান্ত ও ভূতের গল্প’, ‘নানা রাঙের গল্প’, ‘পোষা ভূত খাসা ভূত’, ‘সাধু ডাকাত’। আবার তোমাদের জন্য এক হুলোর গল্পও লিখেছি- ‘এক ডজন হুলো’। এবার চোর-ডাকাত-দারোগা- পুলিস-সাধু-ভূত এবং ঠাকুমার গল্প নিয়ে ‘শিংওয়ালা যমদূত’।
প্রত্নতত্ত্ববিদ ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বাসন্তী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত পরকীয়াবাদ বিষয়ক লেখাগুলি আমাদের বিস্মিত করে।
ভারতের প্রাচীন পরকীয়াবাদ থেকে আধুনিক সাহিত্যে পরকীয়ার প্রকাশ নিয়ে যেমন তিনি আলোচনা করেছেন, তেমনি বেশ্যা ও পরকীয়া, আধুনিক সতীত্ব নিয়েও মনোজ্ঞ আলোচনা করেছেন। এসেছে মৌর্য যুগের পরকীয়ার কথাও। বাৎসায়নের কামসূত্র এবং বৈষ্ণব পদাবলীর পরকীয়াবাদ বিষয়েও আলোকপাত করেছেন।
বিলুপ্তি উদ্ধারও এক ধরনের সৃষ্টি। বইটি সুচারু গ্রন্থনা করেছেন সৌমক পোদ্দার। অধ্যাপক কুন্তল মিত্রের মূল্যবান ভূমিকা বইটিকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
Professor Challenger Samagra
প্রফেসর চ্যালেঞ্জার সমগ্র
Tuli Kalam
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Language
Bengali
Publishing Year
2025
Publisher
Tuli Kalam
আলপনা আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাঙালি জাতির সংস্কৃতিতে আলপনা কবে যুক্ত হয়েছে তার উৎস খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য। পুজো-পার্বন, ব্রত-মঙ্গলকর্ম, উৎসব-অনুষ্ঠান সর্বত্র আলপনা বিশেষতঃ প্রথাগত আলপনা তার অধিকার বিস্তার করে রেখেছে। লোক-সংস্কৃতির এই বলিষ্ঠ ধারাটি জনমানসে প্রোথিত হওয়ার তেমন সুযোগ পায়নি। আলপনা সংস্কৃতির সে অভাব পূরণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে রচিত এই গ্রন্থ। এখানে আলপনার উৎস, ইতিহাস, বৈচিত্র্য ও যুগোপযোগী পরিবর্তনের ধারা সম্পর্কে বিস্তৃত আলোচিত হয়েছে।
Author : DIPAK CHATTAPADHAYA
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-81-948715-0-7
Publishing Year
January, 2021
Pages
151
Author – Chandi Mukhopaddhay
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-81-939838-0-5
Publishing Year
2019
Pages
136
Author – Surendranath Dasgupta
Publication – Khori
Weight – 0.5kg
Publication – Shabdo Prokashon
Author -SRI BIRENDRANATH GHOSH
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
বাংলার বাহুবল
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Biswajit Saha
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
পেট্রার প্যাপিরাস
খুনি যেখানে নিজে থেকে এসে আত্মসমর্পন করল, সেখানে কেন একটাও সাক্ষ্য-প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেল না? আর কেনই বা বারবার ঘুরে ফিরে আসতে লাগল অতীতের এক ভয়াবহ ঘটনার উল্লেখ। সে কি পাগল? পাগল হলে এত হিমশীতল মস্তিষ্কের অধিকারী সে হয় কী করে? সে যেন আগে থেকেই জানে একটু বাদে কী ঘটতে চলেছে। ঠিক যেন দাবার বোর্ড সাজিয়ে বসেছে সে। একটা চাল এদিক ওদিক হলেই কিস্তিমাত…
রাজ পরিবারের ইতিহাস সবসময়ই বিশ্বাসঘাতকতা আর খুনোখুনির মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস।
মধ্যযুগের বিশ্বের ইতিহাসে রাজপরিবারে গুপ্তহত্যার এমনইকিছু রোমহর্ষক, রক্তাক্ত ঘটনা নিয়ে কাহিনি এগিয়েছে। সেখানে যেমন পরকীয়ায় লিপ্ত নিষ্ঠুর রানি আছেন,তেমনই বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত উন্মাদ সম্রাটও আছেন। উভকামী নিষ্ঠুর রাজার নির্যাতন আছে। আছে ধূর্ত মন্ত্রী আর আছে বিশ্বাসঘাতক ভাই।
সেই সমস্ত বেদনাদায়ক, নির্মম আর নিষ্ঠুর সত্যি ঘটনার আখ্যান ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে এসে এই বইয়ের পাতায় জীবন্ত দলিল হয়ে উঠেছে।
প্রাচীন কিছু দিব্যাস্ত্র, যা মানবজাতির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে, সেই অস্ত্রের সন্ধানে সাত্যকি নামে এক বিপজ্জনক অভিযানে। কোনারকের সূর্য মন্দির থেকে মথুরা আর দিল্লির গুপ্ত অন্ধকার— প্রতিটি ধাঁধা তাকে নিয়ে যায় এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রে।
রহস্যময় এক গুপ্ত সমিতি, যারা ছড়িয়ে আছে চার যুগ ধরে। দশ অবতার তাদের আশ্রয়। এখানেই কি ঘটল বিশ্বাসঘাতকতা??
এক শক্তিশালী চক্র এই অস্ত্রকে ব্যবহার করে পৃথিবীকে শাসন করতে চায়। ষড়যন্ত্রের জালে জড়িয়ে সাত্যকি কি সময়ের আগে অস্ত্রের রহস্য উন্মোচন করতে পারবে? নাকি এই যাত্রা মানবজাতির চরম সর্বনাশের কারণ হবে?
স্বর্গ! সে কি সত্যিই কোথাও আছে?
না সবটাই মানুষের কল্পনা? কী লুকোনো আছে প্রাচীন এক বুদ্ধ মূর্তিতে যার জন্য খুন হতে হল মিউজিয়ামের কিউরেটরকে?
কী এমন গোপন সত্য লুকোনো আছে হিমালয়ের অভ্যন্তরে যার জন্য হিটলারের নাৎসি বাহিনী অভিযান চালিয়েছে?
পাণ্ডবদের মহাপ্রস্থানের সেই পথ, সে কি সত্যিই আছে?
কয়েকশো বছর আগে এক বাঙালি কেন চলেছিলেন সেই পথে?
পুরাণ, রহস্য, অ্যাডভেঞ্চার সব নিয়ে সাত্যকি ফিরে এলো আবার।
আগেরবার জলের তলায় কৃষ্ণের খোঁজের পরে, এবার স্বর্গ খোঁজার এক অভিযান – স্বর্গং শরণং গচ্ছামি।
বিষয় – মাইথোলজিক্যাল অ্যাডভেঞ্চার থ্রিলার
ভূতের গল্পের আকর্ষণ চিরকালীন। তবে চিরাচরিত ভৌতিক গল্পের বাইরে বেরিয়ে কিছুটা অন্য স্বাদের ভয়ের গল্প সংকলিত হয়েছে এই বইটিতে। হাড়হিম করা দশটি ভৌতিক গল্পের সংকলন ‘ত্রসন’ পাঠকের মন জয় করবেই।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debasree Chakraborty
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
বিশ্বম্ভর নিমাঞ্জির অন্তর্ধান
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Biswajit Saha
Weight – 0.3kg
Binding – Hard Bound
সভ্যতার শরীর
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Mahua GHosh
Weight – 0.16kg
Binding – Hard Bound
ট্যাটু রহস্য।
চয়নবিলের তলা থেকে আবিষ্কৃত হল পাথরে খোদাই করে ১৪০০ সালের কথ্য বাংলা ভাষায় ও লিপিতে লেখা পঞ্চাননমঙ্গল কাব্য। কিন্তু সেখানে কেন পঞ্চানন ঠাকুরের পূজার মন্ত্রে আমাদের পূর্বপুরুষরা লুকিয়ে রেখেছিল অজস্র আধুনিক অঙ্কের সূত্র?
ছ’শ বছর আগেকার বাঙালীর অজস্র অজানা পারদর্শিতার আলেখ্য দেখে গর্বে বুক ফুলে উঠবে, কিন্তু এক অশুভ বৈদেশিক শক্তি পঞ্চাননমঙ্গল ধ্বংস করার জন্য কেন উন্মত্তপ্রায়? বখতিয়ার খিলজি নালন্দা ধ্বংস করে তিন মাস ধরে মহামূল্যবান পুঁথি পুড়িয়ে আমাদের অতীত মুছে দিয়েছিল। তবে কি পঞ্চাননমঙ্গলের সংগে সঙ্গে হারিয়ে যাবে প্রাচীন বাঙালীর বিজ্ঞান, সাহিত্য, দর্শনের শেষ দলিল?
সোভিয়েত সমাজে যখন সর্বব্যাপী ভাঙনের ঢল নেমেছিল, সেই সময়ের তিনটি কাহিনি নিয়ে এই বই। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা প্রগতি প্রকাশনের সদর দপ্তর ছিল মস্কোর ১৭ জুবোফস্কি বুলভারে। সেখানে অনুবাদকের কাজ করতেন বাংলাদেশের সৌমেন রায়, পশ্চিমবঙ্গের ননী ভৌমিক, অরুণ সোম এবং আ অনেকে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতি প্রকাশন বল হয়ে গেলে সেখানে যে গভীর বির্য নেমে এসেছিল, তারই গল্প জুবোফস্কি বৃচার। বাংলাদেশ থেকে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া এক তরুণ ছাত্রের চোখে দেখা সোভিয়েত সমাজের ভাঙনের কাহিনি হলো পানপর্ব। সোভিয়েত ভাঙনের কালে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে যাওয়া দুই ছাত্রের ঐতিহাসিক মোকাবিলা হচ্ছে পাকিস্তান, যেখানে ফিরে ফিরে আসে ১৯৪৭ সালের ভারতভাগ এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের খুঁটিনাটি।
মেয়েদের ক্ষেত্রে ‘লাস্যময়ী’ শব্দটির ব্যবহার নিয়ে বাগবিতণ্ডা চলছে দীর্ঘকাল ধরে।
ব্যুৎপত্তিগত অর্থের বিচারে লাস্যমায়ী মানে লীলায়িত ভঙ্গিতে নৃত্যরত নারী হলেও প্রচলিত অর্থে যৌন উদ্দীপক অর্থেই এই শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। বিশেষত সিনেমার নায়িকাদের বেলায় অনেক সময় ‘কমপ্লিমেন্ট’ স্বরূপই বলা হয় কথাটি।
এই লাস্যময়ী ইমেজ ব্যবহারে শুধু নায়িকারাই নয়, তাদের চেয়ে বরং অনেকাংশে এগিয়ে আছেন মহিলা গুপ্তচররা।
বাস্তব জীবনে প্রতি মুহূর্তে অভিনয় করতে থাকা এই মহিলাদের মারণাস্ত্র ‘হানি ট্র্যাপ’ বা ‘মধুর ফাঁদে’ যে কত শত রাঘব বোয়াল ধরা পড়েছে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই।
উমা -পার্বতী বাঙালির ‘মানসকন্যা ‘। তিনি সবার দুর্গতি নাশ করেন, অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে বিশ্বজুড়ে শুভের প্রতিষ্টা করেন। এই মাতৃকা দেবীর অনার্য – আর্য – বৈদিক উদ্ভব, পরম্পরা ও বিবর্তন নিয়ে রচিত নিবন্ধ সংকলন।
বিবাহবিচ্ছিন্না মেয়ে মানেই আড়চোখে দেখার শো পিস। পুরুষের ছুঁয়ে দেখার অলিখিত ছাড়পত্র। নীল ছবির মোহে পুড়ে যায় বয়ঃ সন্ধিকাল। কখনও সময়ের নাগপাশে মিলনও ধর্ষণ হয়ে যায়। সম্পর্কে লাগে রক্তের দাগ। সুপারি কিলারের ছোবল বনাম বাতিল জীবনের মর্মান্তিক আঘাত। খবর আসে, ঝুলে আছে সন্তানের দেহ। কূল ভাঙে মায়ের বুকে। অবৈধ জন্ম যদি অন্যায় হয়, তাহলে অনাহুত প্রাণের মৃত্যুও পাপ। এতো কিছুর পরেও মানুষ বেঁচে থাকে। পচনশীল সমাজে ঘুণ ধরা সম্পর্কে টিকে থাকাও এক সাধনা। ক্লান্ত শরীরে দক্ষিণের ঘরে জিরোতে গিয়ে জেগে ওঠে চেতনা। ঝড়ে হারিয়ে যেতে যেতে ভাঙনের পাশ কাটিয়ে এগিয়ে চলার গল্পই ধরা আছে এই সংকলনে। আসলে এই গল্পগুলো আমাদেরই জীবন থেকে খাবলে তুলে নেওয়া একেকটা হীরক-মুহূর্ত!
পার্কস্ট্রিটের এক কিউরিও শপ থেকে একটি পিরামিডের প্রাচীন মডেল খুব সস্তায় কিনে বাড়িতে নিয়ে এল ইউসুফ। পিরামিড বাড়িতে আনার পর থেকেই একে একে অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় ইউসুফ ও তার স্ত্রী ফারজানা। এর পেছনে মিশরের কোন গোপন ইতিহাস লুকিয়ে আছে? ঘুল তাদের জীবনে কেন এল? তানিয়া কে? সে কী আদৌ মানুষ? কিভাবে মুক্তি পাবে ইউসুফরা? জানতে হলে পড়ুন ‘ঘুল’।
কখনও ভেবে দেখেছেন বাঙালি আজও স্বামী বিবেকানন্দকে কতটা নিতে পেরেছে? উত্তর সম্ভবত কারো কাছেই নেই। একশ্রেণির বাঙালি একটা সময় প্রতিপদে স্বামী বিবেকানন্দকে অপমান করেছে, হেয় করেছে। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্যদের দেখে হাঁসের ডাক ডেকেছে। স্বামীজিকে কটাক্ষ করে বলেছে, “কায়েতের ছেলে হয়ে সন্ন্যাসী!” সেই বাঙালিদের একটা বৃহত্তরগোষ্ঠী আবার পরে স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে মাতামাতি করেছে। স্বামীজির ঘনিষ্ঠ ভক্ত-শিষ্য থেকে প্রতাপচন্দ্র মজুমদার, স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বহু দিক্পাল বাঙালিই বিবেকানন্দের বিরোধিতা করেছেন প্রকাশ্যে। সে-যুগে কেউ কেউ বই অবধি ছাপিয়ে বিলি করেছেন। বাঙালির এই বিবেকানন্দ-বিরোধিতা প্রায় শতবর্ষ ছাড়িয়েছে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের প্রায় পঞ্চাশজনের বিরোধিতা নিয়েই এই গ্রন্থের নির্মাণ।
লন্ডন ১৯২২… লন্ডনের শহরতলিতে বোর্হেস পরিবারের চরম বিপদের দিনে হঠাৎ আবির্ভাব হয় এক আত্মগোপনকারী ভারতীয় বিপ্লবীর… কে সে?… সে কি পারল বোর্হেসদের বিপদ থেকে উদ্ধার করতে? ‘দহন বেলার গান’ উত্তর খুঁজবে এই প্রশ্নের।
মেক্সিকো ১৯২৩… এক টালমাটাল সময়ের পটভূমিকায়… একদিকে এক দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের রেশ… অন্যদিকে সুদূর ভারতবর্ষের বুড়ি বালামের তীরে ঘটে যাওয়া এক ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ… তার সঙ্গে আমেরিকান আল কাপোনের মতো কুখ্যাত মাফিয়া ডন এবং মেক্সিকোর প্রাক্তন বিপ্লবী নেতা পাঞ্চো ভিলা… এই জটিল আবর্তে জড়িয়ে পড়ে এক ভারতীয় বিপ্লবী… যেখানে মৃত্যু পদে পদে কূহকের মতো জড়িয়ে।
“…নাউ আই উইল শিওরলি কমপ্লেইন ট্যু দ্য হোটেল অথরিটি।
আমি বললাম, তার সময় হয়তো আপনি আর পাবেন না। আমি ডিডি। দ্য গ্রেট দেবদূত দত্ত। চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়।
বুড়ো জিজ্ঞেস করল, about what?
উত্তর দিলাম, ডাইরেক্টলি মেল সামবডি ট্যু যমের দক্ষিণ দুয়ার। দ্য সাউথ ডোর অফ দ্য গ্রেট যমরাজ।”…
বাংলায় অষ্টাদশ শতকে বর্গিহাঙ্গামা এক মর্মান্তিক ঐতিহাসিক ঘটনা। বাংলার গ্রামে গঞ্জে বর্গিহাঙ্গামা নিয়ে ছড়িয়ে আছে কত গল্প, ভয়াবহ কাহিনি, কিংবদন্তি। কোথাও প্রতিবাদ প্রতিরোধের কাহিনি। বীরভূমের সুপুরের এমনি এক বর্গি বিদ্রোহী ছিলেন বীর সন্ন্যাসী আনন্দচাঁদ গোস্বামী। কিছুটা ইতিহাস। বাকিটা কল্পনার রঙে আঁকা এই উপন্যাস। বর্গিহাঙ্গামার প্রেক্ষাপটে আদ্যান্ত বিয়োগান্তক প্রেমের কাহিনি। মানব প্রেম থেকে দিব্যপ্রেমের উত্তরণের কাহিনি বর্গি বিদ্রোহী।
বইয়ের কথা:
সমস্ত গল্প মিলে এক, অথবা দুই মলাটের ভেতর সব আলাদা,ভিন্ন ভিন্ন। সেখানে জীবন আর বোধ মিলেমিশে থাকে, প্রেমের পাশেই অপ্রেম, ভয়ের পাশেই জয়। যে কোন ও লেখকই তাঁর জীবনের এক এক পর্বে এক এক রকম গল্প লেখেন। সেই গল্পের ভেতর ধরা থাকে সময়ের ইতিহাস।
লেখক পরিচিতি:
“পেন্ডুলাম” লিখে শুরু হয়েছিল জয়ন্ত দে’র গল্পের ভুবন। এর পরে একে একে লেখেন অবিস্মরণীয় সব ছোটগল্প। লেখালিখির প্রথম পর্বেই তাঁর ছোটগল্প সম্মানিত হয় পশ্চিমবঙ্গ বাংলা অকাদেমি প্রদত্ত সোমেন চন্দ পুরস্কারে। এই বাংলার সব নামী পত্রপত্রিকা তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়। ওপার বাংলাতেও তাঁর গল্প সমান সমাদৃত। বাংলাদেশ থেকেও প্রকাশিত হয়েছে একাধিক বই। লেখেন ছোটদের গল্প, উপন্যাস। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা চল্লিশ। পেশায় সাংবাদিক ও একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক। পেয়েছেন একাধিক সাহিত্য পুরস্কার, নামি পত্রপত্রিকায়।
বিষয়: নস্টালজিয়ার তিন দশক, সত্তর থেকে নব্বই
এই উপন্যাসটি “বিচিত্রা” নামক বিখ্যাত মাসিক পত্রের ১৩৪২ সালের ভাদ্র, আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হইয়াছিল। জনসাধারণের নিকট আদৃত হওয়ায় আমি এক্ষণে ইহা পুস্তকাকারে প্রকাশ করিতে সাহস করিলাম। ইহাতে প্রাচীনকালের এক আর্য্যনারীর মহান্ চরিত্র বর্ণিত হইয়াছে। বঙ্গীয় কথা-সাহিত্যের এই বিপ্লবের যুগে সমাজে পুরাতন আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করিবার একটি ক্ষীণ প্রয়াস করিয়াছি। আমার বিশ্বাস যে, এই গুণবতী নারীর আখ্যায়িকা স্ত্রীলোকদিগের পক্ষে পরম হিতকর বলিয়া গৃহীত হইবে। যদি এই পুস্তক পাঠে আধুনিক মনোবৃত্তি সামান্যমাত্রও সংযত হয়, তাহা হইলে আমার উদ্যম সফল বলিয়া বিবেচনা করিব।

