Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
Publisher
Khori – খড়ি প্রকাশনী
Binding
Hardbound
Language
Bengali
মেয়েদের তন্ত্র এবং অন্যান্য গুপ্তবিদ্যা
গৌতম সরকার
প্রচ্ছদ : স্বর্ণেন্দু ঘোষ
তন্ত্র বাংলা ও বাঙালির কাছে স্বাভাবিক যাপন। তন্ত্র সাধনায় নারীর গুরুত্ব অপরিসীম। তবে, এই গ্রন্থে আলাদাভাবে বিশেষত লোকনারীর শরীর-সংস্কৃতি এবং সমাজজীবনে যাপিত তন্ত্রের কথা উঠে এসেছে। পঞ্চ ‘ম’-এর মধ্যে মৈথুন এককভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তন্ত্র সাধনায় সিদ্ধিলাভের জন্য নারীরা লেসবিয়ানজম ও স্বমেহন মৈথুনের সাহায্য নিয়ে থাকে। এবং চর্চা করে থাকে। অনালোচিত লোকনারীর তন্ত্রচর্চা—এই গ্রন্থের মুখ্য উদ্দেশ্য। এছাড়াও বাংলা সাহিত্যে যেভাবে তন্ত্রচর্চার কথা আছে এবং বাংলার রূপকথা ও উপকথায় তন্ত্রের প্রয়োগ নিবিড়ভাবে আছে—এসবও এই গ্রন্থে আলোচিত হয়েছে। রূপকথার সোনার কাঠি ও রুপোর কাঠি আসলেই তন্ত্র প্রয়োগের প্রয়োজনীয় উপাদান। এক কাঠির মাধ্যমে রাজকন্যাকে বাঁচানো যায় আবার অন্য কাঠির মাধ্যমে তাকে আজীবন ঘুমের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। কায়াবদল, মন্ত্র, বশীকরণ ইত্যাদি আরও নানারকম গুপ্ত তন্ত্র নিয়ে এই বইতে আলোচনা করা হয়েছে।
সোভিয়েত সমাজে যখন সর্বব্যাপী ভাঙনের ঢল নেমেছিল, সেই সময়ের তিনটি কাহিনি নিয়ে এই বই। বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা প্রগতি প্রকাশনের সদর দপ্তর ছিল মস্কোর ১৭ জুবোফস্কি বুলভারে। সেখানে অনুবাদকের কাজ করতেন বাংলাদেশের সৌমেন রায়, পশ্চিমবঙ্গের ননী ভৌমিক, অরুণ সোম এবং আ অনেকে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতি প্রকাশন বল হয়ে গেলে সেখানে যে গভীর বির্য নেমে এসেছিল, তারই গল্প জুবোফস্কি বৃচার। বাংলাদেশ থেকে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া এক তরুণ ছাত্রের চোখে দেখা সোভিয়েত সমাজের ভাঙনের কাহিনি হলো পানপর্ব। সোভিয়েত ভাঙনের কালে মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে যাওয়া দুই ছাত্রের ঐতিহাসিক মোকাবিলা হচ্ছে পাকিস্তান, যেখানে ফিরে ফিরে আসে ১৯৪৭ সালের ভারতভাগ এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের খুঁটিনাটি।
ইজরায়েলের বহুচর্চিত ‘মোসাদ’ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি হিসেবে পৃথিবীর অনেক দেশের কাছেই ত্রাসের কারণ। বিগত কয়েক দশক ধরে এই সংগঠন গুপ্তচরবৃত্তির দুনিয়ায় সেরার সেরা। পৃথিবীর একাধিক দেশে সংগঠিত তাদের সিক্রেট মিশনগুলোর জুড়ি মেলা ভার!
বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত এই সংস্থা সম্পর্কে সাধারণের কাছে খুব কম তথ্যই পৌঁছয়। পাবলিক ডোমেনে এই সংক্রান্ত তথ্যও সীমিত। মোসাদের উৎপত্তি, তাদের অকথিত রোমাঞ্চকর অভিযানের খুঁটিনাটি, ইহুদি বিদ্বেষের কলঙ্কিত ইতিহাস এবং বর্তমান জিওপলিটিক্সের একাধিক গোপন কাহিনী নিয়ে পাঠকের দরবারে এবার হাজির—মোসাদ: যা আর্কাইভে নেই।
নগরের রগড়
কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত
প্রচ্ছদ- সেঁজুতি বন্দ্যোপাধ্যায়
এ এক আশ্চর্য আর্কাইভ। ইতিহাসবিদ যাকে বলেন ওরাল হিস্ট্রি, তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ব্যক্তিমানুষের জীবনের দীর্ঘযাত্রার এক আশ্চর্য ভ্রমণকাহিনি। লেখকের সাংবাদিক জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা কলকাতা মহানগরীর দিন ও রাতের এক নেশাতুর আবহ উঠে এসেছে এই গ্রন্থে। শৈশব থেকে কলোনি জীবনে বড় হয়ে ওঠা, নানাবিধ বইপড়ার এক আহরণ-যাত্রার ভিতর দিয়ে রচিত হয়েছে কলকাতা ও কলোনির ‘নগরের রগড়’। কলকাতার যৌনপল্লী, বিচিত্র সব মদের ঠেক, পথের ধারের অসংখ্য বিজ্ঞপ্তি, গঙ্গার ধারের শ্মশান, এই শহরের শিশু অপরাধী, চায়ের দোকানের বৈঠকী আড্ডা, কত মানুষ-এই সবই এই বইয়ের ঐতিহাসিক উপাদান।
হাঁটতে হাঁটতে লেখক তাঁর স্মৃতিপথ থেকে কুড়িয়ে নিয়ে এসেছেন এই শহরের জীবন্ত রগড়, যা আসলে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী কলোনির বেঁচে থাকার এক অকথিত ইতিহাস। যে ইতিহাস তথাকথিত পাঠকক্ষের নিয়মের নিগড়ে বাঁধা নয়, বানানো নয়, রক্তমাংসের আর্কাইভ।
Author
Rajat Pal
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Debjyoti Bhattacharyya
Weight – 0.35kg
Binding – Hard Bound
নিউগেট ক্যালেন্ডার
নিমন্ত্রণ
মানস শেঠ
অতিথিপরায়ণ বাঙালির ‘নিমন্ত্রণ’-এর অন্দরে থাকা সামাজিক ইতিহাস, লোকাচার ও মানবিক সম্পর্কের ভাষ্য নির্মাণের প্রচেষ্টা এই বই।
‘নিরামিষ’ হিন্দু ভারত : ‘আমিষ’ সেকুলার ভারত
ব্রাত্য বসু
ধর্মাচরণকারী নিরামিষ খাবে না আমিষ? এ তর্ক আবার উঠল এই রাজ্যে মন্দির উদ্বোধন এবং ভুয়ো খবরকে কেন্দ্র করে। কিন্তু আদতেই কি ধর্ম ধার্মিকের কাছে এসব জবাবদিহি চায়? সহিহিন্দুকে কি শ্রাবণমাসে নিরামিষ খেতেই হবে? মোদির নিদানকে সমর্থন করে বৈদিক ধর্মগ্রন্থ, স্মৃতিশাস্ত্র? খানাপিনাকে কী ভাবে দেখা হয়েছে নানা সাম্রাজ্যে?
এই মনোগ্রাফে ব্রাত্য বসু খুঁটিয়ে দেখেছেন তথ্য, আমাদের পৌঁছে দিয়েছেন তত্ত্বে।
নোনাপানি ইশকুল
চন্দনা সান্যাল
ছবি- মধুরিমা হাইত
কলেজে পড়ানোর স্বপ্নকে সরিয়ে রেখে বাধ্য হয়ে যে ইশকুলের চাকরিতে ঢুকতে হয়েছিল কবে থেকে সেই ইশকুল হয়ে গেল অস্তিত্বের আর এক নাম, কোথা দিয়ে পেরিয়ে গেল চৌত্রিশটা বছর তাকেই ফিরে দেখা অবসরের অলস নিঝুম দুপুরে। ফিরে দেখা সময়ের হাত ধরে চেনা শহরের, জানা পারিপার্শ্বিকের অগোচরে বদলে যাওয়াকে। ফিরে দেখা অবসরের আগে কোভিড-কবলিত শেষ দু-বছরের নিউ-নর্মাল অভিজ্ঞতাকে। আসলে বার বার এই সব কিছুর মধ্যে দিয়ে ফিরে ফিরে যাওয়া শিক্ষক-ছাত্রের অনন্য সম্পর্কের শিকড়ে যা বহু তোলপাড়েও বদলায় না, যা এক অতি সাধারণ মানুষের অতি সাধারণ যাপনকে অকৃপণ দানে করে তোলে অসাধারণ। এ এক ফিরে ফিরে দেখার গল্প, প্রতি দেখায় কুড়িয়ে পাওয়া নতুন কিছু।
লেখক সম্পর্কে :
জন্ম ১৯৬১ সালে কলকাতায়। স্কুলের পাঠ ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়ে, কলেজের পাঠ প্রেসিডেন্সি কলেজে।
সাম্মানিক বাংলায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ। বি-এড ট্রেনিং নিয়ে কলকাতার সল্টলেক স্কুলে বাংলা বিভাগে যোগদান। সাহিত্য-চেষ্টা বড় ছোটর ছড়া (বন্ধু পাবলিকেশনস), রান্নাঘরের নকশিখাতা (৯ঋকাল বুক্স)
সেখানেই টানা ৩৪ বছর শিক্ষকতার পর ২০২১ সালে অবসর গ্রহণ।
Intimacies : অন্তরঙ্গতা
Artist : Kushal Ray
শিল্পী : কুশল রায়
Book design : Riti Sengupta
বিন্যাস : রিতি সেনগুপ্ত
The second edition and first bilingual version of celebrated photo book ‘Intimacies : অন্তরঙ্গতা’ by veteran artist Kushal Ray .
বর্ষীয়ান আলোকচিত্রী কুশল রায়ের বহু প্রশংসিত বই ‘Intimacies : অন্তরঙ্গতা’ র নতুন দ্বিভাষিক সংস্করণ।
Kushal Ray’s decade-long work on an extended family in Kolkata’s Kalighat area is more of effort to explore relationships and Intimacies that the members enjoyed among themselves than any perceived social documentary work on a joint family system. Being very close to the family has made his work, to a large extent, personal and autobiographical. During his long association he was witness to and participant in the joys, losses and finally disintegration of the Chatterjee family. In this celebrated work between 1998 and 2009 he photographed the home, tracing the ordinary but fascinating and complex lives and authored an ode to Manju Chatterjee, the backbone of the family.
Kushal Ray, a sports journalist turned photographer and painter, has taken part in several major international photography exhibitions. His work has been published in a number of prestigious photography magazines.He is associated with Kolkata Centre for Creativity (KCC) and Emami Art.
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কুশল রায় কলকাতার কালীঘাট অঞ্চলের একটি যৌথ পরিবারের সদস্যদের জীবন ও যাপনকে অনুপুঙ্খভাবে ফ্রেমবন্দি করেছেন। চ্যাটার্জি পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক ভাব ভালোবাসা টানাপোড়েন ও শিল্পীর তাদের সাথে গড়ে ওঠা অন্তরঙ্গ সম্পর্ক হয়ে উঠেছে এই বইয়ের কেন্দ্রবিন্দু । ১৯৯৮ থেকে ২০০৯ এই দীর্ঘ সময় শিল্পী এই পরিবারের আনন্দ, দুঃখ ও বিচ্ছেদের সাক্ষী হয়ে উঠেছেন । পাঠক সমাদৃত এই বইটির বিষয় আপাত সাধারণ কিন্তু শিল্পী তার উপস্থাপনার মুন্সিয়ানায় এক আকর্ষণীয় ও জটিল মনস্তাত্ত্বিক জগতকে উন্মোচিত করেছেন।
কুশল রায় দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রাক্তন ক্রীড়া সাংবাদিক ও সুপরিচিত আলোকচিত্রশিল্পী । তার ছবি দেশে বিদেশের নানান গুরুত্বপূর্ণ আলোকচিত্র পত্রিকা ও প্রদর্শনীতে সমাদৃত। তিনি KCC কলকাতা ও ইমামি আর্ট গ্যালারির সাথে যুক্ত আছেন।
Author
Specifications
Binding
Hardcover
ISBN
978-81-939838-6-7
Publishing Year
2019
Pages
248
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Riju Ganguly
Weight – 0.6kg
Binding – Hard Bound
পঞ্চম বৈদিক পৌরাণিক:প্রবন্ধ পর্ব
Author :SOMABRATA SARKAR
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
পাঁচশো বছরের বাংলার লোকসাধনা
পাখির মতো হালকা মানুষ। ছোট্ট। বাবার কোলে চেপে বিকেলবেলা নৈহাটি ইস্টিশনের ওভারব্রিজ। পায়ের নীচে রেলগাড়ি। ভোঁ দেয় ব্রিজ কাঁপিয়ে।
“রেলগাড়ি কী বলছে বাবা?”
“আমাদের ডাক দিচ্ছে তো। বলছে, দূরদেশে চললাম। কে যাবি আয়…’”
“আমি যাবো।”
“যাবি বইকি। আর একটু বড়ো হ…”
বাবার কোলে পাঁচ বছুরের বিস্ময়ভরা চোখ চেয়ে দেখে সামনে দিগন্ত পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে সুদীর্ঘ রেলপথ। তারই পাশে পাশে এগিয়ে চলে পিচবাঁধানো নগরপথ। কোথায় যায় তারা? কে জানে? জানে রেলগাড়ি, জানে তার পেটে বোঝাই সৌভাগ্যবানেরা। জানে ওই পিচবাঁধানো সড়কপথে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলা মুসাফিরের দল।
পাঁচ বছুরে বালক, তার চোখে পথ সেই যে মায়া অঞ্জন মাখিয়ে দিল, আজও তার সে মোহ ঘুচল না। কদিন স্থির হয়ে বসলেই ফের ডাক আসে। পথের ডাক শুনে ফের এগিয়ে যাই… পায়ে পায়ে… কুড়িয়ে নিই যা মেলে পথের পাশে পাশে।
এ বই সেই কুড়িয়ে আনা কিছু স্মৃতিকণা, দেশ ও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াবার স্মৃতির ধুলোমুঠি, সোনামুঠি।
প্রত্নতত্ত্ববিদ ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বাসন্তী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত পরকীয়াবাদ বিষয়ক লেখাগুলি আমাদের বিস্মিত করে।
ভারতের প্রাচীন পরকীয়াবাদ থেকে আধুনিক সাহিত্যে পরকীয়ার প্রকাশ নিয়ে যেমন তিনি আলোচনা করেছেন, তেমনি বেশ্যা ও পরকীয়া, আধুনিক সতীত্ব নিয়েও মনোজ্ঞ আলোচনা করেছেন। এসেছে মৌর্য যুগের পরকীয়ার কথাও। বাৎসায়নের কামসূত্র এবং বৈষ্ণব পদাবলীর পরকীয়াবাদ বিষয়েও আলোকপাত করেছেন।
বিলুপ্তি উদ্ধারও এক ধরনের সৃষ্টি। বইটি সুচারু গ্রন্থনা করেছেন সৌমক পোদ্দার। অধ্যাপক কুন্তল মিত্রের মূল্যবান ভূমিকা বইটিকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
প্রবাদের খইচুবড়ি
প্রবাদ-প্রবচন-বাগধারার লোকগল্প
ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়
প্রচ্ছদ: সুপ্রসন্ন কুণ্ডু
সাধারণ মানুষের জ্ঞান, তাদের চলতি কথা এবং সর্বোপরি আলাপচারিতার মধ্যে দিয়ে যুগে যুগে উঠে এসেছিল তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, অনুভূতির নির্যাস আর সেসবই লোকপ্রিয়তার কষ্টিপাথরে যাচাই হতে হতে উত্তীর্ণ হয়ে একসময় লোকপরম্পরায় প্রচলিত হল যার বাংলা নাম প্রবাদ, প্রবচন এবং বাগধারা।গরম কড়াইতে ধান থেকে বা ভুট্টার দানা থেকে খই যেমন ফুটে এদিক ওদিক ছিটকে পড়ে তেমনি লোকমুখে বাংলা সাহিত্যের এক প্রাচীনতম দলিল হয়ে রইল প্রবাদ যার পরিপুষ্টি আর স্থায়িত্ব আমাদের লোকায়ত সাহিত্যের অন্যতম সম্পদ।
Specifications
Binding
Hard Board
Publishing Year
2025
Pages
198
Author : Sachindranath Chattopadhyay
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
প্রাচীন মিশর
Author : SriVijaychandra Majumder
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
প্রফুল্ল চাকীর মৃত্যু : দেখি নাই ফিরে
নির্মল কুমার নাগ
পরাধীনতার বিরুদ্ধে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু যাঁদের হাত ধরে ঘটেছিল, প্রফুল্ল চাকী ছিলেন তাঁদের পুরোভাগে। ক্ষুদিরাম-প্রফুল্ল চাকীর নাম একসাথে উচ্চারিত হওয়ার হলেও কী এক বিচিত্র কারণে প্রফুল্ল চাকী বারেবারেই সেই আলোকবৃত্তের বাইরে রয়ে গেছে। দুজনেরই আত্মোৎসর্গের শতবর্ষ অতিক্রান্ত। সেই অতিক্রান্ততাতেও প্রফুল্ল চাকী যথারীতি অনালোচিত ও অবহেলিত। শুধু তাই নয় তাঁর মৃতদেহের উপর যা অপমান করা হয়েছে তাও বোধ হয় কোনো বিপ্লবীর ভাগ্যে জোটেনি। আর তাঁর মৃত্যু সেতো রহস্যের কালো অন্ধকারে ঢাকা। ব্রিটিশ রাজ ও তার পোষা ভারতীয় শ্বাপদদের সাজানো তাঁর আত্মহত্যার কাহিনি যে ভ্রান্ত তাঁকে যে ব্রিটিশ বাহিনী ও তাদের দাস ভারতীয় পুঙ্গবরা নির্মমভাবে অত্যাচার করে গুলি করে খুন করেছিল তারই দলিল এই গ্রন্থ। এর পরতে পরতে সেই মৃত্যুরহস্যের আবরণ উন্মোচনের আঁচড়।
Author : Prasenjit Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
প্রত্নতথ্য
বৈদিক শ্লোকের মতন বয়ে যায় কাল। কালের দীর্ঘ যাত্রা পথে গড়ে ওঠা নগর, গ্রাম, শিল্প, নটনটীদের চলমান চিত্র কালের স্রোতে এক ছলাতে কোথায় মিলিয়ে যায়। তারপর বর্তমানের বাঁকে এসে যুগযুগান্ত ধরে বহমান সভ্যতার নদীখাত শুকিয়ে জীবাস্মে পরিণত অতীত রয়ে যায় প্রত্নতত্ত্বে। সেই অতীত এক অত্যন্ত উন্নত সভ্যতার ব্লু-প্রিন্ট রূপে ধরা দেয়, সেই উন্নত বিজ্ঞান এবং ইতিহাসের বীজের সন্ধান দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থের মাধ্যমে।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Panchkari Dey
Weight – 0.4kg
Binding – Hard Bound
রঘু ডাকাত
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Aniruddha Sarkar
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
রহস্যে ঘেরা হিমালয়
বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য তাজমহলকে ঘিরে রয়েছে অজস্র মিথ ও রহস্য। দু’দশক ধরে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিকের মেহনতের ফসল তাজমহল, যা কুতুব মিনারের থেকেও বেশি উঁচু। তাজমহলের নির্মাণসামগ্রী এসেছিল সারা পৃথিবী থেকে।… সত্যিই কি তাজমহল নির্মাণের পর শ্রমিকদের হাতা কেটে ফেলা হয়েছিল?… তাজমহল নির্মাণের চেয়ে দ্বিগুণ খরচ হয়েছিল ময়ূর সিংহাসন তৈরিতে!… কোথায় আছে মমতাজের আসল সমাধি?… তাজমহলের জমির আসল মালিক কারা?… এই বিরাট স্থাপত্য এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রহস্যের অনুসন্ধান করেছেন সাংবাদিক-গবেষক অনিরুদ্ধ সরকার।
রহস্যে ঘেরা হিমালয় এবং রহস্যে ঘেরা তিব্বতের পর এই সিরিজের তৃতীয় বই— রহস্যে ঘেরা তাজ।
তিব্বত এক ‘রহস্যময় দেশ’। যে দেশের অধিকাংশ বিষয় আজও আমাদের অজানা। তিব্বতেই না-কি রয়েছে শাম্ভালা বা জ্ঞানগঞ্জ। তিব্বতে আর্যদের সন্ধানে হিটলারের নাৎসি বাহিনি অভিযান চালিয়েছিল। লেখক দীর্ঘ গবেষণা চালিয়েছেন তিব্বত দেশটির ওপর। যেমন তিব্বতের রাজধানী লাসার পোতালা প্রাসাদ থেকে দালাই লামার অলৌকিক নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন, তেমনি তিব্বতের মিথ, রহস্য, অলৌকিক বিষয়, সীমান্ত, রাজ-পরম্পরা, খাওয়া-দাওয়া নিয়েও আলোচনা করেছেন। এর পাশাপাশি লেখক তিব্বতের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসের কথাও তুলে ধরেছেন এই বইয়ে।
Bharatpathik Raja Rammohan Roy er ek mulyaban grantha…
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Soumya Basu
Weight – 0.6kg
Binding – Hard Bound
রাজনৈতিক সন্ন্যাসি
Binding
Hard Board
Pages
171
উনিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে ভারতের বিজ্ঞানাকাশে যে ক’জন ভারতীয় নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছিল, রামব্রহ্ম সান্যাল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দুঃখের বিষয় আজ সম্ভবত তিনি সবচেয়ে বিস্মৃত।
রামব্রহ্মের ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হওয়া, কিন্তু চোখের অসুখ তাঁর পড়া শেষ করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্ধত্বের দিকে পা বাড়ানো হতাশাগ্রস্ত রামব্রহ্মের দিকে তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরই এক প্রফেসর।
অতি সামান্য কর্মচারীরূপে রামব্রহ্মের চিড়িয়াখানাতে প্রথম চাকরী। পরে তাঁর আর এক ইংরেজ প্রফেসারের কাছে শিক্ষানবিশি করে তিনি নিজের কর্ম দক্ষতায় চিড়িয়াখানার কার্যনির্বাহক কমিটির আস্থাভাজন হন।
কমিটির সদস্যদের ইচ্ছে ছিল যে কোনও বিজ্ঞানমনস্ক নৈর মিলিয়ার ভার নিলে তারা চিড়িয়াখানাটিকে ঠিকভাবে গড়ে নিতে পারবেন। অনেক চেষ্টা করেও সেই রকম ইংরেজ বা ইংরেজি আদব কায়দা জানা মানুষ পাওয়া গেল না। তখন বাধ্য হয়েই রামব্রহ্মের ওপর চিড়িয়াখানার ভার দেওয়া হল। রামব্রহ্মাই হলেন চিড়িয়াখানার প্রথম ভারতীয় তত্ত্বাবধায়ক। অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি চিড়িয়াখানার এবং নিজের সুনাম বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৮৯২ খ্রীস্টাব্দে তাঁর লেখা বই ” A Handbook of the Management of Animals in Captivity in Lower Bengal” বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। লন্ডন জুলজিক্যাল সোসাইটি তাঁকে Corresponding Member হিসাবে সম্মান জানায়। ১৮৯৮ খ্রীস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে “রায় বাহাদুর” উপাধিতে ভূষিত করেন এবং এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল তাঁকে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার নির্বাচিত করেন।
একজন বাঙালীর পক্ষে সেই যুগে এত সব সম্মানের অধিকারী হওয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Amrita Konar
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
রানী কাহিনী
কলকাতার হৃদপিণ্ড লালবাজার, যেখানে প্রতিদিন জমা হয় অপরাধ, রহস্য আর অমীমাংসিত কেস ফাইল। শহরের ভিড়, আঁকাবাঁকা গলি আর রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে অগণিত অচেনা গল্প, যা সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। সেই অদৃশ্য রহস্যকে দৃশ্যমান করে তোলার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন লালবাজার স্পেশাল ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের নতুন অফিসার, স্বর্ণালী পাল চৌধুরী।
কঠোর শৃঙ্খলা, দৃঢ় মানসিকতা আর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ক্ষমতা নিয়ে স্বর্ণালী এগিয়ে চলেন একে একে পাঁচটি ভিন্ন কেসের পথে। কখনো হাওড়ার নদীপথে ভেসে ওঠা অঙ্গহীন দেহ, কখনো কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত খুন, আবার কখনো কলকাতার সঙ্গে জুড়ে যাওয়া পাহাড়ি শহরের নির্জন রাস্তায় চাপা পড়ে থাকা মৃত্যু। প্রতিটি রহস্য আলাদা, অথচ তাদের সুতো জুড়ে যায় অপরাধের অন্ধকার জগতে।
এই গল্পগুলো নিছক পুলিশের ডায়েরি নয়, এগুলো এক নারীর সাহসিকতা, তার মনের দ্বন্দ্ব আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার অবিরাম সংগ্রামের কথা। আর সেই সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্তকে শব্দে বন্দি করছেন তার সঙ্গী, স্বামী ও লেখক ভাস্কর পাল চৌধুরী।
রান্নাবান্না, খাওয়াদাওয়ার মধ্যে যতই আটপৌরে প্রাত্যহিকতা থাক, দৈনন্দিন নৈমিত্তিকতা থাক, এই দৈনন্দিন চর্যার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের মনন, কল্পনা, অভ্যাস, সংস্কার। খাওয়াদাওয়ার ইতিহাস আসলে সংযোগ আর আদানপ্রদানের ইতিহাস। তাই রান্না মানে নিছক রেসিপি নয়, তেল, নুন, হলুদ, লঙ্কার পরিমাণ নয়। রান্নার প্রকরণ, প্রণালীর হাত ধরে নির্দিষ্ট যাপনের স্বাদ নেওয়াই রন্ধন শিল্প। আর সে তো রূপকথার মতোই রঙিন, কখনো-বা অবিশ্বাস্য, অলীক। কামরাঙা স্নাত ওশেন ট্রাউট কিংবা বরফের স্তূপে শায়িত তীব্র লেবুগন্ধি লেমন জেলাতো আপনার সামনে হাজির হলে চেনা ছক কেমন যেন গুলিয়ে যাবে না? লবণ শয্যায় শায়িত অয়েস্টার প্লাম পিউরির নজরটিপ নিয়ে আপনার সামনে হাজির হলে বিশ্বাস অবিশ্বাসের জগাখিচুড়ি অবস্থা হতে বাধ্য। আবার ঘুঘু ডাকা দুপুরে ছেলেবেলার কাঁচা মিঠে আমের স্বাদের নতুন কল্পনায় রূপকথাও হার মানবে। এমন হাজারও গল্প ও রেসিপি নিয়ে ‘রূপকথার রান্না’।
বইয়ের কথা:
রবীন্দ্রনাথ বিশ্বনাগরিক। তিনি দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিভাধর উজ্জ্বল ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। বিশেষ করে বিভিন্ন বাঙালি ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর যে গভীর মধুর সম্পর্ক ও হৃদ্যতা গড়ে উছেছিল আলোচ্যগ্রন্থে সেসব কাহিনী তথ্যসমৃদ্ধ সহকারে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে লেখকের প্রয়াস প্রশংসনীয়। আলোচ্য প্রবন্ধ নিবন্ধগুলির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি যেমন আমাদের সামনে উন্মোচিত হয়, তেমনি রবীন্দ্রনাথ নতুন করে আবিষ্কৃত হন। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে জানার তো শেষ নেই। সুধী পাঠকগণ এ গ্রন্থ থেকে রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারবেন। এই সংকলনটি ইতিহাস তথা সময়ের দলিল হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
লেখক পরিচিতি:
অলক মণ্ডলের জন্ম ১৯৬২ সালের ৭ মে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ফলতা থানার অন্তর্গত মাতুলালয় মাখনা গ্রামে। পৈতৃক বাসস্থান ওই থানার কৈখালি গ্রামে। নব্বই দশক থেকে সরকারি চাকুরির পাশাপাশি বিভিন্ন সাময়িক পত্রপত্রিকায় সমকালীন সাহিত্য, জীবন, ইতিহাস প্রভৃতি নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখে চলেছেন। ইতিমধ্যে প্রকৃতিপ্রেমিক কালজয়ী কথা সাহিত্যিক বিভূতিভূষণকে নিয়ে তাঁর দুটি গবেষণাগ্রন্থ (নানা রঙের বিভূতিভূষণ ও দেবযানের সাধককবি বিভূতিভূষণ) প্রকশিত হয়েছে ও সুধীজনের প্রশংসা লাভ করেছে। এছাড়া আরও শতাধিক প্রবন্ধ-নিবন্ধ অগ্রন্থিত অবস্থায় আছে।
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
কখনও ভেবে দেখেছেন বাঙালি আজও স্বামী বিবেকানন্দকে কতটা নিতে পেরেছে? উত্তর সম্ভবত কারো কাছেই নেই। একশ্রেণির বাঙালি একটা সময় প্রতিপদে স্বামী বিবেকানন্দকে অপমান করেছে, হেয় করেছে। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্যদের দেখে হাঁসের ডাক ডেকেছে। স্বামীজিকে কটাক্ষ করে বলেছে, “কায়েতের ছেলে হয়ে সন্ন্যাসী!” সেই বাঙালিদের একটা বৃহত্তরগোষ্ঠী আবার পরে স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে মাতামাতি করেছে। স্বামীজির ঘনিষ্ঠ ভক্ত-শিষ্য থেকে প্রতাপচন্দ্র মজুমদার, স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বহু দিক্পাল বাঙালিই বিবেকানন্দের বিরোধিতা করেছেন প্রকাশ্যে। সে-যুগে কেউ কেউ বই অবধি ছাপিয়ে বিলি করেছেন। বাঙালির এই বিবেকানন্দ-বিরোধিতা প্রায় শতবর্ষ ছাড়িয়েছে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের প্রায় পঞ্চাশজনের বিরোধিতা নিয়েই এই গ্রন্থের নির্মাণ।

