Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
Khori Prakashani
0.5kg
Specifications
Binding
Hard Board
Publishing Year
2025
Specifications
Binding
Hard Board Binding
ISBN
9789393833679
Publishing Year
2024
Pages
140
Binding
Hard Board
Pages
171
শিল্পকলার ইতিহাসের চর্চায় গুরুদাস সরকারের অবদান নিয়ে বলা নিষ্প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও মন্দিরের কথার ভূমিকার রচয়িতার নামটি একবার উল্লেখ
করতেই হয়। কারণ, সেই নামটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘কোনারকের কথা’ এবং ‘ভুবনেশ্বরের কথা’ আলাদা বই রূপে প্রকাশিত হওয়ায় দু’টি বইতেই সেই ভূমিকা এবং ‘মন্দিরের কথা’-র উপক্রমণিকা অংশটি সংযুক্ত করেছেন প্রকাশক। বর্তমান সংস্করণগুলির জন্য আলাদা করে নতুন ভূমিকাও যোগ করা হয়েছে .
Publishing Year
2025
Pages
180
Binding
Harf
Pages
160
Author : SARDAR ABDUR RAHAMAN
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারত মহাসাগরে ভাস্কো ডা গামার ধর্মযুদ্ধ ও গণহত্যা
Author : Swapan kumar Thakur
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বাংলার কৃষিকাজ ও কৃষিদেবতা
Author : Anandanath Roy
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বারভুঁইয়া বা ষোড়শ শতাব্দীর বাংলার ইতিহাস
Author : Somobrata Sarkar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারতের প্রাচীন ধর্মীয় সম্প্রদায়
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
Publisher
Khori – খড়ি প্রকাশনী
Binding
Hardbound
Language
Bengali
Author : Asit Kumar Haldar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Pages :
Publisher : Khori
ভারতের শিল্পকথা : অসিত কুমার হালদার
Author
Rajat Pal
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
Type of Product
Physical
Publisher list
Khori Prakashani
Languages
Bengali
Binding
Hardbound
Publishing Year
2024
বঙ্গদেশে যেসব ধান জন্মায়, সেসব ধানের আদ্যন্ত বিবরণ বা বর্ণনা, পরন্তু ধান-চালের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কযুক্ত আলোচনা এই গ্রন্থখানির মূল বিষয়। এককথায় ‘বঙ্গে চালতত্ত্ব’ গ্রন্থটিকে ধান এবং চাল কারবারের সহায়ক অমূল্য গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হয় না। ‘সংজ্ঞা ও পরিভাষা’-র মধ্যে ধান এবং চালের বিভিন্ন ভাষার নামও পাঠকদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে।
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, হাড়ের বাঁশি আর ভয়ের গদ্যমালা।
অর্ক চক্রবর্ত্তী-র লেখায় ভয় ধরা দিয়েছে কাব্যিক সৌন্দর্য নিয়ে। বুকের রক্ত কেঁপে ওঠা ভয় নয় বরং ওঁর লেখা জুড়ে আতঙ্ক, বীভৎসতা, ভয় ধরা দিয়েছে স্নিগ্ধ শীতল বাতাসের মত যাতে অনায়াসেই ভেসে যাবেন পাঠক। লেখার মাধুর্য এমনই যাতে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার পরেও এর রেশ থেকে যায় বহুদিন। সাধারণত ভয়ের বই একবার পড়ার জন্যই উপযুক্ত হয়। খুব কম ভয়ের বইই পাঠক বারবার পড়েন। ‘কৃষ্ণশর্বরী’ তেমনই বারবার পড়ার উপযুক্ত বিরল গোত্রের এক ভয়ের বই। দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এই বই পাঠ করার পর এর রেশ থেকে বেরোতে পাঠকের বহুদিন সময় লাগবে।
এই কাহিনীর একদিকে রয়েছে খুলনা উত্তরের ডন মোজাফফর রহমান আর অন্যদিকে দক্ষিণের আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়া জামশেদ মোল্লা। হঠাৎই শহরে আগমন ঘটে এক রহস্যময় ব্যক্তির, যাকে চেনে এবং সমীহ করে শহরের অন্ধকার জগৎ। দেখতে দেখতে খুলনা শহরের রঙ পাল্টে হয়ে যায় রক্তবর্ণ। পুলিশ অফিসার হাদী আলম ও তার সহকারী বাবুল নেমে পড়ে রহস্য উদঘাটন করতে। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসে জার্নালিস্ট সামিয়া। তারা কি শহরের এই হত্যালীলা থামাতে পারবে? শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় কে? সেই গল্পই বলে ‘চতুরঙ্গের অশ্বারোহী’।
অতি প্রাচীনকালে গিরিগুহা থেকে উপত্যকায় নেমে আসেন নারী। শস্যের বীজ মাটিতে বোনেন। সে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে সূচনা হল মানবসভ্যতার নতুন ইতিহাস। কৃষিকাজের উদ্ভাবক হিসেবে নারীর অবদান থাকলেও সমাজ-পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থানগত পরিবর্তন হতে থাকে।
দিনবদলের নানামুখী প্রেক্ষাপটে এক দীর্ঘ সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গৃহে ও কর্মক্ষেত্রে নারীর সরব উপস্থিতি এখন লক্ষ করা যায়। তবে নারীর অবস্থানের কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটলেও জীবনের মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। নারী-আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, এর সূচনা হয়েছিল ভোটাধিকার নিয়ে। সমাজে পশ্চাৎপদ মূল্যবোধ নারীর অধিকার সুদীর্ঘকাল যেমন খর্ব করেছে, তেমনি আজও করছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীবাদ তত্ত্ব হিসেবেও পরিশীলিত হচ্ছে। তবে এর মূল যে উদ্দেশ্য লিঙ্গ-সাম্যের পৃথিবী নির্মাণের, সেদিকে লক্ষ্য রাখা এখন জরুরি।
নারীমুক্তি আন্দোলন শুধু নারীর জন্য কিছু সুবিধা আদায় করা নয়, এর লক্ষ্য হল, সার্বিক মানবমুক্তি। সমতাভিত্তিক, মানবিক ও অধিক নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য চাই নারী-পুরুষের যুগ্ম পদযাত্রা। চাই মুক্তবুদ্ধির চর্চা। একুশ শতকের মেয়েদের চোখে আজ অনেক স্বপ্ন। তবে স্বপ্ন তো চিরদিন স্বপ্ন হয়ে থাকে না। এগিয়ে যাবে মানুষ। বিভাবরী সূর্য উঠবেই।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Various Writers
Weight – 0.45kg
Binding – Hard Bound
হত্যান্বেষী
We will notify if any of your ordered book is out of print or price revised due to reprint or new edition.
শোণিত উপাখ্যান’ ট্রিলজির প্রথম ভাগে আপনারা পরিচিত হয়েছেন পুলিশ অফিসার কায়েস আর রহস্যমানব অবলালের সাথে। খুনের তদন্তের সূত্রে ভয়ংকর তান্ত্রিক শৈলেন ভট্টাচার্যের অতিপ্রাকৃত শক্তি ও তার পিশাচের দলবলের সাথে মুখোমুখি হয়েছে তারা দু’জন। সামনে ভয়াবহ কোনো ঘটনার আভাস ইতিমধ্যেই তারা পেয়েছে। কিন্তু এখনও যে অনেক প্রশ্নের উত্তর অধরা!
সেইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে ফিরে যেতে হবে সুদূর অতীতে। এখন আশু প্রয়োজন সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের পুনরুদ্ধার। কালের পর্দা সরিয়ে উকি দিতে হবে মহাপরাক্রমী হূণ নেতা চেঙ্গিস খান কিংবা দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডার বা মোগল সম্রাট বাবরের দরবারে; জানতে হবে যুগ যুগ ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে রাখা ‘শোণিত মন্দির’-এর পুরোহিতদের কথা। জানতে চান, পিশাচের গ্রামে রুমীর সাথে কী ঘটেছিল? জানতে চান, অবলালের ইতিহাস? জানতে চান, ক্যাপ্টেন অ্যান্ড্রিয়াসের সাথে সাদা হাতের বৈরীতার উৎস?
সব প্রশ্নের উত্তর আছে রক্তের মাঝে, ‘শোণিত উপাখ্যান’-এ!
ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব ফোকলোর আর পাশ্চাত্যের সুপারন্যাচারাল উপাদানের মিশেলে, আধুনিক ঢাকা শহরের ব্যাকড্রপে নির্মিত এই কাহিনি বাংলা ভাষায় ফ্যান্টাসি ঘরানার একটি স্বকীয় এবং শক্তিশালী উদাহরণ।
আজ আপনার জন্য কাহিনির দ্বিতীয় ভাগ -“শোণিত উপাখ্যান : অতীত’।
ইতিহাস মনে রেখেছে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭। কিন্তু ইতিহাসনির্মাণের ইতিহাস বার বার পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। সে ইতিহাস নির্মাণের কালখণ্ড ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭।
নতুন দেশ গড়ে উঠছিল। ভেঙে যাচ্ছিল কোটি কোটি মানুষের ঘরবাড়ি। দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতার খাঁড়া ঝুলছিল ভারতবর্ষের ভাগ্যাকাশে। আর একটা একটা করে কেটে যাচ্ছিল দিন— ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭।
এই পনেরো দিনে নির্মিত হয়েছে ইতিহাস, গৃহীত হয়েছে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, রচিত হয়েছে ভারতের ভবিষ্যত। ইতিহাস সাক্ষী, সেসব সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ভারতবাসীর প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করেছে। সেই সিদ্ধান্তসমূহের প্রতিধ্বনি আজও উচ্চকিত হয়ে বাজে ভারতবর্ষের রাজনীতি, সমাজ আর জনগণের স্মৃতিতে।
রক্তপক্ষ সন তারিখের বুলি আওড়াতে নয়, পাঠকের দরবারে এসেছে সেই পনেরোটি দিনের মাঝে আপনাকে ফেরত নিয়ে যেতে। সেই পনেরোটি দিন, দুই সপ্তাহ— যখন ক্ষমতার বয়ানের সঙ্গে সংঘর্ষে নেমেছিল আদর্শের আহ্বান, যখন আশার আলো আর আশংকার কালো ছায়া লড়ছিল মুখোমুখি— নেতার সিদ্ধান্তের মূল্য দিচ্ছিল সাধারণ মানুষ। এই পনেরো দিন— সেই এক পক্ষ, সেই রক্তপক্ষ।
আপনার ১৯৪৭ সম্পর্কে জেনে ওঠা ইতিহাসের ভিত্তিতে সজোরে আঘাত করবে এই লেখা। আপনার ধারণা ও প্রচলিত বিশ্বাসের সামনে যুক্তির অলঙ্ঘ্য প্রাচীর তুলে দাঁড়াবে এই বই।
পাঠক, যদি ইতিহাস বলতে আপনি কেবল সময় ও তারিখের নির্ঘণ্ট বোঝেন— এ বই আপনার জন্য নয়। আর যদি ইতিহাস বলতে আপনি মানুষের সিদ্ধান্ত, দ্বিধা ও পরিণামের কাহিনি খোঁজেন— তবে এ বই কেবল আপনারই জন্য।
ইতিহাস নির্মাণে সর্বদা যুগ-যুগান্তর প্রয়োজন হয় না, কখনও কখনও পনেরো দিনেও ইতিহাস নির্মিত হয়। পড়ুন রক্তপক্ষ, পুনর্যাপন করুন ইতিহাসের অনালোকিত অধ্যায়।
———————————————————————————-
ভারতপ্রসিদ্ধ লেখক শ্রী প্রশান্ত পোল রচিত ‘উয়ো পন্দরা দিন’, বহুলালোচিত, পাঠকবন্দিত ও পুরস্কৃত এই গ্রন্থটি ভারতবর্ষের সাতটি ভাষায় অনূদিত হওয়ার পরে অন্তরীপের হাত ধরে এই প্রথমবার আসছে বাংলা ভাষায়। কাগুজে ইতিহাস নয়, হাসি-কান্না-আতংক-লজ্জা-রক্তে মাখা জীবন্ত দিনলিপিটিকে বাংলা ভাষায় প্রাণদান করেছেন শ্রী সুজয় দত্ত। স্বাধীনতার পূর্ববর্তী একপক্ষ কালের মধ্যে ঘটে যাওয়া অগণিত ঘটনার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে এই বই।
গ্রন্থের চরিত্র মহাত্মা গান্ধী থেকে বীর সাভারকর, জওহরলাল নেহরু থেকে মহম্মদ আলি জিন্নাহ-সহ অখণ্ড ভারতের রাজনীতির রথী-মহারথীরা। কিন্তু প্রধান চরিত্র সেই পক্ষকাল যা সূচিত করছিল এক নতুন যুগকে। ক্ষমতার হস্তান্তরের আড়ালে দেশভাগের ধারালো আঘাত যে-রক্তধারায় স্নান করিয়েছিল স্বাধীনতাকে, প্রধান চরিত্রে তাকেও দেখতে পাব। আবিষ্কার করব আমাদের জনগণমন অধিনায়কদের মনোদর্পণ।
হারানো কমিক্স
অলংকরণ : তুষার চ্যাটার্জী
সম্পাদনা – ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
হারানো দিনের ভিন্টেজ সাদাকালো কমিক্স। সংকলনে থাকছে নয়টি ভিন্ন স্বাদের চিত্রকাহিনি—
– ‘খুনী কে?’
– ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ’
– ‘মহম্মদ জল্লাদ’
– ‘আশ্চর্য’
– ‘ঝিলম নদীর তীরে’
– ‘হত্যাকারী’
– ‘গাবলু ও গুণ্ডা হাতী’
– ‘হাসির রাজা গোপাল ভাঁড়
– ‘লঙ্কা কাণ্ড’
বিষয় কার্টুন : কার্টুনিস্ট কুট্টি সংখ্যা
প্রচ্ছদ : কামিল দাস
‘বিষয় কার্টুন’ পত্রিকার পয়লা সংখ্যা কার্টুনিস্ট কুট্টিকে নিয়ে ২০০৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সংখ্যাটি কার্টুনপ্রেমী পাঠকদের কাছে প্রসংশিত হয়েছিল। দীর্ঘ বছর হারিয়ে যাওয়া সেই সংখ্যাটি বই আকারে ফিরিয়ে নিয়ে এল ‘বুক ফার্ম’।
১৯৬০-৮০-র সময়কালে কুট্টির কার্টুনের সঙ্গে ঐকান্তিক সম্পর্ক ছিল ‘আনন্দবাজার’ ও ‘আজকাল’ সংবাদপত্রের পাঠকদের। সেই কার্টুনের নির্বাচিত নিদর্শন সহ এই বইতে রয়েছে তঁার জীবনের বিচিত্রকথা ‘কুট্টি কাহিনি’, কুট্টির দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর লেখা, শিল্পী দেবব্রত ঘোষ, লেখক অনুক্ত বর্মণ, প্রদীপ পারেখ ও সম্পাদক বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায়ের মূল্যায়ণ। কুট্টির কার্টুনের সঙ্গে নানাস্বাদের এই লেখাগুলিও পাঠকদের মনোরঞ্জন করবে নিশ্চিত ভাবেই।
We will notify if any of your ordered book is out of print or price revised due to reprint or new edition.
বিফলে মূল্য ফেরত
অমিতাভ গুপ্ত
প্রচ্ছদশিল্পী : রোকু
বিহেভিয়রাল ইকোনমিক্স নিয়ে অমিতাভ গুপ্তর নিবন্ধ সংকলন।
রাখালরাজা
শ্যামলেন্দু সিনহা
প্রচ্ছদ – পার্থপ্রতিম দাস
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রথম প্রেসিডেন্ট স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজ ছিলেন ঠাকুরের মানসপুত্র। ঠাকুর বলে গিয়েছিলেন, “রাখালের একটা রাজ্য চালানোর ক্ষমতা আছে।” তাই স্বামীজী তাঁকে ডাকতেন ‘রাজা’ বলে। সেই থেকে তিনি রাজা মহারাজ।
তিনি ছিলেন এক শান্ত সমাহিত ধ্যানমগ্ন সন্ন্যাসী। অন্যদিকে তিনি এক দক্ষ প্রসাশক। এক পরাধীন দেশের ঝঞ্ঝাবিক্ষুদ্ধ সময়ে তিনি হাল ধরেছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের। মিশনকে এক দৃঢ় ভূমিতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আজীবন তিনি ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট।
তাঁর চরিত্রের আরও কিছু আকর্ষণীয় দিক ছিল। যেমন তাঁর সঙ্গীতপ্রিয়তা, হাস্যরস, ফুল ও ফলের গাছের প্রতি ভালোবাসা। এমনকি কখনোসখনো তিনি মাছ ধরতে বা তাস খেলতেও ভালোবাসতেন। সর্বোপরি ছিল মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা।
স্বামীজী তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন, “…ঠাকুর যাঁকে ছেলে বলে কোলে করতেন, আদর করে খাওয়াতেন, একসঙ্গে শয়ন করতেন, তাঁর কি তুলনা হয়? রাজা আমাদের মঠের প্রাণ— সত্যিই আমাদের রাজা।” এমন একজন সন্ন্যাসীর জীবনের ছবি আঁকার আপ্রাণ ও অক্ষম চেষ্টার ফসল এই বই।
বইয়ের কথা:
রোলি আর তিন্নি কলেজ স্ট্রিটে খুঁজে পেল একটি ডায়েরি, যাতে লেখা রয়েছে রক্তচুনির কথা। শুভায়ন ওর দুই ভাই বোনকে নিয়ে পারি দিল হিমালয়ের উত্তরে এক পাহাড়ি গ্ৰামে। পাগলা মধু আহরণ করে এই কুলুং উপজাতি জীবিকা নির্বাহ করে, ওদের দেবী রাংকেমি মা রাংগুরা গুহায় থাকেন। সেই গুহায় লুকিয়ে আছে রহস্য। গুপ্তচক্র, যারা খুঁজছে এক বিশেষ প্রাচীন পুঁথি। সিকিমের এক বৌদ্ধ মঠে যা ছিল লুকানো। ওদিকে সিটংএর কমলা বাগান ছেয়ে গেছে এক বিশেষ প্রজাতির পোকায়, নষ্ট হচ্ছে ফলন। রোলি তিন্নি আর শুভায়ন ঘুরতে গিয়ে জড়িয়ে যায় এক অন্য রহস্য জালে। তারা কি খুঁজে পাবে সেই বিশেষ পুঁথি ? জঙ্গলে শুধু পশুরাই পাচার হয় না, পাচার হয় মানুষও। বিয়ে হয়ে লাটাগুড়ির জঙ্গলে এসেছে রিনি, আর জড়িয়ে গেছে এক অদ্ভুত রহস্যে। ঋজুর মেলে অদ্ভুত কিছু প্রাণীর ছবি দেখে রিনি অবাক হয়। ওদিকে রাতুল হারিয়ে গেছে কোথায়, মিতুল কি খুঁজে পাবে তার দাদাকে? এই তিন রহস্য ধরা পড়েছে এই বইয়ের দুই মলাটে।
লেখক পরিচিতি:
দেবদত্তা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ লেখিকার জন্ম উত্তরবঙ্গোর ছোট্ট জনপদ মালবাজারে। পাহাড় ঝরণা আর চা বাগানের মাঝে ডুয়ার্সে বড় হয়েছেন। লেখার শখ ছোট থেকেই, বিভিন্ন দেওয়াল পত্রিকা, লিটিল ম্যাগ থেকে আস্তে আস্তে শুকতারা, নবকল্লোল, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতীর পাতায় আত্মপ্রকাশ। বৈবাহিক সূত্রে বর্তমানে বৃহত্তর কলকাতার বাসিন্দা। দুই সন্তানের জননী। নেশায় এক নিরলস সাহিত্য কর্মী, লিখতে ভালোবাসেন সব রকম বিষয়ের উপর। ছোটদের জন্য রহস্য গোয়েন্দা বা ভৌতিক জরের পাশাপাশি প্রাপ্তমনস্কদের জন্য ঐতিহাসিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস লিখতেও পছন্দ করেন। বিষয় থেকে বিষয়াস্তরে যেতেই ভালোবাসেন। এই বইতে রয়েছে একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস ও চারটি বড় গল্প। প্রতিটি গল্প সত্যকে সামনে রেখে কিছুটা কল্পনার আশ্রয়ে গড়ে উঠেছে।
একটা দলের বিচ্যুতি আর অপ্রাসঙ্গিকতা থাকা সত্ত্বেও যে সব মানুষ এখনো মেরুদণ্ড সোজা করে থাকতে পারে, রেড বুক তাদের নিয়ে লেখা। প্রথম পর্ব শহরের কথা বললে দ্বিতীয় পর্ব গ্রামীণ রাজনীতির একটা অংশকে তুলে ধরে। রেডবুক একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উপন্যাসের বই।

