Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত : ইতিহাস কিংবদন্তী স্থাপত্য
শ্যামল কুমার মুখোপাধ্যায়
বীরভূমি বুন্দেলখন্ড। লোককথা, হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস অনুপম নৈসর্গের পটভূমিতে রচিত প্রাচীন দুর্গ, প্রাসাদ, দেবদেউলের অপরূপ শিল্প সম্ভার সব মিলিয়ে বুন্দেলখন্ডের আকর্ষণ অমোঘ, অপ্রতিরোধ্য। একদিকে এই ভূখণ্ডের রণনিপুণ রণনায়কদের রণক্ষেত্রে রক্তের অক্ষরে রচিত জীবনগাথা, অন্যদিকে আবার তাদেরই পাথরের বুকে রেখে যাওয়া ঈশ্বরদত্ত শিল্পচেতনার উত্তরাধিকার আর এই সবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নানা লোকগাথা সব নিয়েই এই বুন্দেলখন্ডের ইতিবৃত্ত।
নিউটনের আপেল ও প্রেমিকা : মিথ ও ঘটনা
সহস্রলোচন শর্মা
ভূমিকা : “১৬৬৬ সালের গ্রীষ্মকাল। সন্ধ্যা তখন সমাগত প্রায়। নিজের বাড়ির বাগানে পায়চারি করছিলেন বছর চব্বিশের এক যুবক। খানিকটা চিন্তা মগ্নই দেখাচ্ছিল তাঁকে তখন। হঠাৎই একটা আপেল খসে পড়ে তাঁর মাথায়। আপেলের এই অভিঘাত থেকেই তাঁর মনে উদয় হল এক মোক্ষম প্রশ্ন- ‘আপেলটা উপরে না গিয়ে নিচে পড়ল কেন?’ আর এই প্রশ্নের জবাব অনুসন্ধান করতে গিয়েই তিনি আবিষ্কার করলেন তাঁর বিখ্যাত প্রতিপাদ্য- মাধ্যাকর্ষণ বল।
পাঠক নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, কোন্ মনিষীর জীবনের ঘটনাংশ বিবৃত করা হয়েছে উপরের ছত্র ক’টায়? মাধ্যমিক স্তরের কিশোর কিশোরীদের কাছেও সুবিদিত নিউটনের এই আপেল কাহিনি। অথচ নিউটন ছাড়া সেদিন কিন্তু অন্য কেউই উপস্থিত ছিলেন না সেই বাগানে। আর তাঁর জীবদ্দশায় তিনি কখনও কোথাও এই আপেল কাণ্ডর কথা লিপিবদ্ধও করে যাননি। নিউটনের মৃত্যুর পর সামনে আসে আপেল কাণ্ড। নিউটনের অনুপস্থিতিতে কে প্রচার করলেন এই আপেল প্রপাতের কথা? তিনি কী করে জানলেন এই আপেল কাহিনি?
ইতিহাসের প্রতি তথ্যনিষ্ঠ থেকে আপেল কাণ্ডের অনুসন্ধান করেছি। যা পেয়েছি, যথাসম্ভব নিরপেক্ষভাবে তা তুলে ধরেছি ‘নিউটনের আপেল’ নিবন্ধে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, তথ্যর ভারে সর্বত্র ঋজু রাখতে পারি নি সে কাহিনির যাত্রা পথ। তবে একথা প্রবলভাবে বিশ্বাস করি, ধৈর্য্য ধরে পথটা যদি অতিক্রম করতে পারেন, ফল লাভ থেকে কিন্তু বঞ্চিত হবেন না।সবাই হয়তো জানেন যে, আজীবন অকৃতদার ছিলেন নিউটন। কিন্তু একথা কি সত্যি যে, কোনও দিনও কোনও নারীর ছায়াই পড়েনি নিউটনের জীবনে? আপেল কাণ্ড অনুসন্ধান করতে গিয়েই হদিশ পাই নিউটনের প্রেমিকার। নিউটন বেঁচে থাকাকালীন তাঁর প্রেমিকার হদিশ পান নি কেউই। আর তাঁর কৈশোরকালের সেই প্রেম নিয়ে একবারের জন্যও মুখ খোলেন নি নিউটনও। আপেল কাণ্ডের মতই, তাঁর মৃত্যুর পর সামনে আসে এই প্রেম কাহিনি। কে প্রথম হদিশ পেলেন নিউটনের প্রেমিকার? ৭০ বছর আগের সেই প্রেম কাহিনি কী করে জানলেন তিনি? আজও ইতিহাসের ধূলি ধূসরিত পাতার এক কোণে গুটি কয়েক অক্ষরের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই অজানা প্রেম কাহিনি। নিউটনের কৈশোরকালের স্বল্পমেয়াদী সেই প্রেম কাহিনি বিধৃত করেছি ‘নিউটনের প্রেমিকা’ নিবন্ধে। প্রেম কাহিনির পাশাপাশি কিশোর নিউটনের নানান অজানা ঘটনাও মেলে ধরেছি সেখানে, যাকে আমি কিশোর নিউটনের পূর্ণাঙ্গ জীবনী হিসেবে ভাবতে ভালোবাসি।”
—————সহস্রলোচন শর্মা
দ্য ডেজার্ট
পিয়ের লোতি
অনুবাদ : প্রদীপ কুমার সেনগুপ্ত
চলুন ইতিহাসের একটু পিছনে হাঁটা যাক। বিখ্যাত “টেন কমেন্ডমেন্টস ” সিনেমা মনে আছে? সেই মিশর সম্রাট রামেশিস কর্তৃক বিতাড়িত হয়ে মোজেস যখন তার দলবল নিয়ে নিজস্ব বাসস্থান খুঁজে পাওয়ার জন্য মরুভূমি পেরিয়ে জেরুজালেম এর পথে যাত্রা করল? সিনাই পর্বতে পরম শক্তিমান ঈশ্বর কর্তৃক আদিষ্ট হয়ে ১০ টি বাণী সাথে নিয়ে জেরুজালেমে হাজির হয়ে বসতি স্থাপন করলেন?
বহুদিন বাদে ফরাসি ভূ – পর্যটক, নাবিক, সেনানায়ক ও প্রাচ্যবিশারদ পিয়ের লোতি সেই মোজেস এর পথ ধরেই উটের কাফেলা নিয়ে জেরুজালেমের পথে যাত্রা করেন।
সে এক অপূর্ব যাত্রা… অপূর্ব বর্ণনা…
সেই দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থের নামই হল “দ্য ডেজার্ট”।
তারই অসাধারণ অনুবাদ করলেন বিখ্যাত ভূতাত্বিক প্রদীপ কুমার সেনগুপ্ত।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Amrita Konar
Weight – 0.5kg
Binding – Hard Bound
রানী কাহিনী
তিনটি ভৌতিক উপন্যাসিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘তারে আমি চোখে দেখিনি’।
কালোদুঙ্গারের ঘোড়সওয়ার-
১০২৬ সাল। সোমনাথ মন্দির লুঠ করে ফিরে যাওয়ার পথে সিন্ধু নদের তীরে তাঁবু ফেলেছেন গজনির সুলতান মাহমুদ। শুষ্ক জলহীন মরুভূমিতে পথনির্দেশক হয় সঙ্গে এসেছেন হিন্দু রাজা ভীমদেবের নিয়োজিত দুই গুপ্তচর শামসুদ্দিন ফারুকি ও আব্দুল ওয়াহিদ। কচ্ছের রণের বুকে আর্কিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের খনন থেকে উঠে আসে কয়েকটা সোনার আশারফি। সোনার মুদ্রাগুলো হাতিয়ে নিতে চাইছে কেউ। পাহাড়ের কাছে অশরীরী ঘোড়সওয়ারকে দেখেছিল গুল মহম্মদ। সে কি তার চোখের ভুল? দিনে-রাতে সোনার মুদ্রার স্বপ্ন দেখে হেমরাজ মালধারি, কিন্তু তার পেছনে ধাওয়া করে আসা তিনটে নেকড়ে কি কোন অশুভ সংকেত বহন করছে?
যক্ষিণী সাধক-
গড় জঙ্গলে ইছাই ঘোষের দেউলে বেড়াতে এক ভবঘুরে লোকের পাল্লায় পড়ে কৃশানু। সে শুধু নিজের এঁটো সিগারেট খেতে দিয়েছিল কৃশানুকে। আর কৃশানুর কপালে এঁকে দিয়েছিল রক্ষাকবচ। ভাস্করের বান্ধবী অমৃতার দিদির বাড়িতে ভাড়া থাকেন প্রফেসর বিরূপাক্ষ। বাড়িটা একটু অদ্ভুত, ওই বাড়িতেই হারিয়ে গিয়েছিল বিষ্ণুদা, আর ফেরেনি। অমৃতা বাড়ির দেওয়ালে লাল রক্তের পায়ের ছাপ দেখেছিল সেগুলো কার? এমন ছাপ তো বিরূপাক্ষর ঘরের দেওয়ালেও ফুটে উঠতে দেখা গেছে। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়া অমৃতাকে কি বাঁচাতে পারবে ভাস্কর আর কৃশানু? বহুবছর আগে তন্ত্র সাধনা করে শিশু বলি দিতে গিয়ে ধরা পড়েছিল রুদ্র নামের এক কিশোর। তাকে কারাগারে বন্দী করে রাখা যায়নি। ফিরে এসে প্রতিশোধ নিয়েছিল সে। রুদ্রর প্রতিশোধ কি শেষ হয়ে গেছে?
রক্তচাঁদ-
কৌতূহলবশত প্ল্যানচেট করতে বসে জয়, ইন্দ্রজিত, নুপুর, ঝুমুর আর ইরাবান কিন্তু সফল হয় না। তাহলে ঝুমুরের শরীরে যে প্রেত বাসা বেঁধেছে সে কীভাবে এল? শিবানন্দ কি এই প্রেতকে চেনেন? প্রতি পূর্ণিমায় আসানসোল শহরের হাসপাতাল নার্সিংহোম থেকে চুরি যাচ্ছে সদ্যজাত শিশু। রাস্তার মোড়ে দেখা যাচ্ছে নুন দিয়ে আঁকা অদ্ভুত সব চিহ্ন। দুটি ঘটনা কি পরস্পর যুক্ত? ইরাবান যে হাসপাতালের নার্স সেখান থেকেও হারিয়ে যায় এক সদ্যজাত। অন্যদিকে ইন্দ্রজিতের বাবা নীলমণি বাড়ির চিলেকোঠায় কাউকে ঢুকতে দেন না। কী রহস্য গোপন করে রেখেছেন সেখানে? ঝুমুরের ঘরে যে কালো বিড়ালটা আসে যায়, সে কি কাউকে খুঁজে চলেছে? সব উত্তর মিলতেও পারে রক্তচাঁদের রাতে।
বইয়ের নাম : তারে আমি চোখে দেখিনি / Tare Ami Chokhe Dekhini
লেখক: দীপিকা মজুমদার/ Dipika Majumder
১৯৭১- এর মুক্তিযুদ্ধের পর এত বড় রক্ত স্নাত অভ্যুত্থান ও পটপরিবর্তন বিগত ৫৩ বছরে বাংলাদেশে আগে কখনও ঘটেনি। এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ ও বিশ্লেষণ এমন একজনের সম্পাদনায় গ্রথিত হয়েছে যিনি সম্মুখ থেকে এই আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্ব।
Binding: Paste Board (Hard)
Publishing Year: 2022
Author – Pinaki Biswas | পিনাকী বিশ্বাস
Publication – Khori Prakashani
Specifications
Binding
Hard
Publishing Year
2023
Pages
192
Khori Prakashani
0.5kg
Khori Prakashani
0.5kg
Specifications
Binding
Hard Board
Publishing Year
2025
Specifications
Binding
Hard Board Binding
ISBN
9789393833679
Publishing Year
2024
Pages
140
Binding
Hard Board
Pages
171
শিল্পকলার ইতিহাসের চর্চায় গুরুদাস সরকারের অবদান নিয়ে বলা নিষ্প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও মন্দিরের কথার ভূমিকার রচয়িতার নামটি একবার উল্লেখ
করতেই হয়। কারণ, সেই নামটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘কোনারকের কথা’ এবং ‘ভুবনেশ্বরের কথা’ আলাদা বই রূপে প্রকাশিত হওয়ায় দু’টি বইতেই সেই ভূমিকা এবং ‘মন্দিরের কথা’-র উপক্রমণিকা অংশটি সংযুক্ত করেছেন প্রকাশক। বর্তমান সংস্করণগুলির জন্য আলাদা করে নতুন ভূমিকাও যোগ করা হয়েছে .
Publishing Year
2025
Pages
180
Binding
Harf
Pages
160
Author : SARDAR ABDUR RAHAMAN
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারত মহাসাগরে ভাস্কো ডা গামার ধর্মযুদ্ধ ও গণহত্যা
Author : Swapan kumar Thakur
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বাংলার কৃষিকাজ ও কৃষিদেবতা
Author : Anandanath Roy
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
বারভুঁইয়া বা ষোড়শ শতাব্দীর বাংলার ইতিহাস
Author : Somobrata Sarkar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
ভারতের প্রাচীন ধর্মীয় সম্প্রদায়
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
MANAS BHANDARI
Binding
Hardcover
Language
BENGALI
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2022
Publisher
Khori – খড়ি প্রকাশনী
Binding
Hardbound
Language
Bengali
Author : Asit Kumar Haldar
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Pages :
Publisher : Khori
ভারতের শিল্পকথা : অসিত কুমার হালদার
Author
Rajat Pal
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
Type of Product
Physical
Publisher list
Khori Prakashani
Languages
Bengali
Binding
Hardbound
Publishing Year
2024
Author
Fanindranath Dasgupta
Binding
Hard Cover
Publisher
Khori
Year of Publication
2023
বঙ্গদেশে যেসব ধান জন্মায়, সেসব ধানের আদ্যন্ত বিবরণ বা বর্ণনা, পরন্তু ধান-চালের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কযুক্ত আলোচনা এই গ্রন্থখানির মূল বিষয়। এককথায় ‘বঙ্গে চালতত্ত্ব’ গ্রন্থটিকে ধান এবং চাল কারবারের সহায়ক অমূল্য গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হয় না। ‘সংজ্ঞা ও পরিভাষা’-র মধ্যে ধান এবং চালের বিভিন্ন ভাষার নামও পাঠকদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে।
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, হাড়ের বাঁশি আর ভয়ের গদ্যমালা।
অর্ক চক্রবর্ত্তী-র লেখায় ভয় ধরা দিয়েছে কাব্যিক সৌন্দর্য নিয়ে। বুকের রক্ত কেঁপে ওঠা ভয় নয় বরং ওঁর লেখা জুড়ে আতঙ্ক, বীভৎসতা, ভয় ধরা দিয়েছে স্নিগ্ধ শীতল বাতাসের মত যাতে অনায়াসেই ভেসে যাবেন পাঠক। লেখার মাধুর্য এমনই যাতে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার পরেও এর রেশ থেকে যায় বহুদিন। সাধারণত ভয়ের বই একবার পড়ার জন্যই উপযুক্ত হয়। খুব কম ভয়ের বইই পাঠক বারবার পড়েন। ‘কৃষ্ণশর্বরী’ তেমনই বারবার পড়ার উপযুক্ত বিরল গোত্রের এক ভয়ের বই। দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এই বই পাঠ করার পর এর রেশ থেকে বেরোতে পাঠকের বহুদিন সময় লাগবে।
এই কাহিনীর একদিকে রয়েছে খুলনা উত্তরের ডন মোজাফফর রহমান আর অন্যদিকে দক্ষিণের আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়া জামশেদ মোল্লা। হঠাৎই শহরে আগমন ঘটে এক রহস্যময় ব্যক্তির, যাকে চেনে এবং সমীহ করে শহরের অন্ধকার জগৎ। দেখতে দেখতে খুলনা শহরের রঙ পাল্টে হয়ে যায় রক্তবর্ণ। পুলিশ অফিসার হাদী আলম ও তার সহকারী বাবুল নেমে পড়ে রহস্য উদঘাটন করতে। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসে জার্নালিস্ট সামিয়া। তারা কি শহরের এই হত্যালীলা থামাতে পারবে? শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় কে? সেই গল্পই বলে ‘চতুরঙ্গের অশ্বারোহী’।
অতি প্রাচীনকালে গিরিগুহা থেকে উপত্যকায় নেমে আসেন নারী। শস্যের বীজ মাটিতে বোনেন। সে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে সূচনা হল মানবসভ্যতার নতুন ইতিহাস। কৃষিকাজের উদ্ভাবক হিসেবে নারীর অবদান থাকলেও সমাজ-পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থানগত পরিবর্তন হতে থাকে।
দিনবদলের নানামুখী প্রেক্ষাপটে এক দীর্ঘ সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গৃহে ও কর্মক্ষেত্রে নারীর সরব উপস্থিতি এখন লক্ষ করা যায়। তবে নারীর অবস্থানের কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটলেও জীবনের মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। নারী-আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, এর সূচনা হয়েছিল ভোটাধিকার নিয়ে। সমাজে পশ্চাৎপদ মূল্যবোধ নারীর অধিকার সুদীর্ঘকাল যেমন খর্ব করেছে, তেমনি আজও করছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীবাদ তত্ত্ব হিসেবেও পরিশীলিত হচ্ছে। তবে এর মূল যে উদ্দেশ্য লিঙ্গ-সাম্যের পৃথিবী নির্মাণের, সেদিকে লক্ষ্য রাখা এখন জরুরি।
নারীমুক্তি আন্দোলন শুধু নারীর জন্য কিছু সুবিধা আদায় করা নয়, এর লক্ষ্য হল, সার্বিক মানবমুক্তি। সমতাভিত্তিক, মানবিক ও অধিক নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য চাই নারী-পুরুষের যুগ্ম পদযাত্রা। চাই মুক্তবুদ্ধির চর্চা। একুশ শতকের মেয়েদের চোখে আজ অনেক স্বপ্ন। তবে স্বপ্ন তো চিরদিন স্বপ্ন হয়ে থাকে না। এগিয়ে যাবে মানুষ। বিভাবরী সূর্য উঠবেই।
Publication – Shabdo Prokashon
Author – Various Writers
Weight – 0.45kg
Binding – Hard Bound
হত্যান্বেষী
শোণিত উপাখ্যান’ ট্রিলজির প্রথম ভাগে আপনারা পরিচিত হয়েছেন পুলিশ অফিসার কায়েস আর রহস্যমানব অবলালের সাথে। খুনের তদন্তের সূত্রে ভয়ংকর তান্ত্রিক শৈলেন ভট্টাচার্যের অতিপ্রাকৃত শক্তি ও তার পিশাচের দলবলের সাথে মুখোমুখি হয়েছে তারা দু’জন। সামনে ভয়াবহ কোনো ঘটনার আভাস ইতিমধ্যেই তারা পেয়েছে। কিন্তু এখনও যে অনেক প্রশ্নের উত্তর অধরা!
সেইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে ফিরে যেতে হবে সুদূর অতীতে। এখন আশু প্রয়োজন সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের পুনরুদ্ধার। কালের পর্দা সরিয়ে উকি দিতে হবে মহাপরাক্রমী হূণ নেতা চেঙ্গিস খান কিংবা দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডার বা মোগল সম্রাট বাবরের দরবারে; জানতে হবে যুগ যুগ ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে রাখা ‘শোণিত মন্দির’-এর পুরোহিতদের কথা। জানতে চান, পিশাচের গ্রামে রুমীর সাথে কী ঘটেছিল? জানতে চান, অবলালের ইতিহাস? জানতে চান, ক্যাপ্টেন অ্যান্ড্রিয়াসের সাথে সাদা হাতের বৈরীতার উৎস?
সব প্রশ্নের উত্তর আছে রক্তের মাঝে, ‘শোণিত উপাখ্যান’-এ!
ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব ফোকলোর আর পাশ্চাত্যের সুপারন্যাচারাল উপাদানের মিশেলে, আধুনিক ঢাকা শহরের ব্যাকড্রপে নির্মিত এই কাহিনি বাংলা ভাষায় ফ্যান্টাসি ঘরানার একটি স্বকীয় এবং শক্তিশালী উদাহরণ।
আজ আপনার জন্য কাহিনির দ্বিতীয় ভাগ -“শোণিত উপাখ্যান : অতীত’।
বইয়ের কথা:
রোলি আর তিন্নি কলেজ স্ট্রিটে খুঁজে পেল একটি ডায়েরি, যাতে লেখা রয়েছে রক্তচুনির কথা। শুভায়ন ওর দুই ভাই বোনকে নিয়ে পারি দিল হিমালয়ের উত্তরে এক পাহাড়ি গ্ৰামে। পাগলা মধু আহরণ করে এই কুলুং উপজাতি জীবিকা নির্বাহ করে, ওদের দেবী রাংকেমি মা রাংগুরা গুহায় থাকেন। সেই গুহায় লুকিয়ে আছে রহস্য। গুপ্তচক্র, যারা খুঁজছে এক বিশেষ প্রাচীন পুঁথি। সিকিমের এক বৌদ্ধ মঠে যা ছিল লুকানো। ওদিকে সিটংএর কমলা বাগান ছেয়ে গেছে এক বিশেষ প্রজাতির পোকায়, নষ্ট হচ্ছে ফলন। রোলি তিন্নি আর শুভায়ন ঘুরতে গিয়ে জড়িয়ে যায় এক অন্য রহস্য জালে। তারা কি খুঁজে পাবে সেই বিশেষ পুঁথি ? জঙ্গলে শুধু পশুরাই পাচার হয় না, পাচার হয় মানুষও। বিয়ে হয়ে লাটাগুড়ির জঙ্গলে এসেছে রিনি, আর জড়িয়ে গেছে এক অদ্ভুত রহস্যে। ঋজুর মেলে অদ্ভুত কিছু প্রাণীর ছবি দেখে রিনি অবাক হয়। ওদিকে রাতুল হারিয়ে গেছে কোথায়, মিতুল কি খুঁজে পাবে তার দাদাকে? এই তিন রহস্য ধরা পড়েছে এই বইয়ের দুই মলাটে।
লেখক পরিচিতি:
দেবদত্তা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ লেখিকার জন্ম উত্তরবঙ্গোর ছোট্ট জনপদ মালবাজারে। পাহাড় ঝরণা আর চা বাগানের মাঝে ডুয়ার্সে বড় হয়েছেন। লেখার শখ ছোট থেকেই, বিভিন্ন দেওয়াল পত্রিকা, লিটিল ম্যাগ থেকে আস্তে আস্তে শুকতারা, নবকল্লোল, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতীর পাতায় আত্মপ্রকাশ। বৈবাহিক সূত্রে বর্তমানে বৃহত্তর কলকাতার বাসিন্দা। দুই সন্তানের জননী। নেশায় এক নিরলস সাহিত্য কর্মী, লিখতে ভালোবাসেন সব রকম বিষয়ের উপর। ছোটদের জন্য রহস্য গোয়েন্দা বা ভৌতিক জরের পাশাপাশি প্রাপ্তমনস্কদের জন্য ঐতিহাসিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস লিখতেও পছন্দ করেন। বিষয় থেকে বিষয়াস্তরে যেতেই ভালোবাসেন। এই বইতে রয়েছে একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস ও চারটি বড় গল্প। প্রতিটি গল্প সত্যকে সামনে রেখে কিছুটা কল্পনার আশ্রয়ে গড়ে উঠেছে।

