Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
Author : Surendranath Dashgupta
Binding : Hardcover
Language : Bengali
Publisher : KHORI PRAKASHANI
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 18 × 2 cm
Author Name
SURENDRANATH DASGUPTA
ISBN
9788196904784
Language
BENGALI
Pages
100
Publisher
KHORI PRAKASHANI
Publishing Year
2024
Binding
Hardcover
2025
0.5kg
বইয়ের কথা:
বাথরুমের দরজা তো বন্ধ ছিল। তাহলে ব্রুনো সাহেব কী করে টের পেল যে ভটকু ক্যামেরায় হাত দিচ্ছে? বারান্দা থেকে বাচ্চা ছেলেগুলোকে খেলা করতে দেখে রমেনবাবুর মুখের ভিতরটা কেমন যেন ভিজে গেল। অন্ধকারে রাতুলের মনে হচ্ছিল তার ব্যাগের লেন্সপকেটদুটো যেন আসলে দুটো হলুদ রঙের চোখ। এক্সজিবিশনে ছবিগুলো দেখে অমন চমকে উঠলেন কেন অতীন বিশ্বাস? হগসাহেবের বাজারে রাত্তিরবেলা পা টেনে টেনে ঘুরে বেড়ায় যে বুড়োটা, সে আসলে কে? এইসব গা ছমছমে প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে পড়তেই হবে, রাতের চৌকিদার।
লেখক পরিচিতি:
দীপান্বিতা রায়ের ছোটবেলা কেটেছে শিল্পশহর বার্নপুরে। স্কুলের পাঠ সেখানেই। তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক ৫ সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা। পেশায় বৈদ্যুতিন মাধ্যমের সাংবাদিক। লেখালিখির শুরু ২০০৮ সাল থেকে। ইতিমধ্যেই ছোটদের এবং বড়দের লেখার জগতে পরিচিত নাম। ছোটদের জন্য রূপকথা, অ্যাডভেঞ্চার, ভূত, গোয়েন্দা কিংবা কল্পবিজ্ঞান সবই তাঁর কলমে সমান মনোগ্রাহী। তাঁর লেখা বাহারে বারো, লাল-নীল রাজার দেশ, তেরোর ত্রাস, গবেষণাগারে গুপ্তচর, বড়মার বাক্স কিংবা মহীদাদুর অ্যান্টিডোট কিশোরদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। জাতীয় স্তরে ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট তাঁর বই প্রকাশ করেছে এবং সেই বই ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিতও হয়েছে। দীপান্বিতা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিশু কিশোর অ্যাকাডেমির এক্সিকিউটিভ কমিটির মাননীয় সদস্য এবং অ্যাকাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা চির সবুজ লেখার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। অ্যাকাডেমির তরফে প্রতিবছর যে আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয়, তিনি তারও কমিটি মেম্বার। চলচ্চিত্র উৎসবের বিভিন্ন প্রকাশনার দায়িত্বও তাঁর ওপরেই থাকে। দীপান্বিতা রায় পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পুরস্কার, গজেন্দ্রকুমার মিত্র সুমথনাথ ঘোষ পুরস্কার, সাধনা সেন পুরস্কার, দশভুজা পুরস্কার এবং নীল দিগন্ত পুরস্কার।
বইয়ের কথাঃ
শিহরন জাগানো রহস্য, রোমাঞ্চ ও ভয়ের গল্প কে না পছন্দ করে! তবে শিশু- কিশোরদের মন তাতে বেশি আন্দোলিত হয়। তাদের কোমল আবেগ এবং স্বপ্নভারাতুর জগৎ কৃত্রিম ভয়ের আনন্দে রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে। তাই শিশু-কিশোদের জন্যে লেখা কাহিনি হতে হয় সরল ও সরস। লীলা মজুমদার ‘অবনীন্দ্রনাথ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘শিশুদের জন্য লিখতে গেলে আরও কতকগুলো অলিখিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। ভাষা হওয়া চাই সহজ, সরল, কথার মানেটা যদিবা যুক্তির জগতে অগ্রাহ্য, রূপের জগতে, শব্দের জগতে কথাকে আগে বসতে হবে আসর জমিয়ে, ছোটো ছেলেমেয়েরা যাতে কথাগুলো পড়বামাত্র তার চোখের সামনে রূপের, রঙের শোভাযাত্রা শুরু হয়ে যায়। কানে বাজে মৃদঙ্গ, ঢোল, করতাল, জগঝম্প, শিঙা, অর্থাৎ প্রাণভরপুর ভাষা চাই, যা শুনলেই শিশুর মন চনমনিয়ে উঠবে।’ এই সঙ্কলনের গল্পগুলো তেমনই, ভাষার সরলতায় সজীব। ভিন্ন স্বাদের দশটি গল্প রয়েছে বইটিতে। রহস্য, রোমাঞ্চ, গা ছমছমে ভয় এবং একই সঙ্গে কৌতুকের মিশেল রয়েছে কাহিনিগুলোর পরতে- পরতে। আবার কোনও-কোনও গল্পের মানবিক আবেদন পাঠকের মনকে সহজেই আর্দ্র করে তুলতে পারে।
লেখক পরিচিতিঃ
ইমদাদুল হক মিলনের জন্ম বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ সেপ্টেম্বর। পিতার নাম গিয়াস উদ্দিন খান, মাতা আনোয়ারা বেগম। ঢাকার গেন্ডারিয়া হাই স্কুল থেকে এস এস সি পাশ করেন। এর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে সাম্মানিক স্নাতক তাঁর প্রথম প্রকাশিত কিশোর গল্প ‘বন্ধু’, ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ পত্রিকায়। প্রথম উপন্যাসের নাম ‘যাবজ্জীবন’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমির ‘উত্তরাধিকার’ সাহিত্য পত্রিকায়। তিন পর্বে তাঁর দীর্ঘ ‘নূরজাহান’ উপন্যাসটি কালজয়ী সাহিত্য হিসেবে গণ্য। ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে দেশবিদেশের নানা পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে তাঁর ‘নূরজাহান’ উপন্যাসের জন্যে পেয়েছেন ভারতের আই আই পি এম সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার। কাজী মাহবুবউল্লাহ পুরস্কার ২০১৮, আই এফ আই সি ব্যাঙ্ক সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ এবং ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে পেয়েছেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘একুশে পদক’। ২০১১ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময় থেকে ২০২১ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক কালের কণ্ঠ’-এর সম্পাদক ছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় তিনশোটি। তিনি ভারতসহ জার্মানি, ইংল্যান্ড, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, নেপাল, সিঙ্গাপুর ও তাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছেন।
থিয়েটার নিয়ে অঞ্জন
অভিজিৎ বসু
মানুষ তাঁকে উজাড় করে ভালবেসেছে একজন নাগরিক গাইয়ে হিসেবে, কথক হিসেবে। ফিল্মের অভিনেতা হিসেবেও তাঁর ব্যক্তিত্ব দাগ রেখেছে আমাদের মনে। কিন্তু নাটক? অন্তত ১৯টি নাটক এই শহরে বসেই একজীবনে পরিচালনা করেছেন তিনি। অভিনয় করেছেন দাপিয়ে। তার মধ্যে ‘মারা সাদ’ যেমন আছে, ইবসেনের ‘ডলস্ হাউস’ যেমন আছে, তেমনই আছে ‘গ্যালিলিও’ কিংবা ‘আরও একটা লিয়ার’। তিনি অঞ্জন দত্ত, যতটা গাইরে ঠিক ততটাই নাটককার, থেসপিয়ান। নঞ্চে তাঁর চলাচল সম্পূর্ণ ভিন্নধারার, ব্রেখট থেকে রবীন্দ্রনাথ হয়ে বাদল সরকার, গ্রহণে-বর্জনে অঞ্জন নিজে হয়ে উঠেছেন সমান্তরাল এক নাট্যস্বর। কিন্তু আনাদের অবহেলায় হারিয়ে গিয়েছে অঞ্জনের স্মরণীয় নাট্যজীবনের বহু অধ্যায়। মুছে গিয়েছে শত শত সন্ধের ছবি। এই অসহায়তা তাড়িত করেছে অভিজিৎ বসুকে। তিনি এক জায়গায় করতে চেয়েছেন অঞ্জন দত্তর থিয়েটার জীবনটাকে, তাঁর বোঝাপড়াকে, মুনসিয়ানার বিশেষ জায়গাগুলিকে। দিনের পর দিন, অঞ্জনের সামনে বসে শুনেছেন তাঁর কথা। প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে অঞ্জন দত্তকে দিয়ে বলিয়ে নিয়েছেন থিয়েটার নিয়ে এমন কিছু কথা, যা হয়তো না বলাই থেকে যেত।
উনিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে ভারতের বিজ্ঞানাকাশে যে ক’জন ভারতীয় নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছিল, রামব্রহ্ম সান্যাল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দুঃখের বিষয় আজ সম্ভবত তিনি সবচেয়ে বিস্মৃত।
রামব্রহ্মের ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হওয়া, কিন্তু চোখের অসুখ তাঁর পড়া শেষ করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্ধত্বের দিকে পা বাড়ানো হতাশাগ্রস্ত রামব্রহ্মের দিকে তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরই এক প্রফেসর।
অতি সামান্য কর্মচারীরূপে রামব্রহ্মের চিড়িয়াখানাতে প্রথম চাকরী। পরে তাঁর আর এক ইংরেজ প্রফেসারের কাছে শিক্ষানবিশি করে তিনি নিজের কর্ম দক্ষতায় চিড়িয়াখানার কার্যনির্বাহক কমিটির আস্থাভাজন হন।
কমিটির সদস্যদের ইচ্ছে ছিল যে কোনও বিজ্ঞানমনস্ক নৈর মিলিয়ার ভার নিলে তারা চিড়িয়াখানাটিকে ঠিকভাবে গড়ে নিতে পারবেন। অনেক চেষ্টা করেও সেই রকম ইংরেজ বা ইংরেজি আদব কায়দা জানা মানুষ পাওয়া গেল না। তখন বাধ্য হয়েই রামব্রহ্মের ওপর চিড়িয়াখানার ভার দেওয়া হল। রামব্রহ্মাই হলেন চিড়িয়াখানার প্রথম ভারতীয় তত্ত্বাবধায়ক। অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি চিড়িয়াখানার এবং নিজের সুনাম বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৮৯২ খ্রীস্টাব্দে তাঁর লেখা বই ” A Handbook of the Management of Animals in Captivity in Lower Bengal” বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। লন্ডন জুলজিক্যাল সোসাইটি তাঁকে Corresponding Member হিসাবে সম্মান জানায়। ১৮৯৮ খ্রীস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে “রায় বাহাদুর” উপাধিতে ভূষিত করেন এবং এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল তাঁকে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার নির্বাচিত করেন।
একজন বাঙালীর পক্ষে সেই যুগে এত সব সম্মানের অধিকারী হওয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত।
সীমান্ত গ্রামের ধুলোবালিতে বেড়ে ওঠা। কাঁটাতারের যন্ত্রণা ভুলতে সাঁতরে পার হওয়া ইছামতী। সময়ের সঙ্গে শুধুই জড়িয়ে পড়া স্বপ্নের প্যাঁচে। লিটলম্যাগ। মফঃস্বলের পত্রিকায় হাতেখড়ি। পেটে খিদে। ফেরার পথ ছিল না। তাই শুধুই লেখা। লিখতে লিখতে ভাত জোগাড়ের চেল। কত লেখা যে পুষ্টি পায়নি। কিন্তু জীবনকে কথা দিয়েছি, লিখেই যাব। গত ২০ বছর বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আরও শিখতে চাই। মিশে যেতে চাই অজস্র জীবনের সঙ্গে। ব্যক্তিগত কান্না নেই, নেই ব্যক্তিগত জয়।
পাল সাম্রাজ্যের পতন ও রামপাল এর নেতৃত্বে তার পুনরুদ্ধার ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায় ।
রামপালের পুত্র মদনপালের সান্ধিবিগ্রহিক ও কবি সন্ধ্যাকর নন্দী এই বিষয় নিয়েই রচনা করেন এই সংক্ষিপ্ত অথচ অনুপম কাব্য “রামচরিতম”। দুষ্প্রাপ্য সেই কাব্যটি নেপাল থেকে উদ্ধার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী । ইংরেজিতে তার সম্বন্ধে লিখে এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রথম প্রকাশ করেন। সেটি বর্তমানে পাওয়াও যায় না। ইতিমধ্যে আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে(১৩৩৪) অযোধ্যানাথ বিদ্যাবিনোদ নামে একজন পণ্ডিত নিজ উদ্যোগে ওই কাব্যের মূল দুটি অধ্যায় টীকা সমেত অনুবাদ করেন, ও দুটি অধ্যায় অবিকৃত রেখে পূর্ণাঙ্গ কাব্যটি প্রকাশ করেন। এটির ভূমিকা লিখেছিলেন খ্যাতনামা রমাপ্রসাদ চন্দ।
রত্নাবলী
আচার্য নাগার্জুন
অনু : ভিক্ষু সুমন পাল
ইয়াজিদি : সমাজ সংস্কৃতি ও ধর্ম
আবেদিন পুশকিন
ইয়াজিদিরা পৃথিবীর অন্যতম নির্যাতিত ধর্মীয় জনগোষ্ঠী। এরা কুর্দি ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী। ইরাকের কুর্দিস্তানে এদের একটি বড় অংশের বাস হলেও তুরস্ক ও সিরিয়ার কুর্দিস্তানেও তাদের বসবাস রয়েছে। কুর্দিস্তানের বাইরে জার্মানি, জর্জিয়া, আর্মেনিয়া ও রাশিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াজিদির বাস রয়েছে। সবমিলিয়ে এদের সংখ্যা হবে ৮-১০ লাখ। ইয়াজিদিরা আবার নতুন করে আলোচনায় আসে ‘ইসলামিক স্টেট’-এর গণহত্যার কারণে। গণহত্যার কারণ ইসলামিক স্টেটের বিচারে এরা শয়তানের উপাসক। এর আগেও বিভিন্ন জাতি- সম্প্রদায়ের হাতে গণহত্যার শিকার হয় তারা। প্রতিবারই গণহত্যার আগে এই ধরণের বিবৃতি দেয়া হয়। মূলত ইয়াজিদিদের ঈশ্বর বিষয়ক ধারনা, মুসলিম বা খ্রিস্টানদের চেয়ে আলাদা।
মোটামুটিভাবে ১৯৪০ থেকে আমৃত্যু বিভূতিভূষণের অন্তরঙ্গ অরণ্য-সহচর, বিহারের তৎকালীন মুক্য বনপাল যোগেন্দ্রনাথ সিংহ রচিত ‘পথের পাঁচালী কে বিভূতিবাবু’, বিভূতি-চর্চার ক্ষেত্রে একটি অমূল্য আকর-গ্রন্থ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। এটি যেন ঠিক বই নয়, একটি সঙ্গীত। প্রকৃতি-উপাসক বিভূতিবাবুকে বনের সাথে নিবিড় পরিচয় করান যোগেনবাবু। বিভূতিবাবু তাঁর হৃদয়ের গভীর কথা উজাড় করে দিয়েছিলেন, তাঁর এই অরণ্য-সহচরের কাছে। গ্রন্থের পাতায় পাতায় তারই অজানা-অচেনা কাহিনির আঁচড়। বিভূতি-চর্চার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটির পুনঃপ্রকাশ সাহিত্যক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।।
অলৌকিক অনুভব
মূর্তি মন্দির পরিক্রমার ভিন্ন আখ্যান
সোমা মুখোপাধ্যায়
ঈশ্বর আছে না নেই এ তর্ক বহুদিনের। কথামৃতে সহজভাবেই ঠাকুর এ নিয়ে নানাভাবে আলোচনা করেছেন। আমরা তো সেই নুনের পুতুলের মতো। সমুদ্রের তল মাপতে গিয়ে তার মাঝেই হারিয়ে যাই। অথবা সেই লোকটির মতো যে শ্রীক্ষেত্রে জগন্নাথ সাকার না নিরাকার একটা লাঠি নিয়ে পরীক্ষা করেছিল। যখন লাঠি জগন্নাথের বিগ্রহ স্পর্শ করেনি তখন তিনি তার কাছে নিরাকার আবার যখন লাঠি স্পর্শ করল বিগ্রহকে তখন জগন্নাথ দেব তার কাছে সাকার। আসল কথা ভক্তের ভগবান। কখনো তিনি মধুসূদন দাদা হয়ে ভক্তকে জঙ্গল পার করে দেন আবার কখনো ছোট মেয়ের বেশে ভক্তের ঘরের বেড়া বেঁধে দেন। সেদিক থেকে বলতে গেলে এই বইটি চেনা ছকে লেখা কোনো মন্দির ভ্রমণের কাহিনি নয়। এই কাহিনি বিশ্বাসের। হয়তো বা চেতন থেকে চৈতন্যের অনন্ত পথে পৌঁছে যাওয়ার এক দিশা।
হেশোরাম হুঁশিয়ারের ডায়েরি
কাহিনী — সুকুমার রায়
চিত্ররূপ — চার্বাক দীপ্ত
প্রফেসর হেশোরাম হুঁশিয়ারের গল্পের মধ্যে দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় এক অন্য সুকুমার রায়কে যিনি এই রচনায় খেয়াল রসের বাইরে গিয়ে অ্যাডভেঞ্চার ও অজানার প্রতি টানে ডুব দিয়েছিলেন। নানা আজগুবি জন্তু ও আশ্চর্য চরিত্রের সমারোহে এমন অভিযানের কাহিনি সেকালের বাংলা সাহিত্যে বিরল ছিল। এমনকী পরবর্তীকালে সুকুমারপুত্র সত্যজিৎ রায় তাঁর প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রের বীজ খুঁজে পেয়েছিলেন এই হেশোরাম হুঁশিয়ারের মধ্যেই। বন্দাকুশ পাহাড়ে সেই দুঃসাহসিক কালজয়ী অভিযানের কাহিনি এবার চার্বাক দীপ্তর তুলিতে জীবন্ত হয়ে নতুন রূপে কমিকসের আকারে এসে গেল।
জেনেটিক এঞ্জিনিয়ারিং-র যথেচ্ছ প্রয়োগ করে হাঁসজারু বা বকচ্ছপ সৃষ্টি অসম্ভব থাকবে না আর, মানুষ ক্লোনিং অবাধ হলে কী কাণ্ড যে ঘটবে, তা কল্পনা করতেও ভয় করে। পালটে যাবে প্রেম ও যৌনতার খোলনলচে, যন্ত্র হয়ে উঠবে মানুষের বিকল্প, এদিকে মানুষ আরও বেশি যান্ত্রিক হয়ে যাবে। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের ছবি কল্পনায় আঁকলে, সে কল্পনার মালমশলা বিজ্ঞান প্রযুক্তির ফিউচার ফোরকাস্ট থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। ‘আদর ৩০৩০’, ‘লোলা, লীলা, সিস আর যে আসছে’, ‘বিদায় অভিশাপ রিটার্ন’ ‘সামান্থা ও সিদ্ধেশ’- এমন সব কল্পগল্প ও একটি দুর্দান্ত নভেলা নিয়ে সাজানো এই সংকলন পাঠকের মন জয় করবেই।
লেখক পরিচিতি:
তৃষ্ণা বসাক এই সময়ের বাংলা সাহিত্যের একজন একনিষ্ঠ কবি ও কথাকার। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, কল্পবিজ্ঞান, মৈথিলী অনুবাদকর্মে তিনি প্রতি মুহুর্তে পাঠকের সামনে খুলে দিচ্ছেন অনাস্বাদিত জগৎ। জন্ম কলকাতায়। শৈশবে নাটক দিয়ে লেখালেখির শুরু, প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘সামগন্ধ রক্তের ভিতরে’, দেশ, ১৯৯২। প্রথম প্রকাশিত গল্প ‘আবার অমল’ রবিবাসরীয় আনন্দবাজার পত্রিকা, ১৯৯৫। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.ই. ও এম.টেক তৃষ্ণা পূর্ণসময়ের সাহিত্যকর্মের টানে ছেড়েছেন লোভনীয় অর্থকরী বহু পেশা। সরকারি মুদ্রণ সংস্থায় প্রশাসনিক পদ, উপদেষ্টা বৃত্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শী অধ্যাপনা, সাহিত্য আকাদেমিতে আঞ্চলিক ভাষায় অভিধান প্রকল্পের দায়িত্বভার-প্রভৃতি বিচিত্র অভিজ্ঞতা তাঁর লেখনীকে এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে। প্রাপ্ত পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে- সাহিত্য আকাদেমি ভ্রমণ অনুদান ২০০৮, পূর্ণেন্দু ভৌমিক স্মৃতি পুরস্কার ২০১২, সম্বিত সাহিত্য পুরস্কার ২০১৩, কবি অমিতেশ মাইতি স্মৃতি সাহিত্য সম্মান ২০১৩, ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার (বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ) ২০১৩, ডলি মিদ্যা স্মৃতি পুরস্কার ২০১৫, সোমেন চন্দ স্মারক সম্মান (পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি) ২০১৮, সাহিত্য কৃতি সম্মান (কারিগর) ২০১৯, কবি মৃত্যুঞ্জয় সেন স্মারক ২০২০, নমিতা চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য সম্মান, ২০২০ ও অন্যান্য আরো পুরস্কার। বর্তমানে কলকাতা ট্রান্সলেটরস ফোরামের সচিব।
অপারেশন আলবিদা
চিত্রদীপ চক্রবর্তী
১৯৯৯-এর ২৪ ডিসেম্বর। কাঠমান্ডু থেকে দিল্লি যাওয়ার আইসি-৮১৪ বিমান হাইজ্যাক করেছিলেন পাকিস্তানের পাঁচ জঙ্গি। এরা প্রত্যেকেই হরকত-উল-মুজাহিদিনের সদস্য ছিলেন। এক সপ্তাহ ধরে অপহরণকারীদের সঙ্গে কথাবার্তা চালানোর পরে শেষ পর্যন্ত ১৭৯ জন বিমান যাত্রীর প্রাণ বাঁচাতে পাকিস্তানের তিন কুখ্যাত জঙ্গি নেতাকে মুক্ত করতে বাধ্য হয় ভারত। যাঁদের মধ্যে অন্যতম জৈশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহার। দেশের তরফে সেই ঘটনায় অন্যতম মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। সেদিন একজন সাধারণ আইবি কর্তার ভূমিকা পালন করলেও নিজের মনের ভিতরে প্রতিশোধের আগুন জ্বলছিল তাঁর। বলতে গেলে তখন থেকেই ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’ লেখা হয়ে গিয়েছিল চিফ, বার্গার, ডক্টর, শঙ্কর এবং ভোলা কোডনেমের আড়ালে থাকা পাঁচ জঙ্গির। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, ধৈর্য এবং সুযোগের ফায়দা তুলে এদের মধ্যে সবচেয়ে খতরনাক জঙ্গিকে ২০২২-এর ১ মার্চ নিকেশ করেন র’-এর অফিসারেরা। এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে সেই টানটান উত্তেজনায় ভরা অপারেশনের বিস্তারিত বিবরণ। যে মিশনের নাম দেওয়া হয়েছিল—‘অপারেশন আলবিদা।’
Weight
0.5 kg
Dimensions
21 × 14 × 2 cm
Author Name
Abhik Dutta
Binding
Hardcover
ISBN
9789348544414
Language
Bengali
Pages
148
Publisher
Book Farm
Publishing Year
2025
We will notify if any of your ordered book is out of print or price revised due to reprint or new edition.
নিমন্ত্রণ
মানস শেঠ
অতিথিপরায়ণ বাঙালির ‘নিমন্ত্রণ’-এর অন্দরে থাকা সামাজিক ইতিহাস, লোকাচার ও মানবিক সম্পর্কের ভাষ্য নির্মাণের প্রচেষ্টা এই বই।
শেকল ভাঙার গান
অলোক সান্যাল
নূর একটি বাঘছানা। খেলতে খেলতেই সে শিখছে জঙ্গলের নিয়ম-কখন চুপ করে থাকতে হয়, কখন দৌড়তে হয়, আর কখন খিদে নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এই জঙ্গলে মানুষও আছে। পুরন্দর নামের এক পাহারাদার, যে বাঘেদের চেনে, ভালোবাসে। কিন্তু সব মানুষ কি তেমন? জঙ্গলের নিয়ম কি সবাই মানে? ‘শেকল ভাঙার গান’ এক বাঘছানার বড় হয়ে ওঠার গল্প, আর সেই সঙ্গে জঙ্গল আর মানুষের সম্পর্কের গল্প-যেখানে সবকিছু এত সহজ নয়, যতটা দূর থেকে মনে হয়।
মন্দির মিস্ট্রি
সমৃদ্ধ দত্ত
প্রচ্ছদ – পার্থপ্রতিম দাস
ভারতের ৫টি দেবস্থান নিয়ে সমৃদ্ধ দত্তের তথ্যসমৃদ্ধ অনুসন্ধান ‘মন্দির মিস্ট্রি’।
সমৃদ্ধ দত্ত তাঁর ‘মন্দির মিস্ট্রি’ বইটিতে সন্ধানী আলো ফেলেছেন ভারতের ৫টি দেবতীর্থে। প্রথমেই আছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরের বিপুল ধনরাশির কথা। সেই ভাণ্ডারে কেউ প্রবেশ করতে পারে না। সরকারি উদ্যোগে দরজা খোলার ব্যবস্থা হলে চাবি উধাও হয়ে যায় হঠাৎ করে। ভেতর থেকে আসে ফোঁস ফোঁস আওয়াজ। কথিত, দুই কাল সর্প পাহারা দেয় ভগবানের ধনরাশি।
দ্বিতীয় প্রবন্ধ পুত্তাপুর্তিতে অবস্থিত সাঁইবাবার আশ্রম নিয়ে। কোটি কোটি টাকা মূল্যের সেই সাম্রাজ্যের রয়েছে নিজস্ব এয়ারপোর্টও। জীবিত অবস্থায় যেমন বর্ণময় চরিত্র ছিলেন, মৃত্যুর পরেও সাঁইবাবা ছিলেন একাধিক রহস্যের কেন্দ্রে।
এর পরের প্রবন্ধ কেদারনাথ নিয়ে। ২০১৩-তে উত্তরাখণ্ডের প্রাকৃতিক ধ্বংসলীলার পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দেবাদিদেবের মন্দির। অগণিত মানুষ, ঘরবাড়ি ভেসে গেলেও রক্ষা পেয়েছিল মন্দিরটি। কীভাবে? লেখক সরেজমিনে দেখে এসে লিখেছিলেন সেই কাহিনি।
এর পরে আছে বেনারস এবং উজ্জয়িনী নিয়ে দুটো প্রবন্ধ। বেনারসের অলিগলিতে ছড়িয়ে থাকা নানা মন্দির নিয়ে অন্তরঙ্গ বর্ণনার শেষে আছে কাশীর তিনটি মন্দির নিয়ে রোমহর্ষক কাহিনি। আর উজ্জয়িনী? ওটা পাঠককেই পড়ে নিতে হবে।
অনন্ত পথের যাত্রী
অবিন সেন
প্রচ্ছদশিল্পী – দিবাকর চন্দ
জীবন এক অনন্ত পথের প্রহেলিকা। একদিকে ওড়িশা রাজ্যের সঙ্গে বিজয়নগর রাজ্যের একটা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ। অন্যদিকে গৌড়ের অধিপতির ওড়িশা রাজ্য বিজয়ের প্রবল আকাঙ্ক্ষা। এহেন এক অস্থির সময়ে নীলাচলে এসে উপস্থিত হলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। তাঁর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেল মহারাজা প্রতাপরুদ্রদেব আর রাজনীতির জটিল আবর্ত। কিন্তু উৎকলের রাজনীতিতে তাঁর এই প্রভাব অনেকেই মেনে নেয় না। শুরু হয় এক গভীর ষড়যন্ত্র। এই কূট রাজনীতিতে জড়িয়ে যায় রাজার মহিষী, বিদুষী রাজকুমারী তুক্কা, বণিক নৃসিংহ উপরায়, মন্ত্রী গোবিন্দ বিদ্যাধর ও আরও অনেক মানুষের জীবন। বিশ্বাসঘাতকতা, ষড়যন্ত্র, রাজনীতি আর মানবতার গভীর টানাপড়েন কোন অনন্তের দিকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে তাঁদের?
গানে ও সুরে : কিশোরকুমার
কুণাল দাশগুপ্ত
প্রচ্ছদশিল্পী – রোকু
বিষয় — ভারত বিভাগ
কলকাতার হৃদপিণ্ড লালবাজার, যেখানে প্রতিদিন জমা হয় অপরাধ, রহস্য আর অমীমাংসিত কেস ফাইল। শহরের ভিড়, আঁকাবাঁকা গলি আর রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে অগণিত অচেনা গল্প, যা সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। সেই অদৃশ্য রহস্যকে দৃশ্যমান করে তোলার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন লালবাজার স্পেশাল ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের নতুন অফিসার, স্বর্ণালী পাল চৌধুরী।
কঠোর শৃঙ্খলা, দৃঢ় মানসিকতা আর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ক্ষমতা নিয়ে স্বর্ণালী এগিয়ে চলেন একে একে পাঁচটি ভিন্ন কেসের পথে। কখনো হাওড়ার নদীপথে ভেসে ওঠা অঙ্গহীন দেহ, কখনো কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত খুন, আবার কখনো কলকাতার সঙ্গে জুড়ে যাওয়া পাহাড়ি শহরের নির্জন রাস্তায় চাপা পড়ে থাকা মৃত্যু। প্রতিটি রহস্য আলাদা, অথচ তাদের সুতো জুড়ে যায় অপরাধের অন্ধকার জগতে।
এই গল্পগুলো নিছক পুলিশের ডায়েরি নয়, এগুলো এক নারীর সাহসিকতা, তার মনের দ্বন্দ্ব আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার অবিরাম সংগ্রামের কথা। আর সেই সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্তকে শব্দে বন্দি করছেন তার সঙ্গী, স্বামী ও লেখক ভাস্কর পাল চৌধুরী।
এই উপন্যাসটি “বিচিত্রা” নামক বিখ্যাত মাসিক পত্রের ১৩৪২ সালের ভাদ্র, আশ্বিন, অগ্রহায়ণ ও পৌষ সংখ্যায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হইয়াছিল। জনসাধারণের নিকট আদৃত হওয়ায় আমি এক্ষণে ইহা পুস্তকাকারে প্রকাশ করিতে সাহস করিলাম। ইহাতে প্রাচীনকালের এক আর্য্যনারীর মহান্ চরিত্র বর্ণিত হইয়াছে। বঙ্গীয় কথা-সাহিত্যের এই বিপ্লবের যুগে সমাজে পুরাতন আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করিবার একটি ক্ষীণ প্রয়াস করিয়াছি। আমার বিশ্বাস যে, এই গুণবতী নারীর আখ্যায়িকা স্ত্রীলোকদিগের পক্ষে পরম হিতকর বলিয়া গৃহীত হইবে। যদি এই পুস্তক পাঠে আধুনিক মনোবৃত্তি সামান্যমাত্রও সংযত হয়, তাহা হইলে আমার উদ্যম সফল বলিয়া বিবেচনা করিব।
বইয়ের কথা:
সমস্ত গল্প মিলে এক, অথবা দুই মলাটের ভেতর সব আলাদা,ভিন্ন ভিন্ন। সেখানে জীবন আর বোধ মিলেমিশে থাকে, প্রেমের পাশেই অপ্রেম, ভয়ের পাশেই জয়। যে কোন ও লেখকই তাঁর জীবনের এক এক পর্বে এক এক রকম গল্প লেখেন। সেই গল্পের ভেতর ধরা থাকে সময়ের ইতিহাস।
লেখক পরিচিতি:
“পেন্ডুলাম” লিখে শুরু হয়েছিল জয়ন্ত দে’র গল্পের ভুবন। এর পরে একে একে লেখেন অবিস্মরণীয় সব ছোটগল্প। লেখালিখির প্রথম পর্বেই তাঁর ছোটগল্প সম্মানিত হয় পশ্চিমবঙ্গ বাংলা অকাদেমি প্রদত্ত সোমেন চন্দ পুরস্কারে। এই বাংলার সব নামী পত্রপত্রিকা তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়। ওপার বাংলাতেও তাঁর গল্প সমান সমাদৃত। বাংলাদেশ থেকেও প্রকাশিত হয়েছে একাধিক বই। লেখেন ছোটদের গল্প, উপন্যাস। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা চল্লিশ। পেশায় সাংবাদিক ও একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক। পেয়েছেন একাধিক সাহিত্য পুরস্কার, নামি পত্রপত্রিকায়।
বাংলায় অষ্টাদশ শতকে বর্গিহাঙ্গামা এক মর্মান্তিক ঐতিহাসিক ঘটনা। বাংলার গ্রামে গঞ্জে বর্গিহাঙ্গামা নিয়ে ছড়িয়ে আছে কত গল্প, ভয়াবহ কাহিনি, কিংবদন্তি। কোথাও প্রতিবাদ প্রতিরোধের কাহিনি। বীরভূমের সুপুরের এমনি এক বর্গি বিদ্রোহী ছিলেন বীর সন্ন্যাসী আনন্দচাঁদ গোস্বামী। কিছুটা ইতিহাস। বাকিটা কল্পনার রঙে আঁকা এই উপন্যাস। বর্গিহাঙ্গামার প্রেক্ষাপটে আদ্যান্ত বিয়োগান্তক প্রেমের কাহিনি। মানব প্রেম থেকে দিব্যপ্রেমের উত্তরণের কাহিনি বর্গি বিদ্রোহী।