Teen Bahu Saat Loke – তিন বাহু সাত লোক
কিন্তু এই সিম্বলগুলো কীসের? একটা সোজা ত্রিভুজ, একটা উল্টানো ত্রিভুজ। তারপর একটা পেট কাটা সোজা ত্রিভুজ, আবার একটা পেট কাটা উল্টানো ত্রিভুজ। সামনের ডেস্কটপ টা অন করলেন পক্ষীরাজ ঘোষদস্তিদার। ইন্টারনেটে সার্চ ইঞ্জিন চালু করলেন। বেশিক্ষণ লাগলো না, একটু খোঁজাখুঁজি করতেই সিম্বলগুলোর একটা সূত্র পেয়ে গেলেন। এগুলোকে বলে অ্যালকেমির প্রাথমিক চিহ্ন। সোজা ত্রিভুজটা হল ফায়ার, তারপরের উল্টানো ত্রিভুজটা ওয়াটার, পেটকাটা সোজা ত্রিভুজটা এয়ার, পেটকাটা উল্টানো ত্রিভুজটা আর্থ। গোল সারকেলটা গোল্ড, অর্ধেক সারকেলটা সিলভার, বাকি দুটো সোজা আর উল্টানো ঘটের মত চিহ্নদুটো হল লাইফ আর ডেথ।
আবার সব গোলমাল হয়ে গেল। অ্যালকেমির চিহ্নগুলো কী করছে ভারতের ম্যাপের পিছনে? আর এগুলো নালন্দার তাম্রপত্রেই বা আঁকা ছিল কেন? তিনদিন আগে আরেকটা নতুন জিনিস উদ্ধার করেছেন পক্ষীরাজ, ম্যাপের পিছনে আবছা নীল কালিতে আঁকা ওই বিশাল ডায়াগ্রামটা!





